১২৮ GB এর ফোন কিনেছেন, ভারী কোনো গেম নেই, ছবিও হাজার দুয়েক। তবু এক বছর পর Settings খুলে দেখলেন খালি জায়গা মাত্র ৬ GB, আর তালিকার সবচেয়ে বড় অংশটির গায়ে লেখা System অথবা Other। কিছু মুছলেও সংখ্যাটা তেমন নড়ে না, উল্টো দুদিন পর আবার Storage Full এর নোটিফিকেশন চলে আসে।
এই সমস্যার সমাধান কোনো Cleaner অ্যাপ নয়। সমাধান হলো স্টোরেজের ভেতরের হিসাবটা বুঝে ফেলা। Android আপনার স্টোরেজকে ঠিক যে ভাবে ভাগ করে রাখে, সেটি একবার বুঝে গেলে আপনি নিজেই বলতে পারবেন কোথায় হাত দিলে সবচেয়ে বেশি জায়গা ফিরে আসবে আর কোথায় হাত দিলে উল্টো ক্ষতি হবে।
এই টিউনে আমি একেবারে গোড়া থেকে শুরু করব। প্রথমে দেখাব নতুন ফোনেই কয়েক GB কম কেন দেখায়, তারপর দেখাব Settings এর Storage পাতাটি কীভাবে পড়তে হয়, এরপর ধাপে ধাপে এমন একটি পদ্ধতি দেব যা দিয়ে বেশিরভাগ ফোনে ১৫ থেকে ২০ GB জায়গা ফিরে পাওয়া সম্ভব, একটি দরকারি ফাইলও না হারিয়ে।
শুরুতেই একটি বিভ্রান্তি পরিষ্কার করে নেওয়া দরকার, কারণ এখানেই সবচেয়ে বেশি ভুল হয়। স্টোরেজ হলো ফোনের স্থায়ী ভান্ডার, যেখানে ছবি, ভিডিও, অ্যাপ ও অপারেটিং সিস্টেম জমা থাকে। বিদ্যুৎ চলে গেলেও এই তথ্য মুছে যায় না।
র্যাম হলো অস্থায়ী কাজের টেবিল, যেখানে এই মুহূর্তে চালু থাকা অ্যাপগুলো বসে কাজ করে। ফোন বন্ধ হলেই র্যাম খালি হয়ে যায়। তাই র্যাম খালি করার অ্যাপ দিয়ে স্টোরেজের কোনো উপকার হয় না, আর স্টোরেজ খালি করলে র্যামের সমস্যা মেটে না।
র্যাম ও মেমোরি ম্যানেজমেন্টের ভেতরের হিসাবটি আমি আগে আলাদা করে লিখেছি, সেটি পড়তে পারেন অ্যান্ড্রয়েড ফোনে RAM Cleaner ও Battery Saver অ্যাপ আসলে কী করে টিউনটিতে। এই টিউনের পুরো আলোচনা শুধু স্টোরেজ নিয়ে।
বক্সে ১২৮ GB লেখা থাকলেও ফোন চালু করে Settings এ গিয়ে দেখবেন মোট স্টোরেজ ১১৯ GB এর মতো, আর তার মধ্যে আগেই ২০ GB এর কাছাকাছি ব্যবহৃত। এটি প্রতারণা নয়, এর পেছনে দুটি সোজা কারণ আছে।
নির্মাতারা GB হিসাব করে দশভিত্তিক নিয়মে, অর্থাৎ ১ GB মানে ১০০ কোটি বাইট। কিন্তু অপারেটিং সিস্টেম হিসাব করে দুইভিত্তিক নিয়মে, যেখানে ১ GB মানে ১০৭৩৭৪১৮২৪ বাইট। এই পার্থক্যের কারণেই ১২৮ GB এর চিপ ফোনে প্রায় ১১৯ GB হিসেবে দেখা যায়।
এর পরের অংশটি খেয়ে ফেলে অপারেটিং সিস্টেম নিজেই। Android এর মূল অংশ, নির্মাতার নিজের স্কিন, Google এর বাধ্যতামূলক অ্যাপগুলো এবং আগে থেকে বসানো অ্যাপ মিলিয়ে আধুনিক ফোনে ১৫ থেকে ২৫ GB চলে যায়। এই অংশটিই Settings এ System নামে দেখানো হয়।
এই System অংশটি আপনি মুছতে পারবেন না এবং মুছতে চেষ্টাও করা উচিত নয়। তাই বাস্তব হিসাব করার সময় ধরে নিন, ১২৮ GB এর ফোনে আপনার নিজের কাজে আসল জায়গা প্রায় ৯৫ থেকে ১০০ GB।
যেকোনো পরিষ্কারের কাজ শুরুর আগে আপনাকে জানতে হবে জায়গাটা আসলে কে খাচ্ছে। অনুমানে কাজ করলে দরকারি ফাইল মুছে যায়, আর জায়গা তেমন বাড়ে না।
এই পাতায় সাধারণত Apps, Images, Videos, Audio, Documents, System ও Trash নামে ভাগ থাকে। এখানে দুটি শব্দ নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিভ্রান্তি হয়, তাই সেগুলো আলাদা করে বলি।
System হলো অপারেটিং সিস্টেম ও প্রি ইনস্টলড অংশ। এটি স্থির থাকে, বড়জোর বড় আপডেটের পর কিছুটা বাড়ে। এটি নিয়ে দুশ্চিন্তা করার কিছু নেই এবং এটি কমানোর কোনো নিরাপদ উপায়ও নেই।
Other হলো সেই সব ফাইল যেগুলো Android নির্দিষ্ট কোনো ভাগে ফেলতে পারেনি। এর ভেতরে থাকে অ্যাপের ভেতরের ডেটা, ডাউনলোড করা জিপ ও এপিকে, অফলাইনে রাখা ভিডিও, ম্যাপের ডেটা, লগ ফাইল ও অসম্পূর্ণ ডাউনলোড। বেশিরভাগ ফোনে হারিয়ে যাওয়া জায়গার সবচেয়ে বড় অংশ এখানেই লুকিয়ে থাকে।
শত শত ফোন ঘেঁটে দেখা যায়, অপরাধীর তালিকাটা প্রায় সবার ক্ষেত্রেই একই রকম। নিচের ক্রম অনুযায়ী কাজ করলে সবচেয়ে কম পরিশ্রমে সবচেয়ে বেশি জায়গা ফিরে আসে।
WhatsApp, Messenger, Telegram ও Imo প্রতিটি ছবি, ভিডিও, ভয়েস নোট ও স্টিকার ফোনে নামিয়ে রাখে। পরিবারের বা অফিসের একটি সক্রিয় গ্রুপে থাকলে মাসে দুই থেকে তিন GB শুধু ফরওয়ার্ড হওয়া ভিডিওতেই চলে যায়। বছর শেষে এটি দাঁড়ায় ২০ থেকে ৩০ GB।
মজার বিষয় হলো, এই ফাইলগুলো মুছে ফেললেও চ্যাটের লেখা অংশ অটুট থাকে। অর্থাৎ আপনি স্মৃতি হারাচ্ছেন না, শুধু আপনার কাজে না আসা ভিডিওগুলো সরাচ্ছেন।
ছবি নিয়ে বেশিরভাগ মানুষ দুশ্চিন্তা করেন, অথচ আসল ভিলেন ভিডিও। একটি সাধারণ ছবি ৩ থেকে ৬ MB, কিন্তু ভিডিওর হিসাব সম্পূর্ণ আলাদা।
অর্থাৎ 4K তে ধারণ করা মাত্র আধা ঘণ্টার ভিডিও একাই ১০ GB এর বেশি নিয়ে ফেলে। তাই ক্যামেরার ডিফল্ট রেজোলিউশন কমিয়ে রাখা সবচেয়ে কার্যকর একটি সিদ্ধান্ত।
ক্যাশ হলো অ্যাপের নিজের বানানো অস্থায়ী কপি, যাতে পরের বার দ্রুত খোলে। YouTube, Facebook, Instagram ও Chrome এই ক্যাশ জমিয়ে রাখে। ক্যাশ মুছলে কোনো তথ্য হারায় না, শুধু পরের বার অ্যাপ একটু ধীরে খোলে।
অ্যাপ ডেটা কিন্তু সম্পূর্ণ আলাদা জিনিস। এর ভেতরে থাকে আপনার লগইন, সেটিং ও অফলাইনে নামানো কনটেন্ট। Clear Data চাপলে অ্যাপ একদম নতুন অবস্থায় ফিরে যায় এবং আপনাকে আবার লগইন করতে হয়। তাই এই দুটির পার্থক্য মনে রাখা জরুরি।
Downloads ফোল্ডার হলো ফোনের সবচেয়ে অবহেলিত জায়গা। এখানে বছরের পর বছর জমে থাকে পুরোনো এপিকে, একবার দেখা পিডিএফ, অর্ধেক নামানো ভিডিও ও ডুপ্লিকেট ছবি। এর সাথে যোগ হয় Google Photos ও File ম্যানেজারের Trash, যেখানে মুছে ফেলা ফাইল ৩০ থেকে ৬০ দিন পর্যন্ত জায়গা দখল করে বসে থাকে।
এখন হাতে কলমে কাজ। নিচের ধাপগুলো ঠিক এই ক্রমেই করুন, কারণ ক্রমটি সাজানো হয়েছে সবচেয়ে বেশি লাভ থেকে সবচেয়ে কম লাভের দিকে। প্রতিটি ধাপ শেষে Storage পাতায় ফিরে গিয়ে সংখ্যাটা মিলিয়ে নিন, তাতে বুঝতে পারবেন কোন ধাপে কত জায়গা এল।
এই দশটি ধাপ ঠিক ভাবে করলে এক থেকে দুই বছর ব্যবহার করা একটি সাধারণ ফোনে ১৫ থেকে ২৫ GB জায়গা ফিরে আসে, আর এর মধ্যে একটিও দরকারি ছবি বা নথি হারায় না।
অনেকেই ভাবেন Google Photos এ ব্যাকআপ থাকলে ফোনের জায়গা নিয়ে আর ভাবতে হবে না। বাস্তবতা একটু ভিন্ন এবং এটি না জানলে হঠাৎ একদিন ব্যাকআপ বন্ধ হয়ে যায়।
তাই ব্যাকআপ চালু রাখার আগে একবার Google One এ ঢুকে দেখে নিন কোথায় কত জায়গা যাচ্ছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় Gmail এর পুরোনো অ্যাটাচমেন্ট ও Drive এ পড়ে থাকা ফাইল অনেকটা দখল করে বসে আছে।
আরেকটি বিষয় খেয়াল রাখুন। Google Photos এর Free up space শুধু ফোনের কপি মুছে, ক্লাউডের কপি রেখে দেয়। কিন্তু আপনি যদি Google Photos অ্যাপের ভেতর থেকে কোনো ছবি মুছে দেন, তবে সেটি ক্লাউড থেকেও মুছে যায়। এই দুটি কাজ আলাদা, গুলিয়ে ফেলবেন না।
Play Store এ Cleaner লিখে সার্চ দিলে শত শত অ্যাপ আসে, যেগুলো একটি বোতাম চেপে GB খালি করার প্রতিশ্রুতি দেয়। বাস্তবে এরা যা করে তা আপনি নিজেই Settings থেকে দুই মিনিটে করতে পারেন, অর্থাৎ ক্যাশ মুছে দেয় ও Trash খালি করে।
সমস্যা হলো এদের নিজেরই আকার প্রায়ই ১০০ MB এর বেশি, এরা সারাক্ষণ ব্যাকগ্রাউন্ডে চলে, বিজ্ঞাপণ দেখায় এবং অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অনুমতি চায়। ফলে দীর্ঘমেয়াদে এরা সমাধানের চেয়ে বেশি সমস্যা তৈরি করে। Android নিজের ভেতরে যে Storage manager ও Files by Google দিয়েছে, সেগুলোই যথেষ্ট এবং নিরাপদ।
এটি কেবল মনের ভুল নয়, এর পেছনে সত্যিকারের প্রকৌশলগত কারণ আছে। ফোনের স্টোরেজ হলো ফ্ল্যাশ মেমোরি, আর ফ্ল্যাশ মেমোরির একটি স্বভাব হলো, এটি সরাসরি পুরোনো তথ্যের ওপর নতুন তথ্য লিখতে পারে না। আগে ব্লকটি মুছতে হয়, তারপর লিখতে হয়।
যখন অনেক খালি ব্লক হাতে থাকে, কন্ট্রোলার আগে থেকেই ব্লক মুছে তৈরি রাখতে পারে, তাই লেখার কাজ দ্রুত হয়। স্টোরেজ প্রায় ভরে গেলে খালি ব্লক ফুরিয়ে যায় এবং প্রতিটি নতুন লেখার আগে কন্ট্রোলারকে তখনই জায়গা বানাতে হয়। এই বাড়তি কাজটির নাম Write Amplification এবং এখানেই গতি পড়ে যায়।
জায়গা খালি করার নেশায় পড়ে অনেকে ফাইল ম্যানেজার খুলে ফোল্ডার ধরে মুছতে শুরু করেন। এখানেই সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনাগুলো ঘটে। নিচের জিনিসগুলো থেকে দূরে থাকুন।
একটি সহজ নিয়ম মনে রাখুন। ছবি, ভিডিও, ডাউনলোড ও ক্যাশ মুছতে ভয় নেই। এর বাইরে কিছু মুছতে হলে আগে জেনে নিন সেটি ঠিক কী কাজে লাগে।
যাদের ফোনে এখনো কার্ড স্লট আছে, তাদের জন্য SD কার্ড একটি সস্তা সমাধান। তবে কার্ড কেনার সময় শুধু আকার নয়, গতির শ্রেণিটিও দেখতে হয়, নয়তো ভিডিও ধারণের সময় ফ্রেম পড়ে যায়।
কার্ডকে ফোনের ভেতরের স্টোরেজের অংশ বানানোর একটি সুবিধা কিছু ফোনে থাকে, যাকে বলে Adoptable storage। এটি চালু করলে কার্ডটি এনক্রিপ্ট হয়ে যায় এবং অন্য কোনো যন্ত্রে আর পড়া যায় না। কার্ড নষ্ট হলে ভেতরের অ্যাপ ডেটাও চলে যায়, তাই সাধারণ ব্যবহারকারীর জন্য এটি আমি পরামর্শ দিই না।
একবার পরিষ্কার করে ফেলা সহজ, কঠিন হলো তিন মাস পর আবার একই অবস্থায় ফিরে না যাওয়া। নিচের অভ্যাসগুলো একবার সেট করে দিলে কাজটি অনেকটাই নিজে নিজে হতে থাকে।
না। ক্যাশ হলো অ্যাপের নিজের বানানো অস্থায়ী কপি। মুছলে শুধু পরের বার অ্যাপ একটু ধীরে খোলে, আর কিছুই হারায় না।
Clear cache শুধু অস্থায়ী ফাইল মুছে। Clear data অ্যাপটিকে একদম নতুন অবস্থায় ফিরিয়ে দেয়, ফলে লগইন ও সেটিং সব চলে যায়।
না। রিস্টার্ট শুধু র্যাম খালি করে, স্টোরেজে কোনো প্রভাব ফেলে না।
জায়গা পাওয়া যায়, কারণ আপনার সব ফাইল ও অ্যাপ মুছে যায়। তবে System অংশটি একই থাকে, তাই নতুন ফোনের চেয়ে বেশি খালি জায়গা পাবেন না। এটি সবচেয়ে শেষ উপায় হিসেবে ভাবুন।
ব্যাকআপ সম্পূর্ণ হয়েছে কি না তা নিশ্চিত হওয়ার পর নিরাপদ। তবে অ্যাপের ভেতর থেকে মুছবেন না, বরং Free up space ব্যবহার করুন, কারণ প্রথমটি ক্লাউড থেকেও মুছে ফেলে।
ফোনের স্টোরেজ ভরে যাওয়া কোনো রহস্য নয়, এটি নিছক হিসাবের ব্যাপার। মোট জায়গার একটি বড় অংশ অপারেটিং সিস্টেম আগেই নিয়ে বসে আছে, বাকিটার সবচেয়ে বড় অংশ খায় মেসেজিং অ্যাপের মিডিয়া ও ক্যামেরার ভিডিও, আর তারপরের অংশ খায় ক্যাশ ও ভুলে যাওয়া ডাউনলোড।
এই তিনটি জায়গায় ঠিক ভাবে হাত দিলে কোনো Cleaner অ্যাপ ছাড়াই বড় অঙ্কের জায়গা ফিরে আসে, আর ফোনের গতিও ফিরে আসে, কারণ ফ্ল্যাশ মেমোরি খালি জায়গা পেলে অনেক দ্রুত কাজ করে।
আজই একবার Settings এর Storage পাতা খুলে দেখুন, আপনার ফোনে সবচেয়ে বড় ভাগটি কার নামে লেখা। আর উপরের দশ ধাপের কোন ধাপে আপনি সবচেয়ে বেশি জায়গা ফিরে পেলেন, সেটি টিউমেন্টে জানাবেন। আপনার হিসাবটি অন্য টিউডারদেরও কাজে লাগবে।
এই টিউনের সাথে মিলিয়ে পড়তে পারেন ফোনের ব্যাটারি হেলথ কেন দ্রুত কমে যায় এবং ঘরের WiFi স্লো কেন হয় টিউন দুটি।
আমি নাছিরুল হক। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 2 দিন 22 ঘন্টা যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 19 টি টিউন ও 0 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 0 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 0 টিউনারকে ফলো করি।
আমি নাছিরুল হক। প্রোগ্রামিং আর প্রযুক্তি নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করতে ভালোবাসি। টেকটিউনসে মূলত Java প্রোগ্রামিং নিয়ে ধাপে ধাপে হাতে কলমে টিউটোরিয়াল লিখি — JDK ইনস্টল ও এনভায়রনমেন্ট সেটআপ থেকে শুরু করে IntelliJ IDEA, Exception Handling, OOP, Java Swing ও ফাইল হ্যান্ডলিং পর্যন্ত। এছাড়া স্মার্টফোন, ব্যাটারি ও নেটওয়ার্ক নিয়ে সহজ ভাষায় ব্যাখ্যামূলক...