
সকালে ল্যাপটপের পাওয়ার বাটন চেপে আপনি চা বানাতে গেলেন। ফিরে এসে দেখলেন স্ক্রিনে এখনও ঘুরন্ত ডট, ডেস্কটপ আসতে আরও এক মিনিট বাকি। যে মেশিনটা কেনার সময় পঁচিশ সেকেন্ডে চালু হত, সেটাই এখন চার মিনিট নেয়। Chrome খুলতে গেলে ফ্যান হঠাৎ প্লেনের মত শব্দ শুরু করে, আর তিনটা ট্যাব খুললেই মাউস কার্সর আটকে যায়।
এই অবস্থায় বেশিরভাগ মানুষ দুইটা কাজ করেন। কেউ সার্চ করে র্যান্ডম একটা ক্লিনার সফটওয়্যার নামিয়ে ফেলেন, কেউ দোকানে গিয়ে বলেন নতুন করে উইন্ডোজ দিয়ে দিন। দুইটার কোনটাই আসল সমাধান নয়, কারণ সমস্যাটা ঠিক কোথায় সেটাই এখনও নির্ণয় করা হয়নি। ডাক্তার যেমন পরীক্ষা ছাড়া ওষুধ দেন না, কম্পিউটারের ক্ষেত্রেও নিয়মটা একই।
এই টিউনে আমরা উল্টো পথে হাঁটব। আগে মাপব, তারপর ঠিক করব। প্রথমে জানব একটা মেশিন আসলে কেন স্লো হয়, তারপর ষাট সেকেন্ডে রোগ নির্ণয় করব, এরপর ছয়টা ধাপে ধরে ধরে ঠিক করব। শেষে দেখব কোন আপগ্রেডে আসলে টাকা দেওয়া যুক্তিযুক্ত, আর কোন জনপ্রিয় টিপসগুলো আপনার মেশিনের ক্ষতি করছে। একটা কথা শুরুতেই বলে রাখি, এখানে কোন থার্ড পার্টি ক্লিনার সফটওয়্যার নামাতে বলা হবে না।
একটা প্রসেসর বয়স বাড়ার সাথে ধীরে চলতে শুরু করে না। সিলিকনের ভেতরের ট্রানজিস্টর পাঁচ বছর পরেও প্রায় একই গতিতে সুইচ করে। তাহলে পাঁচ বছরের পুরোনো ল্যাপটপ স্লো লাগে কেন। কারণ মেশিন একই থেকেছে, কিন্তু তার উপর চাপানো কাজের ভার দ্বিগুণ হয়ে গেছে।
যে সময় আপনি ল্যাপটপটা কিনেছিলেন, তখনকার একটা ওয়েবসাইট হয়ত দুই মেগাবাইট ডেটা আর সামান্য জাভাস্ক্রিপ্ট চালাত। এখন একই ধরনের সাইট অনেক বেশি স্ক্রিপ্ট, ট্র্যাকার আর ভিডিও নিয়ে আসে। ব্রাউজারের প্রতিটা ট্যাব এখন আলাদা প্রসেস হিসেবে চলে, প্রতিটা প্রসেস আলাদা করে RAM নেয়।
একই সাথে উইন্ডোজ নিজেও ভারী হয়েছে, ব্যাকগ্রাউন্ডে ইনডেক্সিং, সিঙ্ক, টেলিমেট্রি আর আপডেট সার্ভিস চলে। এর উপর বছরের পর বছর ইনস্টল করা সফটওয়্যারগুলো নিজেদের আপডেটার আর স্টার্টআপ এন্ট্রি রেখে গেছে। ফলে একই হার্ডওয়্যারের ঘাড়ে এখন অনেক বেশি বোঝা।
মজার ব্যাপার হল, মানুষ সবচেয়ে বেশি টাকা খরচ করে CPU নিয়ে ভাবতে, অথচ বাস্তবে Storage আর Thermal ঠিক করলেই সমস্যার সিংহভাগ চলে যায়।
কোন সেটিং বদলানোর আগে জানতে হবে বাধাটা কোথায়। এই পরীক্ষাগুলোর জন্য কিছু নামাতে হবে না, সবই উইন্ডোজের ভেতরেই আছে।
Task Manager এর Startup apps ট্যাবে গেলে ডান দিকের উপরে Last BIOS time নামে একটা সংখ্যা দেখবেন। এটা উইন্ডোজ শুরু হওয়ার আগে হার্ডওয়্যার প্রস্তুত হতে যে সময় নেয়। সাধারণ ল্যাপটপে এটা তিন থেকে দশ সেকেন্ডের মধ্যে থাকে।
এখানে গুরুত্বপূর্ণ কলামটা হল Startup impact। High লেখা প্রতিটা এন্ট্রি আপনার বুট টাইম সরাসরি বাড়াচ্ছে। এই তালিকাটাই আমরা পরের ধাপে পরিষ্কার করব।
Get-PhysicalDisk | Select FriendlyName, MediaType, HealthStatusএই একটা কমান্ডের ফল দিয়েই আপনি বুঝে যাবেন বাকি পথটা কেমন হবে। MediaType যদি HDD দেখায়, তবে এই টিউনের সব সফটওয়্যার টিউনিং মিলিয়ে যা লাভ হবে, একটা SSD লাগালে তার চেয়ে বেশি লাভ হবে।
উইন্ডোজ চালু হওয়ার সময় ডজন খানেক প্রোগ্রাম নিজে থেকে চালু হতে চায়। এদের বেশিরভাগই আপনার দরকার নেই, অথচ প্রত্যেকে ডিস্ক আর RAM এর ভাগ নিয়ে যায়।
স্টার্টআপ ছাড়াও ব্যাকগ্রাউন্ড অনুমতি নিয়ন্ত্রণ করা যায়। Settings এ Apps খুলে Installed apps এ যান, যে অ্যাপটি নিয়ে সন্দেহ সেটির তিন ডট থেকে Advanced options খুলুন, তারপর Background apps permissions এ Never নির্বাচন করুন। মেইল বা মেসেজিং অ্যাপে এটা করলে নোটিফিকেশন দেরিতে আসবে, তাই বেছে বেছে করুন।
সি ড্রাইভ যখন প্রায় ভরে যায়, উইন্ডোজ আর স্বাভাবিক ভাবে কাজ করতে পারে না। কারণ তার অস্থায়ী ফাইল, আপডেট আর Paging এর জন্য জায়গা দরকার। একটা সাধারণ নিয়ম মনে রাখুন, সি ড্রাইভে অন্তত পনেরো শতাংশ জায়গা সব সময় খালি রাখুন।
একই Storage পাতার নিচে Show more categories এ ক্লিক করলে Other নামের একটা ভাগ পাবেন। সেখান থেকে ফোল্ডার ধরে ধরে দেখতে পারবেন কোন ফোল্ডার সবচেয়ে বেশি জায়গা খেয়েছে। বেশিরভাগ ল্যাপটপে অপরাধী তিনটা জিনিস, পুরোনো ভিডিও, WhatsApp ও Messenger এর ডেস্কটপ ক্যাশ, আর অনেকগুলো আধা ডাউনলোড করা সেটআপ ফাইল।
যদি ল্যাপটপে দুইটা ড্রাইভ থাকে, তবে ডকুমেন্ট, ছবি আর ভিডিওর ফোল্ডারগুলো ডি ড্রাইভে সরিয়ে নিন। এতে সি ড্রাইভ হালকা থাকবে আর ভবিষ্যতে উইন্ডোজ রিসেট করলেও আপনার ফাইল আলাদা থাকবে।
উইন্ডোজের অ্যানিমেশন আর কাঁচের মত ট্রান্সপারেন্সি দেখতে সুন্দর, কিন্তু পুরোনো ইন্টিগ্রেটেড গ্রাফিক্সে এগুলো প্রতিটা ক্লিকে বাড়তি কাজ যোগ করে। এগুলো কমালে মেশিনের গতি না বাড়লেও প্রতিক্রিয়া অনেক দ্রুত মনে হয়, আর ব্যবহারকারীর কাছে সেটাই আসল অনুভূতি।
সত্যি কথাটা হল, বেশিরভাগ মানুষের ল্যাপটপ উইন্ডোজের কারণে স্লো নয়, ব্রাউজারের কারণে স্লো। আট গিগাবাইট RAM এর একটা মেশিনে বিশটা ট্যাব খোলা থাকলে আর দশটা এক্সটেনশন চালু থাকলে সেই মেশিনের আটকে যাওয়াটাই স্বাভাবিক।
এখানে একটা হিসাব মনে রাখলে সুবিধা হয়। প্রতিটা সাধারণ ট্যাব প্রায় পঞ্চাশ থেকে দুইশ মেগাবাইট RAM নিতে পারে, ভিডিও বা ভারী ওয়েব অ্যাপ হলে আরও বেশি। তাই বিশটা ট্যাব মানে অনেক সময় দুই থেকে তিন গিগাবাইট RAM, যেটা আট গিগাবাইটের মেশিনের জন্য বড় ধাক্কা।
অনেক সময় স্লো হওয়ার কারণ কোন অ্যাপ নয়, বরং উইন্ডোজের নিজের কিছু সিস্টেম ফাইল নষ্ট হয়ে যাওয়া। এতে সার্চ কাজ করে না, সেটিংস খুলতে দেরি হয়, বা কোন সার্ভিস বারবার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে CPU খেতে থাকে। এর জন্য উইন্ডোজে দুইটা তৈরি করা টুল আছে।
sfc /scannow আর এন্টার দিন। এটা সিস্টেম ফাইল মিলিয়ে দেখে নষ্ট ফাইল ঠিক করে, সময় নেয় দশ থেকে ত্রিশ মিনিট। DISM /Online /Cleanup-Image /RestoreHealth আর এন্টার দিন। এটা উইন্ডোজের মূল ইমেজটাই মেরামত করে। ড্রাইভারের ব্যাপারে একটা কথা পরিষ্কার করে বলা দরকার। ড্রাইভার আপডেট করার জন্য কোন থার্ড পার্টি Driver Updater সফটওয়্যার নামাবেন না, ওগুলো প্রায়ই ভুল ড্রাইভার বসিয়ে সমস্যা বাড়ায়। বরং Settings এ Windows Update খুলে Advanced options এ যান, তারপর Optional updates দেখুন, ড্রাইভার থাকলে ওখানেই পাবেন। গ্রাফিক্স ড্রাইভার দরকার হলে সরাসরি Intel, AMD বা NVIDIA এর নিজের সাইট থেকে নামান।
এই ধাপটা বাকি সবগুলোর চেয়ে বেশি ফল দিতে পারে, অথচ এটা নিয়ে সবচেয়ে কম আলোচনা হয়। প্রসেসর যখন নির্দিষ্ট তাপমাত্রা ছাড়িয়ে যায়, তখন সে নিজেকে বাঁচাতে নিজের ঘড়ির গতি অনেক নিচে নামিয়ে দেয়। ফলে কাগজে কলমে দ্রুত একটা প্রসেসর বাস্তবে অর্ধেক গতিতে চলতে থাকে।
একটা ধুলোভরা তিন বছরের ল্যাপটপ পরিষ্কার করার পর অনেক সময় এমন সাড়া দেয় যে মালিক ভাবেন নতুন উইন্ডোজ দেওয়া হয়েছে। অথচ কোন সফটওয়্যারে হাতই দেওয়া হয়নি।
সফটওয়্যার টিউনিংয়ের একটা সীমা আছে। সেই সীমার পর আসল লাফটা আসে হার্ডওয়্যার থেকে। কিন্তু সব আপগ্রেড সমান ফল দেয় না, তাই অগ্রাধিকারটা জানা দরকার।
যদি এখনও HDD চলে, তবে SSD লাগানোই সবচেয়ে বড় পরিবর্তন। বুট টাইম প্রায়ই তিন থেকে চার মিনিট থেকে বিশ সেকেন্ডের ঘরে নামে, অ্যাপ খোলার অপেক্ষা প্রায় শেষ হয়ে যায়। খরচের তুলনায় এর ফল অন্য যেকোন আপগ্রেডের চেয়ে বেশি।
আট গিগাবাইট থেকে ষোল গিগাবাইটে যাওয়া তখনই যুক্তিযুক্ত, যখন Task Manager এ দেখেছেন স্বাভাবিক কাজেই Memory প্রায় পূর্ণ থাকে। মনে রাখবেন RAM বাড়ালে মেশিন দ্রুত হয় না, বরং একসাথে বেশি কাজ চালানোর সামর্থ্য বাড়ে। কেনার আগে ল্যাপটপের মডেল দেখে নিশ্চিত হয়ে নিন কোন ধরনের RAM লাগে আর খালি স্লট আছে কি না।
ব্যাটারি অনেক দুর্বল হয়ে গেলে কিছু ল্যাপটপ নিজে থেকেই পারফরম্যান্স কমিয়ে দেয়, কারণ ব্যাটারি চাহিদা মত বিদ্যুৎ দিতে পারে না। এই বিষয়টা নিয়ে বিস্তারিত জানার আগে বুঝে নিন আপনার ব্যাটারির অবস্থা আসলে কী।
ইন্টারনেটে পিসি ফাস্ট করার নামে এমন অনেক পরামর্শ ঘোরে যেগুলো হয় অর্থহীন, নয়ত ক্ষতিকর। এই তালিকাটা মনে রাখলে অনেক ভোগান্তি বাঁচবে।
আরেকটা কথা, Pagefile পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার পরামর্শও অনেক জায়গায় দেখবেন। এটা করলে RAM ভরে গেলে অ্যাপ হঠাৎ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এটা উইন্ডোজের নিজের ব্যবস্থাপনায় ছেড়ে দেওয়াই সবচেয়ে ভালো।
বাংলাদেশে এখনও প্রচুর ল্যাপটপ Windows 10 এ চলছে, তাই এই অংশটা আলাদা করে জানা দরকার। Windows 10 এর নিয়মিত সাপোর্ট শেষ হয়েছে ২০২৫ সালের ১৪ অক্টোবর। এরপর মাইক্রোসফট সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য একটা বাড়তি নিরাপত্তা আপডেটের ব্যবস্থা রেখেছে, যার নাম Extended Security Updates।
একটা বিষয়ে সতর্ক থাকুন। পুরোনো ও দুর্বল হার্ডওয়্যারে জোর করে Windows 11 বসালে অনেক সময় মেশিন আগের চেয়ে ধীর লাগে। তাই আগে এই টিউনের ধাপগুলো শেষ করুন, তারপর সিদ্ধান্ত নিন।
সব ধাপ শেষ করেও যদি সমস্যা থাকে, তবে সবকিছু মুছে নতুন উইন্ডোজ দেওয়ার আগে আরও দুইটা ধাপ আছে।
এই দুইটার কোনটা করার আগেই ব্যাকআপ নিন, ব্যতিক্রম নেই। বাইরের একটা হার্ডডিস্কে দরকারি ফোল্ডারগুলো কপি করে রাখুন, আর কাজটা যদি নিয়ম করে স্বয়ংক্রিয় ভাবে করতে চান তবে উইন্ডোজের নিজের টুল দিয়েই সেটা সম্ভব।
যায়, এবং সেটাই সঠিক পথ। উপরের প্রতিটা কাজ উইন্ডোজের নিজের সেটিংস দিয়েই করা হয়েছে। যেসব ক্লিনার নিজেদের বিজ্ঞাপণে বড় সংখ্যা দেখায়, তারা মূলত অস্থায়ী ফাইল মুছে সেই জায়গাকেই সাফল্য হিসেবে দেখায়, যেটা উইন্ডোজ নিজেই বিনামূল্যে করে দেয়।
সাধারণ ব্রাউজিং, ডকুমেন্ট আর ভিডিও দেখার জন্য আট গিগাবাইট এখনও চলে, যদি আপনি ট্যাবের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখেন। কিন্তু ভিডিও এডিটিং, ভার্চুয়াল মেশিন বা একসাথে অনেক ভারী অ্যাপ চালাতে চাইলে ষোল গিগাবাইট দরকার হবে।
না, এটা অপ্রয়োজনীয় এবং ঝুঁকিপূর্ণ। প্রতিবার নতুন করে উইন্ডোজ দেওয়া মানে প্রতিবার আপনার ডেটা হারানোর সুযোগ তৈরি করা। ভালো ভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা একটা উইন্ডোজ কয়েক বছর নির্ভরযোগ্য ভাবে চলতে পারে।
দুইটার কাজ কাছাকাছি, তবে Storage Sense আধুনিক এবং স্বয়ংক্রিয়। একবার চালু করে দিলে আপনাকে আর মনে রাখতে হয় না, তাই দৈনন্দিন ব্যবহারে এটাই বেশি কাজের।
দুইটা পথই আছে। পুরোনো ড্রাইভ থেকে ক্লোন করে নেওয়া যায়, আবার নতুন করে উইন্ডোজ বসিয়ে ডেটা কপি করে নেওয়া যায়। নতুন করে বসানো একটু বেশি সময় নেয়, তবে ফল সাধারণত বেশি পরিষ্কার হয়।
একটা স্লো ল্যাপটপ প্রায় কখনও একটা কারণে স্লো হয় না। ভরা স্টোরেজ, বারোটা স্টার্টআপ অ্যাপ, ধুলোভরা ফ্যান আর কুড়িটা ব্রাউজার ট্যাব মিলে একসাথে গলা চেপে ধরে। ভালো খবর হল, এই চারটার প্রতিটাই আপনি আজ বিকেলেই ঠিক করে ফেলতে পারেন, একটা টাকাও খরচ না করে।
আপনার কাছে অনুরোধ, উপরের ধাপগুলো শুরু করার আগে Task Manager এর Startup apps ট্যাব খুলে Last BIOS time এর সংখ্যাটা আর High লেখা এন্ট্রির সংখ্যাটা একবার দেখে নিন। তারপর ধাপগুলো শেষ করে আবার দেখুন।
টিউমেন্টে শুধু দুইটা সংখ্যা লিখে জানান, আপনার Last BIOS time কত ছিল আর High লেখা স্টার্টআপ এন্ট্রি কয়টা পেয়েছেন। আর আপনার ড্রাইভ HDD না SSD সেটাও লিখে দিন, আমি বলে দিতে পারব আপনার ক্ষেত্রে কোন ধাপটা সবচেয়ে বেশি কাজে দেবে।
সৌজন্যে: উইন্ডোজে Robocopy ও Task Scheduler দিয়ে অটোমেটিক ফাইল ব্যাকআপ সিস্টেম তৈরির পদ্ধতি | ফোনের ব্যাটারি হেলথ কেন দ্রুত কমে যায় ও ব্যাটারির আয়ু বাড়ানোর উপায় | ফোনের স্টোরেজ ভরে যায় কেন ও নিরাপদে জায়গা খালি করার পদ্ধতি | মোবাইল ডেটা এত দ্রুত শেষ হয় কেন ও MB বাঁচানোর সম্পূর্ণ পদ্ধতি
আমি নাছিরুল হক। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 3 দিন 11 ঘন্টা যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 23 টি টিউন ও 3 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 0 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 2 টিউনারকে ফলো করি।
আমি নাছিরুল হক। প্রোগ্রামিং আর প্রযুক্তি নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করতে ভালোবাসি। টেকটিউনসে মূলত Java প্রোগ্রামিং নিয়ে ধাপে ধাপে হাতে কলমে টিউটোরিয়াল লিখি — JDK ইনস্টল ও এনভায়রনমেন্ট সেটআপ থেকে শুরু করে IntelliJ IDEA, Exception Handling, OOP, Java Swing ও ফাইল হ্যান্ডলিং পর্যন্ত। এছাড়া স্মার্টফোন, ব্যাটারি ও নেটওয়ার্ক নিয়ে সহজ ভাষায় ব্যাখ্যামূলক...