মোবাইলে প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং ২০২৬ – বেস্ট ফ্রি অ্যাপ 📱✂️

হ্যালো বন্ধুরা, কেমন আছেন আপনারা, আজকে আমি আপনাদের সাথে খুবই গুরুত্বপূর্ণ আর ইন্টারেস্টিং একটা বিষয় নিয়ে কথা বলবো। ২০২৬ সালে মোবাইলে প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং করা এখন খুব সহজ হয়ে গেছে, বিশেষ করে ফ্রি অ্যাপ দিয়ে। আগে যেখানে কম্পিউটার লাগতো, এখন শুধু ফোন দিয়েই ইউটিউব, টিকটক, ইনস্টাগ্রাম রিলসের জন্য প্রো লেভেলের ভিডিও বানানো যায়। আমি নিজে এই অ্যাপগুলো মোবাইলে টেস্ট করে দেখেছি এবং আজ আপনাদের সেরা কয়েকটা ফ্রি অ্যাপের ডিটেলস বলবো। কোন অ্যাপে কী কী ফিচার আছে, কীভাবে লগইন করবেন সব বলবো। চলুন শুরু করি!

১. CapCut

২০২৬ সালে মোবাইল ভিডিও এডিটিংয়ের কিং। ByteDance (টিকটকের কোম্পানি) এটা বানিয়েছে। আমি নিজে এটা দিয়ে অনেক রিলস এবং শর্ট ভিডিও এডিট করেছি।

কী কী করা যায়?

অটো ক্যাপশন জেনারেট, AI ইফেক্টস, ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ, কীফ্রেম অ্যানিমেশন, মাল্টি-লেয়ার টাইমলাইন, ট্রানজিশন, টেক্সট, মিউজিক লাইব্রেরি, এবং নো ওয়াটারমার্ক ফ্রিতে। প্রফেশনাল লুকের জন্য পারফেক্ট, বিশেষ করে শর্ট ফর্ম কনটেন্টের জন্য।

লগইন করতে?

গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপ স্টোর থেকে ডাউনলোড করে ওপেন করুন, তারপর টিকটক, গুগল, ফেসবুক বা ইমেইল দিয়ে সাইন ইন করুন। আমি গুগল দিয়ে করেছি, সেকেন্ডের মধ্যে হয়ে যায়। ফ্রি ভার্সনে প্রায় সব ফিচার পাওয়া যায়, প্রিমিয়াম শুধু অতিরিক্ত ইফেক্টের জন্য।

২. VN Video Editor (Vlog Now)

অনেকে বলে ফ্রি-তে সেরা প্রফেশনাল অ্যাপ। আমি নিজে এটা ব্যবহার করে দেখেছি যে এতে ওয়াটারমার্ক নেই, এবং ইন্টারফেস খুব ক্লিন।

কী কী করা যায়?

মাল্টি-ট্র্যাক টাইমলাইন, কার্ভ স্পিড র‍্যাম্পিং, প্রিসাইজ কীফ্রেমিং, অডিও মিক্সিং, ট্রানজিশন, ইফেক্টস, সাবটাইটেল, এবং হাই কোয়ালিটি এক্সপোর্ট। লং ফর্ম ভিডিও এডিটিংয়ের জন্যও দারুণ।

লগইন?

অ্যাপ ডাউনলোড করে ওপেন করলে কোনো অ্যাকাউন্ট লাগে না, ডাইরেক্ট ইউজ করতে পারবেন। তবে অপশনালি গুগল বা ইমেইল দিয়ে সাইন আপ করলে প্রজেক্ট সেভ হয় ক্লাউডে। আমি ছাড়াই ইউজ করেছি, খুব সিম্পল। এটা প্রাইভেসি-ফোকাসড ক্রিয়েটরদের জন্য আইডিয়াল।

৩. PowerDirector

CyberLink-এর তৈরি, যেটা গুগলের এডিটরস চয়েস। আমি এটা দিয়ে প্রফেশনাল লেভেলের ভিডিও বানিয়েছি।

কী কী করা যায়?

AI-বেসড টুলস, ক্রোমা কি (গ্রিন স্ক্রিন), মোশন ট্র্যাকিং, স্লো-মোশন, স্টেবিলাইজেশন, মাল্টি-লেয়ার এডিটিং, ইফেক্টস, টেমপ্লেট। ফ্রি ভার্সনে অনেক ফিচার, তবে কিছু প্রিমিয়াম।

লগইন?

অ্যাপ ডাউনলোড করে গুগল বা ফেসবুক দিয়ে সাইন ইন করুন। আমি গুগল দিয়ে করেছি, সহজ। এটা অ্যান্ড্রয়েড-আইওএস দুটোতেই দারুণ চলে।

৪. KineMaster

আমি নিজে এটা অনেকবার ইউজ করেছি।

কী কী করা যায়?

মাল্টি-লেয়ার, ক্রোমা কি, ভয়েসওভার, অ্যাসেট স্টোর, প্রিসাইজ এডিটিং, ট্রানজিশন, ইফেক্টস। ফ্রি-তে ওয়াটারমার্ক থাকে, কিন্তু প্রো কিনলে রিমুভ হয়।

লগইন?

অ্যাপে গিয়ে গুগল বা ইমেইল দিয়ে সাইন আপ। আমি ইমেইল দিয়ে করেছি। এটা প্রো ফিল দেয়।

৫. InShot

এটা সিম্পল কিন্তু পাওয়ারফুল। আমি এটা দিয়ে কুইক এডিট করি।

কী কী করা যায়?

ভিডিও রিসাইজ, ফিল্টার, মিউজিক, টেক্সট, স্টিকার, কোলাজ। ফ্রি-তে অ্যাডস আছে।

লগইন?

অ্যাপ ওপেন করে গুগল দিয়ে সাইন ইন। সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্টের জন্য সেরা।

ফ্রি হলেও কোয়ালিটি অসাধারণ

আমি নিজে ট্রাই করে দেখেছি যে ফ্রি হলেও কোয়ালিটি অসাধারণ। শুরু করুন CapCut বা VN দিয়ে। আজকের মতো বিদায়। আশাকরি আমার লেখাটা আপনার ভালো লেগেছে।

Level 1

আমি শাজেদা আক্তার। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 5 দিন 19 ঘন্টা যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 10 টি টিউন ও 0 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 0 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 0 টিউনারকে ফলো করি।


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস