ই-কমার্স বিজনেস এর জন্য প্রোডাক্ট ফটোগ্রাফির ৫ টি গুরুত্বপূর্ণ টিপস! এবার বিক্রয় বাড়বে ফটোগ্রাফির কৌশলে!

Level 4
শিক্ষার্থী, ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, গাজীপুর

প্রোডাক্ট ফটোগ্রাফি ই-কমার্স বিজনেস এর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পার্ট। মূলত অনলাইন মার্কেটিং এর সিংহভাগ নির্ভর করে এই প্রোডাক্ট ফটোগ্রাফির ওপর। একটি পণ্যের আসল সৌন্দর্য ও কার্যকারিতা ফুটিয়ে তোলা সম্ভব একটি আদর্শ স্থির চিত্রের মাধ্যমে। আপনার ই-কমার্স বিজনেস সাইটে পণ্যের ছবি যতো বেশি আকর্ষণীয় হবে ততোই ক্রেতার দৃষ্টি আকর্ষণ করবে। যেহেতু পণ্য হাতে নিয়ে যাচাই বাছাই করে কেনার সুযোগ নেই তাই ক্রেতাসাধারণ অনলাইন কেনাকাটার ক্ষেত্রে পণ্যের ছবি দেখেই প্রথমে সন্তুষ্ট হয়।

বলা যেতে পারে পণ্যের যুতসই ছবি একটি ই-কমার্স বিজনেস এর মূল চালিকাশক্তি। আর আপনার পণ্য বাস্তবে যতোটাই সুন্দর হোক না কেন ছবির মধ্যে এই সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে না পারলে কোনো লাভ-ই হবে না। তাই একজন ই-কমার্স ব্যবসায়ী হিসেবে আপনাকে অবশ্যই প্রোডাক্ট ফটোগ্রাফির ওপরে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে৷ অনেক অনলাইন উদ্যোক্তা প্রফেশনাল ফটোগ্রাফার এর মাধ্যমে পণ্যের ফটোগ্রাফি করিয়ে নেন। কিন্তু বেশিরভাগ অনলাইন ব্যবসায়ীদের এতো টাকা পুঁজি থাকে না বিধায় নিজের হাতে থাকা স্মার্টফোন ব্যবহার করেই কাজ সারতে হয়।

চিন্তার কোনো কারণ নেই! মাত্র ৬ টি টিপস ফলো করলে আপনি নিজেই আপনার পণ্যের ফটোগ্রাফি করতে পারবেন। আপনার হাতে থাকা স্মার্টফোন ব্যবহার করে কীভাবে প্রফেশনাল দের মতো পণ্যের ছবি তুলবেন তা জেনে নিন।

১. সঠিক ব্যাকগ্রাউন্ড নির্বাচন করুন

সঠিক ব্যাকগ্রাউন্ড নির্বাচন করুন 

আপনার পণ্য যেমনই হোক না কোন তার জন্য একটি সঠিক ব্যাকগ্রাউন্ড নির্বাচন করুন। আপনার পণ্যের ওপর নির্ভর করে ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড নির্বাচন করতে হবে। যদি পোশাক বা ফেব্রিকস জাতীয় পণ্য হয়ে থাকে তবে শো রুম এর পুরো ভিউ আপনি ব্যাকগ্রাউন্ডে রাখতে পারেন। আপনার পণ্য যদি খাবার বা রান্নার সামগ্রী হয় তাহলে কিচেন বা কিচেন এর ডায়াস ব্যাকগ্রাউন্ড হিসেবে খুব ভালো লুক তৈরি করবে। এভাবে পণ্যের সাথে রিলেটেড পরিবেশকে ব্যাকগ্রাউন্ডে রেখে ফটোশুট করতে পারেন।

তবে যুতসই পরিবেশ না হলে সলিড কালার ব্যাকগ্রাউন্ড ব্যবহার করা সবথেকে ভালো। সলিড কালার ব্যাকগ্রাউন্ড এর ক্ষেত্রে আবার পণ্যের বেসিক কালার এর ওপর নির্ভর করে ব্যাকগ্রাউন্ড কালার নির্বাচন করতে হবে। পণ্যের সাথে যাতে ব্যাকগ্রাউন্ড কালার হুবহু মিলে না যায় সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। ব্যাকগ্রাউন্ড কালার ও পণ্যের কালার এর মধ্যে বৈপরিত্য থাকা চাই। এতে করে পণ্যটি নিজের স্বকীয়তা ধরে রেখে সহজেই দৃষ্টি আকর্ষণ করবে।

তবে সাধারণ ভাবে হোয়াইট ব্যাকগ্রাউন্ড এর ছবিতে আপনার পণ্যটি সবথেকে ভালো ফুটে উঠবে। বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে কালো, লাল বা হলুদ রং-ও দারুণ কালার কম্বিনেশন ফুটিয়ে তুলতে পারে। পণ্যের রং যদি সাদা হয় তাহলে চেষ্টা করবেন কালো ব্যাকগ্রাউন্ডে রেখে ফটোশুট করতে। সলিড কালার ব্যাকগ্রাউন্ড তৈরির জন্য আপনি সাদা, কালো, লাল কিংবা হলুদ বোর্ড পেছনে রেখে ছবি তুলতে পারেন। বোর্ডের ওপর পণ্যটি ডেকোরেট করে ওপর থেকে ক্যামেরা ফোকাস করলেও ছবি ভালো আসে।

২. সব এঙ্গেলে ফটোশুট করুন

সব এঙ্গেলে ফটোশুট করুন

প্রোডাক্ট ফটোগ্রাফি করার সময় আমরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শুধু পণ্যের ফ্রন্ট সাইডের ছবি তুলে নেই। কিন্তু একটি প্রোডাক্ট এর ছবি তোলার সময় সব ধরনের এঙ্গেলে ছবি তুলে দেখতে হবে। ফ্রন্ট লুক ছাড়াও ব্যাক লুক বা সাইড লুক এর ছবিতে অনেক সময় পণ্যটি আরও সুন্দর ভাবে ফুটে ওঠে। এক্ষেত্রে প্রোডাক্ট বার বার নাড়াচাড়া না করে ক্যামেরা ফোকাস পরিবর্তন করতে হবে। একেক সাইট থেকে একেক এঙ্গেলে শুট নিতে হবে।

এতে করে পণ্যের একটি আলাদা লুক খুঁজে পেতে পারেন যা আসলে বাস্তব চোখেও ধরা পড়ে না। আর সবথেকে বড় কথা হলো আলাদা আলাদা এঙ্গেল থেকে ছবি তুললে সম্ভাব্য ক্রেতা সন্তুষ্টি অর্জন করা সহজ হয়। কেননা আমরা যখন শপিং মলে কিছু কিনতে যাই তখন ছোট একটি পণ্যকেও বারবার উল্টেপাল্টে দেখি। এটা অনলাইন কোনাকার ক্ষেত্রে সম্ভব না। তাই একই পণ্যের বিভিন্ন এঙ্গেল এর ছবি দেখলে যে কেউ পণ্যটির প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করবে।

তাই ফ্রন্ট সাইডের পাশাপাশি আলাদা আলাদা লুক নিয়ে ফটোশুট করুন। একই প্রোডাক্ট এর জন্য বেশ কিছু ছবি তুলুন। এরপরে বাছাই করে যেগুলো গ্রহনযোগ্য মনে হয় তা রেখে বাকিগুলো বাদ দিয়ে দিলেই হবো।

৩. সঠিক লাইটিং এর ব্যবস্থা করুন

সঠিক লাইটিং এর ব্যবস্থা করুন

একটি প্রোডাক্ট এর আসল সৌন্দর্য ফুটে ওঠে সঠিক লাইটিং ব্যবস্থার মাধ্যমে। পর্যাপ্ত আলোর উপস্থিতি না থাকলে আপনি যতো ভালো ডিভাইস দিয়ে ছবি তুলুন না কেন, ছবি আপনার মনের মতো হবে না। তাই আলোর উপস্থিতির দিকে বিশেষ নজর দিন। বিশেষ করে পোশাক বা ফেব্রিকস জাতীয় প্রোডাক্ট এর সঠিক রং ফুটিয়ে তুলতে উপযুক্ত লাইটিং এর বিকল্প নেই।

সবথেকে বেশি ভালো হয় দিনের আলোয় ফটোশুট করলে। খেলা আকাশের নিচে উজ্জ্বল আলোয় প্রোডাক্ট এর আসল রূপ তুলে ধরা সহজ। এক্ষেত্রে বাড়ির ছাদ, খোলা বারান্দা কিংবা খোলা মাঠ হবে আপনার স্টুডিও। এখানে বসে যে এঙ্গেলেই ছবি শুট করুন না কেন আপনার পণ্যের সঠিক কালার ধরে রাখতে পারবেন।

তবে কটকটে রোদের আলোয় ছবি সুন্দর আসবে না। সকাল কিংবা বিকেলে প্রকৃতি কিছুটা শান্ত ও স্বচ্ছ থাকে। এটি প্রোডাক্ট ফটোগ্রাফি করার উপযুক্ত সময়। আর দিনের আলোয় ছবি তুললে ফ্লাস লাইট ব্যবহার করার কোনো প্রয়োজন নেই। ফ্লাস লাইট ন্যাচারাল লাইটিং এর মাধুর্যতা নষ্ট করে দেয়।

রাতে ঘরের মধ্যে কিংবা অফিসের মধ্যে ছবি তুললে অবশ্যই আপনার কৃত্রিম লাইটিং এর প্রয়োজন হবে। এক্ষেত্রে নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনার পুরো রুম জুড়ে উজ্জ্বল সাদা আলো ছড়িয়ে আছে। প্রয়োজনে একাধিক লাইন ব্যবহার করুন। সেই সাথে ফ্লাস লাইট ব্যবহার করে ছবি তুলুন। ক্ষেত্র বিশেষে কালারফুল লাইটিং ছবিকে একটু বেশিই সুন্দর করে কিন্তু আপনি যেহেতু এক্সপার্ট ফটোগ্রাফার না তাই সাদা আলোয় ছবি তোলাই উত্তম।

৪. ক্যামেরা ট্রাইপড ব্যবহার করুন

ক্যামেরা ট্রাইপড ব্যবহার করুন

অনভিজ্ঞ ফটোগ্রাফার দের সবথেকে বড় সমস্যা হলো ক্যামেরা স্থির করতে না পারা। বেশিরভাগ সময় দেখা যায় সবকিছু ঠিক থাকলেও সঠিকভাবে ক্যামেরা ফোকাস না হওয়ার জন্য ছবি ঠিক আসছে না। মূলত মোবাইল ধরার সময় আমাদের হাত কাপে এজন্য ক্যামেরা স্থিরভাবে ফোকাস নিতে পারে না। ক্লিক করার সাথে সাথে মোবাইল সহ পুরো হাতটা কেঁপে ওঠে আর ফলস্বরূপ ছবি ঝাপসা আসে। এই সমস্যার একমাত্র সমাধান ক্যামেরা ট্রাইপড ব্যবহার।

প্রথমে ক্যামেরা ট্রাইপড এর সাথে মোবাইল সেট করে তারপর ফোকাস করতে হবে। এতে করে আপনি তুলনামূলক বোশি এঙ্গেল থেকে ছবি তুলতে পারবেন আর ক্যামেরা স্থির থাকবে। তাই প্রফেশনাল ভাবে প্রোডাক্ট ফটোগ্রাফি করতে চাইলে অবশ্যই একটি ক্যামেরা ট্রাইপড নিজের সংগ্রহে রাখুন। ভেবে নিন এটি আপনার ব্যবসায়ের জন্য খুবই ছোট একটি ইনভেস্টমেন্ট।

কম্পিউটার ও ইলেকট্রনিকস এর দোকানে খুবই সুলভ মূল্যে বিভিন্ন সাইজের ক্যামেরা ট্রাইপড পেয়ে যাবেন। তাছাড়া অনলাইনে এখন অহরহ এই ধরনের ডিজিটাল প্রোডাক্ট পাওয়া যাচ্ছে। প্রথমিক পর্যায়ে মোটামুটি কম বাজেটের মধ্যে ছোট একটি স্ট্রাইপড কিনে ব্যবহার করতে পারেন। সাধারণত ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ৩০০০ টাকা বা তার বেশি মূল্যের ক্যামেরা ট্রাইপড বাজারে রয়েছে। আপনি আপনার পছন্দ ও বাজেট অনুযায়ী যে কোনো একটি সংগ্রহ করতে পারেন।

৫. পণ্যের সাথে মানানসই অনুষঙ্গ ব্যবহার করে ডেকোরেশন করুন

পণ্যের সাথে মানানসই অনুষঙ্গ ব্যবহার করে ডেকোরেশন করুন

যে কোনো ছবির ডেকোরেশন যতো ভালো হয় ছবিটি দেখতেও ততোটাই আকর্ষনীয় হয়। তাই আপনার প্রোডাক্ট এর সাথে মানানসই বিভিন্ন জিনিসপত্র ব্যবহার করে ডেকোরেশন করে নিতে পারেন। এতে করে আপনার ফটোগ্রাফিতে একটি ভিন্ন মাত্রা যোগ হবে। আর খুব সহজেই অন্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে।

প্রোডাক্ট ফটোগ্রাফিতে সবথেকে বেশি ব্যবহার করা হয় ফুল। আর্টিফিশিয়াল বা ন্যাচারাল ফুল ব্যবহার করে আপনি যে কোনো প্রোডাক্ট এর ডেকোরেশন করতে পারবেন। সলিড কালার বোর্ড এর ওপর পণ্যটি রেখে তার পাশে সাধারণ ভাবে কয়েকগুচ্ছ ফুল রেখে দিলেই দেখবেন আপনার ছবিটি অনেকটা ইউনিক মনে হবে। তাছাড়া সবুজ পাতা, রঙিন নকশা ইত্যাদি দৃষ্টিনন্দন বিষয়বস্তু আপনার ডেকোরেশন এর মাধ্যম হতে পারে।

ধরুন আপনি শাড়ির ফটোগ্রাফি করবেন সেক্ষেত্রে শাড়ির সাথে কিছু চুড়ি ও অলংকার দিয়ে ডেকোরেশন করতে পারেন। খাবার এর ফটোগ্রাফির সাথে ফ্রেশ ফুল রাখতে পারেন, কফি বা চা পাতার ফটোগ্রাফির সাথে এক কাপ চা বা কফি ডেকোরেট করে রাখতে পারেন, জুতা বা ব্যাগ জাতীয় প্রোডাক্ট এর সাথে মানানসই স্ট্যান্ড ব্যবহার করে ডেকোরেশন করতে পারেন। মোটকথা আপনার পণ্যটিকে আরেকটু আকর্ষণীয় ভাবে প্রেজেন্ট করতে ছোটখাটো অনুষঙ্গ ব্যবহার করে ডেকোরেশন করে নিলে ছবির লুক ভালো আসবে।

তবে অনুষঙ্গ যেন এমন না হয় যে পণ্যের থেকে অনুষঙ্গকে প্রধান মনে হয়।

৬. এডিটিং এর মাধ্যমে ছবিতে পূর্ণতা নিয়ে আসুন

এডিটিং এর মাধ্যমে ছবিতে পূর্ণতা নিয়ে আসুন

ফটোগ্রাফির সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ পার্ট হলো এডিটিং। আপনি যতো সতর্কতার সাথেই ছবি তুলুন না কেন তবুও দেখা যাবে ছবির মধ্যে কিছু না কিছু সমস্যা রয়েছে। এই ছোটখাটো সমস্যা গুলো এডিটিং এর মাধ্যমে দূর করতে হবে। ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। ফটো এডিটিং আসলে আহামরি কঠিন কোনো বিষয় না। ইউটিউব বা গুগল সার্চ করলে আপনি অনেক ফটো এডিটিং টিউটোরিয়াল পাবেন। যে কোনো একটি টিউটোরিয়াল ফলো করে আপনি খুব সহজেই আপনার ছবিটির প্রয়োজনীয় এডিটিং এর কাজ করতে পারবেন।

হয়তো ছবির উজ্জ্বলতা কিছুটা বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে। ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন করার প্রয়োজন হতে পারে। ছবি থেকে কোনো অবজেক্ট বাদ দেয়া লাগতে পারে। কয়েকটি ছবি একত্রিত করে একটি ব্যানার এর মতো তৈরি করার প্রয়োজন হতে পারে৷ মোটকথা ছবির যাবতীয় সকল পরিবর্তন করতে পারবেন এডিটিং এর মাধ্যমে।

আর ছবির কিছু পরিবর্তন করা না লাগলেও ছবিতে আপনার ফটোগ্রাফি ক্রেডিট ও ব্রান্ড নেইম তো যোগ করতেই হবে। এজন্য এডিটিং এর বিকল্প নেই। তাই হাতে একটু সময় নিয়ে কয়েকটি ফটো এডিটিং টিউটোরিয়াল দেখে নিতে পারেন।

শেষকথা

আশাকরি এই ৬ টি টিপস ফলো করে প্রোডাক্ট ফটোগ্রাফি করলে আপনার ই-কমার্স বিজনেস এর বিক্রয় তুলনামূলক বেশি হবে। মনে রাখবেন পণ্যের বিজ্ঞাপণ দেয়ার পূর্বশর্ত হলো আকর্ষণীয় প্রোডাক্ট ফটোগ্রাফি। তাই অনলাইন মার্কেটিং এর জন্য আগে ফটোগ্রাফির প্রতি গুরুত্ব দেয়া জরুরি। একটি লেইম ফটো আপনার ব্রান্ডিং এর জন্য অনেক বেশি নেগেটিভ ইফেক্ট নিয়ে আসতে পারে।

আপনার ই-কমার্স বিজনেস এর জন্য শুভকামনা রইল। টিউনটি ভালো লাগলে প্লিজ একটি জোসস করে দিন। কোনো প্রশ্ন থাকলে টিউনমেন্ট করে জানাতে পারেন। ই-কমার্স বিজনেস সম্পর্কিত নতুন নতুন টিউন পেতে আমাকে ফলো করে রাখতে পারেন। ধন্যবাদ।

Level 4

আমি শারমিন আক্তার। শিক্ষার্থী, ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, গাজীপুর। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 7 মাস যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 77 টি টিউন ও 29 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 6 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 1 টিউনারকে ফলো করি।


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস