যে ৫টি কারণে এখনও আপনি সময়ের সদ্ব্যবহার করতে পারেন না

টিউন বিভাগ টিপস এন্ড ট্রিকস
প্রকাশিত
জোসস করেছেন
Level 6
এইচএসসি ২য় বর্ষ, জুমারবাড়ী আর্দশ ডিগ্রি কলেজ, গাইবান্ধা

বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন? আশা করছি আপনারা সকলেই আল্লাহর রহমতে অনেক ভাল আছেন। বরাবরের মতো আপনাদের জন্য আজও হাজির হয়েছি নতুন টিউন নিয়ে। আমরা প্রতিদিন অনেক সময় নষ্ট করে থাকি। তবে আমরা চেষ্টা করলে সেসব সময় কে যথাযথ কাজে লাগাতে পারি।

বন্ধুরা, সময়কে কাজে লাগানোর মাধ্যমে সঠিক কাজটি করার বিষয় নিয়েই আজকের এই টিউন। তো, এজন্য অবশ্যই সম্পূর্ণ টিউনটি মনোযোগ দিয়ে দেখবেন। আশা করছি এই টিউনটি আপনাদের জন্য অনেক সাহায্যকারী হবে সময়ের অপচয় রোধ করার জন্য। তো চলুন, কথা না বাড়িয়ে এবার সম্পূর্ণ টিউনটি শুরু করা যাক।

সময়ের অপচয় রোধে করণীয় এবং সময়কে সঠিকভাবে কাজে লাগানোর উপায়

সময়কে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে অভ্যস্ত হবার জন্য প্রথমেই আপনাকে একটি উদাহরণ দেয়া যাক। ধরুন, আপনাকে ব্যাংকের মাধ্যমে এক লক্ষ টাকা দেওয়া হল। এবার আপনাকে বলা হলো আপনি যদি সেই টাকাটি একদিনের মধ্যে খরচ না করেন তবে সেই টাকাটি আর আপনার একাউন্টে থাকবে না। অর্থাৎ, সেই নির্ধারিত একদিনের মধ্যে যদি আপনি টাকাটা খরচ না করেন তবে সেই টাকাটি আবার তারা ফেরত নিয়ে নেবে। এবার আপনি এই টাকাটি কিভাবে খরচ করবেন?

এবার আপনি নিশ্চয়ই এত টাকা খরচ করার জন্য দুইটি পদ্ধতি পাবেন। যেখানে আছে সেই টাকাটি দিয়ে এখানে ওখানে গিয়ে আজেবাজে জিনিস খেয়ে খরচ করতে পারবেন এবং এছাড়া আপনি সেই টাকাটি দিয়ে স্বর্ণ কিনে রাখতে পারেন; যেটি আপনার পরবর্তীতে কাজে লাগবে। এখানে আমি শুধুমাত্র স্বর্ণ কেনার কথাই বলছি না। বরং এক্ষেত্রে আপনি যেকোনো কিছু কিনে রাখতে পারেন। তবে আপনি এই দুইটির মধ্যে যেকোনটি বেছে নিতে পারেন।

তেমনি ভাবে আমরা প্রতিদিন প্রায় ৮৬ হাজার সেকেন্ড পাই। যেখানে আমরা সেই সময়টুকু দুইভাবে খরচ করতে পারি। প্রতিদিনের সময়কে আমরা আজেবাজে কোন কাজে, অহেতুক বিনোদনে, মোবাইলে ভিডিও গেমস খেলে যেমনভাবে খরচ করতে পারি। ঠিক তেমনি ভাবে এই সময়টুকু আমরা কোন কিছু শেখার কাজেও ব্যয় করতে পারি, যাতে সেটি ভবিষ্যতের কোনো কাজে আসে। আর এভাবে করে আমরা যদি প্রতিদিনের সময়ের সঙ্গে আমাদের কাজকে বিবেচনা করি তবে আমরা এই দুইটি বিষয়ই প্রতিদিন দেখতে পাই।

আমরা সকলেই এই প্রবাদ বাক্য শুনেছি যে, Time is money। ‌ এবার আপনি কি বুঝতে পারছেন? যে সময়ে আমরা কিছুই করি না, শুধুমাত্র অলসতার সঙ্গে সময় নষ্ট করি সেই সময় গুলোই সময় অপচয় এর মধ্যে পড়ে। যদি আপনি আপনার বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেন তবে এ ক্ষেত্রে এটি সময় অপচয়ের মধ্যে পড়বে না, যদি আপনি সেখানে কোন কিছু শিখতে থাকেন। আর আপনি যদি কোনো আড্ডায় কিছু না শিখে পরচর্চা করেন তবে এক্ষেত্রে সেটি হবে অহেতুক সময় নষ্ট করা।

যেখানে আমরা জানি সময় নষ্ট করা মানেই অনেক অমূল্য সম্পদ নষ্ট করা। তবে কেনই বা আমরা পরচর্চা কিংবা অহেতুক কোন কাজে সময় নষ্ট করি। এভাবে করে আপনি যদি কোন বইও পড়েন, তবে এ ক্ষেত্রেও এটি অনেক সময় সময় নষ্ট এর মধ্যে পড়তে পারে। যেমন ধরুন, আপনাকে যদি শিক্ষক শ্রেণীকক্ষে বই রিডিং পড়ার জন্য বলে এবং আপনি যদি কিছু না বুঝে শুধু পড়েই যান তবে এ ক্ষেত্রেও এটি সময় অপচয় এর মধ্যে পড়বে। সেই সময় আপনি শুধুমাত্র বই দেখে পড়ে যাচ্ছেন, এখান থেকে কিছু শিখছেন না।

আপনি যদি কোনো কাজ করে লাভবান হন, তবে এক্ষেত্রে এটি সময় অপচয় এরমধ্যে পড়বে না। তাই আপনাকে আগে থেকে চিন্তা ভাবনা করতে হবে যে আপনি যে কাজটি করছেন এটা কি আপনার জীবনের কোন সার্থকতা বয়ে আনবে। তো চলুন, এবার আলোচনা করা যায় এমনি কিছু বিষয়; যেসব বিষয়গুলো মাথায় রাখলে আপনি আপনার সময়ের সদ্ব্যবহার করতে পারবেন।

১. কোন কাজ করার আগে নিজেকে প্রশ্ন করা

আপনার যেকোনো কাজের সময় নষ্ট করার ক্ষেত্রে প্রথমেই নিজেকে প্রশ্ন করতে হবে। আপনি বর্তমানে যে কাজটি করছেন কিংবা করবেন সেই কাজটি কি আপনাদের জীবনের ভবিষ্যত আরো ভালো করে তুলবে? যদি এর উত্তর আসে না এবং এটি বরং আপনার জীবনকে আরো খারাপ করে তুলবে তবে সেই কাজটি আপনাকে বন্ধ করে দিতে হবে। কেননা সেই কাজটি দিয়ে যদি আমার ভবিষ্যতে কোন উপকার ই না হয়, তবে আমি সেই কাজটি কেনই বা করব। যেখানে আমাদের প্রত্যেকটা কাজের ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ লাভ দেখা উচিত এবং কোন ভাবেই আমাদের অহেতুক সময় নষ্ট করে ভবিষ্যতের কাজকে ফেলে রাখা উচিত নয়।

কিভাবে আপনি আপনার কাজের সময় নির্ধারণ করবেন‍?

আপনি আপনার প্রতিদিনের সময়কে সঠিকভাবে ব্যবহার করার জন্য কিছু করে পরিকল্পনা করে রাখতে পারেন। ‌ যেখানে আপনার মনোবল থাকতে হবে অনেক শক্তিশালী। আপনি চাইলেও যেন আপনার মনোবল থেকে কখনোই ফিরে না জান। চলুন তবে এবার পর্যায়ক্রমে দেখে নেওয়া যাক আপনি কিভাবে আপনার সময়কে সঠিকভাবে কাজে লাগাবেন।

২. সকালবেলা ঘুম থেকে উঠার পর পরিকল্পনা

আপনার প্রতিদিনের কাজের সময় নির্ধারণ করার জন্য সকাল বেলা থেকে টাইমিং নির্ধারণ করতে হবে। এবার ধরে নিচ্ছি আপনি সকালবেলা ঘুম থেকে উঠলেন। এবার আমরা প্রতিদিন যে কাজটি করে থাকি তা হচ্ছে, ঘুম থেকে উঠে আমাদের এই স্মার্টফোনটি চেক করা। যেখানে আমরা এটাই বলে থাকি বা এটি মনে মনে পরিকল্পনা করি, শুধু মাত্র ৫ মিনিট দেখেই মোবাইলকে রেখে দেবো। হয়তোবা সারা রাতে কেউ না কেউ আমাকে মেসেজ করেছে কিংবা আমার টিউনে কিরকম Like, Comment পড়েছে।

কিন্তু আমরা যে সময়টি মনে করে আমাদের ফোনটি সে সময় হাতে নিয়েছিলাম, সেখানেই দেখা যায় কখন যে এক ঘন্টা কিংবা দুই ঘন্টা চলে গিয়েছে সেটা আমরা খেয়ালই করিনি। আমরা হয়তোবা মেসেজ চেক করার বদলে চলে গিয়েছি ফেসবুকে কিংবা ইউটিউব এ। এবার সেখানে গিয়ে আমরা হয়তোবা একটি ভিডিও দেখার পর আরো অন্য একটি ভিডিও দেখা শুরু করে দিয়েছি। যেখানে পূর্বের ভিডিও চাইতে পরবর্তী ভিডিও থাকে আরো ইন্টারেস্টিং এবং তথ্যবহুল। আর এভাবে করে আমরা কোন কনটেন্টকে আর মিস করতে চাইনা।

আমরা এভাবে করে একের পর এক ভিডিও দেখতেই থাকি বা অন্য কোন সাইটে ঢুকে সেখানে সময় নষ্ট করি। অনেকেই তো মনে করতে পারে যে, স্মার্টফোন চেক করার ফলে বা স্মার্টফোন ব্যবহার করার ফলে আমাদের মধ্যে Happiness বৃদ্ধি পায়; কিন্তু সত্যিই কি তাই? কিন্তু না, যেটি আমাদের একটি বদঅভ্যাস এর মত। যেখানে আমাদের প্রতিদিন সকালবেলা ঘুম থেকে ওঠে স্মার্টফোন ব্যবহার করার বিষয়টি একটি বদ অভ্যাস। যেখানে সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে আপনি আপনার অনেক মূল্যবান সময় হয়তোবা নষ্ট করে ফেলছেন।

সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে আমরা যারা স্মার্টফোন হাতে নেই এবং একের পর এক ভিডিও দেখতে থাকি তাদের ক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময় পুরো দিন অপরিকল্পিত থাকে। যেখানে এই ধরনের ব্যক্তিরা পুরো দিনের সময় কে ভাগ করে কাজ করে না। বরং, এ ধরনের মানুষের কাজের বৈশিষ্ট্য থাকে এলোমেলো। প্রতিদিন যে রকম ইচ্ছা সেরকম ভাবে দিনের প্রত্যেকটি সময় তারা কাজ করে থাকে। তাদের সারাদিন কি কি করতে হবে সেটি লক্ষ্য থাকে না।

বরং, আপনি আপনার কাজ গুলো কে সঠিকভাবে করার জন্য একটি রুটিন তৈরি করে নিতে পারেন। যেখানে আপনার প্রতিদিন-এর রুটিনে একটি নির্দিষ্ট সময় থাকবে যেখানে আপনি ইচ্ছামতো যেকোনো কাজ করবেন। যখন সেই সময় আপনি মোবাইল চালাবেন কিংবা আপনার বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিবেন। এভাবে করে আপনি যখন সময়ের দিকে দেখবেন, তখন আপনার মনে হবে এই সময়ে তো আমার অন্য একটি কাজ করার কথা। আর তখনই আপনি সেই কাজটি ফেলে রেখে অন্য একটি কাজ করবেন।

যদিও আমাদের ক্ষেত্রে এই রুটিনটি করা হয় না। রুটিন করলেও আমরা সেই রুটিন টিকে মেনে চলতে পারি না। যেটি আমাদের সবার ক্ষেত্রে দেখা যায়। আমরা হয়তোবা সারা জীবনেও আমাদের রুটিন অনুযায়ী কাজ করতে পারবোনা। কিন্তু আমাদের এটি মাথায় রাখা উচিত আমাদের সময় টি যেন কোন অহেতুক কাজে নষ্ট না হয়।

আপনি প্রতিদিনের রুটিনে যেভাবেই আপনাদের কাজকে নির্ধারণ করেন কেন, সেসব কাজগুলো না করলেও অন্য কোন কাজে যেন আমরা সময় নষ্ট না করি। আমাদের এটি মাথায় রাখা উচিত প্রত্যেকটি মুহূর্ত আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আর তাহলেই আমরা রুটিন অনুযায়ী কাজ না করলেও আমাদের সময়কে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারব। শুধুমাত্র আমাদের এটি মাথায় রাখলে চলবে যে, ‌আমি যে কাজটি করছি সেটি তারা আমার কোন উপকার হচ্ছে কি না।

এসব কথা মাথায় রেখে কাজ করলে হয়তো বা আপনার সময় অপচয় করার প্রবণতা অনেকটাই কমে যাবে। আশা করছি আপনি এই বিষয়টি মাথায় রেখে কাজ করবেন।

৩. জীবনের লক্ষ্য কে বাস্তবে রূপান্তরিত করার জন্য পরিশ্রম

অনেকের জীবনে অনেক লক্ষ্য থাকে। কিন্তু সেই লক্ষ্যকে পূরণ করার জন্য যে কাজটি করা দরকার সেই অনুযায়ী সেই ব্যক্তি কাজ করে না। আর এই জন্যই বেশিরভাগ মানুষের ক্ষেত্রে তার সেই লক্ষ্যটি পূরণ হয়না। তেমনি ভাবে আপনারও কিছু ভবিষ্যৎ স্বপ্ন রয়েছে। যেমন আপনার মনে হতে পারে বড় হয়ে আপনি একজন সৈনিক হবেন।

কিন্তু আপনাকে একজন সৈনিক হবার জন্য আপনাকে অবশ্যই নিজের শরীরকে ফিট করতে হবে। আর তবে আপনি সৈনিক হিসেবে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে পারবেন। কিন্তু আপনি যদি শুধু মনে মনে আশা করেই জীবনের সব সার্থকতা খুঁজে পান তবে আর সেই সৈনিক হবার লক্ষ্যে পৌঁছতে পারবেন না। এজন্য অবশ্যই আপনাকে দেখতে হবে আপনার শরীর সেনাবাহিনীতে কাজ করার জন্য যোগ্য কিনা। যদি আপনি সেনাবাহিনীতে যোগ দেবার মত যোগ্য না হন এবং আপনার শরীরের কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা থাকে, তবে এজন্য অবশ্যই আপনাকে সেই সমস্যাগুলো সমাধান করতে হবে।

যেখানে সৈনিক হবার জন্য আপনাকে কঠোর নিয়মাবলীর মধ্য দিয়ে যেতে হবে এবং আপনাকে শারীরিকভাবে ফিট থাকতে হবে। আর এজন্য অবশ্যই আপনাকে নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। যদি আপনি এসবের একেবারেই অযোগ্য হন এবং আপনি ভাবেন যে সৈনিক পদে নিয়োগ এর আগে আগে আপনি নিয়মিত ব্যায়াম করবেন তবে হয়তোবা আপনার সে ক্ষেত্রে এটি সম্ভব না। কেননা শেষের দিকে গিয়ে শরীরের ওপর অতিরিক্ত চাপ দিলে তা শরীর বহন করতে পারবে না। এখানে আমি শুধুমাত্র একটি সাধারণ উদাহরণ দিলাম; যেখানে আমি হয়তোবা আপনাদেরকে সঠিক উদাহরণ দিতে পারিনি।

তবে এরকম অনেক কাজ রয়েছে যেখানে আপনাকে আপনার ভবিষ্যৎ লক্ষ্য অনুযায়ী প্রথম থেকেই কাজ করতে হবে। যেমন ধরুন, আপনি যদি সারা বছর পড়াশোনা না করে পরীক্ষার আগে আগে পড়াশোনা করেন তবে এটি আপনার জন্য বিপদ। কেননা সারাবছর আপনি পরীক্ষার ব্যাপারে না ভেবে শুধুমাত্র পরীক্ষার আগে আগে পড়াশোনা করলে একেবারে এত পড়া একসাথে পড়তে পারবেন না। আপনি পরীক্ষার আগে আগে যেরকম ভাবে পড়াশোনা করেছেন এভাবে করে আপনি যদি বছরের পুরোটা সময় পড়তেন, তবে আপনি হয়তো বা পরীক্ষায় অনেক ভালো ফলাফল করতেন। আপনি নিজেই একবার ভেবে দেখুন যে, আপনি পরীক্ষার আগে ঠিক একই রকমভাবে পড়েন এবং সারা বছর কিভাবে পড়াশোনা করেন।

যদি আপনি শুরু থেকেই এভাবে করে পড়াশোনা করতেন তবে আপনার পরীক্ষার আগে না পড়লেও চলত। যেখানে আপনি পুরো বছরের মতো স্বাভাবিকভাবে পরীক্ষার আগে পড়লেই হবে। আর এই বিষয়টি আমাদের জীবনের প্রত্যেকটি সময়ে কাজে লাগে। যেখানে আমাদের লক্ষ্য থাকে পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করার, কিন্তু এর জন্য দরকার প্রথম থেকেই আমাদের ভালোভাবে পড়াশোনা করা। আর তাহলেই আমাদের লক্ষ্য টি সঠিকভাবে পূরণ হবে।

এবার আপনি নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন, আমাদের জীবনের লক্ষ্য গুলো কেন পূরণ হয় না। যেখানে আমরা আমাদের লক্ষ্যকে পূরণ করার জন্য কোন কাজই করে থাকি না। বরং আমরা আমাদের লক্ষ্য পূরণ করার জন্য আমাদের ভাগ্যের উপর ছেড়ে দেই। যেখানে আমাদের ভাগ্য এবং কর্ম দুটির ওপরই বিশ্বাস করা উচিত। যেখানে শুধুমাত্র আমরা যদি কোন কাজ না করে ভাগ্যের উপর নির্ভর করি তবে তা কোনো ভালো ফল বয়ে আনবে না।

আপনি যদি বাড়িতে কাজ না করে বসে থেকে বলেন, আল্লাহ যা আমার ভাগ্যে রেখেছে তাই হবে; তবে এই ক্ষেত্রে আপনার ভাগ্যে এইরকম লেখা থাকবে। আপনাকে জমিনে ছড়িয়ে পড়তে হবে আপনার কাজের সন্ধানে, আর তাহলেই আপনি আপনার ভাগ্য ভালো দেখতে পাবে। যেখানে আল্লাহ্ অবশ্যই আপনাকে আপনার কর্মের প্রতিদান হিসেবে ফলাফল দিবে। তাই আমাদের লক্ষ্য পূরণ করার জন্য অবশ্যই সেই লক্ষ্য অনুযায়ী প্রতিনিয়ত কাজ করতে হবে।

আর এভাবে আপনার লক্ষ্য অনুযায়ী প্রতিনিয়ত কাজ করে যেতে হবে। যেখানে আপনার সময় অপচয় করে সেই লক্ষ্য নিয়ে না ভেবে সেই লক্ষ্য পূরণ করার কাজটি করে যেতে হবে। আর তাহলেই বসে বসে অযথা সময় নষ্ট হবে না।

৪. কাজকে কখনো ফেলে না রাখা

আমরা প্রতিদিন অনেক কাজের পরিকল্পনা করে থাকি। আমরা ভেবে থাকি যে, আগামীকাল থেকে এই কাজটি আমি পুরোদমে শুরু করব। কিন্তু সেই দিন আসার পর আমরা আর সেই কাজটি করতে চাইনা বা করিনা। এবার সেদিন আসলে পরে আমরা আবার ভাবি আজকে এই কাজটির জন্য আর সেই কাজটি করা হলো না, আমরা আবার আগামী কালকের জন্য সে কাজটি রেখে দেই। আর এভাবে করে আমাদের প্রতিনিয়ত চলতে থাকে।

আমরা প্রতিদিন একটি করে বাহানা খোঁজি, যেখানে আমরা সেই কাজটি পরের দিন করব বলে পরিকল্পনা করে নেই। আর এভাবে করে দিনের পর দিন যেতেই থাকে এবং আমাদের কাজটিও সেভাবেই চলতে থাকে। এভাবে করে আপনার যখন কোন সময়ে কোন কাজের প্রতি মন বসবে না, অর্থাৎ কোন কাজ করতে গেলে মনে হবে এই কাজটি পরের দিন করব, তবে আপনি কাজটি তখনই শুরু করে দিন। এখানে আপনাকে সেই কাজটি‌ পুরো সময় ধরে করার জন্য ধীর স্থির করতে হবে না। ‌বরং আপনি মনে মনে এটা পরিকল্পনা করবেন, আপনি সেই কাজটি মাত্র কয়েক মিনিট ধরে করবেন।

এভাবে করে আপনি যখন সেই কাজটি মাত্র কয়েক মিনিট ধরে করতে যাবেন তখন আপনার এমনিতেই সেই কাজের প্রতি মনোযোগ চলে আসবে। আপনি তখন আর চাইবেন না সেই কাজটি থেকে অন্য কাজ করতে। আমরা স্বাভাবিক ভাবে এরকম পরিস্থিতিতে ই পড়ে যায় যে, আমরা যখন কোন একটি কাজ দেখি তখন ভাবি সেই কাজটি পরবর্তীতে করব। পরবর্তীতে কাজ করার এই প্রবণতাটি আপনার সেই কাজটি কে আর করতেই দিবে না। ‌ কিন্তু আপনি যদি নিজের প্রতি একটি চ্যালেঞ্জ নেন যে, আপনি সেই কাজটি আজই এবং এখনই করবেন।

আপনি যদি ভাবেন যে, কাজটি পরবর্তী দিনে করবেন তবে সেটি ভুল হবে। আপনার যখন মনে হবে এই কাজটি আপনি পরবর্তী দিন থেকে পুরোদমে এবং মনোযোগ দিয়ে শুরু করবেন, তবে আপনার উচিত হবে সেই কাজটি সেই দিন থেকেই শুরু করা। যখন আপনি কোন কাজকে পরের দিন থেকে শুরু করার জন্য প্রতিজ্ঞা করবেন, তার মানে সেই কাজে আপনার দুর্বলতা রয়েছে। আর এজন্যই আপনি প্রতিনিয়ত সেই কাজটি পরের দিন করার জন্য ভাবেন। যেমনভাবে কেউ পড়াশোনা করার কথা ভেবে থাকে।

অনেকেই রয়েছে যাদের পড়াশোনার প্রতি দুর্বলতা রয়েছে। যাদের ক্ষেত্রে সবথেকে বেশি লক্ষনীয় হচ্ছে, পড়াশোনার ব্যাপারে আগামি দিনকে নির্ধারণ করে রাখা। পড়াশোনার কথা মাথায় চলে আসলে সেসব ব্যক্তিরা এটা ভাবে, আগামীকাল থেকে মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা শুরু করব। আর এভাবে করে দিনের-পর-দিন ও মাসের-পর-মাস চলতেই থাকে। শেষ পর্যন্ত দেখা যায় যে, পরীক্ষার আগ পর্যন্ত আর ভালোভাবে পড়াশোনা করাই হয়না।

কোন কাজ করার ক্ষেত্রে সবচাইতে বড় বাধা হচ্ছে সেই কাজটি শুরু করা। আপনি যদি সে কাজটি আবার শুরু করে দেন তবে পরবর্তীতে সেই কাজটি করতেই মন চাইবে। এক্ষেত্রে আপনার যদি কোন কাজে মন না বসে এবং এইভাবে আপনি যদি সেই কাজটি কয়েক মিনিটের জন্য করার জন্য প্রতিজ্ঞা করেন, তবে দেখা যাবে পরবর্তীতে আপনি সেই কাজটি অনেক সময় ধরে করছেন; কিন্তু আপনার সেটি মনে হচ্ছে না। আপনি যদি কোনো কাজের ক্ষেত্রে প্রথমে সেই কাজটি শুরু করতে পারেন, তবে পরবর্তী ধাপগুলো অনেক সহজ হবে। অনেকে মনে করতে পারে যে, মাত্র ২-৩ মিনিট কাজ করে কি হবে?

আপনি যদি এই সময়টুকু আপনার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে কাজ করতে পারেন তবে দেখবেন যে, পরবর্তীতে আপনার সেই কাজটি করার ক্ষেত্রে আর কোন দূর্বলতা থাকবে না। আপনি নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে যে একটুও কাজ করলেন এটি আপনার কনফিডেন্স কে আরো অনেকটা বাড়িয়ে তুলবে। আর এভাবে করে আপনি কোন কাজ ফেলে না রেখে সেই কাজটি করার কারণে আপনার অপচয় করা সময় গুলো অনেকটা কাজে লাগবে। যেখানে প্রতিদিন পরিকল্পনা করে থাকি আমরা এই কাজটি পরের দিন করব। সেখানে আমরা যদি কাজটির কিছু অংশ সেইদিনই করে থাকি; তবে এটি হবে আমাদের সময়ের সদ্ব্যবহার করার সামান্যতম হলেও চেষ্টা।

৫. আপনার কাজের পরিধি কিছুটা হলেও বাড়ানো

আপনি যে কাজটি করেন সেটি প্রতিদিন কিছুটা হলেও বাড়িয়ে চলবেন। যেমনঃ আপনি যদি প্রথম দিন ব্যায়াম করার সময় দুইটি পুশ আপ দেন তবে পরের দিন চেষ্টা করবেন তার চাইতে আরো বেশি দেবার। আপনার পরবর্তীতে কম ব্যায়াম করার পরিকল্পনা থাকলেও সেটি যেন চলতে থাকে। প্রতিদিন এভাবে করে আপনার সেই কাজে অগ্রগতি আসতে থাকলে আপনার মধ্যে এক ধরনের অনুপ্রেরণা চলে আসবে পরবর্তী দিনে সেই আবার কাজটি করার। তাই কোন কাজ শুধুমাত্র ক্লান্ত হয়ে করে গেলেই হবে না, বরং এক্ষেত্রে প্রতিদিন-এর প্রতিজ্ঞা টিকে ও মনিটর করতে হবে।

সময়কে অপচয় করার কথা চলে আসলে অনেক সময় বলা হয়, আমার তো করার মত কিছুই নেই, তো আমি কি করবো? আসল কথাটি হলো, আপনি আপনার মাথা খাটিয়ে কোন কিছু বের করতে চান না এবং এজন্য আপনি সারাদিন ফেসবুক এবং ইউটিউবে সময় কাটিয়ে যাচ্ছেন। এতে কিছুই হবে না, বরং এতে করে আপনার মস্তিষ্ক অলস হতে থাকবে। আপনার মস্তিষ্কের মাসেল এর মতো, আপনার মস্তিষ্কের যত চর্চা করা হবে ততই সেটি আরও বেশি দক্ষ হবে। তাই প্রত্যেকটি জিনিস থেকে কিছু না কিছু শিখতে থাকতে হবে।

আপনি ফেসবুক কিংবা ইউটিউবে চালান না কেন সেখানে আপনার জন্য শিক্ষণীয় কিছু বিষয় থাকে। আর তাহলেই আপনি যে ফেসবুকে বিচরণ করছেন সেই সময়টুকু অযথা নষ্ট হবে না। যেটি বরং কাজে লাগবে আপনার কোন কিছু শেখার কাজে। আপনি এতোটুকু চিন্তা করুন যে, শুধুমাত্র ফেসবুকে আপনার ফটো শেয়ার করে কিংবা অন্য কারো ফটোতে Like, Comment করে কি লাভ হবে? শুধু শুধু অযথা সময় নষ্ট করা।

বরং আপনি সেই সময়টুকু যদি ফেসবুক ব্যবহারে শুধুমাত্র দেশের খবর সংগ্রহের জন্য যেতেন, তবে সেটি হয়তো বা আপনার কিছুটা ও চাহিদা পূরণ করতে এবং আপনার সময়ের সদ্ব্যবহার হত। এবার থেকে চলুন দেখে নেয়া যাক যে, সোশ্যাল মিডিয়া কিংবা ইন্টারনেটে বেশি সময় ধরে না থাকার কয়েকটি টিপস।

সোশ্যাল মিডিয়া কিংবা ইন্টারনেটে কম সময় ধরে থাকার টিপস

আমরা প্রায় সকলেই দিনের বেশির ভাগ সময় ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকি। আমরা যখন কোন কাজের জন্য ফেসবুক কিংবা ইউটিউবে গিয়ে থাকি, তখন আমরা আমাদের সেই কাজের কথা ভুলে গিয়ে একের পর এক ভিডিও বা অন্য কোন কন্টেন্ট দেখতে থাকি। আর এটি হবার কারণ হচ্ছে আমরা ইন্টারনেটের সকল প্লাটফর্মে আমাদের পছন্দমত সকল কিছুই দেখতে পাই। আর এ কারনেই আমরা যদি কোন কিছু খোঁজার জন্য ইউটিউবে যাই, তবে সেই কাজটি হবার পরও আমরা অন্য কোন ভিডিও দেখতে থাকি। যেখানকার একটি ভিডিওর পরে অন্য একটি ভিডিও থাকে আরো আকর্ষণীয় শিরোনাম যুক্ত।

আর এভাবে করে আমাদের সময় নষ্ট হতেই থাকে। কিন্তু আপনি যদি ফেসবুকে কিংবা ইউটিউবে বা অন্য কোন প্লাটফর্মে আপনার পছন্দ অনুযায়ী কোন কিছু না দেখতে পেতেন তবে আপনি কিন্তু শুধুমাত্র সার্চ এর উপরই নির্ভর করতেন। আর তখন আপনি শুধুমাত্র আপনার সমস্যা গুলোর সমাধান খোঁজার জন্য ইন্টারনেটে যেতেন। আর এই সুবিধা টি আপনাকে দিতে পারে Incognito mode। আপনি যদি ব্রাউজার থেকে Incognito mode চালু করে কোন কিছু ব্রাউজ করেন তবে আপনার প্রোফাইল থেকে কোন কিছু সাজেস্ট করা হবে না।

অর্থাৎ, আপনি যদি Incognito mode চালু করে কোন ওয়েবসাইটে ভিজিট করেন তবে এক্ষেত্রে আপনার পরিচয় সনাক্ত করার কোন দরকার পড়বে না। যেখানে আপনি যদি ইউটিউবে ভিজিট করেন তবে সেখানে আপনার জিমেইল প্রোফাইল অনুসারে ভিডিওগুলো সাজেস্ট করবে। আর আপনি যদি Incognito mode চালু করে ইউটিউবে প্রবেশ করেন তবে আপনাকে একজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি হিসেবে ইউটিউব চিহ্নিত করবে। যেখানে ইউটিউব আপনাকে আপনার প্রোফাইলের তথ্য অনুযায়ী কোন ভিডিওগুলো আর সাজেস্ট করবে না এবং এতে করে আপনার পছন্দ অনুযায়ী ভিডিও দেখারও আগ্রহ জাগবে না। আর যখনই আপনাকে আপনার পছন্দ অনুযায়ী কোন কিছু দেখানো হবে না, তখনই আপনি ইউটিউবের সার্চ বারে গিয়ে সার্চ করবেন এবং আপনার সমস্যাটির ভিডিও খুঁজে নিবেন।

আর এতে করে আপনি শুধুমাত্র সেই সমস্যাটির ভিডিও দেখেই ইউটিউব থেকে বের হয়ে আসতে পারবেন। এভাবে করে আপনি এই পদ্ধতিটি ফেসবুকের ক্ষেত্রে ও কাজে লাগাতে পারবেন। যেখানে আগে যদি Incognito mode চালু করে ফেসবুক চালিয়ে বেরিয়ে আসেন তবে অটোমেটিক ফেসবুক থেকে লগ আউট হয়ে যাবে এবং আপনার কাছে কোন নোটিফিকেশন আসবেনা। যেখানে আপনি যদি কোনো সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেন তবে এক্ষেত্রে আপনার উচিত হবে দিনের কোন একটি সময়ে শুধুমাত্র সেসব সাইটে ভিজিট করা। উদাহরণস্বরূপ মনে করুন, আপনি একজন ইউটিউবার এবং আপনি ইউটিউবের জন্য ভিডিও তৈরি করেন।

এভাবে যদি ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করে কিছুক্ষণ পরপর ইউটিউব এর Analytics-এ গিয়ে দেখেন যে কত ভিউ এবং কত সাবস্ক্রাইবার হয়েছে, তবে এটি আপনার জন্য হবে অযথা সময় নষ্ট করা। এখানে যে জিনিসটি আপনার হাতে নেই, সেই জিনিসটি আপনি বারবার কেন দেখবেন? যেখানে আপনার ইউটিউবের ভিডিওতে ভিউ এবং সাবস্ক্রাইব সম্পূর্ণ অন্যদের হাতে। বরং আপনার যেটি হাতে রয়েছে তা হচ্ছে, ইউটিউবের জন্য ভিডিও তৈরি করা। এক্ষেত্রে আপনি ইউটিউবের Analytics-এ গিয়ে আপনার ভিউ বারবার পরীক্ষা না করে বরং নতুন ভিডিও তৈরি করার ক্ষেত্রে নজর দিন।

আপনি প্রতিদিন যে সময়টি ভিউ এবং সাবস্ক্রাইব এর সংখ্যা হিসাব করতে ব্যয় করেছেন, সেই সময়টি আপনি অন্য কোন কাজও করতে পারতেন। যেখানে আপনি ইউটিউবের ভিডিওর View, Subscribe, Comment এর উত্তর দিনের কোন একটি সময়ে দিতে পারবেন। এখানে আমি শুধুমাত্র একটি উদাহরণ দিলাম। আপনার এভাবে সময় নষ্ট করার প্রক্রিয়াটি অন্য কোন কাজের ক্ষেত্রেও হতে পারে। যেখানে আপনি হয়তোবা একটি কাজ বারবার অযাথা দেখার কারণে অনেক সময় নষ্ট করছেন।

ইন্টারনেটে সময় কাটানোর সময় যেসব বিষয় গুলো দেখলে আপনার জীবন বেশি ভালো হবে, সেসব বিষয় গুলো আপনি সবসময় শিখতে পারেন। আর যেসব বিষয় গুলো শিখলে আপনার ভবিষ্যতে কিছুই হবে না, সেগুলো দেখে কোন লাভই নেই। এটিই হচ্ছে আপনার সময় নষ্ট করা থেকে বাঁচার সবচাইতে সহজ এবং সিম্পল রাস্তা।

শেষ কথা

সময় মানুষের অমূল্য সম্পদ। কথায় তো আছে, সময় এবং স্রোত কারো জন্য অপেক্ষা করে না। যেখানে সময় একবার শেষ হয়ে গেলে সেই সময় কে আর ফিরিয়ে আনা যায় না। এজন্য কোন কাজকে ফেলে না রেখে বরং সময়ের কাজ সময়েই করতে হয়। আপনি যে সময়টুকু নষ্ট করছেন সেই সময়টাকে একবার বিবেচনা করে দেখুন যে, আপনি হয়তোবা সেই সময়কে আপনার অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যয় করতে পারতেন।

যদি আপনার সেই সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে কাজটি নাও হয়, তবুও কিছু হলেও সেই কাজটি সম্পাদন হবে। যেখানে আপনার প্রত্যেকটি মুহূর্তে কিছু না কিছু কাজ থাকে, কিন্তু আপনি সেই কাজগুলোকে কোন গুরুত্ব দেন না। শেষ কথা বলতে গেলে, আমাদের মত মানুষ যতই চেষ্টা করি কিন্তু আমরা আমাদের সবাইকে সঠিকভাবে হয়তোবা কাজে লাগাতে পারি না। তবুও আমি আপনাদের জন্য ওপরে কিছু টিপস তুলে ধরলাম। আশা করছি আপনারা এসব বিষয়গুলো আপনাদের জীবনে কাজে লাগাবেন অথবা এসবের মধ্য থেকে যে কোন একটি বিষয় নিজের মধ্যে নিয়ে নিবেন।

আজকের এই টিউন টি এখানেই শেষ হচ্ছে। টিউন টি শেষ করার আগে আপনাদের কাছে একটি অনুরোধ। যদি আপনাদের কাছে আজকের এই টিউনটি সত্যিই কোন উপকারে এসে থাকে তবে টিউনটিতে একটি জোসস করবেন এবং সেইসঙ্গে আপনার মতামত জানাতে টিউনমেন্ট করবেন। আজ আমি যাচ্ছি। শীঘ্রই দেখা হবে নতুন কোন টিউন ইনশাআল্লাহ। আসসালামু আলাইকুম।

Level 6

আমি আতিকুর ইসলাম। এইচএসসি ২য় বর্ষ, জুমারবাড়ী আর্দশ ডিগ্রি কলেজ, গাইবান্ধা। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 7 মাস 2 সপ্তাহ যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 163 টি টিউন ও 55 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 15 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 2 টিউনারকে ফলো করি।

মানুষ পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করে। তারপর কিছুদিন সুখ-দুঃখ ভোগ করে। তারপর মৃত্যুবরণ করে। এটাই মানুষের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস। আমিও সেরকম একজন


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস