যেসব কারণে আপনার ওয়াইফাই স্পিড কমে যেতে পারে এবং এর সমাধান

Level 6
এইচএসসি ২য় বর্ষ, জুমারবাড়ী আর্দশ ডিগ্রি কলেজ, গাইবান্ধা

আসসালামু আলাইকুম। বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন? আশা করছি আপনারা সকলেই আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। বর্তমানে আমাদের এক মুহূর্তও কল্পনা করা যায় না ইন্টারনেট ব্যতীত। বলতে গেলে আমরা দিনের প্রায় বেশিরভাগ সময় কাটিয়ে দেই ইন্টারনেটে। যে কারণে আমাদের অতিরিক্ত ডাটার প্রয়োজন পড়ে।

মোবাইলে মেগাবাইট যা খরচ করা অনেক ব্যয়বহুল। এছাড়াও বর্তমান সময়ে ইন্টারনেটের যা গতি তাতে করে টেলিকম কোম্পানির এসব ইন্টারনেট ব্যবহার করা আমাদের জন্য তেমন সুবিধাজনক নয়। তাই আমরা দ্রুত গতির ইন্টারনেট এবং আনলিমিটেড ব্রাউজিং করার জন্য ওয়াইফাই ব্যবহার করে থাকি। যেখানে আমরা পাই সিম কোম্পানির ইন্টারনেট গতির চাইতে অনেক দ্রুত গতির ইন্টারনেট। তবে অনেক ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে যে, ওয়াইফাই ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের স্পিড অনেক কম পাওয়া যায়।

আপনার বাড়িতে যদি দ্রুত গতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট থাকে তবে আপনি ঠিকই সেখানে দ্রুতগতির ইন্টারনেট চালাতে পারবেন। ওয়াইফাই এর মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করার জন্য রাউটার প্রয়োজন হয়। যে রাউটার থেকে একটি নির্দিষ্ট কাভারেজে আনলিমিটেড ইন্টারনেট ব্রাউজিং করা যায়। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে কাভারেজে থাকা অবস্থাতেও ইন্টারনেট স্পিড কম পাওয়া। এটিই স্বাভাবিক যে, যদিও ভুলভাবে বাড়িতে রাউটার স্থাপন করা হয় এবং ওয়াইফাই সম্পর্কিত অন্যান্য কাজ গুলো ভুলভাবে করা হয় তবে ইন্টারনেট স্পিড অনেক কম পাওয়া যাবে।

তবে আমাদের এ জন্য দরকার সঠিক ভাবে বাড়িতে রাউটার স্থাপন করা এবং রাউটার সম্পর্কিত যেসব বিষয় রয়েছে সেগুলো মাথায় রেখে কাজ করা। তবে চলুন বন্ধুরা এবার একে একে দেখে নেওয়া যাক যে, কোন কোন কারণে আপনার বাড়িতে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট স্পিড কম হতে পারে এবং এর সমাধান সমূহ। তবে টিউনটি সম্পূর্ণ শুরু করার আগে আপনাকে বলে নিচ্ছি আপনি যদি আমার এই টিউনে নতুন হয়ে থাকেন তবে আমাকে ফলো করে রাখবেন। যাতে করে আমি আরো উৎসাহের সঙ্গে আপনাদের জন্য টিউন করতে পারি এবং আপনারাও আমার টিউনটি টেকটিউনসের হোমপেজে দেখতে পারেন। তবে চলুন এবার কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক।

১. রাউটার আপগ্রেড

ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট চালানোর ক্ষেত্রে বাড়িতে প্রধান যন্ত্র হচ্ছে রাউটার। যেখান থেকেই মূলত আমরা ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহার করতে পারি। কিন্তু যদি রাউটার এর মধ্যেই সমস্যা থাকে তবে ব্যাপারটি কেমন হয়। এক্ষেত্রে আমাদেরকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যে আমাদের বাড়িতে থাকা রাউটারটি নষ্ট কিনা। যদি সেই রাউটারটি অনেক পুরাতন হয়ে যায় অথবা নষ্ট হয়ে যায় তবে স্বাভাবিকভাবেই সেখানে ইন্টারনেট স্পিড কম পাওয়া যাবে।

এক্ষেত্রে নতুন রাউটার কেনার সময় অবশ্যই সেটি দেখে কিনুন এবং সেইসঙ্গে আপনার বাড়িতে নেওয়া ইন্টারনেট এর স্পীড এর সঙ্গে সেটির স্পিড যেন অবশ্যই বেশি হয়। আপনার নেওয়া ইন্টারনেট লাইনের চাইতে যদি সে রাউটারের সার্ভিস দেওয়ার ক্ষমতা কম হয় তবে সেখান থেকে অতিরিক্ত ব্যান্ডউইথ পাওয়া সম্ভব নয়। এজন্য এক্ষেত্রে আপনাকে রাউটার কেনার সময় সেটি দেখে নিতে হবে। এছাড়া আপনার বাড়িতে থাকা রাউটারটি যদি অনেক পুরাতন হয়ে যায় তবে সেটিও পাল্টিয়ে দেখতে পারেন। কেননা পুরাতন রাউটার দিয়ে আপনি ইন্টারনেট স্পিড কম পেতে পারেন। তাই যদি আপনার নেওয়া ইন্টারনেট লাইন অনেক উচ্চগতির হয় এবং আপনি যদি তার চাইতে কম ইন্টারনেট স্পিড পান তবে এক্ষেত্রে আপনার রাউটারটি আপগ্রেড করে নেওয়া হতে পারে এর সমাধান।

২. বাড়িতে রাউটার এর অবস্থান

আপনার বাড়িতে ওয়াইফাই এর স্পিড কম পাওয়ার ক্ষেত্রে আরও একটি কারণ হতে পারে রাউটার টিকে সঠিক স্থানে স্থাপন না করা। অনেকেই রয়েছে যারা বাড়িতে রাউটারের স্থাপন করার ক্ষেত্রে ঘরের এক কোণে করে থাকে। আর এটি হতে পারে যে ইন্টারনেট লাইনের তারের সংকীর্ণতার কারণে। অনেকেই বাড়িতে রাউটার রাখতে পারে ঘরের এক কোণে টেবিলে কিংবা কোন সোফায়। তবে ওয়াইফাই রাউটার বাড়িতে স্থাপন করার ক্ষেত্রে সেটিকে অবশ্যই উঁচু কোনো স্থানে এবং বাড়ির মধ্যবর্তী স্থানে রাখা উচিত।

এজন্য একটি রাউটারকে ঘরের ভিতর রাখার সময় সেটিকে অবশ্যই ঘরের মধ্যবর্তী স্থানে রাখতে হবে, যাতে করি এসকল দিকে সমান দূরত্ব বজায় থাকে। ঘরের ভেতরে রাউটার স্থাপন করার ক্ষেত্রে সেটিকে মাথা সমান উচ্চতায় রাখা উচিত। এতে করে সেখান থেকে সিগন্যাল খুব সহজেই ছড়াতে পারে। তবে আপনি যে জায়গায় থেকে ইন্টারনেট বেশিরভাগ চালিয়ে থাকে সেখান থেকে কাছাকাছি অবস্থানে রাউটারটি স্থাপন করার চেষ্টা করবেন। এক্ষেত্রে আপনি দেখবেন ডিজিটাল ডিভাইস গুলোর সবচাইতে কাছাকাছি স্থানে রাউটার রাখতে।

বাড়িতে রাউটার স্থাপন করার ক্ষেত্রে সেটি যদি কোন জায়গায় রাখতে হয় তবে সেটিকে বহু ভারি ফার্নিচার এর আড়ালে না রেখে বরং সেদিকে তার উপরে রাখবেন। এতে কোন প্রকার বাধা ছাড়াই রাউটারটি সকল ডিভাইসের সঙ্গে সংযুক্ত হতে পারবে।

বাড়িতে বহু ভারি ফার্নিচার থাকলে সেগুলোর আড়ালে নয় বরং সেগুলোর উপরে রাউটার বসান। এতে বাধামুক্ত ভাবে রাউটার আপনার ডিভাইসগুলোর সঙ্গে সংযুক্ত হতে পারবে। এছাড়া বাড়ির এক প্রান্তে না রেখে তা বাড়ির মাঝামাঝি স্থানে বসানোই যুক্তিসঙ্গত। আপনার ডিভাইস এবং রাউটার এর সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ এর জন্য বহু জিনিসই পথে বাধা হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে অ্যালুমিনিয়াম কাঠামো, ওয়াল ইনসুলেশন, ধাতব দরজা, একুরিয়াম, আয়না, হ্যালোজেন লাইট, গ্লাস ও কংক্রিট।

আপনার বাড়ির ভিতরে এ ধরনের বাধা গুলো যেখানে কম সেখানে আপনার রাউটারটি স্থাপন করুন। এক্ষেত্রে আপনি যদি নিশ্চিত হতে পারেন যে আপনার রাউটার থেকে সিগন্যাল কোন স্থানে বেশি বাধা পাবেনা, সেখানে এটি স্থাপন করুন।

৩. সফটওয়্যার আপডেট করা

ইন্টারনেট সরবরাহ এবং রাউটার এর কাজে নিয়োজিত আপনার ডিভাইসের সফটওয়্যার গুলোকে নিয়মিত আপডেট হয়। এক্ষেত্রে আপনার ডিভাইসে ইন্সটল করা সেই সম্পর্কিত কোন সফটওয়্যার থাকলে তবে সেটি অবশ্যই আপডেট করে নেওয়া উচিত। আপনি যদি একটু খেয়াল করেন আপনার রাউটার ও মোবাইল ডিভাইস বা পিসির সফটওয়্যার গুলো আপডেট করে নিলে ইন্টারনেট স্পীড অনেক ভালো পাওয়া যায়। তাই ইন্টারনেট স্পিড বেশি পাওয়ার জন্য আপনার ডিভাইসের সফটওয়্যার গুলোকে আপডেট থাকা প্রয়োজন।

৪. ওয়াইফাই স্পিড বাড়াতে রিপিটার কিংবা এক্সটেন্ডার এর ব্যবহার

আপনার বাড়িতে যদি ওয়াইফাই সিগন্যাল অনেক কম পাওয়া যায় তবে এটির সমাধান হতে পারে ওয়াইফাই রিপিটার ব্যবহার করে মাধ্যমে। ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক বাড়ানোর জন্য বর্তমানে অনেক ওয়াইফাই রিপিটার পাওয়া যায়। রিপিটার মূলত ব্যবহার করা হয় ওয়াইফাই সিগন্যাল কে বাড়ানোর জন্য। আপনার বাড়ির একটি কোণে যদি ওয়াইফাই রাউটার থেকে রেখে দেন তবে বাড়ির অন্য কোণে সেই সিগন্যাল কম পাওয়া যাবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এক্ষেত্রে বর্তমানের সেই সিগন্যাল কে বাড়িয়ে নেওয়াও সম্ভব।

এই ট্রিক্স টি সবচাইতে বেশি কাজে লাগে কয়েকজন মিলে একটি ওয়াইফাই নেওয়ার সময়। আপনার বাড়িতে যদি কয়েকজন মিলে ওয়াইফাই নিয়ে থাকেন তবে একজনার বাড়িতে সেটি রেখে অন্য বাড়িতে ওয়াইফাই রিপিটার ব্যবহার করার মাধ্যমে সেই সিগন্যাল কে আরো বাড়িয়ে নেওয়া যায়। এতে করে যদি সেই স্থান থেকে সেই ওয়াইফাই এর কিছুটা ও সিগন্যাল থাকে, তবে সেখান থেকে সেটি বুস্ট করার মাধ্যমে আবার আগের মতো সিগন্যাল সেখানে পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে আপনার বাড়ির একটি কোণে যদি রাউটারটি থাকে তবে অন্য কোণ থেকে ওয়াইফাই রিপিটার ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনি সেই সিগন্যালকে বাড়িয়ে নিতে পারেন। যেটি হতে পারে আপনার ওয়াইফাই স্পিড কম পাওয়ার সমাধান।

তাই এখানে বলে নিচ্ছি যে, যদি আপনার বাড়ির কোন একটি কোণে ওয়াইফাই রাউটার টি থেকে থাকে এবং অন্য প্রান্ত থেকে সিগন্যাল কম অথবা স্পিড কম পান তবে ওয়াইফাই রিপিটার ব্যবহার করতে পারেন। এক্ষেত্রে স্পীড আগের চাইতে অনেকটা বেড়ে যাবে।

৫. প্রতিবেশীদের ব্যাপারে সতর্ক হওয়া

আপনার একটি রাউটার থেকে যদি একাধিক ব্যক্তি ইন্টারনেট একই সঙ্গে চালায় তবে স্বাভাবিক ভাবেই আপনার ক্ষেত্রে ইন্টারনেট স্পিড কম পাওয়া যাবে। এক্ষেত্রে যদি আপনার প্রতিবেশী সেটির সংযোগ নিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করে এজন্য ইন্টারনেটের গতি কমে যেতে পারে। তাই আপনার ওয়াইফাই লাইন এর ক্ষেত্রে প্রতিবেশীদের থেকে সাবধান। অবশ্য এখানে কয়েকজন প্রতিবেশী মিলে ওয়াইফাই দিলে সেটি হবে অনেক বুদ্ধিমানের কাজ। কিন্তু এক্ষেত্রে যদি আপনার প্রতিবেশীরা চুরি করে আপনার ইন্টারনেট চালায় অথবা আপনি একজনকে এমনিতেই কানেক্ট করে দেন তবে আপনার অজান্তেই আপনি অনেক ইন্টারনেট স্পিড কম পেতে পারেন।

কয়েকজন প্রতিবেশী মিলে একটি ওয়াইফাই লাইন মিলে এক্ষেত্রে আপনাদের খেয়াল রাখতে হবে যাতে করে বেশি ব্যবহারকারী আপনাদের নেটওয়ার্কে ঢুকে না পরে। এছাড়া যদি সেই ওয়াইফাই টি আপনি নিজেই একাই নেন তবে এক্ষেত্রেও আপনার সজাগ থাকতে হবে যাতে করে অতিরিক্ত ব্যবহারকারী আপনার ওয়াইফাই এ কানেক্ট না হয়। এতে করে আপনার অজান্তেই আপনার ইন্টারনেটের স্পিড কমে যেতে পারে।

তাই আপনার যদি ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট থেকে থাকে তবে সেটির পার্সওয়ার্ড অবশ্যই জনস্বার্থে বিলি করবেন না। আপনার ওয়াইফাই এর পাসওয়ার্ড এক্ষেত্রে আপনি নিজের কাছেই সংরক্ষিত রাখুন এবং যদি প্রয়োজন হয় তবে কাউকে নিজেই কানেক্ট করে দিতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনি যদি ওয়াইফাই এর পাসওয়ার্ড টি বলে দেন তবে সে আবার অন্যজনকে বলে আপনার ওয়াইফাই এ জ্যাম সৃষ্টি করতে পারে। তাই আপনার ওয়াইফাই এর স্পিড ঠিক রাখার জন্য পাসওয়ার্ড বিলি করা থেকে বিরত থাকুন।

৬. ওয়াইফাই এর সিকিউরিটি শক্তিশালী করা

একটি ওয়াইফাই এর স্পিড নানা কারণেই কমে যেতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের স্পিড রাউটার এর উপরেই অধিকাংশ সময় নির্ভর করে। তবে অনেক সময় গোপনীয়তা রক্ষার অভাবেও অনেক তথ্য অন্যের কাছে চলে যেতে পারে। তবে চলুন এবার জেনে নেওয়া যায় যে ওয়াইফাই ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোন কোন বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে এবং এর ফলে ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক শক্তিশালী হবে।

ওয়াইফাই এর সিকিউরিটি শক্তিশালী করা বলতে এখানে এর পাসওয়ার্ড কে শক্তিশালী করতে হবে। বর্তমান ওয়াইফাই রাউটার গুলোতে WPA2 সিকিউরিটি সিস্টেম কাজ করে। তাই আপনার ওয়াইফাই এর ক্ষেত্রে WEP বাদ দিয়ে WPA/WPA2 সিকিউরিটি ব্যবহার করুন। এটি আপনার ইন্টারনেটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। তবে শুধুমাত্র প্রথমবার আপনার ওয়াইফাই এর পাসওয়ার্ড শক্তিশালী করলেই চলবে না, এক্ষেত্রে আপনাকে কিছুদিন পরপরই পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করতে হবে। কেননা এ সময়ের মধ্যে অনেকেই আপনার ওয়াইফাই এর পাসওয়ার্ড টি জেনে যেতে পারে।

অনেকের ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড অন্যরা জেনে যাবার আরেকটি কারণ হতে পারে ওয়াইফাই এর নামে বিস্তারিত তথ্য ব্যবহার করা। যেখানে আপনার ওয়াইফাই নেটওয়ার্কে আপনার নামও বিস্তারিত নাম তথ্য দেবার কোন প্রয়োজন নেই। বরং এখানে আপনার নামের পরিবর্তে কোন সাংকেতিক চিহ্ন অথবা অক্ষর ব্যবহার করতে পারেন। যাতে করে আপনার আশেপাশের কেউ বুঝতে না পারে যে এখানে আসলে কার ওয়াইফাই রয়েছে।

আপনি একটা জিনিস খেয়াল করুন, যদি আপনার পরিচিত কেউ জেনে যায় যে এখানে ওয়াইফাই রয়েছে তবে অবশ্যই সে সেটিতে কানেক্ট করার চেষ্টা করবে। এক্ষেত্রে আপনি যদি দুর্বল পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখেন এবং সেটি যদি আপনার নাম দিয়ে হয় তবে সে খুব সহজেই আপনার ওয়াইফাই এর নাম অনুসারে দেবার চেষ্টা করবে। ‌এজন্য ওয়াইফাই এর পাসওয়ার্ড অবশ্যই আমাদেরকে শক্তিশালী করা উচিত। ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড এ নাম্বার, ইংরেজি বর্ণের ছোট হাতের অক্ষর এবং বড় হাতের অক্ষর এর সমন্বয়ে বাক্য কিভাবে বিভিন্ন চিহ্ন ব্যবহার করা যেতে পারে।

তাই আপনার নাম এবং ডিভাইস এর বিস্তারিত তথ্য ওয়াইফাই এর নামে না দেওয়াই ভালো। এতে করে কেউ যেন আন্দাজও না করতে পারে যে আপনার এখানে ওয়াইফাই রয়েছে এবং থাকলেও সেটির পাসওয়ার্ড কিরকম হতে পারে এটি সম্পর্কে। আর কেউ যদি আপনার ওয়াইফাই এর পাসওয়ার্ড না পায় এবং অতিরিক্ত মানুষ সেটিতে কানেক্ট না হয় তবে আপনি সর্বদা আপনার ওয়াইফাই এর ফুল স্পিড পাবেন। যেটি একটি সাধারণ ধারণা, যা আপনারা সকলেই জানেন। তবুও আমি এক্ষেত্রে আপনাকে আরো একবার মনে করে দেবার চেষ্টা করেছি।

বন্ধুরা ওয়াইফাই সম্পর্কিত আজকের এই টিউন টি তবে এখানে শেষ করছি। বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে যে যার অবস্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল করুন এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। যাতে করে আল্লাহ তাআলা আমাদের মাঝে থেকে এই ভাইরাসটি উঠিয়ে নেয়। আসসালামু আলাইকুম।

Level 6

আমি আতিকুর ইসলাম। এইচএসসি ২য় বর্ষ, জুমারবাড়ী আর্দশ ডিগ্রি কলেজ, গাইবান্ধা। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 7 মাস 2 সপ্তাহ যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 163 টি টিউন ও 55 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 15 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 2 টিউনারকে ফলো করি।

মানুষ পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করে। তারপর কিছুদিন সুখ-দুঃখ ভোগ করে। তারপর মৃত্যুবরণ করে। এটাই মানুষের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস। আমিও সেরকম একজন


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস