
আসসালামু আলাইকুম,
আশা করি সবাই ভালোই আছেন। আমার দিন কাল ভালোই যাচ্ছে। আপনাদের জন্য আমার অনেক শুভেচ্ছা রইলো। আপনাদের সকলের মঙ্গল কামন করে আজকের পোস্ট শুরু করছি। আজ প্রথম আলোর একটি প্রতিবেদন আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। আশা করি ভালো লাগবে।
ফেসবুক ব্যবহারকারী কেউ যখন মারা যান, তাঁর ফেসবুক পাতাটি দীর্ঘদিন ধরে অনলাইনে অব্যবহূত থেকে যায়। এ পাতাটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কেউ হয়তো কোনো অপরাধ করে বসতে পারে।
কম্পিউটার নিরাপত্তাপ্রতিষ্ঠান ম্যাকাফির বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কারও অবর্তমানে ডিজিটাল সম্পদগুলোর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। ফেসবুক, টুইটার বা ভারচুয়াল সব অ্যাকাউন্ট আপনার ডিজিটাল সম্পদ হতে পারে। এগুলোর আর্থিক মূল্য আছে। এ সম্পদের ভবিষ্যত্ আগেভাগেই নির্ধারণ করে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদ পরিকল্পনা বিশেষজ্ঞ জেমস ল্যাম।
ফেসবুকের নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি মারা গেলে তাঁর ‘লগইন পাসওয়ার্ড’ ও ‘ইউজার নেম’ ফেসবুক কাউকে সরবরাহ করে না। তবে পরিবারের কোনো সদস্য চাইলে ফেসবুকের সঙ্গে যোগাযোগ করে অ্যাকাউন্টটি মুছে ফেলতে বা ফেসবুক মেমোরিয়াল পেজে রূপান্তর করতে পারেন।ইয়াহুর নীতিমালা সবচেয়ে কঠোর। কারও মৃত্যু হলে ইয়াহু কর্তৃপক্ষ কখনো লগইন করার তথ্য দিতে বাধ্য নয়। তবে জিমেইল ও হটমেইল কর্তৃপক্ষের কাছে উপযুক্ত প্রমাণ দিয়ে মেইল করলে আলাদা একটি সিডিতে করে তথ্য সরবরাহ করে কর্তৃপক্ষ। কোনো ওয়েবসাইটেই ডিজিটাল সম্পদের তথ্য জমা না রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট ম্যাশেবল এ তথ্য জানিয়েছে।
গবেষকেরা বলেন, অনলাইনে প্রকাশিত তথ্য কখনো চিরতরে মুছে ফেলা সম্ভব হয় না। এটি কেবল হাতবদল হয়ে রূপ বদলাতে পারে। তথ্য রিসাইকেল করে নানাভাবে ব্যবহূত হতে থাকে।
>>ডিজিটাল সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে জেমস ল্যামের পরামর্শ:
>>জেমস ল্যামের পরামর্শ পড়ার লিংক<<
,http://www.digitalpassing.com/2010/06/21/what-is-digital-property/
( অবলম্বন- প্রথম আলো )
>ফেসবুক পেজ– https://www.facebook.com/
>অবশ্যই আমার পেজে LIKE দিতে ভুলবেন না এবং আপনার যেকোনো সমস্যা আমার পেজে পোস্ট করুন।
আমি eragon552। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 13 বছর যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 4 টি টিউন ও 3 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 0 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 0 টিউনারকে ফলো করি।
valo laglo.jananor jonno donnobad.