মোটর বাইকিং And ড্রাইভিং A টু Z [পর্ব-০৬] :: গ্রুপ রাইডিং, গ্রুপ রাইডিং সংকেত, মেকানিক্যাল সমস্যা, ফুয়েল বাঁচানো, এ্যাকসিডেন্ট থেকে বাঁচা, বিভিন্ন মটরসাইকেলের লিংকস

মোটর বাইকিং And ড্রাইভিং A টু Z

গ্রুপ রাইডিং:

এখন আমরা শিখবো কি করে গ্রুপ রাইডিং করতে হয়। দলবেঁধে মোটরসাইকেলে ঘুরতে বেশ মজা লাগে। মজাটা আরও বেড়ে যাবে যখন বেশ কিছু সংকেত ব্যবহার করে রাইডিং করা হবে। তাছাড়া নিয়ম জানা থাকলে আনন্দের সাথে নিরাপত্তা যুক্ত হবে। উল্টাপাল্টা চালাতে হয়তো থ্রিল অনুভব করা যায়। কিন্তু কেউ একজন পড়ে গেলেই সব মজা নষ্ট হয়ে যাবে।

  • সময়মত ট্যাংকে ফুয়েল ভর্তি করে জায়গামত পৌঁছান।
  • বন্ধুদের সাথে আলোচনা করে নিন কোথায় থামবেন, কোথায় ফুয়েল দরকার হলে নেবেন, কোন রাস্তা দিয়ে কোথায় যাবেন সেটা আগে থেকেই ঠিক করা থাকলে পথ হারানোর ভয় থাকেনা। হাত দিয়ে কিভাবে সংকেত দিতে হয় সবাই শিখে নিলে খুব কাজে আসবে। যিনি বাইক চালানোতে সবচেয়ে অভিজ্ঞ এবং রাস্তা সম্পর্কে পূর্ব পরিচিত তাকে লিডার হিসাবে সামনে থাকতে বলুন।
  • তিন বা পাঁচ জনে একটা করে গ্রুপ করুন। প্রত্যেক গ্রুপে একজন করে লিডার থাকবে। বড় গ্রুপের চাইতে ছোট গ্রুপে সুবিধা বেশি।
  • যারা অনভিজ্ঞ তাদের লীডারের একদম পিছনে রাখুন। তাহলে তাকে তারচেয়ে অভিজ্ঞ রাইডার তার দিকে লক্ষ্য রাখতে পারবে।
  • মোবাইল ফোন, ফার্স্ট এইড বক্স, টুল কিট প্রত্যেক গ্রুপে অন্তত: একটা করে থাকা উচিত। যাতে কোন সমস্যায় না পড়েন।
  • পাশাপাশি বাইক চালাবেননা। নইলে সয়ার্ভ করতে গেলে সমস্যায় পড়বেন। একই লাইনের প্রতি বাইকের মধ্যে দুই সেকেন্ড দূরত্ব থাকবে।

  • রিয়ার ভিউ মিররে চেক করুন আপনার পেছনের রাইডার কত দুরে আছে। খুব বেশি দুরে হলে গতি স্লো করে তাকে আপনার দু’ সেকেন্ড দূরত্বে আসার সুযোগ দিন। সবাই একই গতিতে চললে গ্রুপ রাইডিং মজার হয়।
  • হঠাৎ পিছিয়ে পড়লে ঘাবড়াবেন না। নিয়ম অনুযায়ী সামনের চালকগণ গতি কমিয়ে আবার গ্রুপ তৈরীতে সহায়তা করবে। সঙ্গীকে ধরার জন্য অযথা জোরে চালাবেননা বা নিয়ম ভাঙ্গবেননা।
  • কোন গাড়ীকে ওভারটেক করতে চাইলে একজন একজন করে করুন। একসাথে সবাই মিলে ওভারটেক করবেননা।

গ্রুপ রাইডিং সংকেত

গ্রুপ রাইডিং বেশ কিছু সংকেত ব্যবহার করা হয়। শিখে রাখলে বেশ কাজে আসবে। হাত দিয়ে কিভাবে সংকেত ব্যবহার করতে হয় তা ছবি সহ বর্ননা করা হলো:-

➡ থামুন- বাম হাত সোজা করে ফুয়েল প্রয়োজন- বাম হাতের হাতের তালু দেখাতে হবে তর্জনী দিয়ে ফুয়েল ট্যাংক দেখাতে হবে।

➡ টার্ন সিগন্যাল অন- হাত লম্বা করে দিয়ে মুঠি পাকান।

➡ গতি কমাও- হাত লম্বা করে দিন, তালু থাকবে মাটির দিকে। এরপর নিচের দিকে হাতটি নামাতে হবে।

➡ গতি বারাও- হাত লম্বা করে দিন, তালু থাকবে উপর দিকে, তারপর উপরে ওঠাতে হবে। হাত ওঠানোর সময় হাতের তালু সামনের দিক নির্দেশ করবে।


➡ রাস্তা খারাপ- বাম দিকে হলে বাম হাত দিয়ে নির্দেশ করুন; ডান দিকে হলে ডান পা নামিয়ে নির্দেশ করুন।

➡ আরামের জন্য থামা প্রয়োজন! হাত সোজা রেখে মুঠো পাকিয়ে হাল্কা ভাবে ওঠাতে নামাতে হবে।

➡ পানি ও খাবার খাওয়ার বিরতি- হাত থাকবে মুষ্টিবদ্ধ; বুড়ো আঙ্গুল মুখের দিকে নির্দেশ করবে।


➡ ফলো মি (আমাকে অনুসরণকর)- হাত কাঁধ বরাবর উঠিয়ে হাতের তালু সামনের দিক নির্দেশ করবে।

➡ তুমি সামনে গিয়ে লীড করো- বাম হাত সোজা বাম দিকে বাড়িয়ে তর্জনী বের করে হাত ৪৫ ঘুরিয়ে সামনের দিকে দেখাতে হবে। ছবি ভালমত দেখলে ব্যাপারটা পরিষ্কার বোঝা যাবে।

➡ এক লাইনে চল দুই লাইনে চল

হাত উঠিয়ে তর্জনী দেখাতে হবে। হাত উঠিয়ে তর্জনী ও মধ্যমা দেখাতে হবে।

➡ হেড লাইট হাই বীম কর- হাতের তালু হেলমেটের দিকে নির্দেশ করতে হবে।

মেকানিক্যাল সমস্যা

মোটরসাইকেলের ঠিকমত যত্ন নিলে হঠাৎ করে সমস্যায় খুব কমই পড়তে হয়। কিন্তু যদি সমস্যায় পড়েন সেক্ষেত্রে কি করতে হবে তা এই অধ্যায়ে আলোচনা করবো। থামতে চাইলে রিয়ার ভিউ মিরর এবং মাথা ঘুরিয়ে দেখে নিন পিছনের অবস্থা। আপনার ব্রেক লাইট ঠিক নাও থাকতে পারে। শক্ত মাটি দেখে দাঁড়ান। কারণ মেইন স্ট্যান্ড শক্ত মাটি ছাড়া ব্যবহার করা সমস্যা হয়। রাস্তার খুব কাছে দাঁড়াবেননা। রাস্তা থেকে আট/দশ হাত দুরে মোটর সাইকেল থামান।

টায়ার পাংচার:

আপনার বাইকের টায়ারের এয়ার প্রেসার যেন ঠিক থাকে-সেটা লক্ষ্য রাখুন। তাছাড়া টায়ারের খাঁজ (ট্রেড) যেন ঠিক থাকে সেটা লক্ষ্য রাখুন। খুব ক্ষয়ে যাওয়া টায়ার হঠাৎ ফেটে গিয়ে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটিয়ে থাকে। টায়ার যদি ফেটেই যায়, তাহলে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে কাজ করতে হবে। সামনের টায়ার পাংচার হলে হ্যান্ডেল খুব ভারী মনে হবে। এতে মোটর সাইকেল নিয়ন্ত্রণ রাখা খুব কঠিন হয়ে যায়। পিছনের টায়ার পাংচার হলে মোটর সাইকেলে ঝাঁকুনি লাগতে পারে অথবা মোটরসাইকেল এদিক ওদিক চলে যেতে পারে। টায়ার ফ্ল্যাট হলে এই কাজগুলো করবেন:-

  • 1. টায়ার ফেটে যাওয়া অবস্থায় কক্ষণো ব্রেক করবেননা। যদি করতেই হয় তাহলে যে টায়ারটি অক্ষত আছে সেই চাকার ব্রেক ধীরে ধীরে করুন।
  • 2. থ্রটল/অ্যাক্সিলেটরও হঠাৎ কমিয়ে দিবেননা। হঠাৎ গতি কমিয়ে ফেললে বাইক নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়বে। ধীরে ধীরে গতি কমান।
  • 3. হ্যান্ডেল শক্ত করে ধরে থাকুন, সামনের চাকা সোজা রাখার চেষ্টা রাখুন। এরপর ক্লাচ চেপে রাস্তার বাম পাশ ঘেঁষে থামুন।

থ্রটল আটকানো:

ধরা যাক,আপনি মোটর সাইকেল ৭০ কি:মি: বেগে চালাচ্ছেন হঠাৎ দেখলেন থ্রটল আটকে গেছে। কিছুতেই কোনদিকে ঘোরানো যাচ্ছেনা। এ’রকম পরিস্থিতি থেকে বাঁচার জন্যেই আপনার হ্যান্ডেল বারের ডান দিকে ‘‘ইঞ্জিন কীল সুইচ’’ দেওয়া আছে। থ্রটল আটকে গেলে এই সুইচ চেপে ইঞ্জিন বন্ধ করুন। এরপর ক্লাচ চেপে রাস্তার বাম পাশে ধীরে দুই ব্রেক ব্যবহার করে দাঁড়িয়ে পড়ুন। তবে আপনার বাইকে যদি এই ‘‘ইঞ্জিন কীল সুইচ’’ না থাকে, তাহলে ক্লাচ চেপে ব্রেক ব্যবহার করে রাস্তার বাম পাশে নিরাপদ জায়গা দেখে দাঁড়িয়ে পড়ুন। এরপর ইগনিশন চাবি ঘুরিয়ে ইঞ্জিন বন্ধ করুন। চলন্ত অবস্থায় ইগনিশন বন্ধ করতে যাবেন না।

ক্লাচ কেব্ল ছিঁড়ে যাওয়া:

রাস্তায় যাচ্ছেন-গিয়ার চেঞ্জ করা দরকার। ক্লাচ চাপলেন, কিন্তু কিছুই ফলাফল ঘটলোনা। অর্থাৎ আপনার ক্লাচ কেবলটি ছিঁড়ে গেছে। ব্যাপারটি খুব ভয়ানক নয়। ক্লাচ না চেপেও আপনি গিয়ার চেঞ্জ করতে পারেন। থ্রটল একদম জিরো পজিশনে এনে হালকা ভাবে গিয়ার চেঞ্জ করুন। তবে এ’রকম পরিস্থিতি ছাড়া এভাবে গিয়ার চেঞ্জ করবেননা। থামতে চাইলে গিয়ার একদম নিউট্রালে এনেই থামা উচিত। নইলে ঝাঁকুনি খাওয়ার সম্ভবনা থাকে। ক্লাচ কেবল ছাড়া আপনি বাধ্য হলে মেকারের কাছে যাওয়া পর্যন্ত চালাতে পারেন। এতে খুব বড় সমস্যা হবেনা।

চেইন ছিঁড়ে যাওয়া:

ইঞ্জিনের শক্তিটা পিছনের চাকায় পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে চেইনের কাজ। ঠিকমত দেখাশোনা করলে চেইন ছিঁড়ে যাবার সম্ভবনা কম। তবে ছিঁড়ে গেলে পিছনের চাকা লক্ড হয়ে যেতে পারে। যার ফলে আপনার বাইক স্কিড করতে পারে। চেইন ছিঁড়ে গেলে পিছনের চাকা ঘোরার শক্তি হারিয়ে ফেলে। এক্ষেত্রে থ্রটল সম্পূর্ন কমিয়ে দিয়ে ব্রেকের সাহায্যে নিরাপদ জায়গায় দাঁড়িয়ে পড়ুন।

ইঞ্জিন সীজ:

মাঝে মাঝে ইঞ্জিন হঠাৎ থেমে যেতে পারে। এর কারন ইঞ্জিন অয়েলের পরিমান কমে যাওয়া। পেট্রোলের অভাবেও এমনটা হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে ইঞ্জিন হঠাৎ থেমে গেলে হ্যান্ডেল শক্ত করে ধরে ক্লাচ চেপে ধরুন। এরপর ধীরে ব্রেক কষে রাস্তার বাম পাশ ঘেঁষে দাঁড়ান। ইঞ্জিন ওয়েল ঠিকমত আছে কিনা তা নিয়মিত চেক করুন। নইলে ইঞ্জিনের ক্ষতি হবে।

উপরের কারনগুলো ছাড়াও মাঝে মাঝে মোটর সাইকেলে কিছুতেই ব্যালান্স রাখা যায়না। হ্যান্ডেল আর সামনের চাকা শুধু এদিক ওদিক চলে যেতে যায়। ইংরেজীতে এই অবস্থাকে বলা হয়Wobble.এই অবস্থার জন্য দায়ী টায়ারের এয়ার প্রেসার, অতিরিক্ত লোড নেওয়া বা লোড নিয়মমত না বাঁধা বা রাখা, মোটরসাইকেলের সঠিক পার্টস ব্যবহার না করা ইত্যাদি। এ’অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে চাইলে অতিরিক্ত লোড কমিয়ে দিন। সে সুযোগ না থাকলে মাল রাখার জায়গা পরিবর্তন করুন। কিভাবে লোড বহন করতে হবে তা আগেই আলোচনা করা হয়েছে। টায়ার প্রেসার, শক অ্যাবজর্বার চেক করুন। যেসব মোটরসাইকেলে উইন্ডশীল্ড ব্যবহার করা হয়, সেগুলো ঠিকমত বসানো হয়েছে কিনা তাও চেক করে নিতে হবে।

হ্যান্ডেল বার টাইট আছে কিনা, সামনের চাকার রীম সোজা আছে কিনা, অ্যালাইনমেন্ট ঠিক আছে কিনা, বিয়ারিং বা স্পোক ঢিলা আছে কিনা-এগুলো ভালমত দেখে নিতে হবে। এরপরও সমস্যা মনে হলে কোন পেশাদার মেকারের সাহায্য নিন। Wobbleঅবস্থায় যা করবেন তা হচ্ছে-

  • 1. ভালমত হ্যান্ডেল বার ধরুন; তবে Wobbleঅবস্থায় যুদ্ধ করবেননা।
  • 2. ধীরে ধীরে থ্রটল কমিয়ে মোটর সাইকেল থামাবেন। ব্রেক ব্যবহার করবেন। ব্রেকিং- এই অবস্থাকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
  • 3. আপনার ওজন যেন সামনের দিকে থাকে তা লক্ষ্য করুন।
  • 4. এই অবস্থা ঠিক না হওয়া পর্যন্ত বাইক চালাবেননা।

কি করে ফুয়েল বাঁচাবেন?

পেট্রোলের দাম যেহেতু আকাশ ছোঁয়া সেহেতু তা বাঁচানোর নিয়মগুলো জেনে থাকা উচিত।

  • ৪০/৫০ কি:মি: গতিতে বাইক চালাবেন।
  • আপনার টায়ারের পাম্প টায়ারের নির্দেশ মত রাখুন। টায়ারে বাতাস কম থাকলে পেট্রোল খরচ বেড়ে যাবে।
  • আপনার বাইকের চেনের টেনশন (টান টান ভাব)যেন ঠিক থাকে। অতিরিক্ত ঢিলা চেন পেট্রোল খরচ বাড়িয়ে দেয়।
  • মোটরসাইকেল চালানোর সময় সবসময় ক্লাচ চেপে রাখবেননা।
  • অনেকক্ষন ধরে লো গিয়ারে মোটরসাইকেল চালালে ফুয়েল খরচ বাড়বে। টপ গিয়ারে ফুয়েল খরচ কম হবে।
  • সরাসরি রোদে মোটরসাইকেল রাখলে ফুয়েল বাষ্প আকারে উড়ে খরচ বাড়িয়ে তুলবে।
  • বাইক চালানোর সময় ব্রেক হালকা করে চেপে রাখবেননা।
  • ইঞ্জিন স্টার্ট থাকা অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় অযথা থ্রটল ঘুরাবেননা।
  • বেশি সময়ের জন্য দাঁড়াতে হলে ইঞ্জিন বন্ধ রাখুন।
  • বাইক চালানোর সময় যেদিকে এয়ার ফিল্টার আছে, সেদিকটা ঢেকে রাখবেননা।
  • ইঞ্জিন চালু অবস্থায় ঢেকে রাখবেননা; ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হলে ফুয়েল খরচ বাড়বে।

এ্যাকসিডেন্ট থেকে বাঁচতে ১০ টি টিপস

  • মোটরসাইকেল চালানোর আগে সাইড স্ট্যান্ড তুলতে কখনও ভুলবেননা। ব্যাপারটা ছোট মনে হলেও আমার এক বন্ধু সা্ইড স্ট্যান্ডের কথা ভুলে যাওয়ায় আছাড় খেয়ে “কলার বোন” ভেঙ্গেছে। সুতরাং সাবধান!!
  • কর্ণারে কখনও ওভারটেকিং করবেননা। সোজা রাস্তায় সামনে ও পিছনে কেউ না আসলে তবেই ওভারটেকিং করবেন। চেষ্টা করুন যে গাড়ীকে ওভারটেকিং করছেন তার ড্রাইভার যাতে আপনাকে দেখতে পায়।
  • স্যান্ডর’র উপর হার্ড ব্রেক করবেননা। বিশেষ করে হাইড্রোলিক/ডিস্ক ব্রেক। স্লিপ করে বড় অ্যাক্সিডেন্ট ঘটে যেতে পারে।
  • ডানে বামে বাঁক ঘুরতে ইন্ডিকেটর লাইট ৩০ মিটার বা ৩০ সেকেন্ড আগেই জালাবেন। তাহলে পিছন থেকে ধাক্বা খাওয়ার আশংকা কমবে।
  • বাস-ট্রাক বা নসিমন করিমনের একদম পিছন পিছন চালাবেননা। দুই থেকে ৬ সেকেন্ড দুরে থাকুন। (সেকেন্ড দুরত্বের কথা আগেই আলোচনা করা হয়েছে।) এগুলোর কোন ব্রেক লাইট থাকেনা। তাছাড়া কার বা জিপ মোটরসাইকেলের চেয়ে দ্রুত থামতে পারে। মোটরসাইকেলে সেটা সম্ভব নয়।
  • মোটরসাইকেলের চালকের সাথে সহযাত্রী থাকলে ওভারটেকিং ও ব্রেকিং সব কিছুতেই খানিকক্ষণ সময় নেয়। সুতরাং হিসেব করে কাজ করুন।
  • প্রত্যেকের বাইক চালানোর নিজস্ব ক্ষমতা থাকে। যে গতিতে আপনি বাইক ইচ্ছামত থামাতে পারেন এবং স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন সেটাই আপনার বাইক চালানোর ক্ষমতা। নিজস্ব ক্ষমতার বাইরে যাবেননা। ক্ষমতা বারাতে চাইলে ফাঁকা রাস্তায় বার বার প্র্যাকটিস করুন।
  • লোকালয়ে আপনার বাইকের সর্বোচ্চ গতিবেগ ৪০ কি:মি: হওয়া উচিত। বৃদ্ধ, বাচ্চা, গরু-ছাগল, কুকুর, গ্রামের মহিলারা রাস্তায় খুবই আনাড়ী!
  • অতিরিক্ত ক্ষয়ে যাওয়া টায়ার বদলে ফেলুন। ঘন্টায় ৮০ কি:মি: গতিবেগে টায়ার বাষ্ট হলে কি হতে পারে বুঝতেই পারছেন।
  • হেলমেট, গ্লাভস, জুতো পরে বাইক চালান।

আমাদেশে পা্ওয়া যায় এই মোটরবাইকগুলোর লিংক দিলাম। শেষের দুটো বাইক রিভিউ।

Link for your motorcycle

আপনার ভ্রমন নিরাপদ এবং আনন্দময় হোক এই কামনায়
মুহাম্মদুল্লাহ্ চৌধুরী

Level 2

আমি মুহাম্মদুল্লাহ চৌধুরী। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 8 বছর 9 মাস যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 19 টি টিউন ও 95 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 3 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 0 টিউনারকে ফলো করি।

এক্সপ্লোরার......


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস

অস্থির!!!!!
খুব ভাল লিখেছেন ! 😀

শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।

প্রিয় টিউনার,

আপনার টিউনটি টেকটিউনস চেইন টিউন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অভিনন্দন আপনাকে!

টেকটিউনসে চেইন টিউন কীভাবে প্রক্রিয়া হয় তা জানতে টেকটিউনস সজিপ্র এর https://www.techtunes.co/faq “চেইন টিউন” অংশ দেখুন।

নিয়মিত চেইন টিউন করুন। এখন থেকে আপনার নতুন করা চেইন টিউন গুলো টেকটিউনস থেকে চেইন এ যুক্ত করা হবে। চেইন টিউনে যুক্ত হবার ফলে চেইনের প্রতিটি পর্ব একসাথে থাকবে।

চেইনে নতুন পর্ব যুক্ত হলে তা টেকটিউনসের প্রথম পাতায় দেখা যাবে এবং “সকল চেইন টিউনস” https://www.techtunes.co/chain-tunes/ পাতায় চেইন টিউনটি যুক্ত হবে।

নিয়মিত চেইন টিউন করে নতুন নতুন টিউন আপনার চেইনে যুক্ত করুন এবং অসম্পূর্ণ না রেখে আপনার চেইন টিউনে নিয়মিত পূর্ণাঙ্গ রূপ দিন। ধন্যবাদ আপনাকে।

মেতে থাকুন প্রযুক্তির সুরে আর নিয়মিত করুন চেইন টিউন!

ধন্যবাদ

এতো ভালো টিউন আসলে খুব কম-ই দেখতে পাআয়া যাই।। টিউনারকে ধন্নবাদ।।ভাল থাকবেন ভাই।

Level 0

মুহাম্মদুল্লাহ ভাই, ”bike stunt” সম্বন্ধে টিউন আশা করছি আপনার কাছে থেকে।

মুহাম্মদুল্লাহ ভাই, plz contact with me..need to talk to u..suvro> 01914881547