
মূলত আকার এবং কাজের ধরণের উপর নির্ভর করে ট্যাবলেটকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সম্পর্কে আসুন এবারে এক নজরে দেখে নিই-
বুকলেট
বুকলেট ট্যাবলেট অনেকটাই নেটবুকের মতো তবে এখানে মনিটর এবং কীবোর্ড সুইদিকেই থাকে টাচস্ক্রীণ। বর্তমানে আসুসসহ বিভিন্ন কোম্পানী এমন মাল্টিটাচ ট্যাবলেট-এর ঘোষণা দিয়ে রেখেছে।
স্লেট
আমরা ছোটোবেলায় চক দিয়ে লেখার জন্য যেই স্লেট ব্যবহার করেছিলাম মূলত সেখান থেকে স্লেট ট্যাবলেট-এর ধারণা এসেছে। এতে আইপ্যাডের মতোই স্ক্রীন একটিই যেখানে হাত বা স্টাইলাস দিয়ে ইনপুট দেয়া হয়। বর্তমানে উন্নত বিশ্বে স্বাস্থসেবা, পড়াশোনা এবং ফিল্ডওয়ার্কে স্লেট ট্যাবলেট বহু ভাবে ব্যবহৃ হচ্ছে।
কনভার্টিবল
কনভার্টিবল আসলে অনেকটাই নেটবুক। শুধু এর কীবোর্ডটাকে ঘুড়িয়ে ১০০ ভাগ মনিটরের পেছনে নিয়ে যাওয়া যায়। তখন এটিকে ট্যাবলেট পিসির মতোই ব্যবহার করা সম্ভব হয়।
এছাড়া টাচস্ক্রীণের ফিচারের উপর ভিত্তি করে ট্যাবলেট পিসিকে দুইভাগে ভাগ করা হয়। রেজিস্টিভ এবং ক্যাপাসিটিভ। আর এখনকার বেশির ভাগ টাচ স্ক্রীণই মাল্টিটাচ ফিচার সমৃদ্ধ যা কিনা একই মুহুর্তে একের অধিক টাচ বুঝতে সক্ষম।
আমি হৃদিতা বড়ুয়া। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 15 বছর 6 মাস যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 8 টি টিউন ও 53 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 0 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 0 টিউনারকে ফলো করি।
আমি এমন একট Hacking Software বানাতে চাই যা পৃথীবি সব WEBSITE Hack করতে সক্ষম।
আরে ভাই কাল একবার এই টিউন দেখলাম আজ আবার………?