
বিজয়ের দিনে বিজয়ীর কথা। আবুজেহেল এর বাড়ির শৌচাগারের ন্যায় মুসলিমদের জন্য অনলাইন শৌচাগার এর নাম গুগল। এতদিন তারা গোপনে মুসলিম হত্যা চালিয়েছিল। এখন থেকে শুধু গুগল এর প্রতিটি প্রোডাক্ট ব্যবহার এর সময় মনে রাখবেন, সেখানে বা গুগল কোম্পানিতে হাগু করার জন্যই মজা পাচ্ছেন প্রকৃত মুসলিমরা। গুগলের প্রোডাক্ট : গুগল সার্চ ইঞ্জিন, জিমেইল, ইউটিউব, গুগল মিট, জিমিনি, গুগল ম্যাপ্স, এডসেন্স, গুগল ওয়ালেট সহ আরো কিছু।
ইসলামের এই বিজয়ের দিনে মুসলিম প্রযুক্তিপ্রেমীদের জানাতে চাই
বিজয়ের দিনে বিজয়ীর কথা।
নিজেদের উপর নির্ভরশীল হউন। কোন গু এর উপরে নয়। কোরিয়াতে রাজধানী কে গু বলা হয়। নিশ্চই কাফের ও তাদের অনুসারীদের চিহ্নিত করার উপায়ও আছে। ১৯৫২ সালে তা বাংগালীদের জানার জ্ঞান অর্র্জন করেছিলেন কিছু মুসলিম। তা যাতে প্রকাশ না পায়, তাই ভাষা স্বাধীনতার বিরুদ্ধে গিয়ে কাফেররা মুসলিম হত্যা চালায় গোপনে। যেখানে অন্য মুসলিমদেশ কোরবানির ফজিলতের প্রকৃত ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তারাও কাফেরদের দ্বারা দৃশ্যমান এবং আক্রমনের শিকার হয়। যাইহোক, আমাদের বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম ও সত্যের অনেকটা কাছে গিয়েছিলেন। তাই তো তিনি লিখেছিলেন, কোথায় দোজখ, কোথায় বেহেস্ত, কে বলে তা বহুদূরে, মানুষের মাঝেই তা বিদ্যমান। মহান আল্লাহ দুনিয়াতেও প্রমান দেন যে, হ্যা দোজখ এবং বেহেস্ত কতটা সত্য তা খুঁজলেই পাবে। ঠিক বৃষ্টি আসলে যেমন আমরা মেঘদেখি, অনেকটা সেরকম। কিন্তু সেখানে দোজখ এবং বেহেস্ত এর শব্দ পাল্টে যায় তার কাফের বৌ এর জন্য। মূলত তার কাফের বৌ ছিল একটা জঘন্য ডাইনী। সেই সময়ে সেই কাফের কে ভাষার মাধ্যমে কবির হত্যা করা জরুরি ছিল, কিন্তু একজন প্রকৃতি লেখক কখনো কোন মানুষের জান নিতে পারে না। তিনি তার যুদ্ধ চালিয়ে গিয়েছেন। কাফেরদের আস্তানা ও রহস্য উমুক্ত করার জন্যই তিনি কাফের সঙ্গিনী বেছে নিয়েছিলেন। শ্রদ্ধা হয় তাকে ভেবে। গভীর শ্রদ্ধা হয় সালাম, বরকত, রফিকদের ভেবে। তাদের কাছেই ছিল প্রকৃত জ্ঞানের ভান্ডার। এবং কাফেরদের কাছে ছিল তা অর্র্থ বা টাকা। গুগল হচ্ছে সেই সমস্ত কাফেরদের মধ্যে অন্যতম।
যারা আপনার লেখাকে বিশ্লেষণ করে নিজেদের অপকর্মের ভয় পরিমাপ করে এবং আপনাদের লেখা অর্র্থ দিয়ে অর্র্থ বা ডলার বা টাকা বানায়। কি হবে, যদি আমরা নিজেরাই বাকশাল থেকে নিজেদের কর্মের জন্য টাকা বানাই এবং সরকারি চাকুরিজীবীদের চাকরের ন্যায় থেকে একটা মর্যাদা সম্পন্ন বেতন দেই! টেকটিউনস (সম্ভবত প্রতিষ্ঠাতার নাম আদি ভাই) যদি গুগলের টাকার উপর নির্ভরশীল না হয়ে বরং হালাল টাকা পায়! যদি প্রত্যেক মসলিম তার প্রিয় কর্মের জন্য বেতন পায়! কর্মের উপর ভিত্তি করে যদি টাকা বানানো হয়, তবেই হয়তো সেই টাকা ছোয়াবের কাছে পরাধীন হয়ে হারাম মূর্র্তী বা প্রাণীর ছবিবিহীন হালাল টাকা বেহেস্তের উপস্থিতিও প্রমান করবে। তবেই প্রকৃত মুক্তি। বিদেশী কাফেরদের বা টয়লেট টয়লেট করা টাকা সংগ্রহ করে যে সব কাফের অন্যদের চালায় তাদের এর কাছে ভিক্ষাবৃত্তি নয়। চাইতে হয় মহান আল্লাহর কাছে এবং এটাও একটা জাতির উত্থানের উপায়।
আমি মোহাম্মাদ আসাদুজ্জামান শুভ। Founder, Startostars.com, Rangpur। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 13 বছর 9 মাস যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 41 টি টিউন ও 39 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 3 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 8 টিউনারকে ফলো করি।