পৃথিবীর অন্যতম যুগান্তকারী আবিষ্কার, ফোন এর বিভিন্ন জেনারেশন ও তাদের বৈশিষ্ঠ্য

Level 4
২য় বর্ষ, গাইবান্ধা সরকারি কলেজ, গাইবান্ধা

হ্যালো টেকটিউনস কমিউনিটির সদস্যরা, কেমন আছেন সবাই? আশাকরি আপনারা সবাই ভালোই আছেন। বরাবরের মতো আজ ও আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি সুন্দর একটি টিউন। আশাকরি আপনারা পছন্দ করবেন। সময় নষ্ট না করে ঝটপট পড়ে ফেলুন টিউনটি। চলুন কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক।

প্রাচীনকালে মানুষের কাছে মোবাইল ফোন ছিল না। তারপরে যখন মোবাইল ফোন আবিষ্কার হল তখন মোবাইল ফোনের ধরন কি রকমের ছিল তা আপনারা অনেকেই জানেন। কিন্তু এখন এর উন্নতির ফলে এটি দেখতে পুরোপুরি অন্যরকম। উন্নয়নের মাধ্যমে এক পর্যায় বা ধাপ থেকে অন্য পর্যায়ে বা ধাপে স্থানান্তর করে মোবাইল ফোনকে উন্নত করে ব্যবহার করা হয়। আর এর প্রতিটি ধাপ এক একটি মোবাইল ফোনের প্রজন্ম বলে।

এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত মোবাইল ফোনের চারটি প্রজন্ম বাস্তবায়িয়ত হয়েছে। তবে পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল আবিষ্কৃত হয়েছে এবং এটা বাস্তবায়নে একটু সময় লাগবে। নিচে এসব প্রজন্ম সম্পর্কে কিছু জ্ঞান আপনাদের সামনে তুলে ধরব ইনশাআল্লাহ।

প্রথম প্রজন্মঃ

সময়কাল ১৯৮৩ সালে উত্তর আমেরিকায় বাণিজ্যিকভাবে প্রথম প্রজন্মের মোবাইল ফোনের দেখা পাওয়া যায়। এই মোবাইল ফোনের নাম দেওয়া হয়েছিল AMPS -Advanced Mobile Phone System। এই মোবাইল ফোন যোগাযোগ স্থাপন করতে এনালগ সিগন্যাল ব্যবহার করত।

অল্প কিছু সময় কাল পরে প্রথম জেনারেশনের CT/1 এবং NMT নামে আরো দুইটি মোবাইল ফোন চালু করা হয়েছিল।

প্রথম প্রজন্মের মোবাইল ফোন এর বৈশিষ্ট্যঃ

  • এই প্রজন্মের রেডিও সিগন্যাল এর এনালগ পদ্ধতির ব্যবহার হয়।
  • একই সময় কালের সাধারন টেলিফোনের তুলনায় মোবাইল ফোন ছিলো আকারে কিছুটা ছোট এবং ওজনে হালকা।
  • সিগন্যাল ফ্রিকুয়েন্সি তুলনামূলকভাবে কম।
  • কথোপকথন চলা অবস্থায় ব্যবহারকারী অবস্থান পরিবর্তন করলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়।
  • এতে মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে এবং সেই সাথে সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তি ব্যবহারও রয়েছে।
  • সেল সিগন্যাল এনকোডিং পদ্ধতি হলো এফ ডি এম এ (Frequency Division Multiple Access-FDMA)

দ্বিতীয় প্রজন্মঃ

দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন যখন চালু করা হয় তখন ১৯৯১ সাল। ফিনল্যান্ড নামক জায়গায় দ্বিতীয় প্রযুক্তির মোবাইল ফোন চালু হয়। ভয়েস Noise মুক্ত করার উদ্দেশ্যেই দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের চেষ্টা এবং তাতে তারা কিছুটা সফল হয়। এই প্রজন্মের ডেটা ট্রান্সমিট পদ্ধতি আসলে ডিজিটাল পদ্ধতি ছিল। এই প্রজন্মের মোবাইল ফোনের সর্বোচ্চ ডাটা স্পীড ছিলো ৬৪ kbps।

পরবর্তীতে এই মোবাইল ফোনগুলোর নামকরণের ক্ষেত্রে AMPS এর নামের সাথে ডিজিটাল যোগ করে নাম রাখা হয় Digital AMPS বা D-AMPS।

দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন এর বৈশিষ্ট্যঃ

  • এই প্রজন্মের ডিজিটাল পদ্ধতির রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করা হতো।
  • সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তির উন্নতিতে এবং সেই সাথে মাইক্রোওয়েভ ডিভাইসের বিকশিত রুপের ফলে মোবাইলের কমিউনিকেশনে ডিজিটাল ট্রান্সমিশন সিস্টেম বাস্তবায়ন সম্ভব হয়।
  • উন্নতমানের অডিও এর জন্য ডিজিটাল মডুলেশন ব্যবহৃত হয়েছিল।
  • সেল সিগন্যাল এনকোডিং পদ্ধতি হলো FDMA, TDMA, CDMA।
  • ডেটা স্থানান্তর করার গতি অক বেশি ছিল।
  • ডেটার প্রতারণা প্রতিরোধে সহায়তা করে।
  • সর্বপ্রথম প্রিপেইড পদ্ধতি চালু হয়।
  • সীমিত মাত্রায় আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা চালু হয়।
  • মোবাইল ডেটা স্থানান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচিং নেটওয়ার্ক এবং ভয়েস কল রূপান্তরের জন্য কোর সুইচ নেটওয়ার্ক পদ্ধতি ব্যবহৃত হত।
  • এমএমএস (MMS-Multimedia Massage Service) এবং এসএমএস (SMS-Short Massage Service) সেবা কার্যক্রম চালু হয়।
  • জিএসএম পদ্ধতিতে ডেটা ও ভয়েস প্রেরন সম্ভব হয়।
  • কথোপকথন চলা অবস্থায় ব্যবহারকারীর অবস্থান পরিবর্তন হলে ট্রান্সমিশন বিচ্ছিন্ন হয় না।
  • ক্ষেত্রবিশেষ অন্য মোবাইল সার্ভিস প্রোভাইডার এর দ্বারা সৃষ্ট রেডিও ইন্টারফারেন্স হয়।

তৃতীয় প্রজন্মঃ

ITU- International Telecom Union "Internet Mobile Communication for year 2000" শিরোনামে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের উদ্ভব ঘটে। এই মোবাইলের ভয়েস মান পাবলিক টেলিফোন নেটওয়ার্ক এর মত হবে

এই মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট সংযোগের ব্যবস্থা থাকবে। এর ব্যান্ডউইথ হবে ২ মেগা হার্জ। এর ডেটা স্পীড হবে চলন্ত গাড়ির জন্য ১৪৪ কিলোবিট/সেকেন্ড এবং হেঁটে চলা মানুষের জন্য ৩৮৪ কিলোবিট/ সেকেন্ড এবং ঘরে ব্যবহারের জন্য 2 মেগাবাইট/সেকেন্ড।

সময়কাল ২০০১ এ জাপানে প্রথম পরীক্ষামূলক ভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন ব্যবহার শুরু হয়। এই মোবাইল ফোনের টেকনোলজির ব্যবহার হয় W-CDMA(Wideband Code Division Multiple) যা UMTS-Universal Mobile Telecommunication System নামে পরিচিতি লাভ করে।

তৃতীয় প্রজন্মের উচ্চগতির ডাটা ট্রান্সফার ও মাল্টিমিডিয়া ডাটা ব্যবহার সহ ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়। ফলের সর্বাধিক ডেটা ট্রান্সফারের মোবাইল টেকনোলজি (EDGE-Enhabced Data rates for GSM Evolution) চালু হয়। এই প্রজন্মে আধুনিক মোবাইল টেকনোলজি (HSPA-High Speed Packet Access) ব্যবহার করা হয়।

তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন এর বৈশিষ্ট্যঃ

  • ডেটা রূপান্তরের কাছে প্যাকেট সুইচিং এবং সার্কিট সুইচিং উভয় পদ্ধতির ব্যবহার হয়।
  • তবে প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতির সাহায্যে খুব দ্রুত ছবি ও ভয়েস আদান প্রদান করা যাবে।
  • মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য মডেম এর ব্যবহার করা যাবে।
  • ডেটা স্থানান্তর উচ্চগতিসম্পন্ন। ডেটা রেট ২ এমবিপিএস এর অধিক।
  • মোবাইল ব্যাংকিং ই-কমার্স ইত্যাদি সেবা কার্যক্রম চালু হয়।
  • চ্যানেল অ্যাক্সেস বা সেল সিগন্যাল এনকোডিং পদ্ধতি হলো TD-SCDMA এবং TD-SCMA।
  • আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা চালু।
  • ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভয়েস এবং ডেটা স্থানান্তরিত হয়।
  • এই প্রজন্মের মোবাইলের মাধ্যমে নেট সংযোগ দিয়ে গান শোনা যায়। দেশি বিদেশি সিনেমা দেখা যায়। এছাড়াও টিভি দেখা যায় এবং চাহিদা অনুযায়ী নেটে থাকা যেকোন কিছু ডাউনলোড করা যায়।
  • যেকোনো সময় ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
  • ইন্টারনেটে গেম খেলা যায় ও গেম ডাউনলোড করা যায়।
  • ভিডিও কনফারেন্স করা যায়।
  • সব সময় ইন্টারনেট সংযোগ দেয়া থাকে তাই আলাদা করে ইন্টারনেট সংযোগের প্রয়োজন হয় না।
  • সরাসরি বিল দেয়ার পরিবর্তে বিকল্প পদ্ধতি হিসেবে এই প্রজন্মের মোবাইল ব্যবহার করা যাবে।

চতুর্থ প্রজন্মঃ

২০১০ সালের দিকে চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের চালু হয়। চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো প্যাকেট সুইচিং এবং সার্কিট সুইচিং এর পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল নেটওয়ার্কের ব্যবহার। ইন্টারনেট প্রটোকল এর মাধ্যমে মোবাইল ফোন সিস্টেম এর ডাটা আদান-প্রদান করা সম্ভব হবে। চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোন সিস্টেম এ আল্ট্রা ব্রডব্যান্ড গতির ইন্টারনেট ব্যবহার করা যাবে। দ্রুত চলনশীল ডিভাইসের ক্ষেত্রে এর ডেটা স্থানান্তর গতি হবে ১০০ মেগাবাইট/সেকেন্ড এবং স্থির ডিভাইসের ক্ষেত্রে এর ডেটা স্থানান্তর গতি হবে ১ গেগাবাইট/সেকেন্ড।

চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোন এর বৈশিষ্ট্যঃ

  • চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের গতি তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের গতি অপেক্ষা ৫০ গুন বেশি হবে।
  • টেলিভিশনে আগের প্রজন্মের চাইতে উন্নত মানের ছবি এবং ভিডিও এর জন্য হাই রেজুলেশন লিংক প্রদান করবে।
  • ফোনের স্মার্ট কার্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্রয় কৃত পণ্যের টাকা দিতে বা বিল দিতে সক্ষম হবে।
  • ত্রিমাত্রিক ব্যবহারিক প্রয়োগের ফলে কোন অনুষ্ঠানে সরাসরি উপস্থিত না হয়েও নিজের উপস্থিতি আছে বলে অনুভূত হবে।

LTE-Long Term Evolution হলো সেলুলার স্ট্যান্ডার্ড ভিত্তিক একটি 4g মোবাইল সিস্টেম ৩২৬ মেগাবিট/ সেকেন্ড পিক বিট রেট প্রদান করে। 4G এর সুবিধার ফলে ব্যবহারকারীগণ খুব সহজেই যেকোন সময় যেকোন জায়গায় আগের প্রজন্মের তুলনায় অপেক্ষাকৃত দ্রুত গতিতে ভয়েস, ডাটা এবং মাল্টিমিডিয়া আদান প্রদান করা যাবে বলে আশা করা যায়।

পঞ্চম প্রজন্মঃ

মোবাইলের পঞ্চম প্রজন্মের একমাত্র উদ্দেশ্য ডেটা ট্রান্সফার স্পীড বৃদ্ধি করা যাতে ভবিষ্যতে সকল কাজ খুব সহজেই অল্প সময়ে করা যায়। চালক বিহীন গাড়ি, লাইভ ম্যাপ এবং ট্রাফিক তথ্য পড়ার জন্যও ফাইভজি বেশ সেন্সিটিভ ভাবে কাজ করবে বলে তারা আশাবাদী।

এই প্রজন্মের ফোনের ডাটা ট্রান্সফার স্পীড পুর্বের প্রজন্মের তুলনায় ১০-২০ গুন বেশি হবে। একটা চলচিত্র ডাউনলোড করতে ১ মিনিটের ও কম সময় লাগবে। এর দ্রুত গতির কারণে ভবিষ্যতে এর এমন কিছু ব্যবহার আসবে যা বাড়িয়ে দেবে মানুষের সুখ, সাচ্ছন্দ আর বিলাসিতাকে।

ইতোমধ্যে বেশ কিছু দেশ 5G সেবার আওতায় এসেছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য দেশগুলো হলো যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো, ক্যালিফোর্নিয়া, আলস্কা, নিউইয়র্ক ও যুক্তরাজ্য, কানাডার বেশ কিছু শহর সহ মোট ১৭ দেশে এ সেবা চালু হয়।

শিকাগোতে নেটওয়ার্ক স্পীড ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে One plus 7 pro ফোন দিয়ে চেক করে তা ১.৩৫ জিবি/সেকেন্ড পাওয়া যায়। এই নেটওয়ার্ক সিস্টেম খুবই উন্নত পদ্ধতিতে তৈরি করা হয়েছে। অন্যান্য দেশে এরকম স্পীড পাওয়া যায় নি। নেটওয়ার্ক আসার আগের এর উপযোগী ফোন বাজারে এসে যায়। ঠিক যেমনটা 4G ফোনের ক্ষেত্রে হয়েছে।

বর্তমানে 5G অনেক ফোনই বাজারে এসেছে যা 4G তেও কাজ করবে। আমরা জানি যে এমন কিছু এলাকা আছে যেখানে নেটওয়ার্ক সিগন্যাল একদম পায় না। তাই ফাইভ-জি সমগ্র বিশ্বে ছড়িয়ে পরতে সময় নিবে। কারন এটা উচ্চগতির নেটওয়ার্ক যা সহজে সৃষ্টি করা বা ছড়িয়ে দেয়া সহজ নয়। তবে সত্যি কথা বলতে প্রান্তিক এলাকার মানুষের 5G এর সুবিধা পেতে বেশ কিছু সময় লাগবে।

তো বন্ধুরা আজকের টিউন এ পর্যন্তই। ভালো লাগলে জোসস দিয়ে পাশে থাকবেন। মন্তব্য থাকলে টিউমেন্ট করে অবশ্যই আমকে জানাবেন। এ পর্যন্ত টিউনটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। পরবর্তী টিউনে আবার কথা হবে। ততক্ষন ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।

Level 4

আমি মোঃ তানজিন প্রধান। ২য় বর্ষ, গাইবান্ধা সরকারি কলেজ, গাইবান্ধা। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 5 মাস 1 সপ্তাহ যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 58 টি টিউন ও 55 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 10 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 4 টিউনারকে ফলো করি।

কখনো কখনো হারিয়ে যাই চিন্তার আসরে, কখনোবা ভালোবাসি শিখতে, কখনোবা ভালোবাসি শিখাতে, হয়তো চিন্তাগুলো একদিন হারিয়ে যাবে ব্যাস্ততার ভীরে। তারপর ব্যাস্ততার ঘোর নিয়েই একদিন চলে যাব কবরে।


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস

প্রিয় ট্রাসটেড টিউনার,

আপনার টিউনটি ‘টেকটিউনস ক্যাশ’ এর জন্য প্রসেস হতে পারছে না।

কারণ:

টিউনের শিরোনাম টিউনের সাথে প্রাসঙ্গিক, আকর্ষণীয়, ইউনিক, ইউজার এনগেজিং ও Catchy হয়নি।

করণীয়:

টিউনের বর্তমান শিরোনামটি পরিবর্তন করে টিউনের শিরোনাম ও টিউনের থাম্বনেইলের শিরোনাম হিসেবে নিচে উল্লেখিত শিরোনামটি সেট করুন:

‘পৃথিবীর অন্যতম যুগান্তকারী আবিষ্কার, ফোন এর বিভিন্ন জেনারেশন ও তাদের বৈশিষ্ঠ্য’

টেকটিউনস টিউনার হিসেবে গতানুগতিক টিউনের শিরোনাম বা টাইটেল দেওয়া যায় না। টিউনের শিরোনাম অবশ্যই আকর্ষণীয়, ইউনিক ও Catchy টিউনের শিরোনাম বা টাইটেল তৈরি করতে হয়।

আপনার পরবর্তি টিউন গুলোতে যেন এই একই ভুল না হয় সে দিক পূর্ণ সতর্ক থাকুন।

উপরের নির্দেশিত সংশোধন করে এই টিউমেন্টের রিপ্লাই দিন।

খেয়াল করুন, এই টিউমেন্টের রিপ্লাই বাটনে ক্লিক করে রিপ্লাই না করে টিউনে টিউমেন্ট করলে তার নোটিফিশেন ‘টেকটিউনস কন্টেন্ট অপস’ টিম পাবে না। তাই অবশ্যই এই টিউমেন্টের রিপ্লাই বাটনে ক্লিক করে রিপ্লাই করুন।