বাংলাদেশের ৮টি বিলুপ্তপ্রায় ও বিপদাপন্ন প্রাণী

Level 4
২য় বর্ষ, গাইবান্ধা সরকারি কলেজ, গাইবান্ধা

হ্যালো টিউন পাঠক বন্ধুরা, কেমন আছেন সবাই? আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভাল আছেন। থাম্বনেইল এবং টিউন টাইটেল দেখে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন আজকের টিউনটি কি সম্পর্কে হতে চলেছে। উপরের চিত্রের প্রাণীটিকে আপনারা কি কেউ চেনেন?

না চিনলেও সমস্যা নেই। কারণ এ প্রাণীসহ আরো কিছু প্রানী সম্পর্কে আমি আপনাদেরকে জানাবো। তো বন্ধুরা আজেবাজে কথা না বলে শুরু করা যাক আজকের টিউন। উপরের চিত্রের প্রাণীটির নাম বন রুই।

বনরুই বাংলাদেশ একটি বিপন্ন বা বিলুপ্তপ্রায় প্রাণী। এরকম আরো বেশ কয়েকটি প্রাণী রয়েছে। যেসব প্রাণীর সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিয়েই আমার আজকের টিউন। তো মনোযোগ সহকারে টিউনটি পড়ে জেনে নিন প্রাণীগুলো সম্পর্কে।

বাংলাদেশের বিলুপ্তপ্রায় কয়েকটি প্রাণীর সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিচে দেওয়া হলো-

১) বনরুইঃ

উপরের চিত্রের প্রাণীটির নাম বর্ণালী এবং এর ইংরেজি নাম Chinaese Pangolin এর বৈজ্ঞানিক নাম Manis pentadactyla। এটি বাংলাদেশের বিপন্নপ্রায় বাবা সংকটগ্রস্ত একটি প্রাণী।

সম্প্রতি পাঁচটি ঘটনায় ৬ টি গরু চোরাচালানের ধরা পড়ে। বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনীট এ উদ্ধার কার্য চালায়। প্রাণীটি সত্যিই মহাসঙ্কটের রয়েছে কারণ প্রকৃতি বং প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংস্থার একে লাল তালিকায় চিহ্নিত করেছে।

আঁশযুক্ত স্তন্যপায়ীদের মধ্যে বনরুই একমাত্র প্রাণী। গবেষকদের ধারণা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে বাংলাদেশের বুক থেকে অচিরেই হারিয়ে যাবে এই প্রাণীটি।

২) রাজশকুনঃ

রাজশকুন বিশ্ব প্রেক্ষাপটেই একটি বিপন্ন পাখি। বাংলাদেশে এটি মহাবিপন্ন বলে চিহ্নিত। এটি বাংলাদেশের প্রাক্তন আবাসিক পাখি, তবে বর্তমানে আর দেখা যায় না। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এর বিস্তৃতি।

রাজশকুনের বৈজ্ঞানিক নাম Sarcogyps calvus। ইংরেজি নাম Red-headed Vulture or King Vulture। এর মাথা লাল ও পালক কালো। পুরুষ ও স্ত্রী পাখির চেহারা একই রকম। অন্যান্য শকুনের মতাে এরা দলবদ্ধ ভাবে বসবাস করে না।

একা বা কখনো কখনো জোড়ায় জোড়ায় দেখা যায়। খাবারের তালিকায় মৃত পশুর দেহ। উঁচু গাছের ডালে পাতা দিয়ে বাসা বানায় এবং একটি মাত্র ডিম পাড়ে। ৪৫ দিনে ডিম ফোটে। বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী আইনে এটি সংরক্ষিত প্রজাতি।

৩) ঘড়িয়ালঃ

ঘড়িয়াল বাংলাদেশে একটি অতি বিপদাপন্ন
সরীসৃপ জাতীয় প্রাণী। ধরে নেয়া হয় বাংলাদেশে এটি প্রায় বিলুপ্ত, যদিও ভারতের উজান থেকে আসা ঘড়িয়াল কদাচিৎ নদীতে দেখা যায়। এর বৈজ্ঞানিক নাম Gavialis gangeticus।

এর ইংরেজি নাম Garial। ঘড়িয়াল পুরুষ ও স্ত্রী পৃথক, পুরুষ ঘড়িয়ালের দৈর্ঘ্য ৬.৫ মিটার এবং স্ত্রী ঘড়িয়ালের দৈর্ঘ্য ৪.৫ মিটার। ঘড়িয়াল গভীর ও দ্রুত প্রবাহমান পানিতে বাস করে। এদের প্রধান খাদ্য মাছ। নভেম্বর জানুয়ারি এদের প্রজনন মাস।

স্ত্রী ঘড়িয়াল বালুতে তৈরি গর্তে ৩০-৫০টি ডিম পাড়ে। ডিম অনেক বড়। ৩ মাস তা দেয়ার পর ডিম থেকে বাচ্চা হয়। এদেরকে ব্ৰহ্মপুত্র নদে (ভারত ও ভুটান), সিন্ধু নদ (পাকিস্তান), গঙ্গা নদী (ভারত ও নেপাল) এবং মহানদীতে (ভারত) পাওয়া যায়।

মায়ানমার ও পাকিস্তানেও এই প্রজাতি প্রায় বিলুপ্ত। সাধারণত জেলেদের মাছ ধরার জালে আটকা পড়ে এদের জীবসান ঘটে এবং এটি বিলুপ্তির একটি বড় কারণ। এ বিষয়ে জেলেদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

৪) মিঠাপানির কুমিরঃ

মিঠাপানির কুমির বাংলাদেশে বিলুপ্ত এটা আমরা হয়তো অনেকেই জানি আবার অনেকেই জানিনা। সত্যি কথা বলতে এটাকে প্রাকৃতিকভাবে আর দেখা যায় না। বাগেরহাটের খান জাহান আলী (র) মাজারের সাথের পুকুরে কয়েকটি কুমির আছে। সম্প্রতি ভারত থেকে সাফারি পার্কে পালনের জন্য কয়েকটি কুমির আনা হয়েছে।

এর ইংরেজি নাম Mugger Crocodile বা Fresswater Crocodile। এর বৈজ্ঞানিব নাম Crocodylus palustris। প্রাপ্তবয়স্ক কুমিরের দেহের দৈর্ঘ্য ৩-৫ মিটার। এরা নদী, পুকুর ইত্যাদি মিঠা পানিতে বাস করে, সাধারণত জোয়ার ভাটা এলাকায় প্রবেশ করে না।

এরা দলবদ্ধভাবে বাস করে। এরা নদীর তীরে গর্তে ডিম পাড়ে, ৫০-৫৫ দিনে ডিম ফোটে। যে কয়টি মিঠাপানির কুমির এখন বাংলাদেশে আছে তাদের রক্ষণাবেক্ষণ ও বংশবৃদ্ধি করা প্রয়ােজন।

৫) নীলগাইঃ

নীল গাই বাংলাদেশের আর একটি বিলুপ্ত প্রায় স্তন্যপায়ী প্রাণী। ১৯৪০ সালের দিকে বর্তমান বাংলাদেশের তেঁতুলিয়া অঞ্চলে নীল গাই পাওয়া যেতাে বলে জানা যায়। তবে বর্তমানে বাংলাদেশের কোথাও নীল গাই দেখা যায় না। অর্থাৎ বাংলাদেশ থকে বিলুপ্ত।

এত ইংরেজি নাম Blue Bull। এরা সমতল ভূমিতে বাস করে। নীল গাইয়ের বৈজ্ঞানিক নাম Boselaphus tragocamelus। প্রজনন সময় ছাড়া সাধারণত বছরের অন্যান্য সময় ষাঁড় ও গাভী পৃথকভাবে বিচরণ করে। গাভীর লােম হলুদ-বাদামি, প্রাপ্ত বয়স্ক ষাঁড়ের লােম নীল-ধূসর।

৬) শুশুকঃ

শুশুক একটি স্তন্যপায়ী প্রাণী। এরা সাধারণত জলে বাস করে। বাংলাদেশে শুশুক এখন বিপদে পরা একটি প্রাণী হিসেবে বিবেচিত। সাধারণত এরা উপকুল বা সমুদ্রে বিচরণ করে। বর্ষাতে এরা বড় বড় নদী দিয়ে অনেক ভেতরেও চলে আসে। শুশুক এর ইংরেজি নাম Inawaddy Dolphin বা River Dolphin।

বাংলাদেশে দুধরনের শুশুক পাওয়া যায়, একটির বৈজ্ঞানিক নাম Orcaella brevirostris এবং অপরটির বৈজ্ঞানিক নাম Neophocaena phocaenoides। দ্বিতীয়টির পিঠে পাখনা নেই। এরা মাঝে মাঝে পানি থেকে উপরে লাফ দেয় এবং দল বেঁধে চলে। মাছ এদের প্রধান খাদ্য। এরা শুশুক মাছ, শিশু বা শিশু মাছ, হউম মাছ, হচ্ছুম মাছ ইত্যাদি নানা নামে পরিচিত।

৭) রয়েল বেঙ্গল টাইগারঃ

বাংলাদেশ অন্যান্য বিপদাপন্ন প্রাণীগুলোর মতোই রয়েল বেঙ্গল টাইগার ও একটি বিপদাপন্ন প্রাণী। দিনের পরিক্রমায় এর সংখ্যা শুধুই কমছে। বাংলাদেশের সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগারের সংখ্যা কমে এতটাই হয়েছে যে এর সংখ্যা মাত্র ১০৬ টি।

একথা জানান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মনিরুল খান। তিনি বাঘের সংখ্যা কমে আসার পেছনে মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেন চোরাশিকার। বাঘ নামক প্রাণীটির প্রতিটি অঙ্গ চড়া মূল্যে দেশে এবং বিদেশে বিক্রি হয়।

দ্বিতীয় কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা যায় হরিণের সংখ্যা কমে যাওয়া। হরিণ শিকারের ফলে বাঘের খাদ্য কমে যাচ্ছে যার ফলে বাঘের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। তবে বাঘের চোরাশিকার বন্ধ না করলে অচিরেই বিলুপ্ত হবে আমাদের এই গৌরব। তাই সরকারের উচিত কঠোর থেকে কঠোরতর ব্যবস্থা গ্রহণ করা। বাঘের বৈজ্ঞানিক নাম Panthera tigris।

৮) বেঙ্গল রুফ কাইট্টাঃ

আনুমানিক ১৯০৮ সালের দিকে পুরো বিশ্বে আরাকান কচ্ছপকে বিলুপ্ত ঘোষণা করে। আর এ ঘোষণা দেন কচ্ছপ গবেষকেরা। কিন্তু বিলপ্তির অনেক বছর পর ২০১৪ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামের আলিকদমে আরাকান কচ্ছপের দেখা পায়। আর এটা দেখতে পান ক্রিয়েটিভ কনজারভেশন এলায়েন্সের একদল গবেষক। এছাড়াও আরো পাঁচ প্রজাতির কচ্ছপ বিলুপ্তির পথে। কচ্ছপ এর বৈজ্ঞানিক নাম kachuga kachuga। 

এর আরেক নাম বেঙ্গল রুফ কাইট্টা। এর ইংরেজি নাম Bengal Roof Furtle। বাংলাদেশে সাধারনত ২৫ প্রজাতির মিঠা পানির কচ্ছপ-কাছিম দেখতে পাওয়া যায়। এর মধ্যে ২১ টি প্রজাতি বাংলাদেশ সহ পুরো বিশ্বে মহাসংকট গ্রস্থ প্রানী।

আর এ ঘোষনা দিয়েছে IUCN-International Union For Conservation Nature নামক একটি সংস্থা। পৃথিবীতে টিকে থাকা আদিম প্রাণীগুলোর মধ্যে কচ্ছপ কাছিম অন্যতম।

কচ্ছপ ও কাছিম আলাদা আলাদা প্রানী। যেসব প্রাণী পানিতে বসবাস করে তাদের বলা হয় কাছিম আর যেসব প্রাণী জলে বসবাস করে তাদেরকে বলা হয় কচ্ছপ।

তো যাই হোক বন্ধুরা আমাদেরকে কচ্ছপ সংরক্ষণে গুরুত্বসহ কারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

বহুবিধ কারণে বিভিন্ন প্রাণী প্রজাতি বিলুপ্ত হচ্ছে এবং আরো অনেক প্রজাতির বিলুপ্তির পথে রয়েছে।

প্রানী বিলুপ্তির প্রধান প্রধান কারণ সমূহ নিচে বর্ণনা করা হলোঃ

ক) ইকোলজিক্যাল কারণঃ

  • কোন প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত প্রাণীর সংখ্যা কম হলে এবং যে অঞ্চলে বসবাস করে সেই অঞ্চল সংকীর্ণ হলে প্রজাতি বিলুপ্তির সম্ভাবনা দেখা দেয়।
  • যে সকল প্রাণী বংশ বিস্তারের মাধ্যমে কলোনি সৃষ্টি করতে দুর্বল অর্থাৎ যে সে পরিবেশ বংশবিস্তার করতে পারে না তারা সহজে বিলুপ্ত হয়।
  • বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয় যেমন ভূমিকম্প, ভূমিধস, দাবানল, জলোচ্ছ্বাস ও অগ্নিগিরির অগ্নুৎপাত ইত্যাদি কারণে সহজে দুর্লভ প্রজাতির বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে।

খ) মানবসৃষ্ট কারণঃ

বর্তমানকালে মানুষের কার্যকলাপোই প্রজাতি ধ্বংসের মূল তা বুঝতে বা মানতে কারোর অসুবিধা হবার কথা নয়।

  • পরিবেশ দূষণ প্রাণী বা উদ্ভিদের বিলুপ্তির প্রধান কারণ। আর পরিবেশ দূষণ হচ্ছে মানব সৃষ্ট বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি থেকে যা নিঃসন্দেহে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির পরশেই এসেছে।
  • জীব প্রজাতি বিলুপ্তির সবচেয়ে বড় কারণ হল তাদের বাসস্থান ধ্বংস। বর্তমানে পৃথিবীতে প্রতি মিনিটে ৫০ একর বাসস্থান ধ্বংস হচ্ছে। জলাভূমির ভরাট হচ্ছে জলজ প্রজাতি বিলুপ্তির কারণ।
  • মোবাইল নেটওয়ার্কের রেডিয়েশনে হাজারো পাখির প্রজাতি বিলুপ্ত হচ্ছে দেশে-বিদেশে যা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মাধ্যমেই তৈরি হয়েছে।
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি কিছু যানবাহন, ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে গবেষণার ক্ষেত্রে নানা ধরনের বিক্রিয়ায় যেসকল বিষাক্ত কেমিক্যাল তৈরি হচ্ছে সে সকল বিষাক্ত কেমিক্যাল পরিবেশের দূষণ ঘটে প্রজাতির বিলুপ্তি ঘটাচ্ছে।

বিলুপ্তপ্রায় জীব প্রজাতি সংরক্ষণের প্রয়ােজনীয়তাঃ

জীবের প্রতিটি ধরনই আলাদা এক জীব, অনন্য, আলাদা সৌন্দর্য। আর এটা মানুষের কাছে ন্যায্যতার দাবি রাখে। আর এটা এক নীতি। আর এটা অনুযায়ী শুধু বিপদগ্রতস্থ প্রানীই নয় প্রতিটি প্রানী পরিবেশে টিকে থাকার দাবিদার।

প্রতিটি জীব তারপরিবেশের একটি উপাদান এবং এর সাথে পরিবেশের অন্যান্য নিয়ামকের একটি নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। কাজেই গুরুত্বসহকারে সকল প্রজাতির জীবকে সংরক্ষণে ব্যাবস্থা নিতে হবে। আমাদের অসচেতনতা ও অবহেলার কারণেই পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়েছে হাজারো প্রাণী প্রজাতি এবং হাজারো উদ্ভিদ প্রজাতি। এখনি সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা না নিলে এই সকল প্রাণী ও বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

যে জীব প্রজাতিগুলাে সহসা বিপদাপন্ন হওয়ার সম্ভাবনা আছে সেগুলােও সংরক্ষণের তালিকায় রাখতে হবে। তবে এখন সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে বিলুপ্তপ্রায় জীব প্রজাতি সংরক্ষণের প্রতি। পৃথিবীর বুক থেকে একবার বিলুপ্ত হয়ে গেলে আর তাকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে না। এখনাে সকল জীব প্রজাতির উপকারি দিক আমাদের জানা সম্ভব হয়নি, হয়তাে দেখা যাবে আজকের এ বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতিটি হতেই ভবিষ্যতে আমার কোনাে বংশধরের জীবন রক্ষাকারী ঔষুধ আবিষ্কৃত হবে।

তো বন্ধুরা এই ছিলো আজকের টিউন। ভালো লাগলে জোসস 👍 দিতে ভুলবেন না। মন্তব্য থাকলে টিউমেন্ট 🖌️ এ জানতে ভুলবেন না। এতক্ষন সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। আসসালামু আলাইকুম।

Level 4

আমি মোঃ তানজিন প্রধান। ২য় বর্ষ, গাইবান্ধা সরকারি কলেজ, গাইবান্ধা। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 5 মাস 1 সপ্তাহ যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 57 টি টিউন ও 47 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 9 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 4 টিউনারকে ফলো করি।

কখনো কখনো হারিয়ে যাই চিন্তার আসরে, কখনোবা ভালোবাসি শিখতে, কখনোবা ভালোবাসি শিখাতে, হয়তো চিন্তাগুলো একদিন হারিয়ে যাবে ব্যাস্ততার ভীরে। তারপর ব্যাস্ততার ঘোর নিয়েই একদিন চলে যাব কবরে।


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস

প্রিয় ট্রাসটেড টিউনার,

আপনার টিউনটি ‘টেকটিউনস ক্যাশ’ এর জন্য প্রসেস হতে পারছে না।

কারণ:

টিউনের শিরোনাম টিউনের সাথে প্রাসঙ্গিক, আকর্ষণীয়, ইউনিক, ইউজার এনগেজিং ও Catchy হয়নি।

করণীয়:

টিউনের বর্তমান শিরোনামটি পরিবর্তন করে টিউনের শিরোনাম ও টিউন থাম্বনেইল এর শিরোনাম হিসেবে নিচে উল্লেখিত শিরোনামটি সেট করুন:

‘বাংলাদেশের ৮টি বিলুপ্তপ্রায় ও বিপদাপন্ন প্রাণী’

টেকটিউনস টিউনার হিসেবে গতানুগতিক টিউনের শিরোনাম বা টাইটেল দেওয়া যায় না। টিউনের শিরোনাম অবশ্যই আকর্ষণীয়, ইউনিক ও Catchy টিউনের শিরোনাম বা টাইটেল তৈরি করতে হয়।

আপনার পরবর্তি টিউন গুলোতে যেন এই একই ভুল না হয় সে দিক পূর্ণ সতর্ক থাকুন।

উপরের নির্দেশিত সংশোধন করে এই টিউমেন্টের রিপ্লাই দিন।

খেয়াল করুন, এই টিউমেন্টের রিপ্লাই বাটনে ক্লিক করে রিপ্লাই না করে টিউনে টিউমেন্ট করলে তার নোটিফিশেন ‘টেকটিউনস কন্টেন্ট অপস’ টিম পাবে না। তাই অবশ্যই এই টিউমেন্টের রিপ্লাই বাটনে ক্লিক করে রিপ্লাই করুন।