কুর’আনে প্রযুক্তি [পর্ব- ৩১ ]- বিচার দিবসে পৃথিবীর আকৃতি কেমন হবে?

 কুর’আনে প্রযুক্তি [পর্ব- ৩১ ]-বিচার দিবসে পৃথিবীর আকৃতি কেমন হবে?

প্রিয় পাঠক আসসালামুআলাইকুম ও শুভেচ্ছা সবাইকে 🙂 ।সবাই ভাল আছেন আল্লাহর রহমতে আশা করি।

 যেদিন পরিবর্তিত করা হবে এই পৃথিবীকে অন্য পৃথিবীতে এবং আসমানসমূহকে (অনুরূপভাবে) এবং লোকেরা একক, পরা মশালী আল্লাহর সামনে পেশ হবে। (ইবরাহিম, ১৪ : ১৮)

যখন পৃথিবী (-এর আকৃতি) সম্প্রসারিত করা হবে এবং তা নিক্ষেপ করবে তার গর্ভস্থিত সবকিছু আর তা হয়ে যাবে শূন্যগর্ভ। (ইনশিক্বাক, ৮৪ : ০৩-০৪)

প্রথম আয়াতে যে আরবি শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে তা হল ‘মুদ্দাত’ (ت ) যার অর্থ করা যেতে পারে : প্রসারিত, সমতল বা চ্যাপ্টাকৃত, কিংবা চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে চওড়াকৃত। এই আয়াত বলে, বিচার দিবসে পৃথিবী হয়ে যাবে সমতল। অন্য কথায় এই আয়াত থেকে বুঝা যায়, বর্তমানে পৃথিবী সমতল অবস্থায় নেই। এই আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার সময়কাল হতে পারে ৬০৯ থেকে ৬২২ ঈসায়ি সালের মধ্যে। সে সময় একথা সার্বজনীনভাবে বিশ্বাস করা হত যে, পৃথিবী সমতল। প্রায় এক হাজার বছর পর পঞ্চদশ শতাব্দীতে কোপার্নিকাস এই তথ্য নিয়ে আত্মপ্রকাশ করেন যে, পৃথিবী আমাদের গ্রহজগতের কেন্দ্রবিন্দু নয়। পরবর্তী সময়ে গ্যালিলিও গ্যালিলি কোপার্নিকাসের তথ্যকে সমর্থন করে ঘোষণা দেন যে, পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে পরিভ্রমণ করে এবং তা সমতল নয়; বরং গোলাকার। কুরআন মাজিদে এই বাস্তবতা অবতীর্ণ হয়েছে বহু শতাব্দী পূর্বে।

আদিম সময়কাল থেকে মানুষের অনুমানপূর্ব ধারনা করত যে, পৃথিবীর আকার হচ্ছে চ্যাপ্টা বা সমতল। হাজার বছর ধরে হাস্যকরভাবে মানুষ বেশি দূর পযর্ন্ত ভ্রমন করত না পৃথিবীর কিনারা থেকে ছিটকে পড়ে যাবার ভয়ে । ১৫৯৭ সালে ফ্রান্সিস ড্রেক প্রথম পৃথিবীর চারদিকে নৌ-ভ্রমন করে প্রমান করেছিলেন যে, পৃথিবী গোলাকার। দিনরাত্রির পরিবর্তন সম্পর্কে আল কোরআনের নিচের আয়াতটির দিকে দৃষ্টিপাত করা যাক-

031.029 أَلَمْتَرَأَنَّاللَّهَيُولِجُاللَّيْلَفِيالنَّهَارِوَيُولِجُالنَّهَارَفِياللَّيْلِوَسَخَّرَالشَّمْسَوَالْقَمَرَكُلٌّيَجْرِيإِلَىأَجَلٍمُسَمًّىوَأَنَّاللَّهَبِمَاتَعْمَلُونَخَبِيرٌ

 “তুমি কি দেখ না যে, আল্লাহ রাত্রিকে দিবসে প্রবিষ্ট করেন এবং দিবসকে রাত্রিতে প্রবিষ্ট করেন? তিনি চন্দ্র ও সূর্যকে কাজে নিয়োজিত করেছেন। প্রত্যেকেই নির্দিষ্টকাল পযর্ন্ত পরিভ্রমণ করে। তুমি কি আরও দেখ না যে, তোমরা যা কর, আল্লাহ তার খবর রাখেন? ” [সুরা লুকমান-৩১:২৯]

 

লক্ষনীয় যে এখানে বলা হচ্ছে, রাত ধীরে ধীরে এবং ক্রমশ দিনে রূপান্তরিত হয়, অনুরূপভাবে দিনও ধীরে ধীরে রাতে রূপান্তরিত হয়। এ ঘটনা কেবল পৃথিবী গোলাকার হলেই ঘটতে পারে। পৃথিবী যদি চ্যাপ্টা বা সমতলভূমি হত, তাহলে রাত্রি থেকে দিনে এবং দিন থেকে রাত্রিতে একটা আকস্মিক পরিবর্তন ঘটে যেত। অর্থাৎ সেকেন্ডের মধ্যে দিন হতো আবার সেকেন্ডের মধ্যেই কিছু বুঝে উঠার আগেই রাতের প্রবেশ ঘটতো। একই তথ্য আল্লাহপাক দিয়েছেন সুরা যুমার : ৩৯ : ৫

 ৩৯ : ৫-خَلَقَالسَّمَاوَاتِوَالأرْضَبِالْحَقِّيُكَوِّرُاللَّيْلَعَلَىالنَّهَارِوَيُكَوِّرُالنَّهَارَعَلَىاللَّيْلِوَسَخَّرَالشَّمْسَوَالْقَمَرَكُلٌّيَجْرِيلأجَلٍمُسَمًّىأَلاهُوَالْعَزِيزُالْغَفَّارُ

 তিনি আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন যথাযথভাবে। তিনি রাত্রি দিয়ে দিনকে আ‪ছাদিত করেন এবং দিন দিয়ে রাত্রিকে আ‪ছাদিত করেন। তিনি নিয়মাধীন করেছেন সূর্য ও চন্দ্রকে। প্রত্যেকেই নির্ধারিত সময় পর্যন্ত চলতে থাকবে। জেনে রাখ তিনি পরাক্রমশালী, পরম ক্ষমাশীল। (কোরআন, ৩৯ : ৫)

Al-Qur'an, 039.005 (Az-Zumar [The Troops, Throngs])

 

উপরোক্ত বর্ণনা দিতে গিয়ে কোরআনে যে সমস্ত শব্দাবলী ব্যবহৃত রয়েছে - সেগুলো বেশ উল্লেখযোগ্য।

“আ‪ছাদিত বা মোড়ানো” অর্থে উপরের আয়াতটিতে যে আরবী শব্দটির ব্যবহার করা হয়েছে সেটি হলো “يُكَوِّرُ”। ইংরেজীতে এর অর্থ ”একটি জিনিষ দ্বারা অপর একটি জিনিষকে জড়িয়ে বা মুড়িয়ে দেয়া - যা কিনা একটি পোষাকের মতো ভাঁজ করা অবস্থায় গোছানো রয়েছে।” (উদারহণত, পাগড়ী যেমন করে পরিধান করা হয়, ঠিক তেমনিভাবে একটি জিনিষ দিয়ে অপরটিকে জড়ানোর কাজে আরবী অভিধানে এ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে)। দিন ও রাত্রি পরস্পরকে জড়িয়ে বা আ‪ছাদিত অবস্থায় রয়েছে - আয়াতটিতে প্রদত্ত এই তথ্য দ্বারা পৃথিবীর আকৃতির সঠিক তথ্যই প্রদান করা হয়েছে। এ অবস্থাটি কেবল সেই পযার্য়ে সঠিক হতে পারে যখন পৃথিবীর আকৃতি হয় গোলাকার।

এর অর্থ সপ্তম শতাব্দীতে নাযিলকৃত কোরআনে পৃথিবী গোলাকার হওয়ার বিষয়টির ইংগিত দেয়া হয়েছিল। যাই হোক এটা স্মরণ রাখা উচিত যে মহাবিশ্ব সম্পর্কে সে সময়কার জ্যোতির্বিদ্যার জ্ঞান ছিল ভিন্নরূপ। তখনকার সময় মনে করা হতো যে পৃথিবী একটি সমতল এলাকা আর এ বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করেই বিজ্ঞান বিষয়ক সমস্ত গণনা আর ব্যাখ্যাদি দাড় করানো হয়েছিল। অথচ আমরা গত শতাব্দীতে যে তথ্যটি জেনেছি তা কোরআনের আয়াতটিতে অন্তভুক্ত ছিল। যেহেতু কোরআন আল্লাহ তায়ালার বাণীর্, সেহেতু যখন বিশ্বব্রহ্মান্ডের বর্ণনা দেয়া হয়েছে, তখন সবচাইতে শুদ্ধ আর সঠিক শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে।

  “তুমি কি দেখ না আল্লাহ রাতকে দিনে এবং দিনকে রাতে পরিবর্তন করেন?” (সূরা আল লুকমান, ৩১:২৯) “তিনি রাত্রি দ্বারা দিনকে আচ্ছাদিত করেন এবং রাত্রিকে আচ্ছাদিত করেন দিন দ্বারা।” (সূরা আয যুমার, ৩৯:৫)

 

পেঁচানো বা জড়ানো আরবী শব্দ কাওওয়াররার অনুবাদ। এর মূল অর্থ হচ্ছে মাথার চারপাশে পাগড়ী পেঁচিয়ে বাঁধা। অবিরত পেঁচানোর পদ্ধতি-যাতে এক অংশ আরেক অংশের ভেতর ঢুকে যাচ্ছে, কুরআনে এমনভাবে বলা হয়েছে যে মনে হয় সে সময়ে পৃথিবীর গোলাকৃতি হওয়ার ধারণার সাথে মানুষ পরিচিত ছিল, যা স্পষ্টতঃই সত্য নয়।

পৃথিবী বলের মত পুরপুরি গোলাকার নয় বরং কমলা বা ডিমের মত, নিচের আয়াতে পৃথিবীর আকারের বর্ণনা দেয়া হয়েছে-

079.030 وَالأرْضَبَعْدَذَلِكَدَحَاهَا
“আর আল্লাহ্‌ পৃথিবীকে উহার পর ডিম্বাকৃতি করে তৈরি করেছেন”[৭৯:৩০]
Al-Qur'an, 079.030 (an-Naziat [Those who Drag Forth, Soul-Snatchers])

এখানে ডিমের জন্য ব্যাবহৃত আরবি শব্দ হচ্ছে “دَحَاهَا” , যার অর্থ হচ্ছে উট পাখির ডিম, এবং উট পাখির ডিমের আকৃতি হল পৃথিবীর মত। স্যাটেলাইট হতে প্রাপ্ত ছবি ও বিভিন্ন জটিল যন্ত্রপাতির মাধ্যমে পরীক্ষা- নীরীক্ষার দ্বারা সুনিশ্চিত হওয়া গেছে আমাদের এ পৃথিবী exactly উট পাখির ডিমের ন্যায়। এইভাবে কোরআনে ১৪০০ বছর আগে পৃথিবীর আকৃতির বর্ণনা সঠিক দেয়া হয়েছে, যদিও পৃথিবী চ্যাপ্টা হবার ধারনাটাই তখন প্রচলিত ছিল।

পৃথিবী তার গোলাকৃতির কারণে, কখনো তার সমগ্র অংশে একই সময়ে দিন হয় না। তার যে অংশ সূর্যের দিকে মুখ করে থাকে তাতে দিন হয় এবং তার বিপরীত অংশে হয় রাত। পক্ষান্তরে, বিচার দিবসে একই সময়ে সারা পৃথিবীতে দিন থাকবে। এটি তখনই সম্ভব যখন পৃথিবীর আকৃতি গোলাকার থেকে সমতলে পরিবর্তিত হবে। এটা হুবহু তা-ই যা উপরে উদ্ধৃত দ্বিতীয় আয়াতে উল্লিখিত হয়েছে। যদি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে কুরআন রচনা করে থাকেন, তবে তিনি কিভাবে এ ধরনের জটিল প্রাকৃতিক রহস্য উদ্ঘাটনে সক্ষম হলেন? পূর্বে আরব উপদ্বীপের মত একটি মরুভূমিতে বসে এই বিস্ময়কর তথ্য নিশ্চয় কল্পনা করতে সক্ষম ছিলেন না।

একটি ঘোষনা-

অত্যন্ত আনন্দের সাথে সম্মানিত সদস্যদের জানানো যাচ্ছে যে টিউনারদের অত্যন্ত পরিশ্রমের তৈরি “হাদিস সফটটি”...বিশ্বের এক নম্বরসফটওয়্যার ডাউনলোড কোম্পানি তাদের সার্চ ও ইনডেক্স লিষ্টে অন্তভূক্ত করেছে-
http://download.cnet.com/Hadith-Software-Sahih-Bukhari-Muslim-Riyad-us-Saleheen/3000-2135_4-75914484.html?tag=bc

DBHT-(ডিজিটাল বাংলা হাদিস টিম)-এর বুখারী মুসলিম ও রিয়াযুস স্ব-লিহীনের বাংলা+আরবী + ইংলিশ হাদীসের সফটওয়্যার পাওয়া যাচ্ছে। আগামী মাসে এর 0.2 ভার্সন বের হবে ইনশাআল্লাহ-

http://islamk-janun.blogspot.com/

 একটি উদ্যেগ ও আহবান:

এটা অত্যন্ত দুঃখের বিষয় যে বাংলাদেশের ৯০% মুসলিম হয়েও এখনো বাংলা সহিহ হাদিসের Free digital software বানানো হয়নি। প্রায় ২৮ কোটি বাংঙ্গালীগন অকাযর্করের ও অবহেলার ভূমিকা নিয়েছি, এ মহান দায়িত্ব থেকে আমরা মুসলিমগন একরকম নেহাতই পালিয়ে বেড়াচ্ছি। অনেকেই আছেন অন বা “অফ লাইনে কাজ করার সময় UNICODE টেক্সট হাদিস হাতের কাছে তৈরি না থাকায় সবাইকে কষ্ট করে টাইপ করতে হয় অথবা অনেকে ঝামেলা এড়িয়ে যান। কিন্তু এই দিন শেষ ।

আসুননা আমরা সমম্বিতভাবে উদ্বেগ নিয়ে বাংলা সহিহ হাদিসের Unicode Software সৃষ্টি করি। আপনারা শুনে  ‍খুশি হবেন আমাদের সহিহ বুখারী , মুসলিম শরীফ ও রিয়াদুস স্বালেহিনের কাজ শেষ । সফটওয়্যারটি chm ফরমেটে তৈরি হচ্ছে, ইনষ্টলের কোন ঝামেলা নেই। 1 click – এ ‍উইন্ডো ওপেন হবে এবং সহজেই ডাটা কপি,পেষ্ট করা যাবে, এছাড়াও রয়েছে পাওয়ারফূল সার্চ ও কিওয়ার্ড অপশন। যেহেতু হাজার হাজার হাদিস এর জন্য অবশ্যই টিম ওর্কের প্রয়োজন যার নামকরন করা হয়েছে সংক্ষেপে DBHT-(ডিজিটাল বাংলা হাদিস টিম)। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সম্মানিত ভায়েরা/ বোনেরা বিনা পারিশ্রমিকে অক্লান্ত পরিশ্রম করে অতি দ্রুততার সাথে এগিয়ে যাচ্ছেন যার বেশিরভাই ছাত্র। উদ্দেশ্য একটাই-২৮ কোটি বাংলাভাষীর জন্য ও ৭৫০ কোটি মানুষের জন্য সম্পূর্ন বিনামূল্যে হাদিসের অনবদ্য একটি ইউনিকোড সফটওয়্যার তৈরি করা। আপনি এ মহৎ কাজে পিছিয়ে কেন ...আসুন আমাদের সাথে। সম্মানিত ভাই/ বোন যারা সদস্য হতে চান এ টিমের কর্মপদ্বতি হবে নিম্নরুপ-

1)যারা অংশ নেবেন Contribution- এ তাদের নাম ও প্রোফাইল লিংক থাকবে।

2) প্রত্যেককে সদস্য হতে হলে কমপক্ষে 100 হাদিসের ডাটা এন্ট্রি করে নিম্নলিখিত এড্রেসে পাঠিয়ে দিতে হবে।

3)আপনাকে পিডিএফ ফরম্যাটে হাদিস দেয়া হবে আপনি MS Word-এ (বিজয়, UNICODE, অভ্র যেটাতে খুশি ) টাইপ করে মেইলে এটাচ করে পাঠিয়ে দেবেন, আপনার প্রোফাইল লিংক যদি দেন ভাল হয়।

4) আপনার হাদিস পাবার পর সেটা আপডেট করে ফেসবুকে লিংক দেয়া হবে যেখান থেকে আপনি ডাউনলোড করে কাজের অগ্রগতি দেখতে পাবেন।

বিঃদ্রঃ:- এটি কোন কর্মাশিয়াল উদ্যেগ নয়। শধুমাত্র ভলান্টিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে DBHT-এর হাদিসের Digital interface তৈরি করার একটা যৌথ প্রচেষ্টা। বাংলাতে শুধু এন্ট্রি করবেন আরবী ও ইংলিশ আমরা ম্যানেজ করবো ইনশাআল্লাহ। মেইল এড্রেস ও Mob-নং ও বাংলাদেশের কোত্থেকে কাজ করছেন উল্লেখ করবেন। ১০ দিনের মধ্যে করতে পারলে ভালো হয়। আপনি ডাটা পাঠানোর পর আমরা সেটা অতি দ্রুত আপডেট করে ইয়াহু গ্রুপে আপনাকে এড করে আপডেট লিংক দেবো ইনশাআল্লাহ ধন্যবাদ। যোগাযোগ করুন।

 

শাহরিয়ার আজম

মেইল এড্রেস-  [email protected]

Mob-01714351057

DBHT-(ডিজিটাল বাংলা হাদিস টিম)

http://www.facebook.com/pages/DBHT/603417713008497

**আলহামদুলিল্লাহ আমরা তিনটি ভাষায় হাদিস সফটওয়্যার প্রকাশ করছি (আরবী, বাংলা ও ইংলিশ) যা এখনো পৃথিবীতে সর্বপ্রথম। বিভিন্ন কলেজ ও ইউনিভার্সিটির জন্য অত্যান্ত কার্যকরী একটা সফটওয়্যার হবে। একসময় পৃথীবিতে আমরা থাকবোনা কিন্ত এ সফটওয়্যার ব্যবহার করে কোটি কোটি মানুষ সহজে ইসলাম সম্পর্কে তথ্য জানতে পারবে গবেষনার কাজে ব্যবহার করতে পারবে। অমুসলিমগন জানতে পারবেন ইসলাম ও রাসুল (সাঃ) জীবনী সম্পর্কে। রাসুল (সাঃ)-কে যারা ব্যঙ্গ করছে বেশিরভাগই ইসলাম সম্পর্কে অজ্ঞতার কারনেই করছে। এ সফটওয়্যার তাদের মনের ইসলাম সম্পর্কে অশিক্ষার অন্ধকার দুরীভূত করবে বলে আশা রাখি।কতো অযথা বাজে কাজ করে বা কম্পিউটার গেম খেলে আমরা সময় নষ্ট করি, না হয় এখানে কয়েক ঘন্টা সময় নষ্ট করলেন, এসুযোগ হয়তো জীবনে আর নাও পেতে পারেন, আমরা চাই আপনারও এতে অবদান থাকুক অন্তত ১০০ হাদিস টাইপ করে এ ঐতিহাসিক কর্মে অংশীদার হয়ে যান।

Level 0

আমি Sharear Azam। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 8 বছর 4 মাস যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 42 টি টিউন ও 365 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 1 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 0 টিউনারকে ফলো করি।


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস

বিঃদ্র:- আমাদের অনলাইনে বাংলা+ইংলিশ+আরবী হাদিস সার্চ অপশন পেতে-http://www.hadithbd.com/

Level 2

খুব সুন্দর ও মহান উদ্যোগ । আমার ও ইচ্ছা ছিল কিন্তু আমি ওয়েব সাইট বানানো শিকছি যাতে অমুসলিমদের আমাদের ইসলাম সম্পর্কে জানাতে পারি ।

    @yasin: মাশাআল্লাহ…আপনার শিক্ষা জীবন ও দাওয়া সফল হোক। কোন সমস্যা থাকলে ও ওয়েব সম্পর্কে জানতে চাইলে যোগাযোগ করবেন।

Level 2

ইনশাল্লাহ

Level 2

কুর’আনে প্রযুক্তি পর্ব-১৯] :: মাধ্যাকর্ষণ শক্তির রহস্যটা কি? আপনার এই টিউনে কিছু নাস্তিকের মন্তব্য দেখে শরিরে মনে হয় আগুন ধরে গেছে আমার দয়া করে টিউনটার মন্তব্য দেখুন ।

নাস্তিকদের বুঝাতে হলে জান্নাত, জাহান্নাম, কিয়ামত, হাশর সব তাদের সামনে রেখে বুঝাতে হবে তা না হলে তারা বুঝবেনা তাদের কথা ছাড়েন আপনার কাজ আপনি সহি রূপে করে যান আল্লাহ আপনাকে সাহায্য করবে। আল্লাহ কারো মুখোপেক্ষি নন, তাকে বিশ্বাস করতে হলে অন্ধ ভাবেই বিশ্বাস করতে হবে যেমন আমরা রোযা রাখি গোপনে কোন কিছু পানাহার করি না যানি আল্লাহ একজন আছেন তিনি সবকিছু অবগত। ধন্যবাদ আপনার প্রচেষ্টার জন্য।

ভাই আমার একটি কথা কোরআন নাযিল হওয়ার আগে মানুষ দ্বারা কোন বৈজ্ঞানীক তত্ব বা সূত্র আবিস্কার হয়েছিল কি না?
যদি না হয় তাহলে আজকের তথা কথিত বিজ্ঞানীরা কোথা থেকে বৈজ্ঞানীক সূত্র আবিস্কার করে।

    @Jaman: কুরআন আল্লাহ পাক হতে নাযিলকৃত জ্ঞান গর্ভের অফুরন্ত ভান্ডার, ১৪৩০ বছর আগে কুরআনে যা বলা হয়েছে তার আগে কারো পক্ষে প্রমান করা সম্ভব হয়নি, অনেক ভাবুক ভেবে কিছু সত্য + মিথ্যার মিশ্র নে তার ভাবনা প্রকাশ করেছেন কিন্তু প্রমান করতে পারেননি। যেমন-দুধ মানুষের জন্য এক অপূর্ব নিয়ামত আধুনিক বিজ্ঞান বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যেমে বর্ণনা করছে যে, দুধে এমন বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা জমিনের উপরে অন্য কোন খাদ্যে পাওয়া যায় না। রাসূলুল্লাহ সা. যে কোন খাদ্য খাওয়ার সময় আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে বলতেনঃ
    اللهم بارك لنا فيما رزقتنا وارزقنا خيرا منه .(ابن ما جة .)
    হে আল্লাহ তুমি যে রিযিক আমাদের কে দান করেছ, তাতে তুমি বরকত দাও এবং এর চেয়ে উত্তম রিজিক আমাদেরকে দান কর।(ইবনে মাজা)

    আর যখন তিনি দুধ পান করতেন তখন বলতেনঃ
    اللهم بارك لنا فيما رزقتنا وزدنا منه . (ابن ما جة )
    হে আল্লাহ তুমি যে রিজিক আমাদেরকে দিয়েছো, তাতে তুমি বরকত দাও এবং তা তুমি আমাদেরকে বেশী বেশী দান কর।
    এখানে তিনি এই দুধের চেয়ে উত্তমের কামনা করেননি। কারণ মানুষের খাদ্য তালিকায় দুধের চেয়ে উত্তম কোন খাদ্য নেই।
    ডা. আলমিযা ইয়াজী বলেন – জীব বিজ্ঞানীগণ পরীক্ষা করেছেন যে, গাভী খাদ্যের মাধ্যমে যে সব প্রোটিন খায় তা হিসেব ও ওজন করেছেন এবং গাভীর থেকে যে দুধ বেরিয়ে আসে সেই দুধের প্রোটিন ও ওজন করে দেখেন যে দুধের থেকে যে প্রোটিন পাওয়া গিয়েছে তার ওজন ঐ সব প্রোটিন যা গাভী তার খাদ্যের মাধ্যমে ভক্ষণ করেছে তার চেয়ে বেশী। তাহলে প্রশ্ন দেখা দেয় যে, দুধের এই অতিরিক্ত প্রোটিন কোথা থেকে আসল। আধুনিক বিজ্ঞান বর্ণনা করছে যে, প্রাণীর পাকস্থলিতে বেশ কিছু ক্ষুদ্র জীবাণু রয়েছে। সেই সব জীবাণু এমন খাদ্য গ্রহণ করে সেগুলোতে প্রোটিন নেই এবং সে গুলোকে প্রোটিনে রূপান্তরিত করে যা মানব শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এই দুধে মানব শরীরের প্রয়োজনীয় সব ধরনের খাদ্য উপাদান রয়েছে। তাই এই দুধ সন্তানের জন্য যেমন উপকারী তেমনি উপকারী যুবক, বৃদ্ধ সহ সকল মানুষের জন্য। আমরা কি কখনো ভেবে দেখেছি যে, এই দুধ কি করে সৃষ্টি হয়? এ সম্পর্কে
    আল্লাহতা‘আলা বলেন –
    وَإِنَّ لَكُمْ فِي الْأَنْعَامِ لَعِبْرَةً نُسْقِيكُمْ مِمَّا فِي بُطُونِهِ مِنْ بَيْنِ فَرْثٍ وَدَمٍ لَبَنًا خَالِصًا سَائِغًا لِلشَّارِبِينَ (سورة النحل ৬৬)
    “নিশ্চয়ই চতুস্পদ প্রাণীর মধ্যেও তোমাদের জন্য শিখবার বিষয় রয়েছে। আমি তোমাদেরকে পান করাই এদের শরীর থেকে তাদের মলমূত্র ও রক্তের মধ্যবর্তী বস্তু থেকে নিঃসৃত দুধ যা পানকারীদের জন্য উপাদেয়।”

    আরবের বিজ্ঞানী ইবনে নাফিস কুরআন নাযিলের ৬০০ বছর পর তারঁ দুধ প্রক্রিয়ার এ তথ্য মানুষের নিকট প্রকাশ করেন আর ব্রিটিশ বিজ্ঞানি উইলিয়াম হার্ভে কুরআন িনাযিলের ১০০০ বছর পর এর সত্যতা প্রমান করেন।

@Sharear Azam : ভাই আমিও আপনার গ্রুপে যোগ দিতে চাই। এর জন্য কি করতে হবে।

    @শাওন: যদি কাজ করতে চান ১০০ হাদিসের তাহলে মেল করেন আপনার কাজ কমপ্লিট হলে আমাদের মেম্বার লিষ্টের সফটটের তালিকায় আপনি চলে আসবেন-ইনশাআল্লাহ [email protected]

পৃথিবী গোলাকার, কোরান বলে , কথাটা মানেন, কিন্তু তার সাথে সাথে তাও বললেন পৃথিবী নয় চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর চুতুর দিকে গুরে, কিন্তু আজকের বিজ্ঞান বলে পৃথিবী চন্দ্র ও সূর্য;র চুতুর দিকে গুরে, তাহলে কি আমরা বলতে পারিনা কোরানের চেয়ে বিজ্ঞান আধুনিক?????

    @আশিক দেব: সম্মানিত আশিক ভাই ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নে জন্য। আমাদের অনেক অমুসলিম ভায়ের সমস্যা হলো ইসলামের সম্পর্কে জানতে তারাঁ এন্টি ওয়েবসাইট হতে শিক্ষা গ্রহন করেন। আসলে আশিক ভাই ইসলাম সম্পর্কে যদি জানতে চান তবে কুরআন ও রাসুলের জীবনী (সহিহ হাদিস) হতে জানা উচিৎ। উদাহরন স্বরুপ বলা যায় আমি যদি হিন্দু ধর্ম বিরোধীদের কাছ হতে হিন্দু ধর্ম সম্পর্কে জানতে চাই তাদের জ্ঞানের অপরিপক্কতার কারনে হয়তো ভূল তথ্য দিতে পারেন , আমার যেতে হবে পন্ডিত বা আলেমগনের কাছে।কুরআনে বলা হয়েছে- “যদি তুমি কোন বিষয়ে না জান তবে এমন কারো কাছে যাও যিনি অভিজ্ঞ। কুরআনে আরো বলা হয়েছে-
    মুমিনগণ! যদি কোন পাপাচারী ব্যক্তি তোমাদের কাছে কোন সংবাদ আনয়ন করে, তবে তোমরা পরীক্ষা করে দেখবে, যাতে অজ্ঞতাবশতঃ তোমরা কোন সম্প্রদায়ের ক্ষতিসাধনে প্রবৃত্ত না হও এবং পরে নিজেদের কৃতকর্মের জন্যে অনুতপ্ত না হও।(৪৯ :৬)
    আপনি বলেছেন-””পৃথিবী নয় চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর চুতুর দিকে গুরে” এ তথ্য কোত্থেকে পেলেন? আপনি কি কুরআনের আয়াত চেক করে দেখেছেণ যা আপনি দাবী করছেন?