কুর’আনে প্রযুক্তি [পর্ব-২৮] :: বৃষ্টি কিভাবে হয় ?

আসসালামুআলাইকুম ও শুভেচ্ছা সবাইকে 🙂 ।সবাই ভাল আছেন আল্লাহর রহমতে আশা করি।

কুরআনে প্রযুক্তি [পর্ব-২] :: বৃষ্টি কিভাবে হয় ?

এ বিষয়টি দীর্ঘ সময় পর্যন্ত একটি রহস্যময় ব্যাপার ছিল। আবহাওয়া নির্ণয়ের জন্য কেবলি সেদিন যখন রাডার আবিষ্কৃত হলো, তার পর পরই জানা গেল বৃষ্টি উৎপন্ন হওয়ার পর্যায়গুলো । সে অনুসারে বৃষ্টি উৎপন্ন হয় তিনটি পর্যায়ে। এমনকি ১৬০০শ শতাব্দির সূচনা লগ্নে বিজ্ঞানী ফ্লেজ মিলিটেস তিনি Hydrological science সম্পর্কে সর্বপ্রথম যে তত্বটি উপস্থাপন করেছিলেন তা ছিল অসম্পূর্ন। বেশ কয়েকটি ধাপের বর্ননা তারঁ তত্বে অনুপস্থিত ছিল তার মধ্যে মেঘে ঠান্ডা বায়ুর উপস্থিতি ও বাস্পের স্তরীভূত হওয়ার ব্যাপারটি  উল্লেখ ছিলনা যা কুরআন ১৪৩০ বৎসর আগে উল্লেখ করেছে।

প্রথমতঃ  বাস্পীভূত জল রৌদ্র বা বায়ুপ্রবাহের মাধ্যমে উপরে বাতাসে উঠে আসে, এরপর মেঘমালা উৎপন্ন হয় আর অবশেষে বৃষ্টিকণা দেখা দেয়। কোরআনে প্রদত্ত বৃষ্টি উৎপাদনের বর্ণনাটি ঠিক এ পদ্ধতিরই উল্লেখ করেছে। একটি আয়াতে আল্লাহ তাআলা ব্যাপারটি এভাবে বর্ণনা করেছেনঃ

030.048 اللَّهُ الَّذِي يُرْسِلُ الرِّيَاحَ فَتُثِيرُ سَحَابًا فَيَبْسُطُهُ فِي السَّمَاءِ كَيْفَ يَشَاءُ وَيَجْعَلُهُ كِسَفًا فَتَرَى الْوَدْقَ يَخْرُجُ مِنْ خِلالِهِ فَإِذَا أَصَابَ بِهِ مَنْ يَشَاءُ مِنْ عِبَادِهِ إِذَا هُمْ يَسْتَبْشِرُونَ

তিনি আল্লাহ, যিনি বায়ু প্রেরণ করেন, অতঃপর তা মেঘমালাকে সঞ্চারিত করে। অতঃপর তিনি মেঘমালাকে যেভাবে ইচ্ছা আকাশে ছড়িয়ে দেন এবং তাকে স্তরে স্তরে রাখেন। এরপর তুমি দেখতে পাও তার মধ্য থেকে নির্গত হয় বৃষ্টিধারা। তিনি তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাদেরকে ইচ্ছা পৌঁছান; তখন তারা আনন্দিত হয়। (কোরআন, ৩০: ৪৮)

030.048 It is Allah Who sends the Winds, and they raise the Clouds: then does He spread them in the sky as He wills, and break them into fragments, until thou seest rain-drops issue from the midst thereof: then when He has made them reach such of his servants as He wills behold, they do rejoice!-

Al-Qur'an, 030.048 (Ar-Room [The Romans, The Byzantines])

এবার চলুন আয়াতে বর্ণিত এই পর্যায়গুলো আরো প্রযুক্তিগতভাবে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখিঃ

প্রথম পর্যায়ঃ‘তিনি আল্লাহ, যিনি বায়ু প্রেরণ করেন ’’

সমুদ্রের ফেনায় উৎপন্ন বায়ুর অসংখ্য বুদ্বুদ্ বিরামহীনভাবে ফেটে গিয়ে পানির কণাসমূহকে আকাশের দিকে বিক্ষিপ্ত করে। এরপর লবণে পরিপূর্ণ এই কণাগুলো বাস্পীভূত হয়ে উপরে অর্থাৎ বায়ুমন্ডলে উঠে যায়। এই কণাগুলো (এরোসল নামে) পানির ফাঁদ হিসেবে কাজ করে আর নিজেদের চারদিকে পানি বাষ্প জড়ো করে উৎপন্ন করে মেঘকণা।‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪ তৈরী মেঘে পানি কণাগুলো বাতাসে ঝুলে থাকে আর পরে সেগুলো ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টি সৃষ্টি করে। এসবগুলো পর্যায়ই কোরআনে বর্ণিত আছে।

‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪দ্বিতীয় পর্যায়ঃ ”অতঃপর তিনি মেঘমালাকে যেভাবে ইচ্ছা আকাশে ছড়িয়ে দেন”

বাতাসে ভাসমান লবণ স্ফটিক কিংবা ধূলিকণার চারদিকের পানি কণিকা ঘনীভূত হয়ে উৎপন্ন হয় মেঘমালা। কেননা মেঘমালায় বিদ্যমান পানি কণাগুলো অত্যন্ত ক্ষুদ্র (.০১-.০২মিলি মিটার ব্যাস) হওয়ায় মেঘসমূহ বাতাসে ঝুলে থাকে আর আকাশে ছড়িয়ে পড়ে। এভাবেই মেঘে পরিপূর্ণ হয়ে ঢেকে যায় আকাশ।

তৃতীয় পর্যায়ঃ ‘‘ তুমি দেখতে পাও তার মধ্য থেকে নির্গত হয়ে আসে বৃষ্টিধারা ।’’

লবণ স্ফটিক কিংবা ধূলিকণার চারিদিকে ঘিরে বিদ্যমান পানিকণাগুলো ঘন ও ভারী হয়ে তৈরি করে বৃষ্টির কণা। এরপর বাতাসের চেয়ে ভারী বৃষ্টিকণাগুলো মেঘ থেকে সরে আসে এবং বৃষ্টিধারা হিসেবে মাটিতে নেমে আসতে শুর করে।

আমরা ইতিমধ্যে দেখেছি যে, বৃষ্টি উৎপাদনের প্রতিটি ধাপই কোরআনের আয়াতসমূহে বর্ণিত রয়েছে। অধিকম‧ একদম সঠিক অনুক্রমে বা একটার পর আরেকটি পর্ব অত্যন্ত সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। ভূপৃষ্ঠে বিদ্যমান অন্যান্য বিষয় বা বস‧র ন্যায় এ বিষয়টির সবচেয়ে সঠিক ব্যাখ্যা তুলে ধরেছেন

মহান আল্লাহ তাআলা আর এভাবেই মানুষ বৃষ্টির পর্যায়গুলো উদঘাটন করার শত শত বছর পূর্বেই আল্লাহ তাআলা সে সম্বন্ধে মানুষকে অবগত করেন। অন্য একটি আয়াতে বৃষ্টির উৎপাদন সম্পর্কে নিম্নের তথ্যটি দেয়া হয়েছেঃ

024.043 أَلَمْ تَرَ أَنَّ اللَّهَ يُزْجِي سَحَابًا ثُمَّ يُؤَلِّفُ بَيْنَهُ ثُمَّ يَجْعَلُهُ رُكَامًا فَتَرَى الْوَدْقَ يَخْرُجُ مِنْ خِلالِهِ وَيُنَزِّلُ مِنَ السَّمَاءِ مِنْ جِبَالٍ فِيهَا مِنْ بَرَدٍ فَيُصِيبُ بِهِ مَنْ يَشَاءُ وَيَصْرِفُهُ عَنْ مَنْ يَشَاءُ يَكَادُ سَنَا بَرْقِهِ يَذْهَبُ بِالأبْصَارِ

তুমি কি দেখ না যে, আল্লাহ মেঘমালাকে সঞ্চালিত করেনতারপর মেঘগুলোকে একত্র করেন এবং পরে তা পুঞ্জীভূত করেন স্তরে স্তরে ; অতঃপর তুমি দেখতে পাও যে, সে মেঘের মধ্য থেকে নির্গত হয় বৃষ্টিআর তিনি আসমানসি ত পাহাড়সদৃশ মেঘমালা থেকে বর্ষণ করেন শিলা‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪ সরিয়ে দেনসে মেঘের বিদ্যুতের চমক এমন, যেন মনে হয় দৃষ্টিশক্তি প্রায় কেড়ে নেয়। (সূরা নূরঃ ৪৩)

024.043 Seest thou not that Allah makes the clouds move gently, then joins them together, then makes them into a heap? - then wilt thou see rain issue forth from their midst. And He sends down from the sky mountain masses (of clouds) wherein is hail: He strikes therewith whom He pleases and He turns it away from whom He pleases, the vivid flash of His lightning well-nigh blinds the sight.

Al-Qur'an, 024.043 (An-Noor [The Light])

বিজ্ঞানীগণ মেঘমালার প্রকার পর্যবেক্ষণ করতে গিয়ে বৃষ্টির মেঘ উৎপত্তির এক বিস্ময়কর ফলাফলের মুখোমুখী হন। সুনির্দিষ্ট সিস্টেম ও পর্যায়সমূহের মধ্য দিয়ে তৈরী হয় ও আকার ধারণ করে বৃষ্টির মেঘমালা। স্তরে স্তরে মেঘমালা এক ধরণের মেঘ যা নিম্নের পর্যায়গুলোতে ধাপে ধাপে বিন্যাস হয়।

১নং পর্যায়ঃ মেঘমালাসমূহ সঞ্চালিত হয়ে থাকে বায়ুপ্রবাহের মাধ্যমে মেঘমালা বাহিত হয়ে থাকে।

২নং পর্যায়ঃ সংযোগীকরণ, পুঞ্জীভূতকরণএর পর বায়ুবাহিত ক্ষদ্র ক্ষুদ্র মেঘমালা একত্রিত হয়ে তৈরি করে বৃহত্তর মেঘ।

৩নং পর্যায়ঃ বাস্পীকৃত হওয়া

ছোট ছোট মেঘমালা একত্রে সংযুক্ত হলে বিশাল মেঘমালার মাঝে Updraft  বেড়ে যায়। এই Updraft  মেঘমালার প্রান্তভাগের চেয়ে অভ্যন্তরভাগে বেশী জোরালো। এ প্রক্রিয়াতে মেঘগুলো খাড়াখাড়িভাবে বা লম্বালম্বিভাবে জমা হয়ে বাড়তে থাকে। এভাবেই মেঘমালাসমূহ স্তরে স্তরে সজ্জিত হয়। মেঘের এই খাড়া বৃদ্ধি মেঘকে বায়ুমন্ডলের শীতলতর সানের দিকে টেনে নিয়ে যায়, সেখানেই উৎপন্ন হয় পানিবিন্দু আর শিলা - এগুলোই বৃহৎ থেকে বৃহত্তর হয়ে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয় আকাশে। যখন এই শিলা ও পানি বিন্দুগুলি বেশী ভারী হয়, যখন মেঘের এই ওজন আর বহন করতে পারে না তখন মেঘ থেকে এরা মাটিতে পতিত হতে থাকে বৃষ্টি, শিলা ইত্যাদিরূপে।

মেঘের Updraft এর ফলে স্তরে স্তরে মেঘমালা লম্বালম্বিভাবে বৃদ্ধি পায়। লম্বালম্বি বৃদ্ধির ফলে মেঘদেহটিকে বায়ুমন্ডলের অধিকতর ঠান্ডা অঞ্চলে টেনে নিয়ে যায় যেখানে বৃষ্টি কণা, শিলাবৃষ্টি ‣তরি হতে থাকে, বৃদ্ধি পেতে থাকে। যখন বৃষ্টিকণা আর শিলাবৃষ্টি অতিরিক্ত ভারী হয়ে যায় তখন মেঘের এই Updraft  আর মেঘমালাসমূহকে ধারণ করতে না পারায় মেঘগুলো হতে বৃষ্টি, শিলাবৃষ্টি নীচে পতিত হতে থাকে। ১৪০০ বছর আগে পবিত্র কোরআনে সূরা নূরের ৪৩

নং আয়াতে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছিলেন,

’’ .....তারপর মেঘগুলোকে একত্র করেন এবং পরে তা পুঞ্জীভূত করেন স্তরে স্তরে : অতঃপর তুমি দেখতে পাও যে সে মেঘের মধ্য থেকে নির্গত হয় বৃষ্টি।’’

প্লেন, উপগ্রহ. কম্পিউটার এমনতর উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে আবহাওয়াবিদগণ কেবলি অতি সম্প্রতি মেঘ উৎপাদন, গঠন আর কার্যাবলী সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন - এ বিষয়টি আমাদের অবশ্যই স্মরণ রাখা উচিত। এটি স্পষ্ট যে, আল্লাহ এমন একটি তথ্য দিয়েছেন যা ১৪০০ বছর পূর্বে মানুষের জানা ছিল না। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মেঘমালাসমূহ (পুঞ্জীভূত মেঘমালা) বায়ু প্রবাহের মাধ্যমে বাহিত হয়ে সংযুক্ত হয় যা নীচের আয়াতটিতে বর্ণিত রয়েছেঃ

’’..... আল্লাহ মেঘমালাকে সঞ্চালিত করেনতারপর মেঘগুলোকে একত্র করেন এবং পরে তা পুঞ্জীভূত করেন স্তরে স্তরে.........।’’

একটি উদ্যেগ আহবান:

এটা অত্যন্ত দুঃখের বিষয় যে বাংলাদেশের ৯০% মুসলিম হয়েও এখনো বাংলা সহিহ হাদিসের Free digital Database বানানো হয়নি। প্রায় ২৮ কোটি বাংঙ্গালীগন অকাযর্করের ও অবহেলার ভূমিকা নিয়েছি, এ মহান দায়িত্ব থেকে আমরা মুসলিমগন একরকম নেহাতই পালিয়ে বেড়াচ্ছি। অনেকেই আছেন অন বা “অফ লাইনে কাজ করার সময় UNICODE টেক্সট হাদিস হাতের কাছে তৈরি না থাকায় সবাইকে কষ্ট করে টাইপ করতে হয় অথবা অনেকে ঝামেলা এড়িয়ে যান। কিন্তু এই দিন শেষ ।

আসুননা আমরা সমম্বিতভাবে উদ্বেগ নিয়ে বাংলা সহিহ হাদিসের Unicode Software সৃষ্টি করি। আপনারা শুনে  ‍খুশি হবেন আমাদের সহিহ বুখারী ও রিয়াদুস স্বালেহিনের কাজ প্রায় শেষ ।মুসলিম শরীফের কাজ চলছে। সফটওয়্যারটি chm ফরমেটে তৈরি হবে, ইনষ্টলের কোন ঝামেলা নেই। 1 click – এ ‍উইন্ডো ওপেন হবে এবং সহজেই ডাটা কপি,পেষ্ট করা যাবে, এছাড়াও রয়েছে পাওয়ারফূল সার্চ ও কিওয়ার্ড অপশন। যেহেতু হাজার হাজার হাদিস এর জন্য অবশ্যই টিম ওর্কের প্রয়োজন যার নামকরন করা হয়েছে সংক্ষেপে DBHT-(ডিজিটাল বাংলা হাদিস টিম)। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সম্মানিত ভায়েরা বিনা পারিশ্রমিকে অক্লান্ত পরিশ্রম করে অতি দ্রুততার সাথে এগিয়ে যাচ্ছেন যার বেশিরভাই ছাত্র। উদ্দেশ্য একটাই-২৮ কোটি বাংলাভাষীর জন্য সম্পূর্ন বিনামূল্যে বাংলা হাদিসের অনবদ্য একটি ইউনিকোড সফটওয়্যার। এ মহৎ কাজে পিছিয়ে কেন ...আসুন আমাদের সাথে। সম্মানিত ভাই/ বোন যারা সদস্য হতে চান এ টিমের কর্মপদ্বতি হবে নিম্নরুপ-

1)যারা অংশ নেবেন Contribution- এ তাদের নাম ও প্রোফাইল লিংক থাকবে।

2) প্রত্যেককে সদস্য হতে হলে কমপক্ষে 100 হাদিসের ডাটা এন্ট্রি করে নিম্নলিখিত এড্রেসে পাঠিয়ে দিতে হবে।

3)আপনাকে পিডিএফ ফরম্যাটে হাদিস দেয়া হবে আপনি MS Word-এ (বিজয়, UNICODE, অভ্র যেটাতে খুশি ) টাইপ করে মেইলে এটাচ করে পাঠিয়ে দেবেন, আপনার প্রোফাইল লিংক যদি দেন ভাল হয়।

4) আপনার হাদিস পাবার পর সেটা আপডেট করে ফেসবুকে লিংক দেয়া হবে যেখান থেকে আপনি ডাউনলোড করে কাজের অগ্রগতি দেখতে পাবেন।

বিঃদ্রঃ:- এটি কোন কর্মাশিয়াল উদ্যেগ নয়। শধুমাত্র ভলান্টিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে DBHT-এর হাদিসের Digital interface তৈরি করার একটা যৌথ প্রচেষ্টা। বাংলাতে শুধু এন্ট্রি করবেন আরবী ও ইংলিশ আমরা ম্যানেজ করবো ইনশাআল্লাহ। মেইল এড্রেস ও Mob-নং ও বাংলাদেশের কোত্থেকে কাজ করছেন উল্লেখ করবেন। ১০ দিনের মধ্যে করতে পারলে ভালো হয়। আপনি ডাটা পাঠানোর পর আমরা সেটা অতি দ্রুত আপডেট করে ইয়াহু গ্রুপে আপনাকে এড করে আপডেট লিংক দেবো ইনশাআল্লাহ ধন্যবাদ। যোগাযোগ করুন।

শাহরিয়ার আজম

মেইল এড্রেস-  [email protected]

Mob-01714351057

DBHT-(ডিজিটাল বাংলা হাদিস টিম)

http://www.facebook.com/pages/DBHT/603417713008497

**আলহামদুলিল্লাহ আমরা তিনটি ভাষায় হাদিস সফটওয়্যার প্রকাশ করছি (আরবী, বাংলা ও ইংলিশ) যা এখনো পৃথিবীতে সর্বপ্রথম। বিভিন্ন কলেজ ও ইউনিভার্সিটির জন্য অত্যান্ত কার্যকরী একটা সফটওয়্যার হবে। একসময় পৃথীবিতে আমরা থাকবোনা কিন্ত এ সফটওয়্যার ব্যবহার করে কোটি কোটি মানুষ সহজে ইসলাম সম্পর্কে তথ্য জানতে পারবে গবেষনার কাজে ব্যবহার করতে পারবে। অমুসলিমগন জানতে পারবেন ইসলাম ও রাসুল (সাঃ) জীবনী সম্পর্কে। রাসুল (সাঃ)-কে যারা ব্যঙ্গ করছে বেশিরভাগই ইসলাম সম্পর্কে অজ্ঞতার কারনেই করছে। এ সফটওয়্যার তাদের মনের ইসলাম সম্পর্কে অশিক্ষার অন্ধকার দুরীভূত করবে বলে আশা রাখি।কতো অযথা বাজে কাজ করে বা কম্পিউটার গেম খেলে আমরা সময় নষ্ট করি, না হয় এখানে কয়েক ঘন্টা সময় নষ্ট করলেন, আমরা চাই আপনারও এতে অবদান থাকুক অন্তত ১০০ হাদিস টাইপ করে এ ঐতিহাসিক কর্মে অংশীদার হয়ে যান।

Level 0

আমি Sharear Azam। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 8 বছর 4 মাস যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 42 টি টিউন ও 365 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 1 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 0 টিউনারকে ফলো করি।


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস

Level 0

Simple Matter eta to ja kew Valo vabe Porjobekhon korlai bolte pare. special kisu to nai.

    Level 0

    @nanyan: apni je 1 ta valo jater bolod seta apnar lekha deklei buja jae. apnader moto bolod der kace sobkichu simple matter mone hoe.

    Level 0

    @nanyan: apni je 1 ta valo jater bolod seta apnar lekha deklei buja jae. apnader moto bolod der kace sobkichu simple matter mone hoe.

    @nanyan: সিম্পল মেটার হলে আপনার 400 বছর আগে ফ্লেজ মিলিটেস তিনি Hydrological science সম্পর্কে সর্বপ্রথম যে তত্বটি উপস্থাপন করেছিলেন তা ছিল অসম্পূর্ন। কেন? কুরআন ১৪৩০ বছর আগে সম্পূর্ন চিত্্রটি কি করে উপস্থাপন করলো?

কোরআনে প্রযুক্তি আছে , বুঝতে পারলাম। আপনি কি বিজ্ঞান ন নিয়ে পড়াশুনা করেছেন নাকি কোরান নিয়ে পড়াশুনা করেছেন , সেটা জানার ইচ্ছা জাগছে খুব। আসুন ঘরে ঘরে আন্দোলন গড়ে তুলি । স্কুল কলেজ গুলোতে পদার্থ, রসায়ন, জীব বিজ্ঞান এর পরিবর্তে কোরআন কে যুক্ত করি । কারন কোরআন ই একমাত্র বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ভান্ডার। নতুন করে আর পদার্থ, রসায়ন পরার কি দরকার ? @এডমিন

    @samirchandra87: আপনাদের মত বাজে মানসিকতার মানুষদের জন্যই সাম্প্রদায়িক বিরোধ বাধে। উনি কি কোথাও বলছে পদার্থ , রসায়নের পরিবর্তে কুরআন পড়াতে ?
    আপনার বিশ্বাস না হলে চুপ থাকুন। উস্কানি মূলক কমেন্ট করে কি লাভ ?
    তবে প্রত্যেক মুসলমান ছাত্রদের পদার্থ রসায়নের সাথে কুরানের সঠিক শিক্ষা দিতে পারলে আজ ধর্ম নিয়ে কোনো সাম্প্রদায়িক বিরোধ বাধত না। আর মুসলমানরা নিজের ধর্ম সম্পর্কে সঠিক নির্দেশনা পেত ।

    @samirchandra87: আপনার আবেদন ফেলনা নয়। আসুন আসুন ঘরে ঘরে আন্দোলন গড়ে তুলি….ভালো কথা …তবে সমস্যা হলো আপনি যে মিথ্যে কথা বলছেন এবং অহেতুক হাস্যপদ ষ্টেমেন্ট করছেন। পদার্থ, রসায়ন পরার কথা কুরআন মানা করেনি। আপনার পদার্থ, রসায়ন যা বলছে এখন কুরআন বলছে ১৪৩০ বছর আগে আমি সেটা আপনাকে বলছি সিম্পল ঠিক না 🙂

ওয়ালাইকুম সালাম ।। ভাই নির্দ্বিধায় চালিয়ে যান।দুনিয়ায় এর বিনিময়ে যাই পান , আখিরাতে অবশ্যই এর উত্তম বিনিময় পাবেন ইনশাআল্লাহ্‌ ।

ভাই আমি আছি এবং শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত এই মহান কাজের সাথে থাকবো ইনশাল্লাহ।

Level 0

কিছু বিষয় বিজ্ঞান সম্মত না। যেমন বৃষ্টি হওয়ার যে ব্যাখ্যা দেওয়া হইছে তা অনেকটা হাতুরে ডাক্তার এর মতো।

০১. সাগর নদী থেকে যে বাষ্প আকাশে উঠে তা হয় Evaporation প্রক্রিয়ায়। ছোট ছোট কনা ফেটে যেয়ে ঊর্ধ্ব আকাশে যায় না।

০২. লবণে পরিপূর্ণ এই কণাগুলো বাস্পীভূত হয়ে উপরে অর্থাৎ বায়ুমন্ডলে উঠে যায় বাষ্পের সাথে কোন লবন যায় না।

০৩. আল-কুরআন ২:৯৭ উল্লেখ্য আছে (http://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%A4%E0%A6%BE) মিকাইল ফেরেশতা বৃষ্টি নিয়ন্ত্রন করেন। কিন্তু অনেক দেশে ফসলের জন্য মেঘ বৃষ্টি কিত্রিম ভাবে তৈরি করা হয়।

দয়া করে পদার্থ রসায়ন জীব বিজ্ঞান এবং কোরআন পড়ে তারপর ব্যাখ্যা দিবেন।

যে কথা না বললেই নয়ঃ আমি বিজ্ঞান বিষয়ে বেশি জানি না তবে কোরআন ও বিজ্ঞান বিষয় এ আমার যতটুকু জানা শুনা আছে আশা করি ভালো চলে যাবে। ২০১০-২০১১ দুই বৎসর OMUKA বিজ্ঞান সম্পাদক ছিলাম। মাত্র ১০ বৎসর বয়সে কোরআন পড়া প্রথমবারের মতো শেষ করি।

    Level 0

    @samirchandra87: কোন কিছু বলার আগে ভেবে বলুন আপনার কতটুকু বলা সাজে। বিজ্ঞান এর অর্থ কি সেটা দেখে নেবেন।
    বিজ্ঞান নিয়ে এত কথা বলেন আপনাদের বিজ্ঞান একজন এক কথা বলে আরেকজন আরেক। আত্মা বলতে বিজ্ঞান বিশ্বাস করেনা অথচ দেখেন ডিসকভারীতে যেখানে কিনা বিজ্ঞানের সর্বশেষ আবিষ্কার দেখায় সেখানে এই আত্মা বা অপ-আত্মা নিয়ে দিনেরপর দিন দেখাচ্ছে কই আপনার মত বিজ্ঞানীরা কখনও প্রতিবাদ করলেননা কেন? কি ! সেটা সুপার সাইন্স আর আমরা বললেই সমস্যা, তাই বলি বেশী কথা না বলাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।
    @Farhad: মানলাম আপনি অনেক জানেন অল্প বয়সে কোরআন পড়েছেন কিন্ত তখন সাপের মন্ত্রের মত পড়েছেন এখন আরবীভাষাকে বাংলার মত আয়ত্ব করে পড়ে নিজে অনুবাদ করে দেখেন সেখানে কোন ভুল আছে কি-না অন্যের ভাষান্তর ভুল হতে পারে ব্যাখ্যা ভুল হতে পারে তার জন্য ঐ ব্যাক্তি দায়ী । একই টপিক্স দুইজন কে পড়ে ব্যাখ্যা করতে বললে ব্যাখ্যা দুই রকম আসতে পারে।

    @Farhad: আপনি একটা উইকি লিংক দিলেন তা ইসলাম কি আপনি উইকি লিংক থেকে শিখবেন না কুরআন থেকে? আপনাদের সমস্যাটা কোথায় জানেন? আপনারা নাস্তিকগন ইসলাম শিখতে সোজা চলে যান এন্টি ইসলামিক পেজে। কিভাবে আপনার জ্ঞান যোগ্যতার মাপকাঠিতে বিবিচ্য হতে পারে ?
    ”Evaporation প্রক্রিয়ায় আর ছোট ছোট কনা ফেটে যেয়ে ঊর্ধ্ব আকাশে” একটা ইংরেজি অন্যটা বাংলা এটাও যদি বুঝিয়ে বলতে হয় আপনার জ্ঞান নিয়ে সন্দেহেন উদ্রেক করে নিঃসন্দেহে।
    আপনার এক বড় প্রোফাইল দেয়ার প্রয়োজন পড়েনা। আপনার কথা শুনে মনে হয় একমাত্র আপনি বিজ্ঞান নিয়ে পড়েছেন আর পড়ার কেউ সাহস করেনি। বিশেষ করে Hydrological science সম্পর্কে লবনের বর্ননা কি আপনি বানিয়ে বলছেন কেন বুঝলামনা। যা বলিনি তা যদি বলেন আমি বলেছি তাহলে বলা যায় আপনার পড়ার দোষ বা বোঝার অপরিপক্কতা। দেখুন আমি যা বলেছি, আপনার বোঝার জন্য দিলাম–”বাস্পীভূত জল রৌদ্র বা বায়ুপ্রবাহের মাধ্যমে উপরে বাতাসে উঠে আসে, এরপর মেঘমালা উৎপন্ন হয় আর অবশেষে বৃষ্টিকণা দেখা দেয়।”
    আপনি বলেছেন “২০১০-২০১১ দুই বৎসর OMUKA বিজ্ঞান সম্পাদক ছিলাম”…এটা বুঝিয়ে বলেন। এর কাজ কি কোথায় অবস্থিত। আর আপনার সেখানে পদস্থতার প্রুফ কি।আপনি নাস্তিক কুরআন পড়েননি, আর যদি পড়েনও তোতা পখির মতো পড়েছেন বুঝেনয়। অবশ্য আপনার লেখা দেখলে প্রতিয়মান হয় সেটা।

      Level 0

      @Sharear Azam: আমি একজন মুসলমান। আমার পরিবার মুসলিম পরিবার। না জেনে একজনকে নাস্তিক বললে আপনি কাফের হয়ে যাবেন। দয়া করে মুসলমানদের সম্পর্কে বিভ্রান্তি ছড়াবেন না। আল্লাহ্‌ এই ধরনের লোকদের ক্ষমা করবেন না।
      আল্লাহ্‌ আপনাকে হেদায়াত দান করুন।
      আপনি যে উদ্যোগ নিয়েছেন নিঃসন্দেহে ভালো উদ্যোগ। একজন ভালো বিজ্ঞানীর সাথে আলোচনা করে নিলে আপনি আরো নির্ভুল হতে পারতেন।

    Level 0

    @Farhad: I have recovered my account by requesting password re-set. All comments using my name is fake. I have no bangla software installed.

    Don’t trust this comment. Admin please delete it.

    Level 0

    @Farhad: I have recovered my account by requesting password re-set. All comments using my name is fake. I have no bangla software installed.

    Don’t trust this comment. Admin please delete it.

Level 0

sorry close করতে ভুলে গেছি। তাই সব বোল্ড হয়ে গেছে।

    Level 0

    @Farhad:
    আপনি তো ভাই মহাজ্ঞানী মানুষ । এতো কিছু যখন বুঝেন তখন কোনটা সত্য আর কোনটা মিথ্যা তা নিয়ে কিছু ধারাবাহিক post দেন না কেন?

    একটু বলবেন পবিত্র কোরআন এর কোন আয়াতে আপনি পেলেন-

    ০১. সাগর নদী থেকে যে বাষ্প আকাশে উঠে তা হয় Evaporation প্রক্রিয়ায়। ছোট ছোট কনা ফেটে যেয়ে ঊর্ধ্ব আকাশে যায় না।

    ০২. লবণে পরিপূর্ণ এই কণাগুলো বাস্পীভূত হয়ে উপরে অর্থাৎ বায়ুমন্ডলে উঠে যায় বাষ্পের সাথে কোন লবন যায় না।

      Level 0

      @sunnomon: সব কিছুকি কোরআন হাদিস দিয়ে ব্যাখ্যা করতে হবে? ধারাবাহিক টিউন দিলে তো আবার বোমা হামলা করে বসবেন। TT একটি টেকি ব্লগ, ভুল বিজ্ঞানে ভরা ধর্মীয় ব্লগ না।

      লবণে পরিপূর্ণ এই কণাগুলো বাস্পীভূত হয়ে উপরে অর্থাৎ বায়ুমন্ডলে উঠে যায় – এটা একটা ভুল ব্যাখ্যা। বাষ্পে কোন লবন থাকে না। ছোট ছোট কনা ফেটে যেয়ে ঊর্ধ্ব আকাশে যায় – এতাও ভুল। এটা হয় প্রাকৃতিক vaporation বা Evaporation প্রক্রিয়ায়।

      sunnomon টিউনারশীপ : 9 ঘন্টা 10 মিনিট

      প্রতিবাদ করেন আর যা ই করেন, নিজের আসল পরিচয় দিয়ে করেন।

      আমরা কেউ চাইনা যে বিজ্ঞানের নামে কোন ভুল ব্যাখ্যা করে সাধারণ মানুষকে ভুল পথে ঠেলে নিয়ে যাবেন। সব থেকে ভালো কথা হলো কোরআন-শরিফের মধ্যে বিজ্ঞান খুজে বের করার থেকে বিশ্বাস খুজে বের করা উত্তম।

        Level 0

        @Farhad:
        আমার টিউনারশীপ : 9 ঘন্টা 10 মিনিট এটা নিয়ে আপনার মাথা না ঘামালেও চলবে । আপনাদের সমস্যা হল আপনারা নিজেদেরকে বেশি জ্ঞানী মনে করেন ।

        আমি জানতে চাই কোরআন শরিফের কোথায় বলা হয়েছে (আয়াতের নামটা বলবেন )-
        লবণে পরিপূর্ণ এই কণাগুলো বাস্পীভূত হয়ে উপরে অর্থাৎ বায়ুমন্ডলে উঠে যায় । ছোট ছোট কনা ফেটে যেয়ে ঊর্ধ্ব আকাশে যায়।

        @Farhad: ”Evaporation প্রক্রিয়ায় আর ছোট ছোট কনা ফেটে যেয়ে ঊর্ধ্ব আকাশে” একটা ইংরেজি অন্যটা বাংলা এটাও যদি বুঝিয়ে বলতে হয় আপনার জ্ঞান নিয়ে সন্দেহেন উদ্রেক করে নিঃসন্দেহে।
        আপনি বলেছেন-”কোরআন-শরিফের মধ্যে বিজ্ঞান খুজে বের করার থেকে বিশ্বাস খুজে বের করা উত্তম।”
        আমি বিজ্ঞান দিয়ে কুরআনকে প্রমান করার প্রয়াস করছিনা, িকুরআন যা বলছে ১৪৩০ বছর আগে বিজ্ঞান বলছে এখন সেটা বোঝনোর প্রচেষ্টা ভূল বুঝবেননা। বিজ্ঞানের যুগ এসেছে আরো নতুন যুহ আববে এভাবে। কুরআনের স্বকীয়তা আহে যেমন ছিল ইনশাআল্লাহ তেমন থাকবে।
        আপনার নাস্তিক্যতা প্রমান হয় আপনার এ কথায়–আমরা কেউ চাইনা যে বিজ্ঞানের নামে কোন ভুল ব্যাখ্যা করে সাধারণ মানুষকে ভুল পথে ঠেলে নিয়ে যাবেন।। আপনি যদি প্রকৃত মুসলিম হতেন বিজ্ঞানের কথা আগে না বলে কুরআনের কথা বলতেন ।

        আপনি আমার বিরুদ্ধে এত@Farhad: আপনার এসব লিংকের কোন মিল নেই আমার বক্তব্যের সাথে। আপনাকে শুধু অর্থ বুঝতে বলেছি একটা ইংরেজি অন্যটা বাংলা ডিকশনারি দেখলে ক্লিয়ার হয়ে যাচ্ছে।
        আরেকটা ব্যাপার আপনার আইডি কি নিজের । আমার মনে হয়না আপনি অন্যের আইডি ব্যবহার করছেন…আমাকে কল দেয়া হয়েছে যে আপনি এটা কারো থেকে চুরি করে নিয়েছেণ। এডমিনকে সে অনুরোধ করেছে কিনা জানিনা।

          @Sharear Azam: তাহলে আপনি বাস্প মানে Evaporation স্বীকার করেননা। তা বাংলা শব্দও কি আপনার কাছ থেকে শিখে নিতে হবে।

        Level 0

        @Farhad: I have recovered my account by requesting password re-set. All comments using my name is fake. I have no bangla software installed.

        Don’t trust this comment. Admin please delete it.

      @sunnomon: যাযাকাল্লাহ নাস্তিকের সাথে আলোচনায় সঙ্গ দেয়া জন্য

Level 0

আবার টিউন করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।যে যাই বলুক আপনি চালিয়ে যান।

Level 0

বাস্পে লবন থাকে না। কথা সত্য। Dave & Corry Dual Survival দেখেন নাই?

    Level 0

    @ProtibadiMan:
    পুরো আলোচনায় যে দুইটি আয়াতের কথা বলা হয়েছে তা হল-

    তিনি আল্লাহ, যিনি বায়ু প্রেরণ করেন, অতঃপর তা মেঘমালাকে সঞ্চারিত করে। অতঃপর তিনি মেঘমালাকে যেভাবে ইচ্ছা আকাশে ছড়িয়ে দেন এবং তাকে স্তরে স্তরে রাখেন। এরপর তুমি দেখতে পাও তার মধ্য থেকে নির্গত হয় বৃষ্টিধারা। তিনি তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাদেরকে ইচ্ছা পৌঁছান; তখন তারা আনন্দিত হয়। (কোরআন, ৩০: ৪৮)

    তুমি কি দেখ না যে, আল্লাহ মেঘমালাকে সঞ্চালিত করেন। তারপর মেঘগুলোকে একত্র করেন এবং পরে তা পুঞ্জীভূত করেন স্তরে স্তরে ; অতঃপর তুমি দেখতে পাও যে, সে মেঘের মধ্য থেকে নির্গত হয় বৃষ্টি। আর তিনি আসমানসি ত পাহাড়সদৃশ মেঘমালা থেকে বর্ষণ করেন শিলা‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪ সরিয়ে দেন। সে মেঘের বিদ্যুতের চমক এমন, যেন মনে হয় দৃষ্টিশক্তি প্রায় কেড়ে নেয়। (সূরা নূরঃ ৪৩)

    এই আয়াত দুইটিতে কোথায় বলা হয়েছে বাস্পে লবন থাকে?

    @ProtibadiMan: আপনি এসে না বুঝে একটা কমেন্ট করেন, আপনাকে উত্তর দেয়ার পর তারপর আর রিপ্লে করেননা। এসবের অর্থ কি বুঝিয়ে বলবেন?

Level 0

@ Farhad: আমি খুব ভাল ভাবেই বুঝেছি । টিউনার এখানে যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন তা তার নিজের । কিন্তু পবিত্র কোরাআন শরিফের আয়াতে আপনি একটা শব্দ ও ভুল পাবেন না ।অথচ আপনি বলছেন , “কিছু বিষয় বিজ্ঞান সম্মত না।”

    Level 0

    @sunnomon: আমি তো কোরআন নিয়ে বলিনি। আমি বলছি যে টিউন করেছে তার ব্যাখ্যা নিয়ে। আপনি পায়ে পারা দিয়ে ঝগড়া করতে চাইলে তো মহা বিপদ। কই যেয়ে যে লুকাই।

      Level 0

      @Farhad:

      ঝগড়া করছি না ,আলোচনা করছি।
      কেন আপনি বলেন নাই আল-কুরআন ২:৯৭ উল্লেখ্য আছে, মিকাইল ফেরেশতা বৃষ্টি নিয়ন্ত্রন করেন। কিন্তু অনেক দেশে ফসলের জন্য মেঘ বৃষ্টি কিত্রিম ভাবে তৈরি করা হয়।

      আপনি জানেন সমুদ্রের পানি ও কিত্রিম ভাবে তৈরি করা যায় but that not exactly duplicate the natural seawater.

      @Farhad: আপনি এমন কিছু বক্তব্য দিচ্ছেন যা আপনার বানানো মিথ্যে। কেন তা করছেন। আপনার আইডি মনে হয় ফেক। আপনি যদি এত বুঝেন তাহলে কিছু জ্ঞানী গুনি পোষ্ট লিখেন আর আমরা শিখি।

      Level 0

      @Farhad: I have recovered my account by requesting password re-set. All comments using my name is fake. I have no bangla software installed.

      Don’t trust this comment. Admin please delete it.

        @Farhad: আচ্ছা এ তাহলে কাহিনী …যে চুরি করে পোষ্ট দিচ্ছে তাকে বলছি …যদি সত্যবাদী হন কেন নিজেকে লুকিয়ে রাখেন আলোকিত মানুষ হন অন্ধকার হতে বেরিয়ে আসুন।

Level 0

Zakir Nalayak er Video Dakhun Shob Bujha jaben.

টিউনার নিজে একজন নাস্তিক। সে আসলে মুসলমানদের কে দিয়ে একটা ডাটাবেস বানায়ে বেবসা করবে এই তার ফন্দি। আর এই সব পোষ্ট মউদদি বই থেকে কপি করা। আমি তাকে ফোন দিয়েছি কয়েকবার। নাস্তিক আলচনায় সে যতেস্ট পটু। মুক্তমনার একজন ভক্ত। ধর্ম ভিরু মানুষকে দিয়ে বেবসা করা কতো সহজ।

ধিক্কার জানাই তোর ধর্ম বেবসাকে। ইসলামি প্রোজেক্ট নিয়া পয়সা কামানোর ধান্দা। মুসলমানকে এবং ইসলাম ধর্ম নিয়া এতো বড় আস্পরদা কই পাইলি রে ?

    @অবোধ বালক:উত্তেজিত হয়ে হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছেন আপনি।আপনি ভূল করছেন কোথাও আপনি আমাকে কোন ফোন দেননি।আপনি মাথা ঠান্ডা করে ভাবুন কেন মিথ্যা বুলি আওড়াচ্ছেন। বর্তমানে ইসলামের জয় দেখে দুঃসপ্নে দেখে ধড়ফড় করে উঠে বসে হয়তো এসব প্রলাপ বকছেন। আপনার নিজের আইডি তো অবোধ বালক আপনাকে সুবোধ বলা কার সাজে।

Level 0

অবোধ বালকের বোধহীন মন্তব্য পড়ে হাসতে হাসতে শেষ, আপনার পোষ্ট নাস্তিকদের ভিত আসলেই কাপিয়ে দিয়েছে বুঝা যাচ্ছে, আল্লাহ পাক আপনার খেদমতকে কবুল করুন। আমরা সবাই আপনার শারিরীক ও লিখনিক উত্তরত্তর কল্যান কমনা করছি। জাঝাকাল্লাহু খাইয়ান ফিদ দারাইন।