কুর’আনে প্রযুক্তি [পর্ব- ২৪] :: পর্বত কি স্থান পরিবর্তন করে?

আসসালামুআলাইকুম ও  আন্তরিক শুভেচ্ছা  জানাচ্ছি সবাইকে 🙂

কুর’আনে প্রযুক্তি [পর্ব- ২৪] :: পর্বত কি স্থান পরিবর্তন করে?

আচ্ছা এমন যদি হয় যে , আপনি অ্যাডভেঞ্চারে গেলেন পার্বত্য চট্রগামের  উদ্দেশ্যে এবং  পাহাড়ের পাদদেশে রাতে ঘুমানোর জন্য তাঁবু করলেন, সকালে উঠে খেয়াল করলেন পর্বতটি আরো কয়েক কিলোমিটার দুরে হেটেঁ চলে গেছে I mean স্থান পরিবর্তন করেছে তাহলে কেমন হয়? অথবা যদি আমেরিকা যেতে কোন সাগর পাড়ি দিতে না হতো তাহলে কেমন হয়? আপনি আপনি ভাবছেন কি গাজাঁখুরি কথা। আসলেই কি এমনটা ঘটে। হ্যাঁ ঘটে তবে অতি অতি ধীরে (কচ্ছপ ফেল) !! পর্বত সহ ভূমি স্থান পরিবর্তন করে। সাধারনত পর্বতগুলোর দিকে তাকালে অনুভুত  হয় যেন এরা স্থির ও অবিচল। হাজার হাজার বছর ধরে যেন অটল রয়েছে এক স্থানে আসলে কি সত্য? প্রকৃতপক্ষে ব্যাপারটি তা নয়।আসলে প্রতিনিয়তই পর্বতমালা রয়েছে সচল, গতিশীল।

ভূ-বিজ্ঞানের অভাবনীয় আবিষ্কার-

”পৃথিবীর উপরিস্তর যাকে Geological ভাষায় প্রকাশ করা হয় (Crust) বা ঝুটিঁ হিসেবে।, যার উপরে পর্বতসমূহ অবস্থিত, সে স্তরের (Crust) নড়াচড়াই পর্বতমালার গতিশীলতার কারণ । নীচে অধিকতর পুর আরেকটি স্তর রয়েছে যাকে বলা হয় ম্যান্টল ; ম্যান্টলের উপরে ভাসমান রয়েছে এই উপরিস্তরটি(Crust)। যেমন পানির উপরে বরফ।” M. J. Selby, Earth's Changing Surface, (Oxford: Clarendon Press: 1985),

এটি ছিল বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগ, যখন জার্মান বিজ্ঞানী Alfred Wegner  ইতিহাসে সর্বপ্রথম প্রস্তাব করেন যে প্রথম যখন পৃথিবীর সৃষ্টি হয়, মহাদেশগুলো একত্রে সংযুক্ত অবস্থায় ছিল। অর্থাৎ এশিয়া, আমেরিকা, রাশিয়া, অষ্ট্রেলিয়া এবং ইউরোপ সমস্ত উপমহাদেশ একই স্থলে সংযুক্ত ছিল। কিন্তু এরপর এরা ভেসে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে যায় ধীরে ধীরে কয়েক কোটি বছর সময় নিয়ে আমদের এসব মহাদেশ উপমহাদেশ ইন্চি ইন্চি স্থান পরিবর্তন করে পরস্পর হতে পৃথক হয়ে গেছে এবং এই শতাব্দির দ্বার প্রান্তে এসে আমরা দেখি একেকটি মহাদেশ আরেকটি হতে হাজার হাজার কিলোমিটার দুরে সরে গেছে যা ঘটতে সময় নিয়েছে কোটি বছরেরও বেশি।

বিস্তারিত আলোচনা-

আর এভাবেই নড়াচড়ার কারণে একটি আরেকটি থেকে দূরে সরে যায়। Wegner এর মৃত্যুর পঞ্চাশ বছর পর ১৯৮০ এর দশকে ভূ-তত্ত্ববিদগণ Wegner এর এই প্রস্তাবটি সঠিক ছিল বলে বুঝতে পারেন। ”১৯১৫ সালে Wegner একটি আর্টিকলে নির্দেশ করেন যে, প্রায় ৫০০ মিলিয়ন বছর আগে ভুপৃষ্ঠের সলভাগসমূহ একসঙ্গে সংযুক্ত অবস্থায় ছিল। আর এই বৃহৎম স্থলভাগটি পৃথিবীর দক্ষিণ মের তে ছিল Pangaea নামে।প্রায় ১৮০ মিলিয়ন বছর পূর্বে Pangaea দুটি ভাগে ভাগ হয়ে বিভিন্ন দিকে ভেসে চলে যায়। এদের মাঝে Gondwana নামে বৃহৎ একটি মহাদেশ ছিল, যাতে বিদ্যমান ছিল আফ্রিকা, অষ্ট্রেলিয়া, এন্টার্টিকা আর ইন্ডিয়া। দ্বিতীয় অংশটি ছিল Laurasia নামে, যেথায় অবসিত ছিল ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা আর ইন্ডিয়া বাদে এশিয়া। এই পৃথকীকরনের পর ১৫০ মিলিয়ন বছর ধরে Gondwana আর Laurasia ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ভাগে আলাদা হয়ে যায়।” Sheets, Gardner, and Howe, General Science, 305.

Pangaea বিভক্তির পর আর্বিভূত এ মহাদেশগুলো ভূপৃষ্ঠের উপর অবিরাম সরে যাচ্ছে প্রতি বছরে কয়েক সেন্টিমিটার করে। ইতিমধ্যে পৃথিবীর স্থলভাগ আর সমুদ্রের অনুপাতও বদলে গিয়েছে।বিংশ শতাব্দীর গোঁড়ার দিকে চালানো গবেষণায় উদঘাটিত ভূপৃষ্ঠের কঠিন আবরণ ক্রাস্ট এর নড়াচড়া বিজ্ঞানীগণ নিম্নরূপে ব্যাখ্যা করেনঃ

Crust আর Mantle এর সর্বোপরিসিত স্তরটি প্রায় ১০০ কিলোমিটার পুরত্ব নিয়ে বিভিন্ন খন্ডে বিভক্ত হয় যাদের Plate বলা হয়ে থাকে। ছয়টি বড় বড় আর কয়েকটি ছোট খাট প্লেট বিদ্যমান রয়েছে এখানে। Plate Tectonics নামক থিওরী অনুসারে এই প্লেটগুলো তাদের সঙ্গে মহাদেশ আর সমুদ্রের তলভাগ নিয়ে ভূপৃষ্ঠে নড়ে চড়ে ঘুরে বেড়ায়। পরিমাপ করে দেখা গেছে যে, মহাদেশগুলোর এই গতি বছরে প্রায় ১-৫ সেন্টিমিটার। প্লেটগুলো যেহেতু অবিরত চলমান রয়েছে সেহেতু পৃথিবীর ভূগোলে ধীর গতির পরিবর্তন হবে। দৃষ্টান্তসরূপ প্রতি বছর আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশ একটু একটু সরে যাচ্ছে।‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪ এখানে এটি উল্লেখ করার মতো গুরতপূর্ণ একটি পয়েন্টঃ আয়াতটিতে আল্লাহ তাআলা পর্বতমালার নড়াচড়াকে চলমান বা প্রবাহিত হওয়া হিসেবে উল্লেখ করেছেন। আজ আধুনিক বিজ্ঞানীগণও এই গতির জন্য ’’মহাদেশের প্রবাহ’’ (continental drift) শব্দটি ব্যবহার করেছেন। প্রশ্নাতীতভাবেই এটি কোরআনের একটি অলৌকিকত্ব। বিংশ শতাব্দীতে সম্প্রতি সেদিন যা বিজ্ঞানদ্বারা আবিষ্কৃত হয়েছে তাই কোরআনে অনেক আগেই ঘোষিত হয়েছিল।

বিশ্ব বিখ্যাত ভূতত্ববিদ Dr Frank Press বলেন-

ভূতত্ব গবেষনার জন্য প্রায় প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় ‘The Earth’ নামক বইটি ব্যবহার করা হয়। Dr Frank Press যিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের উপদেশমন্ডলীর মধ্যে অন্যতম তিনি বলেন-পর্বতের অত্যন্ত গভীর শিকর রয়েছে পৃথিবীর অভ্যন্তরে। সত্যিকার অর্থে পর্বত একটি ভাষমান বরফের মতো যার ৯০% থাকে পানির নীচে ও ১০% থাকে উপরে। Frank Press, and Raymond Siever, Earth, 3rd ed. (San Francisco: W. H. Freeman & Company, 1982).

আমাদের অবস্থান চলমান প্লেটের উপর?

ভূতত্ববিদগনের তথ্যানুসারে, যে ভারী ভারী বড় প্লেটগুলো পৃথিবীর উপরের শক্ত স্তর সৃষ্টি করে, সেগুলোর নড়াচড়া আর সংঘর্ষের ফলেই উৎপত্তি ঘটে পর্বতমালাসমূহের। দুটি প্লেট যখন পরস্পর ধাক্কা খায় তখন শক্তিশালী প্লেটটি অন্য প্লেটের নীচে গড়িয়ে চলে যায়, তখন উপরের প্লেটটি বেঁকে গিয়ে পর্বত ও উঁচু উচুঁ জায়গার জন্ম দেয়। নিম্নের স্তরটি ভূমির নীচে অগ্রসর হয়ে ভেতরের দিকে এক গভীর প্রসারণের জন্ম দেয়। এর মানে পর্বতের রয়েছে দুটো অংশ, উপরে সবার জন্য দর্শনযোগ্য একটি অংশ যেমন থাকে, তেমনি নীচের দিকে গভীরে এর সমপরিমাণ বিস্তৃতি রয়েছে। প্রকৃতপক্ষে আধুনিক ভূ-বিজ্ঞানের প্রাপ্ত তথ্যসমূহের মাধ্যমে কেবলি সেদিন এ বিষয়টি প্রকাশ পেল। ভূ-পৃষ্ঠের উপরের অংশ বা ক্রাস্ট অবিরাম গতিশীল প্লেট নিয়ে গঠিত। পর্বতগুলোর দৃঢ়ভাবে ধরে রাখার বৈশিষ্ট্যটিই ভূপৃষ্ঠের উপরের স্তরকে ধরে রাখে ,কম্পন প্রতিরোধ করে অনেকাংশে। অথচ এই ক্রাস্টের রয়েছে গতিশীল গঠন। বিজ্ঞানের বইগুলোতে পাহাড়ের গঠন বর্ণিত হয়েছে নিম্নরূপেঃ

মহাদেশগুলোর যে অঞ্চলসমূহ পুরু, যেখানে সারি সারি পর্বতমালা রয়েছে, সেস্থানে ভূ-পৃষ্ঠের শক্তস্তর বা ক্রাস্ট ম্যান্টলের ভেতরে গভীরে ঢুকে যায়। যদিও তা চলমান। Powers of Nature, (Washington D.C.: National Geographic Society: 1978), 12-13.

কুরআনে ১৪৩০ বছর আগেউল্লেখ করা হয়েছে?-

এই ব্যাপারটি কোরআনের আয়াতে উল্লেখিত আছেঃ

 

027.088 وَتَرَى الْجِبَالَ تَحْسَبُهَا جَامِدَةً وَهِيَ تَمُرُّ مَرَّ السَّحَابِ صُنْعَ اللَّهِ الَّذِي أَتْقَنَ كُلَّ شَيْءٍ إِنَّهُ خَبِيرٌ بِمَا تَفْعَلُونَ

027.088 Thou seest the mountains and thinkest them firmly fixed: but they shall pass away as the clouds pass away: (such is) the artistry of Allah, who disposes of all things in perfect order: for he is well acquainted with all that ye do.

আর তুমি পর্বতসমূহকে দেখে অটল-অচল মনে কর, অথচ এগুলো সেদিন মেঘরাশির ন্যায়চলমান হবে। হল আল্লাহর সৃষ্টি নৈপুণ্য, যিনি সবকিছুকে করেছেন সুষম-সুসংহত। তোমরা যা কিছু করছ, তিনি তা সম্যক অবগত আছেন।(কোরআন, ২৭: ৮৮)

‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪‪

আল্লাহ তাআলা ব্যতীত তিনি আর কে হতে পারেন, যিনি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ওপর কুরআন মাজিদে এই তথ্য অবতীর্ণ করেছেন?

একটি উদ্যেগ আহবান:

এটা অত্যন্ত দুঃখের বিষয় যে বাংলাদেশের ৯০% মুসলিম হয়েও এখনো বাংলা সহিহ হাদিসের Free digital Database বানানো হয়নি। প্রায় ২৮ কোটি বাংঙ্গালীগন অকাযর্করের ও অবহেলার ভূমিকা নিয়েছি, এ মহান দায়িত্ব থেকে আমরা মুসলিমগন একরকম নেহাতই পালিয়ে বেড়াচ্ছি। অনেকেই আছেন অন বা “অফ লাইনে কাজ করার সময় UNICODE টেক্সট হাদিস হাতের কাছে তৈরি না থাকায় সবাইকে কষ্ট করে টাইপ করতে হয় অথবা অনেকে ঝামেলা এড়িয়ে যান। কিন্তু এই দিন শেষ ।

আসুননা আমরা সমম্বিতভাবে উদ্বেগ নিয়ে বাংলা সহিহ হাদিসের Unicode Software সৃষ্টি করি। আপনারা শুনে  ‍খুশি হবেন আমাদের সহিহ বুখারীর কাজ প্রায় শেষ ।মুসলিম শরীফের কাজ চলছে। সফটওয়্যারটি chm ফরমেটে তৈরি হবে, ইনষ্টলের কোন ঝামেলা নেই। 1 click – এ ‍উইন্ডো ওপেন হবে এবং সহজেই ডাটা কপি,পেষ্ট করা যাবে, এছাড়াও রয়েছে পাওয়ারফূল সার্চ ও কিওয়ার্ড অপশন। যেহেতু হাজার হাজার হাদিস এর জন্য অবশ্যই টিম ওর্কের প্রয়োজন যার নামকরন করা হয়েছে সংক্ষেপে DBHT-(ডিজিটাল বাংলা হাদিস টিম)। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সম্মানিত ভায়েরা বিনা পারিশ্রমিকে অক্লান্ত পরিশ্রম করে অতি দ্রুততার সাথে এগিয়ে যাচ্ছেন যার বেশিরভাই ছাত্র। উদ্দেশ্য একটাই-২৮ কোটি বাংলাভাষীর জন্য সম্পূর্ন বিনামূল্যে বাংলা হাদিসের অনবদ্য একটি ইউনিকোড সফটওয়্যার। এ মহৎ কাজে পিছিয়ে কেন ...আসুন আমাদের সাথে। সম্মানিত ভাই/ বোন যারা সদস্য হতে চান এ টিমের কর্মপদ্বতি হবে নিম্নরুপ-

1)যারা অংশ নেবেন Contribution- এ তাদের নাম ও প্রোফাইল লিংক থাকবে।

2) প্রত্যেককে সদস্য হতে হলে কমপক্ষে 100 হাদিসের ডাটা এন্ট্রি করে নিম্নলিখিত এড্রেসে পাঠিয়ে দিতে হবে।(সময় খুব বেশি হলে মাত্র তিন ঘন্টার একটা কাজ)

3)পিডিএফ ফরম্যাটে হাদিস দেয়া হবে আপনি MS Word-এ টাইপ করে মেইলে এটাচ করে পাঠিয়ে দেবেন, আপনার প্রোফাইল লিংক যদি দেন ভাল হয়।

4) আপনার হাদিস পাবার পর সেটা আপডেট করে ফেসবুকে লিংক দেয়া হবে যেখান থেকে আপনি ডাউনলোড করে কাজের অগ্রগতি দেখতে পাবেন।

বিঃদ্রঃ:- এটি কোন কর্মাশিয়াল উদ্যেগ নয়। শধুমাত্র ভলান্টিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে DBHT-এর হাদিসের Digital interface তৈরি করার একটা যৌথ প্রচেষ্টা। বাংলাতে শুধু এন্ট্রি করবেন আরবী ও ইংলিশ আমরা ম্যানেজ করবো ইনশাআল্লাহ। যে কোন  Unicode ফন্টে ডাটা রেডি করতে পারবেন।আপনার প্রোফাইল লিংক ও Mob-নং ও বাংলাদেশের কোত্থেকে কাজ করছেন উল্লেখ করবেন। ১০ দিনের মধ্যে করতে পারলে ভালো হয়। আপনি ডাটা পাঠানোর পর আমরা সেটা অতি দ্রুত আপডেট করে ফেসবুকে লিংক দেবো ইনশাআল্লাহ ধন্যবাদ। যোগাযোগ করুন।

শাহরিয়ার আজম

মেইল এড্রেস-  [email protected]

Mob-01714351057

DBHT-(ডিজিটাল বাংলা হাদিস টিম)

http://www.facebook.com/pages/DBHT/603417713008497

**অালহামদুলিল্লাহ আমরা তিনটি ভাষায় হাদিস সফটওয়্যার প্রকাশ করছি (আরবী, বাংলা ও ইংলিশ) যা এখনো পৃথিবীতে সৃষ্টি হয়নি। বিভিন্ন কলেজ ও ইউনিভার্সিটির জন্য অত্যান্ত কার্যকরী একটা সফটওয়্যার হবে। একসময় পৃথীবিতে আমরা থাকবোনা কিন্ত এ সফটওয়্যার ব্যবহার করে কোটি কোটি মানুষ সহজে ইসলাম সম্পর্কে তথ্য জানতে পারবে গবেষনার কাজে ব্যবহার করতে পারবে। কতো অযথা বাজে কাজ করে বা কম্পিউটার গেম খেলে আমরা সময় নষ্ট করি, না হয় এখানে কয়েক ঘন্টা সময় নষ্ট করলেন, আমরা চাই আপনারও এতে অবদান থাকুক অন্তত ১০০ হাদিস ইউনিকোডে টাইপ করে এ ঐতিহাসিক কর্মে অংশীদার হয়ে যান।

Level 0

আমি Sharear Azam। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 8 বছর 4 মাস যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 42 টি টিউন ও 365 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 1 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 0 টিউনারকে ফলো করি।


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস

Level 0

ভাইয়া অনেক ভালো লাগলো, আপনার পোস্ট গুলো অনেক ভালো লাগে, আমার একটা প্রশ্ন ছিল

“তুমি পর্বতমালাকে দেখে অচল মনে কর, অথচ সেদিন এগুলো মেঘমালার মত চলমান হবে। এটা আল্লাহর কারিগরী, যিনি সবকিছুকে করেছেন সুসংহত। তোমরা যা কিছু করছ, তিনি তা অবগত আছেন।”

এর আগে আয়াত টি হল
“যেদিন সিঙ্গায় ফুৎকার দেওয়া হবে, অতঃপর আল্লাহ যাদেরকে ইচ্ছা করবেন, তারা ব্যতীত নভোমন্ডলে ও ভূমন্ডলে যারা আছে, তারা সবাই ভীতবিহ্বল হয়ে পড়বে এবং সকলেই তাঁর কাছে আসবে বিনীত অবস্থায়। ”

তারমানে কি এখানে কেয়ামতের দিনের কথা বলা হয়েছে?
যদি তাই হয় তবে “অথচ সেদিন (কেয়ামতের দিন)এগুলো মেঘমালার মত চলমান হবে।” কিন্তু Science তো কেয়ামতের আগেই বলছে যে পর্বতমালা চলমান, আর পবিত্র কোরআনে তো বলা আছে এটা চলমান হবে কেয়ামতের দিন। দুইটা তো দুই রকম মনে হচ্ছে, আমাকে কি ব্যাপার টা একটু বুঝিয়ে বলবেন?

    @hmmm: দুভাবে ব্যাখ্যা গ্রহনযোগ্য…কেয়ামতের সময় পর্বত ও সারা মহাবিশ্ব সমস্ত কিছু ধ্বংস হয়ে নতুন করে সৃষ্টি হবে। আর এখানে ব্যাখ্যা দেয়া হলেছে চলমান পর্বত অর্থাৎ এটা contradiction না ধারাবাহিক ঘটমান। দুটোই ঘটবে। অর্থাৎ কেউ যদি বলে চা বানাতে চিনি আর চা-পাতা লাগে এটা যেমন সঠিক আবার কেউ যদি বলে চা বানাতে চিনি ,চা-পাতা আর দুধ লাগে সেটাও সঠিক এখানে নফরমেশন এড করা হয়েছে।

    @hmmm: প্রথমি বলি কুরআন শরীফের এক একটি শব্দ বিশাল ব্যাখ্যা সরূপ । এই অংশটুকুর কথা চিন্তা করুন ” আর তুমি পর্বতসমূহকে দেখে অটল-অচল মনে কর” এর শাব্দিক ব্যাখ্যা হল ” আর আপ্নে কি মনে করেন যে পর্বত সমূহ একই জায়গায় অটল বা স্থির থাকে? না বরং এগুলো চলমান” তার মানে হল ধরুন কারো হাতে একটি মাছ দেখে আপনে কিছু একটা চিন্তা করলেন সে আপনার মনের অবস্থা বুজতে পেরে আপনাকে বলল ” আপনে কি মনে করেন এ মাছ টি মৃত ?” আর কিছু বলল না,,বলার সময় তার কণ্ঠের সুর কোন ভঙ্গিতে বলেছে তা শুনার সাথে সাথেই কিন্তু আপনে বুঝতে পারবেন মাছটি জীবিত নাকি মৃত। তার মানে কি? মাছ টি মৃত নয় মাছ টি জীবিত ।বাস্তবে কথা বলার ধরন, অঙ্গি বঙ্গি, গলার সুর দ্বারা একটা বিসয় কে আরও অনেক কিছু বুঝানো যায় …

    তারপর আল্লাহ বলেছেন।।
    অথচ এগুলো সেদিন মেঘরাশির ন্যায়চলমান হবে ।
    এর অর্থ হল আজকে আমরা আকাশে মেগ কে যেভাবে দেখতে পাই ঘণ্টায় এত এত কিমি দ্রুত গতিতে পথ যায়, কেয়মতের দিন পাহাড় কে সেই গতিতে ভূপৃষ্ঠে চলতে দেখা যাবে যা চোখে ধরা পড়বে ।মানুষ বলবে এইতো পাহাড় চলে যাইতেছে…

    বিজ্ঞানীরা বলেছেন, পাহাড় তার স্থান পরিবর্তনেরএই গতি বছরে প্রায় ১-৫ সেন্টিমিটার। যা চোখে পরা তো দূরের কথা কোন ক্যামেরা দিয়ে ধারন করাও সম্বব নয় ।
    বিজ্ঞানীরা এটা প্রমান করেছেন মাত্র ১৯১৫ সালে । আল্লাহ পাক যদি এটা সরাসরি বলতো তাহলে ১৯১৫ সালের আগের মানুষেরা হাসত আর বলতো এটা মিথ্যা কথা।। তাই আল্লাহ পাক এটা একটু ভিন্ন ভাবে বলেছেন যাতে করে আমার বান্দারা কোন এক সময় বুঝতে পাড়ে …।

    আল্লাহ আমাদের ভুল ত্রুটি গুলো ক্ষমা করে দেন… আমিন

Level 0

ভাইয়া আমি আপনাকে প্রশ্ন গুলো করেছি আমার জানার কৌতূহল থেকে, আপনি অন্য কিছু মনে করবেন না।
আমি আপনার ব্যাখ্যা কয়েকবার পরলাম কিন্তু আমার প্রশ্নের সাথে আপনার ব্যাখ্যার তেমন যুক্তিযুক্ত উত্তর খুজে পেলাম না।(দুঃখিত)
আপনি বললেন দুটোই সঠিক, Science বলছে পর্বতমালা সবসময় চলমান, আর পবিত্র কোরআন শরিফ এ বলা আছে, এটা চলমান হবে কেয়ামতের দিন, দুইটা কোন যুক্তি দিয়া এক বুঝতে পারলাম না,
Science বলছে এটা কোটি কোটি বছর আগে থেকেই হচ্ছে,
আর পবিত্র কোরআন শরিফ এ বলা হচ্ছে , এটা ভবিষ্যতে কোন এক সময় ঘটবে। (চলমান প্রক্রিয়া যে এখনও বিদ্যমান, তা কিন্তু পবিত্র কোরআন শরিফ এ বলা নেই)

আবার ও আমি বলছি ভাইয়া, আমি আমার কিছু খ্রিস্টান বন্ধুদের আপনার এই পোস্ট টি সম্পর্কে বলবো, আর তখন আমি যেন তাদের প্রতিটা প্রশ্নের জবাব ঠিক মত দিতে পারি, এজন্যই আপনার সাথে এই বাপারে প্রশ্ন করে আলোচনা করছি মাত্র।

ok thats fine এখানে আরবী”” ব্যবহৃত হয়েছে السَّحَابِ
যা তিনটি সময়ের দিকে নির্দেশ করে। present past & future

আরবী অত্যন্ত সমৃদ্ধ ভাষা আবার তার উপরে কুরআনিক ভাষা ।আমাদের বাংলা বা ইংরেজিতে সাধারনত এমন expression নেই বলে আমরা মনে করি “ভূল ব্যাখ্যা”।

Level 0

ভাইয়া আমি Google Translator এ দেখলাম আরবি السَّحَابِ (ইরেজি শব্দ Cloud) এই শব্দটির অর্থ মেঘ। এই শব্দটির সাথে সময়ের কোন মিল নেই।

আমি আপনার এই কথাটির সাথে সম্পূর্ণ একমত
“আরবী অত্যন্ত সমৃদ্ধ ভাষা আবার তার উপরে কুরআনিক ভাষা ।আমাদের বাংলা বা ইংরেজিতে সাধারনত এমন expression নেই বলে আমরা মনে করি “ভূল ব্যাখ্যা”।”

Google translatore Arabic description দেখলে কুরআন বুঝতে সমস্যা হবে কারন সেখানে দু, একটা সমার্থক শব্দ ব্যবহার করেনা। এ শব্দটি অনেকগুলো অর্থ শুধু মেঘ নয় এর আরেক অর্থ প্রবাহমান ক্ষন । আসলে অনেক শব্দ আছে যা ভিন্ন ভাষায় প্রকাশ করা টাফ। আর আরবীর এমন অনেক শব্দ আছে যার 100র উপরে অর্থ।Google translatoreএখনো পর‌্যন্ত 100% translate করতে পারেনি। সেখান থেকে অর্থ সবগুলো পাওয়া যাবেনা।

    Level 0

    @Sharear Azam: ধন্যবাদ ভাইয়া আপনার উত্তর এর জন্য, আমি Internet এ ৫-৭ টা ইংরেজি কোরআন শরিফ, আর ২ টা বাংলায় অনুবাদ কৃত কোরআন শরিফ দেখলাম সব জায়গায় বলা হয়েছে ” সেদিন (কেয়ামতের দিন)এগুলো মেঘমালার মত চলমান হবে।”, সবখানেই ভবিষ্যৎ কে বোঝান হয়েছে,
    আপনি বললেন “এ শব্দটি অনেকগুলো অর্থ শুধু মেঘ নয় এর আরেক অর্থ প্রবাহমান ক্ষন ।” যদি “প্রবাহমান ক্ষন” এই অর্থে এখানে ব্যবহার করা হয়ে থাকে তবে সেটা ভবিষ্যতে কোন একদিন হবে, এটা স্পষ্ট উল্লেখ করা আছে।

      @hmmm: “তুমি পর্বতমালাকে দেখে অচল মনে কর, অথচ সেদিন এগুলো মেঘমালার মত চলমান হবে। এটা আল্লাহর কারিগরী, যিনি সবকিছুকে করেছেন সুসংহত। তোমরা যা কিছু করছ, তিনি তা অবগত আছেন।”
      এখানে এ আয়াতটিতে এটা বুঝছে না যে পর্বত স্থির এবং ভবিষতে তা চলমান হবে বরং এটা বলা হস্ছে যে কেয়ামতের দিন তা মেঘমালার মত চলমান হবে অর্থাত সেদিন পর্বত গুলো চলমান হবে কিন্তু তা হবে খুব দ্রুত গতিতে। বিজ্ঞানের মাধ্যমে আমরা জানি পর্বত চলমান কিন্তু তার গতি অনেক অনেক কম কিন্তু কোরআনে বলা হস্ছে কেয়ামতের দিন তার গতি খুব বেশি হবে অর্থাত এর মানে এই নই যে কোরআন পর্বতকে বর্তমানে স্থির বলছে। আশা করি বুঝতে পেরিছি।

        Level 0

        @tarshidahmodkhan: পবিত্র কোরআন শরিফ পর্বতমালা কে চলমান ও বলে নি আবার স্থির ও বলেনি, তারমানে পর্বতমালা চলমান না স্থির এই বাপারে কিছুই বলা হয়নি,
        আর Science বলছে পর্বতমালা চলমান, যে বিষয় সম্পর্কে কোরআন শরিফে কিছুই বলা নেই, (কোরআন শরিফে বলা হয়েছে যে কেয়ামতের দিন পর্বতমালা মেঘমালার মত চলমান হবে)। তাহলে তো Science এর এই বিষয়টি সম্পর্কে পবিত্র কোরআন শরিফে কিছুই বলা নেই। আর টিউনার ভাই তো বলছেন যে এটা নাকি আগেই কোরআন শরিফে বর্ণিত হয়েছে।
        কোরআনে বলা হয়েছে একভাবে আর লেখক বলছেন অন্যভাবে।

      @hmmm: Sorry to write in English coz i am in Hurry. Brother Majority translation we cannt say accurate 100% & It cannt be free of translation error. The people who translate those ayats majority wasnt from science backgrounf. You can refer translation Moulana Modududi translation & 2 riverted sister translation who have science background on this issue. Be noted that we have main text arabic and translation is choice of words, We referred on this article “this ayats” coz we have availabe this . If you want accurate translation of this ayat you have to go to main arabic dictionary (not google trans) then find perfect word coz you have scientific knowledge.

        Level 0

        @Sharear Azam: ভাইয়া আমি আপনার দেয়া এই যুক্তি আমার বন্ধুদের দিলে তা অনেকটা হাস্যকর হতে পারে যদি না আমি তাদের সঠিক কোন Reference দেখাতে পারি। যেহেতু আমি Science এর সাথে সাথে কোরআন শরিফ এর আয়াতের তুলনা করছি তাই এখানে Prove না করতে পারলে তাদের কাছে বিষয়টি বিশ্বাস যোগ্য কখনই হবে না। “Brother Majority translation we cannt say accurate 100% & It cannt be free of translation error” এটা দিয়ে আমি তাদের বোঝাব যে আমার দেয়া ৭-৮ অনুবাদের একটি তেও সঠিক ভাবে অনুবাদ করা হয়নি? (আর সবার ভিন্ন ভাবে লিখলেও ,একই mean করেছে (তারমানে একজনের অনুবাদ করা নয় এই ৭-৮ টি কোরআন, এই ৭-৮ জন এক কথা বলছে আপনি বলছেন অন্য অর্থে, ভাইয়া একটা সঠিক Reference দিলে অনেক খুশি হতাম) । আশা করি আমি আপনাকে বুঝাতে পেরিছি।

ভালো লাগলো পড়ে…

VI HADIS AR SOFTWARE TA FULL MAKE HOLA.PLZ AMAR [email protected] A PATIA DEN

ভাইয়া আপনাকে অসংখ্যা ধন্যবাদ।এমন কী আছে যা পড়লে মানুষের ভীতরে মহান আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস তৈরি হবে? মানে নাস্তিকরা বিশ্বাস করতে বাধ্য হবে যে মহান আল্লাহ তায়ালাই এই সুন্দর মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন এবং এর প্রতি পালক?
আমার জানা মতে নাস্তিকরা বিশ্বাস করে যে প্রকৃতি ই এই মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন,ওদের ধারনা এই মহাবিশ্ব এমনি এমনি সৃষ্টি হয়েছে….এর কোন সৃষ্টিকর্তা নেই। তাই আমি আপনার কাছে আশাবাদী আপনি এই বিশ্বাস যে ভিক্তিহীন তা প্রমান করার জন্য অভাবনীয় সুন্দর কিছু লিখে আমাদের জ্ঞান ও ঈমানকে আরো শক্তিশালী করার জন্য সহযোগিতা করবেন।ভাইয়া আপনার লেখার আশায় রইলাম……আরেকটা কথা আশা করি এমন কিছু আয়াত বা হাদিস উল্লেখ করবেন যা সরাসরি এ ব্যাপারে হিট করছে বা করেছে….যেমন-আপনি একটা টিউনে পৃথিবী ডিম্বাকার এ ব্যাপারে আলোচনা করেছেন এবং সেই টিউনে একটি আয়াত উল্লেখ করেছিলেন সেই আয়াতে সরাসরি লেখা আছে পৃথিবী ডিম্বাকার। এবং কোনআন নাযিলের বহু বছর পর বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করে যে পৃথিবী ডিম্বাকার। এতে প্রমানিত হয় যে আল্লাহ সত্য এবং তার সৃষ্টি সত্য তাই আমি এমন কিছু হাদিস এবং যুক্তি এ ব্যাপারে আশা করছি যে হাদিসে উপরে উল্লেখিত ব্যাপারটির ব্যাপারে সরাসরি ইঙ্গিত করে।আপনার আশায় রইলাম…

Level New

Vi dua korben jate ssc exam ses kore apnader sathe jog dite pari. Ja mrittor pore sodkay jariah hisebe thakbe.

@hmmm ভাই কুরআন এ সব কিছুই আছে কিন্ত তা গুপ্ত অবস্থায় . তা আমাদের খুঁজে নিতে হবে . কুরআন এর প্রতিটি আয়াত মধ্যে অনেক সুপ্ত তথ্য বিদ্যমান যা সাধারণ ভাবে বুঝা বা উপলব্ধি করা যায়না . তার জন্য দূরদৃষ্টি প্রয়োজন . যারা এগুলো নিয়ে গবেষণা করে তারাই শুধু এর মর্ম উপলব্ধি করতে পারবে . এই টিউন এর আয়াত এ কারিমার মধ্যে আপনি দেখতে পাচ্ছেন ভবিষ্যত কেননা আপনি শুধু এই
আয়াতের উপরের অর্থাত বাইজ্জিক দিক টি বুঝতে পারছেন. তবে যারা ধরুন ক্রিস্টান বিজ্ঞানী তারা ও সীকার করেছে যে কুরআন কে এনালাইসিস করেই অনেক কিছু আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছেন ….

আশা করি বুজতে পেরেছেন ভাই
ধন্যবাদ
{বানান ভুল এর জন্য ক্ষমা প্রার্থী }

    Level 0

    @zishantalukder: আপনার যদি মনে হয় যে আমি যা জানতে চেয়েছি তাঁর যথার্থ উত্তর আপনি দিয়েছেন তবে আমার বলার কিছুই নেই।
    ধন্যবাদ আপনার Comments এর জন্য।

    @zishantalukder: thanks read this article…May Allah reward you.Brother hmmm want to know more thats good i appreciate his enquary. I love that.Keen guy.