কুর’আনে প্রযুক্তি [পর্ব-২০] :: Theory of Relativity বা সময়ের সমসাময়িকতা

আসসালামুআলাইকুম ও শুভেচ্ছা সবাইকে 🙂 ।সবাই ভাল আছেন আল্লাহর রহমতে আশা করি।

কুর’আনে প্রযুক্তি [পর্ব-২০] :: Theory of Relativity বা সময়ের সমসাময়িকতা

 আমার উদ্দেশ্য:-

সম্মানিত পাঠকমন্ডলী আজকের বিষয়ের নামটার মধ্যে আতেঁল টাইপের নামকরন বলে আপাতদৃষ্টিতে মনে হলেও এভাবে ট্যাগ দেয়াটা আমার কাছে যুক্তিযুক্ত মনে হয়েছে। যখন থেকে বাংলাভাষীদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শেখার অতীব সহজ ও best platform Techtunes-এ আমার লেখার সৌভাগ্য হয় আমি চেষ্টা করবো বা করি আল-কুরআনের সাথে বিজ্ঞানের বিস্ময়কর সামঞ্জস্যতা সহজ ও অনাবিল ভাষায় আপনাদের কাছে বর্ননা করতে,  যাতে আপনাদের অতি সহজে বোধগম্য হয়। কঠিন শব্দের মারপ্যাচ বা সাহিত্যক প্যাচাল দিয়ে বিজ্ঞানের কঠিন ব্যারগুলোকে আরো কঠিন করতে চাইনি। বিজ্ঞান থেকে শেখার চেষ্টা করি তবে আমি ভাল ছাত্র নই বা কোন কালে ছিলামনা। ক্লাস 9-এ বিজ্ঞানের এক শিক্ষককে জিজ্ঞেস করেছিলাম স্যার (জামাল স্যার নামটা মনে আছে) আপনার শেখানোটা আমি বুঝতে পারিনি আমাকে আবার বুঝিয়ে বলেন তিনি ঘুরে কটাক্ষ স্বরে বলেছিলেন- “এটা কি তোমার মামাবাড়ি পাইছ?”

 

সময়ের সমসাময়িকতা’ বলতে কি বোঝায়-

আসুন আসল কথায় আসা যাক Theory of Relativity –এর সঠিক ব্যাখ্যা কি? বিজ্ঞানের আলোকে সময়কে মাপতে গেলে মূলত দুটো জিনিষের প্রয়োজন-

  1. বস্তুর ভর বা ইংরেজিতে mass
  2. গতিবেগ (velocity)

এছাড়াও তা অভিকর্ষশক্তির ওপরও নির্ভর করে। আজ সময়ের আপেক্ষিকতা একটি প্রমাণিত সত্য। বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকের বছরগুলোয় এ বিষয়টি বিজ্ঞানী আইনষ্টাইনের আপেক্ষিকতার থিওরী বা তত্ত্ব (Theory of Relativity)  দ্বারা উন্মোচিত বা প্রমাণিত হয়। অথচ তখনও পর্যন্ত মানুষ জানত না যে সময় আসলে একটি আপেক্ষিক বা তুলনামূলক ধারণা আর তা পরিবেশ অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে। বিখ্যাত বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনষ্টাইন এই বিষয়টি প্রকাশ্যে আপেক্ষিকতার থিওরী দিয়ে প্রমাণ করে দেখান। তিনি প্রমাণ করেন যে, সময় ভর (mass) আর বেগের (velocity) উপর নির্ভরশীল। বৈজ্ঞানিক  ইতিহাসে এর আগে আর কেউ এ বিষয়টিকে নিয়ে নিখুঁতভাবে প্রমাণ বা প্রকাশ করতে পারেননি।

অথচ ভিন্নভাবে পবিত্র কোরআনে এ বিষয়টি অন্তভূক্ত রয়েছে যে, সময় আপেক্ষিক। বিষয়টি সম্পর্কেকয়েকটি আয়াত যা বলে তা নিম্নরূপঃ

 

022.047 وَيَسْتَعْجِلُونَكَ بِالْعَذَابِ وَلَنْ يُخْلِفَ اللَّهُ وَعْدَهُ وَإِنَّ يَوْمًا عِنْدَ رَبِّكَ كَأَلْفِ سَنَةٍ مِمَّا تَعُدُّونَ

আর তারা আপনাকে আযাব ত্বরান্বিত করার জন্য তাগাদা করছে। অথচ আল্লাহ কখনও তাঁরওয়াদা ভঙ্গ করেন না। নিশ্চয় আপনার রবের কাছে একদিন তোমাদের গণনার এক হাজার বছরের সমান। (কোরআন, ২২: ৪৭) (অনুবাদ:- মাওলানামুহিউদ্দীন, উম্মুলকোরা, সৌদিআরব)

 

যে সময়টি উপলব্ধি করছে তার উপর সময়ের ধারণাটি সম্পূর্ণরূপে নির্ভর করে । ভিন্নতা রয়েছে উপলব্ধির ক্ষেত্রে যেমন-কোন একটি নির্দিষ্ট সময় একজনের কাছে স্বল্প সময় হিসেবে অনুভূত হতে পারে যেখানে এটিই আবার আরেকজনের কাছে মনে হতে পারে লম্বা সময়। এখানে কে সঠিক সেটি জানতে হলে ঘড়ি আর কেলেন্ডারের মতো কিছু জিনিষ রাখা দরকার। এগুলো ছাড়া সঠিকভাবে সময় নির্ণয় করা অসম্ভব। কিছু কুরআনের আয়াত বর্ননা করছি-

032.005 يُدَبِّرُ الأمْرَ مِنَ السَّمَاءِ إِلَى الأرْضِ ثُمَّ يَعْرُجُ إِلَيْهِ فِي يَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهُ أَلْفَ سَنَةٍ مِمَّا تَعُدُّونَ

তিনি আসমান থেকে জমিন পর্যন্ত যাবতীয় বিষয় পরিচালনা করেন, অবশেষে তা তাঁর সমীপে এমন একদিনে পৌঁছাবে, যার পরিমাণ হবে তোমাদের গণনানুযায়ী হাজার বছরের সমান।(কোরআন, ৩২ : ৫)

 

070.004 تَعْرُجُ الْمَلائِكَةُ وَالرُّوحُ إِلَيْهِ فِي يَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهُ خَمْسِينَ أَلْفَ سَنَةٍ

ফেরেশতাগণ এবং রূহ আল্লাহর সমীপে আরোহণ করে যায় এমন এক দিনে, যার পরিমাণ পঞ্চাশ হাজার বছর। (কোরআন, ৭০: ৪)

 

এখানে লক্ষনীয় বিষয় কিছু কিছু আয়াতে নির্দেশিত রয়েছে যে, মানুষ ভিন্ন ভিন্ন ভাবে সময়কে উপলব্ধি করে থাকে আর কখনও কখনও খুব সংক্ষিপ্ত বা অল্প সময়কে অতি লম্বা সময় হিসেবে উপলব্ধি করে থাকে । পরকালে শেষ বিচারের দিন মানুষ যেমন ধরণের কথা-বার্তা বলবে তা এটিরই একটি পরিষ্কার উদাহরণঃ

 

023.112 قَالَ كَمْ لَبِثْتُمْ فِي الأرْضِ عَدَدَ سِنِينَ

023.113 قَالُوا لَبِثْنَا يَوْمًا أَوْ بَعْضَ يَوْمٍ فَاسْأَلِ الْعَادِّينَ

023.114 قَالَ إِنْ لَبِثْتُمْ إِلا قَلِيلا لَوْ أَنَّكُمْ كُنْتُمْ تَعْلَمُونَ

আল্লাহ বলবেনঃ বছরের গণনায় তোমরা পৃথিবীতে কত সময় অবসান করেছিলে ?তারা বলবেঃ আমরা একদিন অথবা দিনের কিছু অংশ অবসান করেছিলাম। অতএব আপনিগণনাকারী ফেরেশতাদের জিজ্ঞেস করন।আল্লাহ বলবেন ; তোমরা সেখানে অল্প সময়ই অবসান করেছিলে যদি তোমরা তা জানতে ?(কোরআন, ২৩ : ১১২-১১৪) (অনুবাদ:-মাওলানাসালাহউদ্দীনইউসুফ, পাকিস্তান)

 

সাধারন মানুষ কুরআন মাজিদের এই আয়াতগুলিকে একটি অসঙ্গতি বলে ধরে নিতে পারে একজন সাধারণ পাঠক। উপরের আলোচনা থেকে সহজে অনুমেয় বর্তমানে আপেক্ষিক তত্ত্ব (The theory of relativity) প্রমাণ করেছে যে, সময় হল একটি আপেক্ষিক ব্যাপার। আর তাই তা পরিবেশ ও অবস্থা অনুসারে পরিবর্তিত হতে পারে। বিজ্ঞানী আইনস্টাইন দেখিয়েছেন, সময়- ভর ও গতিবেগের ওপর নির্ভরশীল এবং তা অভিকর্ষশক্তির ওপরও নির্ভর করে। এখন এটা প্রমাণিত যে, পৃথিবীতে

ও মহাশূন্যে সময়ের ব্যাপারটি একই রকম নয়। কুরআন মাজিদ সময়ের এই আপেক্ষিকতার ধারণার সত্যতা স্বীকার করেছে আইনস্টাইন তা আবিষ্কার করারও প্রায় দেড় হাজার বছর আগে। বিগত আয়াতগুলি কুরআন মাজিদের বিস্ময়কর প্রকৃতির সঙ্গে একটি নতুন মাত্রা যোগ করে। পৃথিবীর আকৃতি-সম্পর্কিত বিস্ময়কর বর্ণনা, কুরআন মাজিদে শব্দসমূহের সংখ্যাগত অপূর্ব সাদৃশ্য, মহাশূন্যে মানুষের গবেষনা পরিভ্রমণ ইত্যাদি আরও উজ্জ্বল প্রমাণ সরবরাহ করে যে, কুরআন মাজিদ আল্লাহ তাআলার কালাম। এই পৃষ্ঠাগুলিও এমন অনেক ঘটনার বর্ণনা দেয় যা ছিল সেই পরিবেশে সম্পূর্ণ অনুপস্থিত, যেখানে কুরআন মাজিদ অবতীর্ণ হয়েছিল। এতদসত্ত্বেও, কুরআন মাজিদ এসব ফেনোমেনার যথাযথ ও সঠিক বর্ণনা প্রদান করে। অধিকন্তু এই পৃষ্ঠাগুলি এমন অনেক ঘটনারও বর্ণনা দেয় যা ছিল মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর অজানা এবং সেসব লোকদেরও অজ্ঞাত যাদের প্রতি এই কুরআন অবতীর্ণ হয়েছিল। যারা তখনো একটি টেলিস্কোপ আবিষ্কার করতে পারেননি, তথাপি এসব বর্ণনার প্রতিটি সত্য ও যথাযথ বলে প্রমাণিত হয়েছে।

পূর্ববর্তী যুগের মুসলমানরা এসব আয়াতকে কুরআন মাজিদের রহস্য হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। যতদিন তারা এসব রহস্যের পাঠোদ্ধারের প্রয়োজনীয় জ্ঞানের অধিকারী হতে পারেন নি, তারা সেগুলিকে আল্লাহ তাআলার কালাম বলে গ্রহণ করে নিয়েছিল। মানুষের জ্ঞানের পরিধি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরবর্তী যুগের মুসলমানরা তাদের জ্ঞানের পরিসীমা অনুসারে এসব ঘটনার ব্যাখ্যা দেয়। এভাবে প্রত্যেক যুগের মুসলমানরাই কুরআন  কিছু কিছু রহস্যকে ইতিহাস ও বিজ্ঞানের বাস্তবতায় রূপায়িত করেন। এভাবেই কুরআন মাজিদ সকল প্রজন্মের মানুষের জন্যে একটি জীবন্ত মুজিজা হিসেবে চলমান থেকেছে। কুরআন মাজিদ সর্বদাই তার শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রেখেছে এবং তা ভবিষ্যতেও সর্বদা মানব জ্ঞানের পরিধিকে  তার শ্রেষ্ঠত্ব অক্ষুণ্ণ রাখবে। এটি মানুষের জন্যে সর্বদা একটি শাশ্বত চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিরাজিত থাকবে। সব যুগের মানুষই কুরআন মাজিদের নতুন নতুন মুজিজা আবিষ্কার করেছে এবং এই ধারা অব্যাহত থাকবে।

প্রকৃত সত্য ব্যাপারটি হলো যে ৬১০ সন থেকে নাযিল হতে থাকা কোরআনে সময়ের আপেক্ষিকতা বিষয়টি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে উল্লেখিত হয়েছে - এটি কোরআন আল্লাহতাআলার পবিত্র হওয়ার পক্ষে আরো একটি প্রমাণ।

খ্যাতনামা অষ্ট্রিয় নও-মুসলিম –‘আসাদ’ যিনি সর্বপ্রথম ইংরেজীতে কুরআন অনুবাদ করেছিলেন তারঁ একটি অনুবাদ পাঠকদের উদ্দেশ্যে তুলে ধরলাম-

 

012.105 وَكَأَيِّنْ مِنْ آيَةٍ فِي السَّمَاوَاتِ وَالأرْضِ يَمُرُّونَ عَلَيْهَا وَهُمْ عَنْهَا مُعْرِضُونَ

012.105 And how many Signs in the heavens and the earth do they pass by? Yet they turn (their faces) away from them!

 012.106 وَمَا يُؤْمِنُ أَكْثَرُهُمْ بِاللَّهِ إِلا وَهُمْ مُشْرِكُونَ

012.106 And most of them believe not in Allah without associating (other as partners) with Him!

 012.107 أَفَأَمِنُوا أَنْ تَأْتِيَهُمْ غَاشِيَةٌ مِنْ عَذَابِ اللَّهِ أَوْ تَأْتِيَهُمُ السَّاعَةُ بَغْتَةً وَهُمْ لا يَشْعُرُونَ

012.107 Do they then feel secure from the coming against them of the covering veil of the wrath of Allah,- or of the coming against them of the (final) Hour all of a sudden while they perceive not?

 আর আসমানসমূহ ও জমিনে কত নিদর্শন রয়েছে, যা তারা অতিক্রম করে চলে যায়, অথচ সেগুলো থেকে তারা বিমুখ। তাদের অধিকাংশ আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে, তবে (ইবাদতে) শিরক করা অবস্থায়। আর তারা কি নিরাপদ বোধ করছে যে, তাদের ওপর আল্লাহর পক্ষ থেকে কোনো সর্বগ্রাসী আজাব আসবে না, অথবা হঠাৎ তারা টের না পেতেই কিয়ামত উপস্থিত হবে না? (ইউসুফ, ১২ : ২০৫-২০৭) )  (অনুবাদ:- মাওলানামুহিউদ্দীন, উম্মুলকোরা, সৌদিআরব)

 

আপনাকে ধন্যবাদ সময় নিয়ে পোষ্টটি পড়ার জন্য।

 

একটি উদ্যেগ আহবান:

এটা অত্যন্ত দুঃখের বিষয় যে বাংলাদেশের 90% মুসলিম হয়েও এখনো বাংলা সহিহ হাদিসের Free digital Database বানানো হয়নি। প্রায় 22 কোটি বাংঙ্গালীগন অকাযর্করের ও অবহেলার ভূমিকা নিয়েছি, এ মহান দায়িত্ব থেকে আমরা মুসলিমগন একরকম নেহাতই পালিয়ে বেড়াচ্ছি। অনেকেই আছেন অন বা “অফ লাইনে কাজ করার সময় UNICODE টেক্সট হাদিস হাতের কাছে তৈরি না থাকায় সবাইকে কষ্ট করে টাইপ করতে হয় অথবা অনেকে ঝামেলা এড়িয়ে যান। কিন্তু এই দিন শেষ ।

আসুননা আমরা সমম্বিতভাবে উদ্বেগ নিয়ে বাংলা সহিহ হাদিসের Unicode Software সৃষ্টি করি। ইনশাআল্লাহ প্রথমে আমরা সহিহ বুখারীর হাদিস নিয়ে কাজ শুরু করবো। chm ফরমেটে তৈরি হবে, ইনষ্টলের কোন ঝামেলা নেই। 1 click – এ ‍উইন্ডো ওপেন হবে এবং সহজেই ডাটা কপি,পেষ্ট করা যাবে, এছাড়াও রয়েছে পাওয়ারফূল সার্চ ও কিওয়ার্ড অপশন। যেহেতু প্রায় 7000 হাদিস নিয়ে সহিহ বুখারী এর জন্য অবশ্যই টিম ওর্কের প্রয়োজন যার নামকরন করা হয়েছে সংক্ষেপে DBHT-(ডিজিটাল বাংলা হাদিস টিম)। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সম্মানিত ভায়েরা বিনা পারিশ্রমিকে অক্লান্ত পরিশ্রম করে অতি দ্রুততার সাথে এগিয়ে যাচ্ছেন যার বেশিরভাই ছাত্র। উদ্দেশ্য একটাই-25 কোটি বাংলাভাষীর জন্য সম্পূর্ন বিনামূল্যে বাংলা হাদিসের অনবদ্য একটি ইউনিকোড সফটওয়্যার। এ মহৎ কাজে পিছিয়ে কেন ...আসুন আমাদের সােথে। সম্মানিত ভাই/ বোন যারা সদস্য হতে চান এ টিমের কর্মপদ্বতি হবে নিম্নরুপ-

1)যারা অংশ নেবেন Contribution- এ তাদের নাম ও প্রোফাইল লিংক থাকবে।

2) প্রত্যেককে সদস্য হতে হলে কমপক্ষে 100 হাদিসের ডাটা এন্ট্রি করে নিম্নলিখিত এড্রেসে পাঠিয়ে দিতে হবে।(সময় খুব বেশি হলে মাত্র তিন ঘন্টার একটা কাজ)

3)পিডিএফ ফরম্যাটে হাদিস দেয়া হবে আপনি MS Word-এ টাইপ করে মেইলে এটাচ করে পাঠিয়ে দেবেন, আপনার প্রোফাইল লিংক যদি দেন ভাল হয়।

4) আপনার হাদিস পাবার পর সেটা আপডেট করে ফেসবুকে লিংক দেয়া হবে যেখান থেকে আপনি ডাউনলোড করে কাজের অগ্রগতি দেখতে পাবেন।

বিঃদ্রঃ:- এটি কোন কর্মাশিয়াল উদ্যেগ নয়। শধুমাত্র ভলান্টিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে DBHT-এর হাদিসের Digital interface তৈরি করার একটা যৌথ প্রচেষ্টা। বাংলাতে শুধু এন্ট্রি করবেন আরবী ও ইংলিশ আমরা ম্যানেজ করবো ইনশাআল্লাহ। যে কোন  Unicode ফন্টে ডাটা রেডি করতে পারবেন।আপনার প্রোফাইল লিংক ও Mob-নং ও বাংলাদেশের কোত্থেকে কাজ করছেন উল্লেখ করবেন। 3 দিনের মধ্যে করতে পারলে ভালো হয়। আপনি ডাটা পাঠানোর পর আমরা সেটা অতি দ্রুত আপডেট করে ফেসবুকে লিংক দেবো ইনশাআল্লাহ ধন্যবাদ। যোগাযোগ করুন।

 

**অালহামদুলিল্‌লাহ আমরা তিনটি ভাষায় হাদিস প্রকাশ করছি-আরবী, বাংলা, ইংলিশ। সহিহ বুখারীরি কাজ প্রায় শেষ।

 

শাহরিয়ার আজম

মেইল এড্রেস-  [email protected]

Mob-01714351057

DBHT-(ডিজিটাল বাংলা হাদিস টিম)

http://www.facebook.com/pages/DBHT/603417713008497

 

অন্যান ওয়েব---

http://www.facebook.com/pages/Al-Quran-Modern-Science/140069416050931

http://muslim.zohosites.com/          http://www.quranic-science.blogspot.com

 

 

Level 0

আমি Sharear Azam। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 8 বছর 4 মাস যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 42 টি টিউন ও 365 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 1 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 0 টিউনারকে ফলো করি।


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস

Level 0

ভাল হয়েছে।

Level 0

অসাধারন আল্লাহ আপনার হায়াত বৃদ্ধি করে দিক ও আপনাকে প্রছুর অর্থ সম্পদ দান করুক ।

    @sumon70: যাযাকাল্লাহ..কাজ কেমন চলছে ?:)

Level 0

এক কথায় অসাধারণ ………

Level 0

ভালো লিখছেন ভাই….চালিয়ে যান…

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ । চালিয়ে যান।

অসাধারন আল্লাহ আপনার হায়াত বৃদ্ধি করে দিক ও আপনাকে প্রছুর অর্থ সম্পদ দান করুক ।

    @ahm masum: যাযাকাল্লাহ..দোআ থাকলো সমগ্র মুসলিম উম্মহের জন্য

আপনার কোরানের মধ্যে বিজ্ঞান খোজার ১৯ পর্বে কতিপয় প্রশ্ন উত্থাপন করেছিলাম তার কোন উত্তর না দিয়েই আপনি ২০ নং পর্ব প্রকাশ করলেন। এবারের বিষয় হলো আপেক্ষিতাবাদ।

032.005 يُدَبِّرُ الأمْرَ مِنَ السَّمَاءِ إِلَى الأرْضِ ثُمَّ يَعْرُجُ إِلَيْهِ فِي يَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهُ أَلْفَ سَنَةٍ مِمَّا تَعُدُّونَ

তিনি আসমান থেকে জমিন পর্যন্ত যাবতীয় বিষয় পরিচালনা করেন, অবশেষে তা তাঁর সমীপে এমন একদিনে পৌঁছাবে, যার পরিমাণ হবে তোমাদের গণনানুযায়ী হাজার বছরের সমান।(কোরআন, ৩২ : ৫)

070.004 تَعْرُجُ الْمَلائِكَةُ وَالرُّوحُ إِلَيْهِ فِي يَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهُ خَمْسِينَ أَلْفَ سَنَةٍ

ফেরেশতাগণ এবং রূহ আল্লাহর সমীপে আরোহণ করে যায় এমন এক দিনে, যার পরিমাণ পঞ্চাশ হাজার বছর। (কোরআন, ৭০: ৪)

এবার আপনাকে কতিপয় প্রশ্ন করি, ৩২: ৫ এ বলছে- তা তার সমীপে এমন এক দিনে পৌছবে যা মানুষের গণনায় ১০০০ বছর। এই- তা- জিনিস বা জিনিসগুলো কি ?

আবার ৭০: ৪ আয়াতে দেখা যাচ্ছে- রুহ ও ফিরিস্তারা আল্লাহর সমীপে যে একদিনে পৌছায় তা মানুষের হিসাবে ৫০,০০০ বছরের সমান। প্রশ্ন হলো কোথা থেকে যাত্রা করে আল্লাহর সমীপে রুহ ও ফিরিস্তারা পৌছায় ?

টু দি পয়েন্টে উত্তর দিবেন আশা করি।

    @Truthseeker: আপনাকে আহের উত্তর দিয়েছে কিন্তু আপনি যেসব মতািমতগুলো রেফারেন্স ছাড়া আপনার নিজস্ব মতামত । এতে বিতর্ক ছাড়া আর কিছুই বের হবেনা। আমি আপনাকে রেফারেন্স সহ উত্তর দিয়েছি পক্ষান্তরে আপনি নিজের ইচ্ছেমত কল্পনাপ্রসুত ভবানা ব্যক্ত করেছেন। এক্ষেত্রে শেখার কিছুই থাকেনা তাই অযথা সময় নষ্ট করতে চাইনা। আমার কথায় কষ্ট পাবেননা।দুঃখিত।

      @Sharear Azam:
      আমি আপনার দেয়া কোরানের আয়াতগুলির যথার্থ ব্যখ্যা দিয়েছিলাম আমি কেন রেফারেন্স দিতে যাব। আপনি যে মনের মত করে কোরানের আয়াত ব্যখ্যা করছিলেন সম্পূর্ন অসামঞ্জস্যভাবে সেটাই দেখিয়েছি। আপনি তার কোন উত্তর না দিয়ে ভেগে গেছিলেন।

      যাহোক. এখানে আমি দুটো প্রশ্ন করেছি, আপনি উত্তর দেন নি, এখানেও কি ভাগার তালে আছেন নাকি ?

      তবে অচিরেই আপনার নিবন্ধ গুলোর বিষয় বস্তু নিয়ে একটা যুতসই লেখা প্রকাশ করব আশা করি।

      কোরানে যখন এত বিজ্ঞানের ছড়াছড়ি , তাহলে সেখান থেকে দু একটা নতুন কিছু আবিষ্কার করে দেখান না , আমরা কৃতার্থ হতাম। নাকি অপেক্ষায় আছেন কোন এক ইহুদি নাসারার আবিষ্কারের অপেক্ষায় ? আর তার পর কোরানের মধ্যে খুজে পাবেন তার সূত্র। এই না হলে আর কোরানিক বিজ্ঞান?

        @Truthseeker: আপনার সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেয়া কোন ব্যাপারনা কিন্তু সমঃয় কোথায়? আপনাদের মতো কোরআন বিরোধীদের সাথে দীর্ঘ বহু বছর উত্তর দিয়ে আসছি কিন্তু দেখা যায় যেই লাউ সেই কদু। আপনাকে কুরআনের আয়াতের রেফারেন্স ‍দিতে বলিনি চোখ খুলে ভালোমতো পড়েন আপনি নিজের মনগড়া বিজ্ঞানের বুলি আওড়ে চলছেন সেসবে রেফারেন্স উল্লেখ করতে বলেছি যদি সত্যবাদী হয়ে থাকেন। আমার উত্তর দে?খুন আর আপনারটা দেখুন ।সমস্যাটা হচ্ছে আপনারা ইসলাম শিখছেন এন্টি -ইসলামিক ওয়েবসাইট হতে …ইসলামকে আগে জানুন এন্টি -ইসলামিক ওয়েবসাইট হতে কপি পেষ্ট করে আমার সময় ব্যয় করবেননা। আরেকটা কথা দয়া করে আলতু -ফালতু প্ষ্টে করে আমার সময় নষ্ট করা হতে বিরত হবেন। পোষ্টভালো না লাগলে পড়বেননা ক্নিতু যা ইচ্ছে আপনি মন্তব্য করবেন এটা সমচীন নয় আপনার জন্য।

        HEY ATHEIST HAVE EVER READ THE QURAN.YOU JUST EXPLORED THE REFERRENCE GIVEN BY OTHER DEVIL OR ATHEIST.IN AL QURAN IT HAS SAID ABOUT YOU”And of the people is he who disputes about Allah without knowledge follows every rebellious devil.(70:2)@Truthseeker:

Sharear! you are right. They can oppose anything while their ancient dad was monkey!!!?perhaps they think that non-atheist are creature of God,they’re out of range!!!!!?The truthseeker should keep in brain-mind that the atheist are also creature of God(we believe).If they discover anything,it’s just result of their great efforts;not against the speeches of Quran.My suggestion to the truthseeker firstly read and explore the Al-Quran,then fix up your question.Don’t be motivate by other atheist.Azam brother, keep in mind if you say or n’t they will n’t worship to Allah.Their appropriate place is the Hell,But if Allah want,HE is very kind.(sorry for english,i am from mobile)

যুলকারনাইন সূর্যের অস্তগমন (অর্থাৎ সর্বপশ্চিম) স্থলে পৌছান যেখানে সুর্য এক পঙ্কিল জলাশয়ে অস্ত যায় (Quran 18:86), এরপর তিনি অন্য এক পথ ধরেন এবং সূর্যের উদয় (অর্থাৎ সর্বপূর্ব) স্থলে পৌছান যা এমন এক সম্প্রদায়ের ওপর উদিত হয় যারা সূর্যের কাছাকাছি হওয়ায় তাপ থেকে কোন আড়াল পায়না (Quran 18:89-90)

এই ব্যাপারটা একটু ব্যাখ্যা করবেন?