কুর’আনে প্রযুক্তি [পর্ব-০৩ক] :: ‘বিগ ব্যাং’ কতটুকু সঙ্গতিপূর্ন?

আসসালামুআলাইকুম রাহমাতুল্লাহে ওবারাকাতুহু 😎

কুর’আনে প্রযুক্তি [পর্ব-০৩ক] :: ‘বিগ ব্যাং’ কতটুকু সঙ্গতিপূর্ন?

আলহামদুলিল্লাহ tech tunes- এ কুর’আনে প্রযুক্তি পর্বটি আপনাদের মাঝে বিশাল সাড়া জাগাতে সমর্থ হয়েছে এজন্য সৃষ্টিকর্তার নিকট অশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই। 3য় পর্বটি 2টি ভাগে বিভক্ত। ইনশাআল্লাহ আগামী পোষ্টে 2য় অংশ প্রকাশ করা হবে। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ পোষ্টটি পড়ার জন্য।

বিজ্ঞানীগণ ধারনা করেন প্রায় ২০,০০০ বিলিয়ন আলোকবর্ষ ব্যাপী আমাদের এ মহাবিশ্বটি মহাশূন্যে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়েছে। তারাঁ শক্তিশালী টেলিস্কোপের মাধ্যমে মহাবিশ্বে প্রায় ১০,০০০ কোটি গ্যালাক্সির অবস্থান নিরুপন করতে সমর্থ হয়েছেন। প্রায় প্রতিটি গ্যালাক্সিতে আবার ৪০,০০০ কোটি নক্ষত্রের আনাগোনা রয়েছে। এতেই শুধু শেষ নয় প্রতি নক্ষত্রের সাথে আছে তার গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণু ও ধূমকেতুসহ অগুনিত জানা-অজানা মহাজাগতিক বস্তু ও আলোর-বিকিরনের সমাহার যাকে আমরা নামকরন করেছি- “নক্ষত্রের নিজস্ব সৌর পরিবার”।বর্তমানে সবচাইতে আলোচিত আবিষ্কার এই তত্বটি সর্বমহলে আলোচিত ও সমালোচিত। বিশেষ করে আমেরিকানদের  প্রযুক্তি আড্ডার কলেবরে এখনো তুমুল ঝড় উঠে পক্ষে-বিপক্ষে।

আমাদের এই সমস্ত মহাবিশ্ব সৃষ্টির আদিতে একটা অতি ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র বিন্দু ছিল তারপর হয় ‘বিশাল বিস্ফোরন’ ইংরেজীতে যা ‘Big Bang’ তত্ব নামে অতি সুপরিচিত। এই  প্রচন্ড বিস্ফোরনের পর চন্দ্র, সূর্য ,পৃথিবী এবং হাজার কোটি গ্যালাক্রী, নক্ষত্র, ছায়াপথ, নিহারিকা ও অন্যান্য অনাবিষ্কৃত বস্তু ও বলয়ের সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের ক্ষুদ্র গ্যালাক্রীর প্রায় ৪০ হাজার কোটি সে সে  মধ্যে আমাদের এই সূর্যটি অতি ক্ষুদ্র সূর্য যার ১১-১৩টি গ্রহ ,উপগ্রহের পরিবার রয়েছে। তথ্যটি নিয়ে গবেষনা শুরু হয়েছে এই 20 শতকের প্রথম দিকে । কিন্তু কুরআনে এই ফর্মূলা প্রকাশিত হয়েছে প্রায় ১৪০০ বছর আগে, কুরআন-কারীম সমগ্র মানবজাতির জন্য সর্বশেষ আল্লাহ্ তা‘আলার বার্তা, আল্লাহ্তা‘আলা সন্দেহাতীতভাবে প্রয়োজনীয় প্রায় সর্ব বিষয়েরই র্নিভূল তথ্য এ কুরআনে উল্লেখ করেছেন। অনেকে ধারনা করেন “science”-এর প্রতিটি তথ্যের বিশ্লেষনধর্মী ব্যাখ্যা কুরআনে রয়েছে, আসলে Science or technological তত্বের বর্ননা নয় কুরআন মানবজাতির নিকট প্রতিটি প্রয়োজনীয় তত্বের ‘ signs’ বা সাংকেতিক’ অথবা “ টেলিগ্রাফিক বার্তা” বিভিন্ন আয়াতে প্রকাশিত রয়েছে (বেশিরভাগই অনাবিষ্কৃত)। চারদিকের দৃশ্যমান ও অদৃশ্যমান মহাবিশ্ব ও তার সৃষ্টিতত্বের সর্বপ্রথম আগাম সুষ্পষ্ট তথ্য ও মহাগ্রন্থ কুরআন কারীমে উল্লেখ রয়েছে-

সুরা আম্বিয়া ২১নং সুরা , ৩০নং আয়াতে-

اَوَ لَمْ يَرَ الَّذِيْن كَفَرُوْآ اَنَّ السَّموتِ وَالاَرْضِ كَانَتَا رَتْفًا فَفَقْنهُمَا ط

“যারা অবিস্বাস পোষন করে তারা কি দেখেনা যে মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবী  উভয়ে একাকার ছিল তারপর আমরা স্ববেগে তাদেরকে বিচ্ছিন্ন করে দিলাম...”(অনুবাদ:-ডাঃ জহুরুল হক, আসাম, ভারত)।

অর্থাৎ হাজার কোটি গ্যালাক্রী, নক্ষত্র, ছায়াপথ, নিহারিকা ,গ্রহ,Black whole, White whole, Warm whole , উপগ্রহ, গ্রহাণু ও ধূমকেতুসহ অগুনতি জানা-অজানা মহাজাগতিক বস্তু ও আলোর-বিকিরন, আলো এমনকি সময় পর্যন্ত, অর্থাৎ এই সম্পূর্ন মহাবিশ্বের বস্তু, শক্তি ও সময় সমস্ত কিছুই বর্তমান অবয়ব ও নিজস্ব আকৃতি , গতি এবং কর্মপ্রকৃতি প্রকাশিত কারার পূর্বে একটি ‘বিশেষ পর্যায়ে’ সঙ্কুচিত অবস্থায় পরস্পর মিশ্রিত ছিলো যা এতই ক্ষুদ্র ছিল এককথায় Astor-physics বিজ্ঞানী কুকু বলেন “অচিন্তনীয় ক্ষুদ্র এক অস্তিত্ব”। এরপর আল্লাহ্ ঐ সঙ্কুচিত অতিক্ষুদ্র বিন্দুটিকে সর্বদিকে ছড়িয়ে দেন প্রচণ্ড এক বিস্ফোরণের মাধ্যমে । যার ফলে বস্তু, শক্তি ও সময় পৃথক হয়ে বর্তমান দৃশ্যযোগ্য রূপ ধারণ করতে থাকে { অর্থাৎ হাজার কোটি গ্যালাক্রী, নক্ষত্র, ছায়াপথ... } এবং সেই সাথে দ্রুত থেকে দ্রুততর সম্প্রসারিত হতে থাকে অর্থাৎ সর্বদিকে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। এইতো 2011 সালে দুজন মার্কিন মহাকাশ-পদার্থ বিজ্ঞানী প্রমান করেন এই মহাবিশ্বের সম্প্রসারন গতি দ্রুত হতে দ্রুততর হচ্ছে , এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের জন্য তারাঁ যৌথভাবে নোবেল পুরষ্কার অর্জন করেন।

এই তাত্বিক বিষয়ে বিজ্ঞান বিশ্ব অবিরত গবেষণা ,পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ও তথ্য-অনুসন্ধান চালিয়ে যেতে থাকে 20 শতক হতে অনেক বিজ্ঞানী  মহাবিশ্বর ‘Big Bang’-এর বহু অগ্রহনযোগ্য চিত্র বিশ্লেষিত করেছেন কিন্তু বিজ্ঞান-সমাজ নড়ে-চড়ে বসতে বাধ্য হয় যখন ১৯৩৩ সালে বেলজিয়ামের পদার্থ বিজ্ঞানী জর্জ লি মেইতর সর্বপ্রথম বিশ্বের সামনে ‘ Big Bang’ এর গ্রহনযোগ্য ও সুচিন্তিত তথ্য উপস্থাপন করেন। তিনি প্রকাশ করেন মহাবিশ্বে যাবতীয় সময়,শক্তি ও বস্তুর যে আনাগোনা ও রুপ আমাদের আশেপাশে ও দুরদুরান্তে বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে নিজিদের অস্তিত্বের প্রমান ব্যক্ত করছে, তার সমস্ত কিছুই একটি মহাসূক্ষ্ম বিন্দুতে আজ থেকে প্রায় ১৫০০ কোটি বছর পূর্বে অতিসংকোচন অবস্থায় আটকে ছিল। ফলে এক পর্যায়ে অতীব প্রচণ্ড চাপ ও তাপ বর্ধিত হয়ে সঙ্কুচিত শক্তির বিন্দুটি এক পর্যায়ে বিশাল বিস্ফোরন ঘটে এবং মহাবিশ্বের সূচনা হয় এক কথায় বলা যায়- মহাবিস্ফোরন ।

মেইতরের এই তত্বের ঘোর বিরোধীতা করেন যাঁর মধ্যে প্রখ্যাত বিজ্ঞানী ফ্রেড হোয়েল, ২০০১ সালে যিনি মত্যুবরন করেন, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি Big Bang তত্বের ব্যাখ্যা গ্রহন করেননি।  যাই হোক ১৯৪৬ সালে প্রখ্যাত আমেরিকান বিজ্ঞানী ‘মিঃ গামো’ (গামা রশ্মির আবিষ্কারক) Big Bang ব্যাখ্যার সাথে একাত্নতা প্রকাশ করেন এবং Mathematical Calculation-এর গ্রহনযোগ্য বিশ্লেষনের মাধ্যমে দেখান যে ঐ মহাবিস্ফোরণে বস্তুর তাপমাত্রা , রেডিয়েশন , আলো, ভাইব্রেশন বা ফ্রিকোয়েন্সী এখনও মহাবিশ্বে বিরাজমান করছে। তিনি উল্লেখ করেন -সঠিকভাবে গবেষনা চালাতে সক্ষম হলে তা আবিষ্কৃত হওয়া খুব দুরে নয়।  চলবে...

 

শাহরিয়ার আজম

B.Sc.IT (Sikkim Manipal University,India),/ M.A & Ph.D (Paris University South France), DEW of CERIS Institute, Brussels,Belgium
http://www.facebook.com/pages/Al-Quran-Modern-Science/140069416050931
http://muslim.zohosites.com/
http://www.quranic-science.blogspot.com/

Level 0

আমি Sharear Azam। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 8 বছর 4 মাস যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 42 টি টিউন ও 365 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 1 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 0 টিউনারকে ফলো করি।


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস

well done brother….glad to be the first one to comment

Level 0

মাশাআল্লাহ মাথা নষ্ট পোষ্ট….আগের পর্বগুলি দেখা লাগবো। ভাইজান বহুত পড়াশুনা করেছেন, আমি তো জানতাম বেশি পড়লে নাকি অমুসলিম বা কাফের হইয়া যায়।

    Level 0

    @rushan: আসলে কোরআন একটা বিশাল জিনিস, ২৪ বছর মুফতিরা এর উপর পড়াশুনা করে। আর আমরা আর কি, অল্প বিদ্যা নিয়া পড়তে গিয়া উল্টা পাল্টা বুঝি। কথায় আছে অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্কারি এটা। এর জন্য বড়রা বলেন আলেমদের ত্ততাবধায়ন ছাড়া সরাসরি হাদিস বা কোরআনের তাফসীর পড়া উচিৎ নয়। পড়লে নাকি শয়তানের ধোকায় অমুসলিম বা কাফের হইয়া যায়। নাস্তিকরা এর জলজ্যান্ত প্রমান।

    মানুষের জীবন পরিচালনা করার জন্য পুরা কোরআন শরীফ বা হাদিস জানার প্রয়োজন নাই। যত টুকু জানলে আপনি আপনার ২৪ ঘণ্টার জীবন ঈমানের উপর থাকতে পারবেন তত টুকু এলেম জানা ফরজ। বাকি টুকু বিভিন্ন প্রয়জনে হক্কানি আলেম ওলামাদের কাছ থেকে জেনে নিলেই চলে। নিজে নিজে রিসারস না করাই উত্তম।

ধন্যবাদ

অনেক ধন্যবাদ…………………………

ভাই কুরআন এ আছে মাত্র ছয় দিনে সব কিছু সূষ্টি করা হয়েছে, অথছ বিজ্ঞান বলে হাজার হাজার বছর বিভিন্ন পরিবর্তনের মাধ্যমে আজকের এই মহাবিশ্ব সূষ্টি হয়েছে! এই বেপারে সঠিক ধারনা চাই @ লেখক

    Level 0

    @Mahmudul Hasan Androik.com: আপনি কি নিজে দেখসেন হাজার হাজার বছর বিভিন্ন পরিবর্তনের মাধ্যমে আজকের এই মহাবিশ্ব সূষ্টি হয়েছে? তাইলে বিশ্বাস করেন কেন? যুগে যুগে বিজ্ঞান এর ভুল ধরা পড়েছে,কারণ বিজ্ঞান পরিবর্তনশীল।সাইন্সে যারা পরেছেন তারা ভাল করেই জানেন, এক বিজ্ঞানী একটা প্রমান করেন আরএক বিজ্ঞানী তা ভুল প্রমান করেন। কিন্তু কোরআন অপরিবর্তনশীল।

      @iamnayem:
      আমার শেষ টির উত্তর দিলেন না যে! বিশ্বাস হলো? এবার? যে ইসলাম দাস প্রথা ও দাসীদের ভোগ করা যাবে বলেছে?

      আর কুরআন অবিকৃত এটার প্রমাণ কি???
      কুরআন অন্যান্য ধর্ম গ্রন্থ যেমন
      ইনজিল (বাইবেল) , তাওরাত (তোরাহ)
      ইত্যাদি গ্রন্থে বিশ্বাসের কথা বলা হয়েছে,
      কিন্তু ঐসব গ্রন্থের কোথাও তো আল্লাহ
      শব্দের ব্যবহার দেখা যায় না. আবার এসব
      গ্রন্থ কুরআনের বিপরীত মুখী. এই
      খেত্রে বলা হয় যে এসব ধর্ম গ্রন্থ বিকৃত
      করা হয়েছে. কিন্তু কুরআন যে বিকৃত না এটির
      প্রমাণ কি? কারণ কুরআন কোন লিখিত
      গ্রন্থ ছিলো না. কোন আয়াত নাজিল
      হলে তা সাহাবীগণ মুখস্থ করতেন. কিন্তু
      আমি একজন মনোবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র,
      তাই জানি যে মানুষের Immediate
      Memory Span Limited ,
      মানে আপনাকে যদি এখন কিছু বলা হয়
      এবং সাথে সাথে তা রিপিট করতে বলা হয়
      আপনি ১০০ ভাগ একই জিনিস বলতে পারবেন
      না. (বড় sentence) তাহলে সাহাবীদের
      মাধ্যমে যে কুরআন লিপিবদ্ধ করা হয়েছিল
      তা শতভাগ একই রকম ছিল তার guarantee
      কী? আর কুরআনের তো কোন orginal
      copy নেই যা দেখে আপনি বুঝবেন
      যে এটি আগের মতোই আছে!
      এছাড়া পরবর্তীতে কুরআন সংরক্ষণের
      ইতিহাস থেকে দেখা যায় যে এতে পেশ,
      নুকতা সহ অনেক কিছু add করা হয়েছে.
      ঐসময় যে অর্থ পরিবর্তন হয় নি তার
      guarantee কী? আর সবচেয়ে বড়
      কথা অনুবাদ করতে গিয়ে শব্দের অর্থ
      পরিবর্তনের অনেক গুলো প্রমাণ
      পাওয়া যায়. প্রথম বাংলায় কুরআন অনুবাদ
      করেছিলেন একজন হিন্দু লোক!

    @Mahmudul Hasan Androik.com: brother u should immediately visit a psychiatrist…….CREATION IN SIX DAYS

    Your Lord is Allah, Who created the heavens and the earth in six days and then settled Himself firmly on the Throne… (Qur’an, 7:54)

    One example of the harmony between the Qur’an and modern science is the subject of the age of the universe. Cosmologists estimate the age of the universe as 16-17 billion years. The Qur’an states that the entire universe was created in six days. These two time frames, which may seem contradictory, are actually surprisingly compatible. In fact, both these figures concerning the age of the universe are correct. In other words, the universe was created in six days, as revealed in the Qur’an, and this period corresponds to 16-17 billion years in the way that we experience time.

    In 1915 Einstein proposed that time was relative, that the passage of time altered according to space, the speed of the person travelling and the force of gravity at that moment. Bearing in mind these differences in the passage of time, the period of time in which the universe was created as revealed in seven different verses of the Qur’an is actually highly compatible with scientists’ estimations. The six-day period revealed in the Qur’an can be thought of as six periods. Because, taking into account the relativity of time, a “day” refers only to a 24-hour period experienced on Earth under current conditions. Elsewhere in the universe, however, at another time and under other conditions, a “day” could refer to a much longer period of time. Indeed, the word “ayyamin” in the period of six days (sittati ayyamin) in these verses (Qur’an 32:4, 10:3, 11:7, 25:59, 57:4, 50:38, and 7:54) means not only “days,” but also “age, period, moment, term.”

    In the first period of the universe, the passage of time took place much faster than that with which we are familiar today. The reason for this is that, at the moment of the Big Bang, our universe was compressed into a very small point. The expansion of the universe and increase in its volume ever since the moment of that explosion has extended the borders of the universe to millions of light years. Indeed, the stretching of space ever since that moment has had very important ramifications for universal time.

    The energy at the moment of the Big Bang slowed down the flow of time 1012 (one million million) times. When the universe was created the speed of universal time was higher up to a million million times, as time is experienced today. In other words, a million million minutes on Earth is the equivalent of just one minute in universal time.

    When a six-day period of time is calculated according to the relativity of time, it equates to six million million (six trillion) days. That is because universal time flows a million million times faster than time on Earth. Calculated in terms of years, 6 trillion days equates to approximately 16.427 billion years. This is within the estimated range for the age of the universe.

    6,000,000,000,000 days/365.25 = 16.427104723 billion years

    @Mahmudul Hasan Androik.com: সম্মানিত ভাই@Mahmudul Hasan…ইনশাআল্লাহ সামনের আলোচনায় আসবে..আর যদি কারো সাথে challanging debates হয় এবং উত্তরটি অতি দ্রুত প্রয়োজন আমাকে মেইল এড দেবেন আল্লাহ তওফিক দিলে অবশ্যই পাঠিয়ে দেব :)..ধন্যবাদ পোষ্টটি পড়ার জন্য।

    @Mahmudul Hasan Androik.com: ৥ সম্মানিত ভাই Mahmudul Hasan Androik.com… অসংখ্য ধন্যবাদ আপনার মূল্যবান ও সুন্দর প্রশ্নের জন্য। আল-কোরানের বিভিন্ন জায়গায় যে আকাশ এবং পৃথিবী ছিল 6 দিনে তৈরি একটি অসঙ্গতি এই না? এ ছিল আপনার Article related প্রশ্ন-ভাই একটু বিস্তারিত পড়তে হবে কষ্ট করে যদি সত্যিটা আসলেই জানতে চান :)-

    1. আসমান ও পৃথিবী ছয় দিনে সৃষ্টি।এসম্পর্কে কুরআন মাজিদের বিভিন্ন স্থানে উল্লেখ আছে-
    সূরা আল A’raf -অধ্যায় 7 আয়াত 54
    সূরা ইউনূস -অধ্যায় 10 আয়াত 3
    সূরা HUD -অধ্যায় 11 আয়াত 7
    সূরা আল Furqan -অধ্যায় 25 আয়াত 59
    সূরা আল Sajdah -অধ্যায় 4 আয়াত 32
    সূরা সফ -অধ্যায় 38 আয়াত 50
    সূরা আল হাদিদ -অধ্যায় 4 আয়াত 57
    সূরা Fussilat অধ্যায় 41 আয়াত 9 থেকে 12
    “হে নবী, এদের বলো , তোমরা কী সেই আল্লাহর সাথে কুফরী করছো এবং অন্যদেরকে তাঁর সাথে শরীক করছো যিনি দুদিনে পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন ? তিনিই বিশ্ব জাহানের সবার রব৷ তিনি (পৃথিবীকে অস্তিত্ব দানের পর) ওপর থেকে তার ওপর পাহাড় স্থাপন করেছেন এবং তাতে বরকত দান করেছেন৷ আর তার মধ্যে সব প্রার্থীর জন্য প্রত্যেকের চাহিদা ও প্রয়োজন অনুসারে সঠিক পরিমাপে খাদ্য সরবরাহ করেছেন৷এসব কাজ চার দিনে হয়েছে । তার পর তিনি আসমানের দিকে মনোনিবেশ করেছেন যা সেই সময় কেবল ধূয়া ছিল৷ তিনি আসমান ও যমীনকে বললেন : ইচ্ছায় হোক বা অনিচ্ছায় হোক তোমরা অস্তিত্ব ধারন করো৷ উভয়ে বললো : আমরা অনুগতদের মতই অস্তিত্ব গ্রহণ করলাম৷ ”

    2. ‘আইয়াম’- অর্থ
    ইয়াম ১ দিনের সমষ্টি কিন্তু… এখানে আয়াতগুলিতে Plurel ‘আইয়াম’ শব্দ ব্যবহার হয়েছে যার অর্থ লম্বা সময় (The Oxford eddition-এরাবিক টু ইংলিশ ডিকশনারিতে পাবেন) এটি ১ দিন বা ১০০ বছরে হতে পারে আর ‘ইয়ম’ মানে একদিন এই আয়াতে আইয়াম শব্দটি ব্যবহার হয়েছে। এই আয়াত মতদৈততা নয় আপনার বোঝার ভুল।

    3. আসমান ও পৃথিবী একযোগে তৈরি
    কোরানের বিভিন্ন জায়গায় মহাবিশ্বের সৃষ্টি বর্ণনা কখনও কখনও, এটা বলছেন
    আসমান ও পৃথিবী (7:54, 10:3, 11:7, 25:59, 32:4, 50:38, 57:4 ) যখন তা অন্যান্য স্থানে বলেছেন,
    পৃথিবী এবং স্বর্গ (49:9-12, 2:29, 20:4)

আর ইসলাম একটি শান্তির ধর্ম, তাহলে ইসলাম কেন দাস প্রথাকে সমর্থন করেছিল, আর কুরআনে আছে ইচ্ছা করলে একজন ব্যক্তি তার দাসীকে ভোগ করতে পারবে!!!!! এটা কেমন নিয়ম???

    @Mahmudul Hasan Androik.com: দয়া করে রেফারেন্স দিন। আপনার উক্তির সত্যতা যাচাই করতে ইচ্ছুক।

      @আদনান:
      সুরা : আল আহযাব, আয়াত ৫০।

      “হে নবী! আপনার জন্য আপনার
      স্ত্রীগণকে হালাল করেছি,
      যাদেরকে আপনি মোহরানা প্রদান করেন। আর
      দাসীদেরকে হালাল করেছি, যাদেরকে আল্লাহ
      আপনার করায়ত্ব করে দেন এবং বিবাহের
      জন্য বৈধ করেছি আপনার চাচাতো ভগ্নি,
      ফুফাতো ভগ্নি, মামাতো ভগ্নি,
      খালাতো ভগ্নিকে যারা আপনার সাথে হিজরত
      করেছে। কোন মুমিন নারী যদি নিজেকে নবীর
      কাছে সমর্পন করে, নবী তাকে বিবাহ
      করতে চাইলে সেও হালাল। এটা বিশেষ
      করে আপনারই জন্য-অন্য মুমিনদের জন্য
      নয়। আপনার অসুবিধা দূরীকরণের উদ্দেশে।”

      নবীর জন্য সব হালাল 😉

      আর সাধারণ মুমিনদের জন্য স্ত্রী এবং কেনা দাসী হালাল!!!

      আরও একটি আয়াত আছে যেখানে বলা আছে দাসী হালাল!!
      তবে কোন আয়াতে দেখেছিলাম মনে নাই, পরে পাইলে জানাব!! @ আদনান

        Level 0

        কোথা থেকে পয়াদা করলেন এই লাইন, আমি তো আমার কোরআন শরীফে পাইলাম না। অপ ব্যাখ্যা করা লাইন এটা। কেউ বিশ্বাস করবেন না।

          @iamnayem:
          বিশ্বাস করা না করা আপনার ব্যাপার, আমার কিছু যায় আসে না!
          আমি ধর্ম ব্যবসায়ী না যে আমি ওয়াজ করলে কেউ আমাকে টাকা দিবে!!!

          তবে কারও কাছে বাংলা কুরআন থাকলে সূরা আল আহযাব এর আয়াত ৫০ একটু চেক কইরেন!

        @Mahmudul Hasan Androik.com: তৎকালীন সমাজে মদ পানের মত দাসী প্রথা খুব বেশী প্রচলন ছিল, তাই ইসলামের প্রাথমিক যুগেও এগুলো বৈধ ছিল। যার কারণে কোরআনে আল্লাহ তা’লা দাসত্বের বিধান বর্ণনা করেছেন। মদ পানের বিধান ও বর্ণনা করেছেন, মদ পানের বৈধতার ক্ষেত্র বর্ণনা করতে গিয়ে আল্লাহ বলেন ” তোমরা মদ পান করে নামাজের ধারে কাছেও যেওনা” পরবর্তিতে তা আস্তে আস্তে রহিত হয়ে গেছে। যেমন মদকে আল্লাহ তালা তিনটি ধাপে হারাম করেছিলেন। আরেকটি বিষয় জেনে রাখা খুব প্রয়োজন যে কোরআনের অনেক আয়াত আছে যা ( প্রথমিক যুগের বিধান ছিল), অন্য আয়াতের মাধ্যমে রহিত করা হয়েছে। কোরআনে সুরায়ে বাকারায় একটি আয়াতে আল্লাহ বলেন ( মা নানছাখ মিন আ’য়াতিন আও নুনছিহা না’তি বিখাইরিম……….) অর্থাৎ “আমি এক আয়াতকে অন্য ভাল আয়াত বা তার মত অন্য আয়াতের মাধ্যমে পরিবর্তন করি………”
        এখন, কথা হল কেউ যদি সেই রহিত আয়াত বা রহিত কোন কাজকে এখনও আছে বলে মানতে চায় বা আছে বলে মনে করে, তাহলে সেটা তার নিতান্ত মূর্খতা ও বক্রতা ছাড়া আর কিছুই হতে পারে না।

        পরিশেষে বলি আপনি মন্তব্য করতে গিয়ে “নবীর জন্য সব হালাল ;)” কথাটি বলে সীমা লঙ্গন করেছেন ও নবীর শানে অপবাদ দিয়েছেন। এর জন্য আল্লাহ তা’লার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিবেন।
        আর ইসলাম সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান লাভের জন্য বেশী বেশী হযরত মুহাম্মদ (সা:)এর জীবনী পড়বেন।
        তা হলেই বুঝতে পারবেন তিনি কত বড় মনোবিজ্ঞানী ছিলেন!!!!!!!!!

    Level 0

    @Mahmudul Hasan Androik.com: কথা থেকে সুনসেন এই রকম আজাইরা কথা। ইসলাম ভাল না লাগলে ধর্ম ত্যাগ করেন বা নাস্তিক হয়ে জান। কেউ মানা করবে না। দয়া করে এই রকম ফালতু কথা লিখবেন না।

      @iamnayem: আমার রেফারেন্স টা একবার দেইখেন, কুরআনের আয়াত

        Level 0

        @Mahmudul Hasan Androik.com: নেট থেকে খালি নাস্তিক দের টা কপি মারেন??? একবার নিজে খুইলা দেখছেন কি লিখা আছে??? ওটা সত্যি কি না??? আল্লাহ আপনাকে হেদায়েত দান করুন।

          @iamnayem:

          ভাই আমার বাসার টাও দেখলাম, একটু ঘুরাইয়া লিখছে!!
          আপনি আল আহযাব এর ৫২ নম্বর আয়াত টাও দেইখেন
          ” এরপর আপনার জন্যে কোন নারী হালাল নয়
          এবং তাদের পরিবর্তে অন্য স্ত্রী গ্রহণ
          করাও হালাল নয় যদিও তাদের রূপলাবণ্য
          আপনাকে মুগ্ধ করে, [তবে দাসীর ব্যাপার
          ভিন্ন।] আল্লাহ সর্ব বিষয়ের উপর সজাগ
          নজর রাখেন।”

          @iamnayem: আপনি কি ঘাস খান নাকি? He has a point. ইসলামে দাসীসঙ্গম হালাল এটা এখনো জানেন না? কথায় কথায় নাস্তিক নাস্তিক করার মানেও দেখছিনা। এখনো পর্যন্ত কথায় একটা যুক্তির আভাস দেখলাম না সবগুলা কমেন্টে। কান্নাকাটি করা বন্ধ করে দিয়ে এই পোস্টের টিউনারের মতন কোন কিছু একটা লিখে যৌক্তিকভাবে প্রমান করেন যে ইসলামে কোথাও দাসীসঙ্গমের কথা লেখা নেই।

      @iamnayem: এখন তো ভাই নাস্তিকতাই একটা স্টাইল, চরম ফ্যাশনেবল ট্রেন্ড। ইহাদের কথাবার্তায় হাসব না কাদব বোঝা যায়না। তাদের সকল খন্ডনযোগ্য যুক্তিই ”বিচার মানি তবু তালগাছ আমার টাইপের” । ইসলাম যে একবারে নাযিল হয় নাই, ধাপে ধাপে কুরআনের আয়াতসমুহ নাযিলক্রিত, তারা সবই জানে তবুও খামোখা তর্ক করে। এদের কেউ কেউ আছেন যারা ব্লগে বা অন্য কোন যায়গায় যা দেখে তাই হুবুহু মুখস্ত করে বানী আওড়ায় বিশেষ জ্ঞানী (!) ভাব আনার জন্য। কেউ কেউ আবার বিশিষ্ট ব্লগার, বিশিষ্ট ছাগু আচিপ মহিউদ্দিনের চাটা বাহিনী। এদের সাথে খামোখা বাক্যবিনিময় যুক্তিহীন, নিরর্থক। দেখা যাবে কোরআনের কোন আয়াত মুখস্থ করে আসছে আর আপনাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলো যে কুরআন যদি আল্লাহই নাযিল করবে তাহলে এই আয়াতের মানে কি? ইভেন পরের লাইনেই যে ব্যাপার খোলাসা করে দেয়া আছে কুরআনে তা তো দেখে না। কারন একটাই, সব অই ছাগু ব্লগারদের (আচিপ মুইউদ্দিন টাইপ) ব্লগ বা ওয়েবসাইটের কপি করা পোস্ট যাদের মাথাভরতি গু এবং ব্লগ লিখার সময় নিজেও যানেনা এইটা কোত্থেকে মারলো। তাই ছাগুরা আপনার ইসলামিক পোস্ট দেখলে লাফাবেই। কারন তাদের চুলকানি তো অই যায়গায় ই। এইখানে বিদ্যার বাহাদুরি দেখাতে হবে না !!! এসব মাথায় রেখে প্লিজ লিখা চালিয়ে যান। বাংলাদেশ এখনো ছাগুতে ভরে যায়নি …।।

    Level 0

    @Mahmudul Hasan Androik.com: অপব্যাখ্যা দিয়েননা…নিজের আবিষ্কৃত আয়াত তার উপর ভুল ব্যাখ্যা…shame

darun darun

জটিল হইছে

Level 0

যারা ইসলামে দাস প্রথা সম্পর্কে জানতে চান নিচের পোষ্টটি পড়ুন
http://www.somewhereinblog.net/blog/farabi2012/29669457
এবং নিচের ইসলামিক লাইব্রেরী থেকে ৭৯ নাম্বার বই ” দাস প্রথা ও ইসলাম” ডাউনলোড করে পড়ুন। আর কুরআন ও ইসলামের উপর এখনো যাদের ইমান আনার মত সৌভাগ্য হয় নাই, তারা আমার নিচের পোষ্ট টি পড়ুন। অন্তরে গোড়ামীর রোগ না থাকলে ইনশাআল্লাহ ইমান নসিব হতেও পারে।
https://www.techtunes.co/wp-admin/post.php?post=171822&action=edit
আর Mahmudul Hasan Androik.com ভাই এর সকল প্রশ্নের উত্তর আমি তাকে অনেক আগেই দিয়েছিলাম তার পরেও সে বারবার সর্বত্র একই প্রশ্ন করে যাচ্ছে, তাই তার উত্তরগুলো আমি পরবর্তী কমেন্ট এ আবারো দিলাম।

Level 0

Mahmudul Hasan Androik.com ভাই এর প্রশ্নগুলোর উত্তর, আবারও আমাকে টাইপ করতে হলো !!!

১. কুরআনের পূর্ববর্তী আসমানী গ্রন্থগুলো আরবী ভাষায় অবতীর্ণ হয়নি, আর আল্লাহ শব্দটি আরবী শব্দ। তাই পূর্ববর্তী গ্র্রন্থ গুলোতে আল্লাহ শব্দ থাকতেই হবে এটা মূর্খতামূলক প্রশ্ন। তারপরেও পূর্ববর্তী কিতাবগুলোতে আল্লাহ শব্দের কাছাকাছি শব্দ পাওয়া যায় যেমন, ইলাহ, এলোহা, আল-ইলাহ, ইত্যাদি।

২. পূর্ববর্তী আসমানী কিতাবগুলো বিকৃত হয়ে গিয়েছে এটা শুধুমাত্র মুসলমানদের দাবী নয় বরং এটা ঐ সকল ধর্ম সমূহের সকল পাদ্রী ও যাযকগণ কর্তৃকই সর্বজনস্বিকৃত বিষয়। যেমন : ইনজিল শরীফ অবতীর্ণ হয়েছিল আরামিক ভাষায়, অথচ এ ভাষার অস্তিত্বই এখন পৃথিবীতে নেই।

৩. কুরআন সম্পূর্ণ অবিকৃত রয়েছে, এবং হযরত ওসমান (রা.) যে কোরআন এর কপি লিখে সকল প্রদেশে একটি করে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন, সেই কোরআন ই এখনও তোপকোপ যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে, যা আমার আপনার বাসার কোরআন এর সাথে ১০০% মিল রয়েছে, একচুল পরিমানও এদিক ওদিক নেই। এবার আশা্ যাক আপনার পরবর্তী প্রশ্নে যে, এটা মুখস্ত করে সংরক্ষণ করাটা কিভাবে সম্ভব হলো। এখানেই তো কোরআনের অলৌকিকত্ব এবং কোরআন এর সত্যতার প্রমাণ। পৃথিবীতে এমন কোন ধর্মীয় বা সাধারণ বই নেই যা কেউ হুবহু মুখস্ত করতে পারে। শুধু তাই নয়, আপনি আপনার নিজের ভাষা বাংলা ভাষার একটি পৃষ্ঠাও কোনদিনই হুবহু মুখস্ত করে বলতে পারবেন না, এমনকি ড.মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ ও পারবেনা, অর্থাৎ পৃথিবীর কোন ভাষা পন্ডিতই তার নিজের ভাষায় ।লিখিত একটি পৃষ্ঠাও মুখস্ত করে হুবহু বলতে পারবে না, বাট কুরআন ই হলো পৃথিবীতে একমাত্র গ্রন্থ যা অনারব যাদের ভাষা আরবী নয় তারাও হুবহু মুখস্ত নয় শুধু ঠোঠস্ত করে বলতে পারে এবং আজীবন সেটা মুখস্ত রাখতে পারে আর এর জন্যে তাকে ডক্টরেট হতে হয়না, বরং একটি নাবালগ যে ক, খ ও পারেনা সেও এই মহিমান্বিত কিতাবটি মুখস্ত করে তার ব্রেনে রাখতে পারে। আর এভাবেই যুগ যুগ ধরে কোরআন সংরক্ষিত হয়ে আসছে। তবে কোরআন শুধু মুখস্ত করে রাখার মাধ্যমেই সংরক্ষিত হয় নি, বরং লিখিত ভাবেও সংরক্ষিত হয়েছে। যখনই কোন আয়াত নাযিল হতো তখন রাসুলে মাকবুল (স.), সাহাবায় কেরামগণ মুখস্ত করে রাখার সাথে সাথে লিখেও রাখতেন পাথরে, কাপড়ে, গাছের বাকলে ইত্যাদিতে। আর পরবর্তীতে হাজ্জাজ বিন ইউসুফ এর সময়ে পড়ার শুবিধার্থে কোরআন এ স্বর চিহৃ তথা যের, যবর, পেশ ইত্যাদি সংযোজিত হয়েছে। কিন্তু তাতে কোরআনের বিকৃতি ঘটেছে কিংবা অর্থের পরিবর্তন ঘটেছে এমন দাবী কারীকে পাবনা পাঠানো ছাড়া কোন গত্যন্তর দেখছিনা।

আর আপনার সবচাইতে বেআক্কেল মার্ক প্রশ্নটি হলো “আর সবচেয়ে বড়
কথা অনুবাদ করতে গিয়ে শব্দের অর্থ
পরিবর্তনের অনেক গুলো প্রমাণ
পাওয়া যায়. প্রথম বাংলায় কুরআন অনুবাদ
করেছিলেন একজন হিন্দু লোক!” আরে ভাই অর্থের অনুবাদে কেউ যদি ভুল করে তবে কি তাকে কোরআন বিকৃতি বলে, সেটাতো অর্থের বিকৃতি, কোরআন তো আরবী ভাষায় মূল টেক্সট আছেই, অর্থের বিকৃতি ঘটলে সেটার বিকৃতি ঘটবে এমন বেকুফি প্রশ্ন করেও আবার নিজেকে সাইন্সের ছাত্র বলে গলা ঝারাচ্ছেন ! I am a student এর অর্থ করতে গিয়ে একজন অর্থ করল আমি একজন শিক্ষক, এত করে কি I am a student এর কোন পরিবর্তন হয়েছে, নাকি শুধুমাত্র অর্থটার ই পরিবর্তন হয়েছে ? মূল আরবী কোরআনতো ঠিকই আছে, একজন অর্থের বিকৃতি ঘটালে আরেকজন সেটা ঠিক করে দিবে, আরেকজন এসে বলবে, ভাই আপনার এখানে ভুল হইছে, এটার অর্থ হলো আমি একেজন ছাত্র। তাই একজন কোন অর্থের বিকৃতি করলে আরেকজন সেটা সংশোধন করে দেয়, এ জন্য কোরআন বিকৃত হয়ে গিয়েছে বলাটা নিছক মূর্খতা। আর বাংলা ভাষায় যতগুলো অনুবাদ হয়েছে, তার মধ্যে সবচাইতে বিশুদ্ধ অনুবাদ হলো ইসলামী ফাউন্ডেশন কর্তৃক অনুবাদ। তাই কেউ বিশুদ্ধ ও নির্ভেজাল অনুবাদ জানতে চাইলে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অনুবাদটি কিনে পড়ৃন। আর ভাই গিরিশচন্দ্র শেন পথম অনুবাদ করে কিন্তু পূর্ণাঙ্গ নয়, উনি আঠারো পারার অনুবাদ করেন। পরবর্তীতে একজন মুসলিম পূর্নাঙ্গ ত্রিশ পারার প্রথম অনুবাদ করেন। আর এ জন্যে কোরআন বিকৃত হয়ে গিয়েছে বলাটা নিছক মূর্খতা ও বুদ্ধিহীনতা।

    Level 0

    @Najib: @Najib: @Najib: @Najib:

    আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। বিস্তারিত ব্যাখ্যা করে দেওয়ার জন্য।আর এর পর মনে হয় পবিত্র কোরান নিয়ে আর সন্দেহ করার কিছু থাকবে না।

    Level 0

    @Najib: সুন্দর নিখুত উত্তর….

    @Najib:

    বাহ্ একটু ব্যক্তিগত আক্রমণ করলেন মনে হলো!

    আসলে আপনার আগের উত্তরে আমি সন্তুষ্ট হতে পারি নাই তাই প্রশ্নটি এখানে আবার করলাম!

    তবে এবারও শুধু আপনি উত্তর টা দিলেন!! এজন্য ধন্যবাদ!

    আচ্ছা আমার নাম হাসান, এর বাংলা অর্থ সুন্দর বা উত্তম! আর ইংরেজি করলে হবে Good/nice!!!
    এখন আমি যদি বলি আরবি ভাষার লোক আমাকে হাসান ডাকবে, বাংলার লোক ডাকবে উত্তম আর ইংরেজরা ডাকবে Good তাহলে এটা কতটুকু লজিকাল???

    কারও নাম পরিবর্তন হয় না, হয়তো উচ্চারণ পার্থক্য হতে পারে! যেমন আমাকে যদি কেউ হাসেন, হাজান, হাশান ডাকে তাহলে আমি অবাক হবনা, কারণ এক ভাষার উচ্চারণ এক এক রকম!

    আর আপনার যুক্তি অনুযায়ী আল্লাহ কে ঈশ্বর , বিষ্ঞু এগুলো ডাকা যাবে!! যেহেতু এগুলো বাংলা শব্দ! কিন্তু যতদূর শুনেছি এটা ইসলাম পরিপন্থি!

    আর কুরআন অনুবাদ এ ভুল হলে অনুবাদকদের দোষ হবে আর কুরআন মুখস্হ করলে কেন তাহলে কুরআনের সফলতা হবে? এখেত্রে তো এটা ঐ ব্যক্তির সফলতা হওয়া উচিত! আর ডঃ জাকির নায়েক তো অন্যান্য ধর্ম গ্রন্থ যেমন বেদ ও মুখস্হ বলতে পারেন এই যুক্তি অনুযায়ী বেদ ও একটি সত্য ধর্ম গ্রন্থ!!! এটা আসলে জাকির নায়কের সফলতা, ঐ গ্রন্থ গুলোর বিশেষ কিছুর জন্য না! আর কুরআন কয়জন মুখস্হ জানে? শতকরা কতভাগ? আর কয়জন ই বা অর্থ সহ মুখস্হ পারে?? আর সবাই কি চেষ্টা করে মুখস্হ করতে পারে? আমার এক চাচা আছেন, ৭ পারা মুখস্হ করার পর পাগল হয়ে গেছেন, এই ব্যপারে তাহলে কি বলবেন!??

    আর আরবিতে একটি লাইন শুনেছি, ” আল হাফেজু কাল হিমায়ে! ”
    বাংলা :
    হাফেজরা গাধার সমতুল্য (যারা না বুঝে মুখস্হ করে )

    এই হিসেবে ৯০ ভাগ হাফেজ ই গাধা!

Level 0

Sorry, ইসলামিক লাইব্রেরীর লিঙ্ক ভুলে বাদ পড়ে গিয়েছে। ৭৯ নাম্বার বই ” দাস প্রথা ও ইসলাম” ডাউনলোড করে পড়ুন। http://ohilibrary.blogspot.com/

আমি মাহমুদুল হাসান এন্ডরিককে বলব:- তৎকালীন সমাজে মদ পানের মত দাসী প্রথা খুব বেশী প্রচলন ছিল, তাই ইসলামের প্রাথমিক যুগেও এগুলো বৈধ ছিল। যার কারণে কোরআনে আল্লাহ তা’লা দাসত্বের বিধান বর্ণনা করেছেন। মদ পানের বিধান ও বর্ণনা করেছেন, মদ পানের বৈধতার ক্ষেত্র বর্ণনা করতে গিয়ে আল্লাহ বলেন ” তোমরা মদ পান করে নামাজের ধারে কাছেও যেওনা” পরবর্তিতে তা আস্তে আস্তে রহিত হয়ে গেছে। যেমন মদকে আল্লাহ তালা তিনটি ধাপে হারাম করেছিলেন। আরেকটি বিষয় জেনে রাখা খুব প্রয়োজন যে কোরআনের অনেক আয়াত আছে যা ( প্রথমিক যুগের বিধান ছিল), অন্য আয়াতের মাধ্যমে রহিত করা হয়েছে। কোরআনে সুরায়ে বাকারায় একটি আয়াতে আল্লাহ বলেন ( মা নানছাখ মিন আ’য়াতিন আও নুনছিহা না’তি বিখাইরিম……….) অর্থাৎ “আমি এক আয়াতকে অন্য ভাল আয়াত বা তার মত অন্য আয়াতের মাধ্যমে পরিবর্তন করি………”
এখন, কথা হল কেউ যদি সেই রহিত আয়াত বা রহিত কোন কাজকে এখনও আছে বলে মানতে চায় বা আছে বলে মনে করে, তাহলে সেটা তার নিতান্ত মূর্খতা ও বক্রতা ছাড়া আর কিছুই হতে পারে না।

all muslims brothers dont even bother what these sons of goats say……let them think their way and see for themselves in the afterlife……if they really want to know they can go to a mufti or at least their local masjids imam…….these are just nonsense questions from a so called muslim…….islam is not a religion which hides all valuable information for the benefits of someone like the priests of hindu or christians……..all information are open for u……but if u dont understand something then ask someone who knows……

Level 0

Sorry, amar postir link may be age thik moto asheni, tai abar dilam- https://www.techtunes.co/edutunes/tune-id/171822

Level 0

আমার কথায় মনে কষ্ট পেয়ে থাকলে আমি আন্তরিক ভাবে দু:খিত। আপনি যদি উক্ত পোষ্ট এ আমার উত্তর দেয়ার পর এরকম কোন মন্তব্য করতেন তবে আমি বুঝে নিতাম যে, হ্যাঁ, আপনি জানার জন্যেই প্রশ্ন করতেছেন, বাট আপনি তা না করেই বার বার একই প্রশ্ন করায় আমি একটু বিরক্ত হয়েছিলাম, যাই হোক আপনি ইসলাম সম্পর্কে জানতে আন্তরিক হলে আপনার ও আপনাদের সকল প্রশ্নের উত্তর ইনশাআল্লাহ বাংলা ভাষাতেই রয়েছে বিভিন্ন ব্লগসাইটগুলোতে। একটু খোজ খবর নিলেই জা্নতে পারবেন। আর শুধু প্রশ্ন করার জন্যই প্রশ্ন করা, উত্তর পেলেও অযথা ত্যানা প্যাচানো যা বাংলাদেশের ৯৯% নাস্তিকই করে থাকে এমন স্বভাবের হলে আপনাদের পিছে সময় নষ্ট করার কোন অর্থ হয়না। যাই হোক আমি এতো স্পষ্ট ভাবে উত্তর দেয়ার পরও আপনি সন্তুষ্ট হতে পারেন নাই বিধায় আপনার এবারের মন্তব্যের উত্তরে আমি কিঞ্চিত কথা বলছি।

আপনার প্রথম প্রশ্ন হলো আল্লাহকে অন্যান্য ধর্মে যে ভাবে ডাকা হয় সেভাবে ডাকা যাবে কিনা। এখানে আপনাকে কিছু জিনিস বুঝতে হবে। আর তা হলো সকল ঐশী ধর্মই মূলত আল্লাহ পাক ই প্রেরণ করেছিলেন, কিন্তু পরবর্তীতে তা বিকৃত হয়েগিয়েছে কালের পরিক্রমায়, শুধু মাত্র ইসলাম ই অবিকৃত রয়েছে এবং কেয়ামত পর্যন্ত অবিকৃত থাকবে ইনশাআল্লাহ , কেননা এটাই আল্লাহর অভিপ্রায় কারন তিনি দুনিয়ার সকল ধর্মাবলম্বী ও ধর্মহীনদের উপর ইসলাম গ্রহণ করাকে অপরিহার্য করে দিয়েছেন। এখন আপনি যদি এটা বুঝেই থাকেন যে, কোরআনের পূর্ববর্তী কিতাবগুলো বিকৃত হয়ে গিয়েছে তবে কেন আপনি সেসকল ধর্মের অনুসারী থাকবেন আপনি এমন কোন ধর্ম দেখাতে পারবেন যে ধর্মের ধর্মপন্ডিতরা দাবী করে যে, তাদের কিতাব বিকৃত হয়নি ? পারবেন না, সকল ধর্মপন্ডিতগন স্বিকার করতে বাধ্য হয়েছেন যে, তাদের ধর্মগ্রন্থগুলো কমবেশী বিকৃত হয়েছেই, হিন্দু ধর্মের পন্ডিতগনতো তাদের ধর্মের ইতিহাসই বলতে পারেনা, শুধু বলে সনাতন বা প্রাচীন ধর্ম। তবে আমার মতে হিন্দু ধর্মও আল্লাহ প্রেরিত সত্য ধর্মই ছিল এক কালে। কারন তাদের ধর্ম এত বিকৃত হয়েছে যে, তার সঠিক ইতিহাসই এখন আর কেউ বলতে পারেন তার পারেও তার ধর্মগ্রন্থ গুলোতে ইসলামের আল্লাহর ধারনার সাথে পুরোপুরি মিল আছে এমন অনেক শ্লোক ই এখনো রয়েছে তাদের ধর্মগ্রন্থগুলোতে। যেমন আল্লাহর কোন সাদৃশ্য নেই, মূর্তি পুজা করা যবেনা, ইত্যাদি ইত্যাদি। আপনি জাকির নায়েকে লেকচার গুলো শুনলেই জানতে পারবেন। নিচের পোষ্ট দুটিও পড়তে পারেন। http://www.amarblog.com/boiragi/posts/151691 তবে আপনি একটি কথা বলেছেন যে, জাকির নায়িক অন্যান্য ধর্মগ্রন্থগুলো মুখস্ত বলতে পারে তাহলে সে ধর্ম সত্য হবে না কেন ? জাকির নায়িক কোন ধর্মগ্রন্থই পুরোপুরি তো দূরের কথা দশ একশ ভাগের একভাগও মুখস্ত করেনি এমনকি কোরআনও না, শুধুমাত্র বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থগুলোতে কি কি মিল রয়েছে এরকম আয়াত বা শ্লোকগুলোই শুধুমাত্র উনি মুখস্ত বলতে পারেন। কোরআন বাদে বিশ্বে দ্বিতীয় কোন গ্রন্থ নেই যা এ পর্যন্ত কেউ পূর্ণ মুখস্ত করতে পেরেছে। তাই আপনার প্রথম প্রশ্ন ছিল আল্লাহকে গড বা ভগবান বা বিষ্ণু নামে ডাকা যাবে কিনা, এটার উত্তর জাকির নায়েকের লেকচার শুনলেই জানতে পারতেন, উনি খুব শুন্দর ভাবেই উত্তর দিয়েছিলেন, যে আপনি আল্লাহকে যে কোন নামেই ডাকতে পারবেন। তবে যে হেতু অন্যান্য ধর্মগ্রন্থগুলো বিকৃত হয়ে গিয়েছে তাই এখন গড বলতে বুঝানো হয় যিশুর পিতা আর বিষ্ণুকেও হিন্দুরা যেহেতু দশ হাতপা বিশিষ্ট একটি আকৃতি দিয়ে ফেলেছি কিন্তু আল্লাহর যেহেতু কোন আকৃতি নেই, তাই যেহেতু আল্লাহর ঐসকল নামগুলোও আল্লাহ কর্তৃক প্রেরিত হলেও যেহেতু এখন আর উক্ত নামগুলো সেই অর্থে ব্যাবহৃত হচ্ছেনা বরং বিকৃত অর্থে ব্যাবহৃত হচ্ছে অতএব এখন আপনি কেন বিকৃত অথের নাম ডাকবেন যেহেতু অবিকৃত নাম আপনার সামনে উপস্থিত রয়েছে। তাই জাকির নায়েক বলেছিল আপনি বিষ্ণু বলতে যদি দশ হাত পা ওয়ালা ইশ্বরকে বুঝান তবে বিষ্ণূ নামে ডাকা যাবেনা আর যদি বেদের ই অপর শ্লোক যেখানে বলা হয়েছে যে, ভগবানের কোন আকৃতি নেই, সেই বিশ্বাসে যদি আল্লাহকে বিষ্ণু নামে ডাকেন আর মনে করেন আমি বিষ্ণু নামে এমন একজনকে ডাকছি যার পরিচয় অবিকৃত কিতাব কোরআনে যেমন আছে আমি তেমনই বিষ্ণুর আকৃতি হীনতাকে বিশ্বাস করি তবে আপনি আল্লাহকে বিষ্ণু বা গড নামেও ডাকতে পারেন। তবে এটা যে নির্বোধের মত একটি কাজ হবে সেকথা আশা করি কাউকে আর বলে দিতে হবেনা। কারন যে ধর্মগ্রন্থ বিকৃত হয়েগিয়েছে সে ধর্মগ্রন্থে এখন যে বিষ্ণু বা গড শব্দ আছে এ শব্দটিও যে বিকৃত হয়নি তার কোন গ্যারান্টি নেই। অতএব কেন আপনি বিকৃত ধর্মের নামে আপনার স্রষ্টার নামকে স্বরণ করবেন, আশা করি এত কথা বলার পর আপনার মনে আর কোন প্রশ্ন থাকতে পারেনা।

আপনার প্রশ্ন গুলো এতই কমনসেন্স হীনতা থাকে যে, উত্তর দেয়ার মত কোন ভাষা খুজে পাইনা, যেমন পরের প্রশ্ন গুলো করলেন। দ্বিতীয় প্রশ্নটি করলেন,

” আর কুরআন কয়জন মুখস্হ জানে? শতকরা কতভাগ? আর কয়জন ই বা অর্থ সহ মুখস্হ পারে?? আর সবাই কি চেষ্টা করে মুখস্হ করতে পারে? আমার এক চাচা আছেন, ৭ পারা মুখস্হ করার পর পাগল হয়ে গেছেন, এই ব্যপারে তাহলে কি বলবেন!?? আর আরবিতে একটি লাইন শুনেছি, ” আল হাফেজু কাল হিমায়ে! ” বাংলা : হাফেজরা গাধার সমতুল্য (যারা না বুঝে মুখস্হ করে ) এই হিসেবে ৯০ ভাগ হাফেজ ই গাধা!”

আপনার এ সকল কমনসেন্স হীন প্রশ্ন শুনে যে কোন লোকই হাসবে. আপনি এখানে শুধু শুধু নির্বোধের মত হাফেজদেরকে গাধা বলে একটি গালি দিয়ে ইসলামকে মিথ্যা প্রমাণ করতে চাইলেন। আল্লাহ পাক আপনাকে সুস্থ মস্তিস্ক দান করুন। আমার কথায় কষ্ট পেলে মাফ করবেন, বাট আপনার এ সকল অবান্তর প্রশ্ন শুনে আমি এমন কথা বলতে বাধ্য হলাম। আপনি বললেন, আল-কোরআন কয়জন মুখস্ত জানে ? শতকরা কথভাগ ?” ভাই আমরা কি কখনো দাবী করেছি যে, ইসলাম কে সত্য হতে হলে সকল মুসলিকেই কোরআন মুখস্ত করতে হবেই ? যাষ্ট বলেছি যে, কোরআন ছাড়া পৃথিবীতে দ্বিতীয় আর কোন গ্রন্থ নেই, যা কেউ মুখস্ত করে হুবহু বলতে পেরেছে, কিন্তু সকল মুসলমানকেই কুরআন মুখস্ত করতে হবে তা না করলে ইসলাম মিথ্যা হয়ে যাবে, আপনার এমন দাবীর হেতুটা কি ? আর আপনি যদি হাফেজদের কে গাধা বলে একটি গালি দিয়ে আপনার ইসলাম বিদ্বেষের তৃপ্তি কিছুটা হলেও মিটে তাহলে আপনি গালি দিতে পারেন। আমরা চাই আপনি হাফেজ, কোরআন, আল্লাহ-নবী সবাইকেই গালি দিয়ে আপনার তৃপ্তি মিটান !!! (আল্লাহ পাক আমাদেরকে সাইন্সের এমন ছাত্রের সাথেও পরিচয় করাল, দূর্ভাগ্য বলব নাকি সৌভাগ্য বলব বুঝতে পারছিনা !!!) তবে হা আপনার একটি কথা সত্য যে, যারা হাফেজ হতে চায় তারা সবাই ই হাফেজ হতে পারেনা, এটার জন্য কিছুটা আল্লাহর মেহেরবান দৃষ্টিরও দরকার আছে, তবে ৯৯% ই চেষ্টা কারী সফল হয়। আপনার চাচার মত দৃষ্টান্ত খুব কমই রয়েছে। আপনার চাচার হয়ত অন্য কোন কারনও থাকতে পারে, অনেক কারন ই থাকতে পারে একজন ব্যাক্তির পাগল হবার পিছনে। আল্লাহ পাক উনাকে সুস্থতা দান করুন। আর ইন্তিকাল করে থাকলে বেহেশত দান করুন। তবে আপনি কোরআন বাদে এমন কোন গ্রন্থই দেখাতে পারবেন না, যা মানুষ শত চেষ্টা করেও মুখস্ত করে বলতে পেরেছে, আপনি নিজেই চেষ্টা করে দেখুন না, বাংলা একটি বই এর একটি পৃষ্ঠা মুখস্ত করে হুবহু বলতে পারেন কিনা ! আর হ্যা আগেই কিন্তু বলেছে ডা. জাকির নায়েক কোন ধর্মগ্রন্থই পুরোপুরি মুখস্ত করেনি। কোন ধর্মের কোন সাধু, রিষি বা পন্ডিত ই নেই, যিনি তার ধর্মগ্রন্থ মুখস্ত করতে পেরেছেন। যেহেতু আল্লাহ পাকেরই ইচ্ছা যে, পূর্ববর্তী ধর্মগুলোকে তিনি বাতিল করে দিবেন এবং কোরআন কে চিরকাল অবিকৃত রাখবেন তাই তিনি শুধুমাত্র কোরআন এর ক্ষেত্রেই এই বিশেষত্ব দান করেছেন। তবে কোরআন এর সত্যতা প্রমাণের জন্য এটি কোন প্রমানই না বলতে গেলে কারন কোরআন এর সত্যতার জন্য ভুরী ভুরী প্রমান রয়েছে। আশা করি আপনি আপনার উত্তর পেয়েছেন। ধন্যবাদ।

    @Najib: আবারো ধন্যবাদ আপনাকে কষ্ট করে উত্তর দেবার জন্য,
    এবারের যুক্তি গুলো ভাল লেগেছে!

    আর আমি হাফিজ দের গাধা বলি নাই, বলেছি যারা না বুঝে মুখস্হ করে তাদের! ধরুণ , আপনি যদি একটি অংক না বুঝে মুখপ্হ করেন তবে সবাই আপনাকে গাধা ই বলবে! আমি ওই হিসেবে বলেছিলাম!

    আর আরেকটি প্রশ্ন, আল্লাহ কেন বিভিন্ন ধর্ম সূষ্টি করেছেন? কেন একটি ধর্ম সব যামানাতেই প্রেরণ করলেন না?

    আর পূথীবিতে প্রায় ২,২৪০০০ পয়গম্বর পাঠানো হয়েছে, আধুনিক মানুষের বয়স পৃথিবীতে প্রায় ২০,০০০ বছর, এত কম সময়ে এত নবী প্রেরণ করেছেন অথচ গত ১৪শ বছর আর কাউকে কেন পাঠান নি, আর কেনইবা আর পাঠাবেন না!?

    আর আমি বিবর্তনবাদ এ বিশ্বাস করি তাই বলেছি আধুনিক মানুষের আগমন ২০,০০০ বছর পূরবে!

Level 0

অসংখ্য ধন্যবাদ যে এতক্ষণ পর একটি প্রশ্নের মত প্রশ্ন পেলাম। দেখুন আল্লাহর কিতাব কিন্তু সাধারণ কোন বই নয়, এটি সরাসরি আল্লাহর কথা। কল্পনা করতে পারেন, যে আল্লাহ সকল প্রকার কল্পনা ও অনুধাবনের উর্দ্ধে সে আল্লাহর কথাকে আমরা সরাসরি পেয়ে গেছি। তবে এখানে আপনার মনে একটি প্রশ্নের উদয় হতে পারে যে, এটি কি করে সম্ভব হলো ? যে আল্লাহকে দেখা যায়না, যিনি স্থান, কাল ও বাক্যের সীমার উর্দ্ধে তবে কি করে আমরা তার কথা বা বাক্য বুঝতে পারছি। এটি আমাদের দেশের নাস্তিকদের একটি প্রধান প্রশ্ন বটে। এর জবাবে আমি বলব, ধরুন আমরা আমাদের চাইতে নিম্ন স্তরের কোন প্রানী কে কিভাবে ডেকে থাকি ? যেভাবে ডাকলে অনন্তত তারা বুঝতে পারবে সেভাবে, যেমন মুরগিকে ডাকলে উমরা আমাদের জিহ্বা দিয়ে উচ্চারণ করি টুট টুট টুট টুট জাতিয় এক ধরনের আওয়াজ করি, বিড়ালকে ডাকলে চুহ চুহ চুহ জাতিয় এক ধরনের আওয়াজ করি যাতে ওরা অনন্তত এতটুকু বুঝতে পারে যে ওদেরকে ডাকা হচ্ছে, বাট এগুলোকি আমাদের ভাষা ? বা আমরা যে স্তরের প্রানী সে স্তরে কি এ আওয়াজগুলোর কোন দাম বা মর্যাদা আছে ? মোটেই নাই, কিন্তু তারা যাতে অনন্ত বুঝে তাই আমরা তাদেরই কন্ঠের স্তরে নেমে আমাদের কাছে যা অর্থহীন এমন কিছু আওয়াজ করে থাকি, ঠিক তদ্রুপ আল্লাহ পাকও বাক্য ও কথার সীমার উর্দ্ধে কিন্তু আমরা যাতে বুঝতে পারি সে জন্য তিনি আমাদেরই জন্য ভাষা সৃষ্টি করে দিয়েছেন এবং তার মর্যাদার চাইতেও নীচে নেমে আমাদের উপরে অসীম দয়া করে আমাদের বুঝার জন্য আমাদের বোধগম্য ভাষায় তার বানী একজন মাধ্যম জীব্রাইল ফেরেস্তা (যার প্রকৃতিও আমাদের বোধগম্যের বাহিরী) তার মাধ্যমে পাঠিয়েছেন যাতে আমরা বুঝতে পারি। এ ছাড়াও সৃষ্টি জীবকে তার পক্ষ্য থেকে কোন কিছু বুঝাতে হলে তিনি আরো কিছু পন্থা্ অবলম্বন করে থাকেন যেমন স্বপ্ন ও এলহাম বা ভবোদয় আর কিতাবগুলো হলো সরাসরি ওহি। যাই হোক ভাই আলোচনা থেকে অনেক দূরে চলে গিয়েছি। যেটা বুঝানোর জন্য এতগুলো কথা বললাম সেটা হলো কুরআনকে আপনি কোন সাধারন বই এর সাথে তুলনা করতে পারবেন না, তাই সাধারন বই না বুঝে পড়েলে তাকে আপনি গাধা বলতে পারেন বাট আল্লাহর কিতাবের ক্ষেত্রে আমাদেরকে দৃষ্টিটাকে আরেকটু উর্দ্ধে উঠাতে হবে। তাই কুরআন না বুঝে পড়লেও সওয়াব হয়, এটা শুধুমাত্র কোরআন এরই বিশেষত্ব দুনিয়ার অপর কোন গ্রন্থের এরকম মর্যাদাপূর্ণ বিশেষত্ব নেই। তাই হাফিজদেরকে আপনি গাধা বলতে পারেন না। তবে হা বুঝে পড়ার গুরুত্ব আর না বুঝে মুখস্ত করার গুরুত্ব এক নয়। আপনি যদি বিশ্বাসী (মুমিন) হয়ে থাকেন তবে একটি আয়াতের তাৎপর্য বুঝলে আপনি যে মর্যাদাবান হলেন, তারা সেটা হবেন না। যাই হোক এটা ভিন্ন প্রসঙ্গ। আর আপনিও বোধ হয় এ বিষয়ে এত বাড়াবাড়ি করতে চান না। আমরা আপনার আসল প্রশ্নের দিকে যাচ্ছি।

“আল্লাহ কেন বিভিন্ন ধর্ম সূষ্টি করেছেন? কেন একটি ধর্ম সব যামানাতেই প্রেরণ করলেন না?”

আসলে আল্লাহ পাক যখন যে ধর্ম পাঠিয়েছিলেন সেটাই ছিল সেযুগের সত্য ধর্ম বা ইসলাম। তাই একই এলাকায় আল্লাহ কখনো দুটি ধর্ম পাঠান নি, হয়ত এমন হতে পারে যে, একেক এলাকার জন্য একেক ধর্ম পাঠানো হয়েছিল। যেহেতু প্রাচীন কালে যোগাযোগ ব্যাবস্থার উন্নতি ছিল না। তাই এক এক জাতির জন্য এক এক ধর্ম ছিল। তবে কোন জাতির নিকট পাঠানো ধর্ম যখন মানুষ বিকৃত করে ফেলত আল্লাহ পাক তখনই পরবর্তী নবী ও ধর্ম পাঠাতেন। কোরআনে মাত্র পচিশজন নবীর নাম উল্ল্যেখ আছে, শুধুমাত্র একটি হাদীসে এক লক্ষ্য বা দুই লক্ষ্য নবীর কথা উল্লেখ আছে তবে হাদীস বেত্ত্বাদের নিকট হাদীসটি সহিহ নয়। তাই এ হাদীসের সত্যতার ব্যাপারে নিশ্চিত নই। তবে হ্যা, এটা সত্য যে, আল্লাহ পাক নবীদেরকে শুধুমাত্র নৈতিকতা শিক্ষা দানের জন্যই পাঠান নি, অনেক নবীর দ্বারা পার্থিব অনেক বিষয়ের প্রচলন করিয়েছিলেন। যেমন , কোন কোন নবী লোহার প্রথম ব্যাবহার করেছিলেন, কোন কোন নবী প্রথম গাছ লাগিয়েছিলেন, কোন কোন নবী নতুন নতুন পেশার উৎপত্তি ঘটিয়ে প্রচীন আমলকে উন্নতির দিকে অগ্রসর করেছিলেন। মনে রাখতে হবে নবী আর রাসূল এক নয়, নবীগণকে কোন কিতাব দেয়া হয় নাই, রাসূল গণকে দেয়া হয়েছে। তাই অসংখ্য নবী পাঠানো হলেও সবাইকে দ্বার শুধুমাত্র নৈতিকতার শিক্ষাই দেয়া হয়নি, বরং অনেককে দ্বারা নৈতিকতার সাথে সাথে পার্থিব উন্নতিও ঘটানো হয়েছিল। এটা আমার নিজস্ব অভিমত। যেমন অনেকে বলে থাকেন সক্রেটিস একজন নবী ছিলেন। কারন সক্রেটিস এর যে ইতিহাস আমরা পাই তাতে একজন নবীর যেসকল গুনাবলী থেকে থাকে তার মাঝেও আমরা তাই পাই, যেমন সকল নবীগণই তার পূর্বের প্রেরিত আল্লাহর ধর্ম বিকৃতকারীদেরকে সঠিক পথে আনার জন্য নির্যাতিত হয়েছিলেন, ঠিক তদ্রুপ আমরা সক্রেটিস এর ইতিহাস থেকে জানতে পারি যে, তিনিও সমাজকে পরিবর্তন করার জন্য মৃত্যু দন্ডে দন্ডিত হয়েছিলেন। তবে যেহেতু তার জীবনের সঠিক ইতিহাস আমাদের কাছে নেই, তাই আমরা তার সম্পর্কে সঠিক কোন তথ্যের দাবী করতে পারিনা । যাই হোক আপনার পরের প্রশ্ন হলো হযরত মুহাম্মদ (স.) কেন শেষ নবী ও রাসূল তার পরে কেন আর কোন নবী রাসূল পাঠানো হবেনা। এর জবাব হলো আল্লাহ পাক তাকেই শেষ নবী করে পাঠিয়েছেন, এ জন্যে তার পরে আর কোন নবী-রাসূল আসবেন না। তবে যুগে যুগে ধর্ম সংস্কারক আসবেন। আর ইসলামের মূল উৎস শুধু কোরআন নয়, ইসলামি আইনের মূল উৎস হলো চারটি কুরআন, হাদীস, ইজমা ও কিয়াস। তাই যুগের প্রয়োজনে যে কোন সমস্যার সমাধান প্রদানে ইসলাম সক্ষম, তাই আর কোন ধর্ম পাঠানোরও প্রয়োজন নেই।

(বিজ্ঞান কোন সতসিদ্ধ চুড়ান্ত সত্য নয়, তাই পৃথিবীর বয়স যে এত বছর তার কোন নিশ্চয়তা নেই। বিবর্তনবাদের সকল প্রশ্নের জবাব এখনো বিজ্ঞানীগণ দিতে পারেন নি, তাই বিবর্তনবাদও কোন চুড়ান্ত সত্য নয়। আর ইসলাম বিমুখতার জনই পৃথিবীতে নৈতিকতার চুড়ান্ত অবক্ষয় ঘটেছে। দুদুটি বিশ্ব যুদ্ধ হয়েছে, পৃথিবী আরেকটি যুদ্ধের দ্বার প্রান্তে। পুজিবাদীদের শয়তানী সুদী চক্রান্তে গরীব আরো গরীব হচ্ছে, ধনী আরো ধনী হচ্ছে। তাই ইসলাম এর অনুসাসন গ্রহণ করা বিশ্ব শান্তির জন্য অপরিহার্য। তাই কেয়ামত পর্যন্ত বিশ্বকে নৈতিকতার শিক্ষা দেয়ার জন্য এবং ভারসাম্যপূর্ণ মানবিক জীবনব্যাবস্থার উন্নতির জন্য ইসলামই যথেষ্ট আর কোন ধর্মের আগমনের প্রয়োজন নেই। এটা আধুনিক যুগে চুড়ান্ত সত্যে পরিণত হয়েছে। কারন পাশ্চাত্যের কাছে সকল প্রকার বৈজ্ঞানীক ও পার্থিব উন্নতির যাবতীয় চাবিকাঠি থাকা সত্বেও শুধুমাত্র বিকৃত ধর্ম পালন করার জন্য এবং সত্য ধর্ম ইসলামকে গ্রহণ না করার জন্য তাদের মানবিকতা, নৈতিকতা ধ্বংসের চুড়ান্ত সীমায় অবস্থান করছে। তাই এ যুগে যেমন ইসলামের অপরিহার্যতা প্রত্যক্ষ্যভাবে প্রমাণিত ঠিক তেমনি কেয়ামত পর্যন্ত ইসলামের গ্রহণযোগ্যতার অপরিহার্যতা প্রমাণিত। কারন ইসলামে যে কোন প্রকার সমস্যার সমাধান রয়েছে। তাই নতুন করে আর কোন ধর্ম পাঠানোর প্রয়োজন নেই। ভাই একটি জিনিস মনে রাখবেন, আমি-আপনি কোন প্রশ্নের উত্তর না জানলেই ইসলাম-কোরআন মিথ্যা হয়ে যাবেনা, হয়ত আমরা যার উত্তর জানিনা, আরেকজন সেটা জানে, তাই সবাইকেই জ্ঞান আহরনে থাকা উচিত। কোথায় কার কি প্রশ্নের জবাব রয়েছে তা সবাই জানেনা, তবে কেউ যদি সত্যিকার ভাবেই জ্ঞানান্বেষী হয়ে থাকে তবে সে নিশ্চয়ই স্টাডি করা বাদ দেয় না, এবং কোথাওনা কোথাও তার প্রশ্নের জবাব সে পেয়ে যায়। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আশা করি আপনি ইসলাম বিষয়ক যত সাইট আছে সব সাইটে বিচরণ করবেন, জ্ঞানান্বেষী হয়ে থাকলে। আর আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানেই ইসলামের উপরে এত বেশী বই ও সাইট রয়েছে যা শেষ করতে অন্তত কারো বিশ বছর লেগে যাবে। আল্লাহ পাক আপনার মনের শান্তি প্রদান করুন। আপনার জ্ঞানের তৃষ্ণা বাড়িয়ে দিক এবং আপনাকে সঠিক পথে পরিচালিত করুক এই কামনায় শেষ করছি, আল্লাহ হাফেজ।

Level 0

najib vi mashallah sudor uttor dicen

Level 0

Najib ভাই অনেক ধন্যবাদ এত সুন্দর উত্তর দেওয়া জন্য।আমরা অধমেরা যারা এই বিষয়ে ষ্টাডি করি না,তারা নাস্তিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে পারি না তাদের জন্য আপনারা অনুসরনীয় হয়ে থাকবন।আল্লাহ্ আপনাদের আরো ষ্টাডি করার তৌফিক দান করুক।ভাল থাকবেন।

    @বৈরাম খাঁ: আমিও একমত আমরা জানার চেষ্টা করিনা তার উপর যুদ্ধক্ষেত্রে অবর্তীন হয়েছি নিধিরাম সর্দারের মতো …ঢাল তলোয়ার বিহিন