ক্রেডিট র্কাড; লেনদেনের উন্নত প্রযুক্তি, নাকি উন্নত ব্যাংকিং ফাদ!

অনেকদিন পর আবার এলাম আপনাদের সামনে। এবার এসেছি সর্ম্পুন অন্য একটি বিষয় নিয়ে। আমরা অনেকেই এখন ক্রেডিট র্কাড ব্যবহার করি। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে দিন দিন এর ব্যবহার বাড়ছেই। এর অন্যতম কারন হলো এই প্রযুক্তির মাধ্যমে আমরা খুব সহজেই মানিব্যাগে টাকা না নিয়েই কেনাকাটা করতে পারি। কিন্তু একটা অভিযোগ প্রায়ই শুনতে পাওয়া যায় যে, ব্যাংক গ্রাহকের কাছ থেকে বেশি টাকা কেটে নিচ্ছে। আসুন জেনে নেই আসল সত্যটা কি।

ক্রেডিট র্কাড কি?

আমরা যারা সাধারনত ব্যাংকে টাকা জমা রাখি , ব্যাংক সেই টাকা তোলার জন্য চেক বই এবং ডেবিট র্কাড দেয়। ডেবিট কার্ডের মাধ্যমেও আপনি কেনাকাটা করতে পারবেন ক্রেডিট কার্ডের মতই। তবে র্পাথক্য হলো ডেবিট র্কাডের মাধ্যমে আপনার ব্যংকের জমা টাকা আপনি খরচ করছেন। আর ক্রেডিট র্কাডের মাধ্যমে আপনি সেই পরিমান টাকা খরচ করতে পারবেন, যেই পরিমান টাকা ব্যাংক আপনাকে লোন বা ধার হিসাবে দেবে। সুতরাং ক্রেডিট র্কাড হলো একটি র্কাড, যার মাধ্যমে ব্যাংকের কাছ থেকে কিছু টাকা নিয়ে তা খরচ করা এবং মাস শেষে সেই টাকা আবার ব্যাংকে ফিরেযে দেয়া। তার মানে হলো, ব্যাংক আপনাকে কিছু টাকা লোন আকারে দিচ্ছে, একমাস বা ৪৫ দিনের জন্য, আপনি সেই টাকা খরচ করার পর আবার ব্যাংকে ফেরত দিয়ে দেবেন। তবে ব্যাংক চায় আপনি এই টাকাটা ওই সময়ের মধ্যে ফেরত না দেন কারন তাতেই ব্যাংকের লাভ শুরু । আর এটি বিভিন্ন রকম হতে পারে, যেমন VISA, Master card, American Express. তবে বাংলাদেশে ভিসাই বেশি চলে।

ক্রেডিট কার্ডের টাকা ৪ টি উপায়ে খরচ করা যায়।

১) POS (Point of sale/service) মেশিনের মাধ্যমে।

এখন প্রায় সব দোকানেই এই POS মেশিনটি চোখে পড়ে, যার মাধ্যমে ক্রেডিট র্কাড বা ডেবিট কার্ডের লেনদেন করা হয়।

উপরের ভিডিওতে দেখা যায় প্রথমে র্কাডটিকে Swipe বা নিদৃষ্ট অংশে ঘসা দেয়ার পর টাকার সংখ্যা দিয়ে সবুজ বোতাম চাপছেন। তারপর যে কাগজটি বেরিয়ে এলো সেটি সে কার্ডের মালিককে দিবে যেখানে সে সই করে দিবে। এবং পরে আবার সবুজ বোতাম চেপে আর একটি কাগজ বের করেছেন যেটি সে কার্ডের মালিককে দিবেন রসিদ হিসাবে। আর সই করা কাগজটি রেখে দিবেন ব্যাংকে দিয়ে টাকা বুঝে পাবার জন্যে। এভাবে কেনাকাটা করলে ব্যাংক আলাদা করে কোন টাকা কাটে না তবে যে দোকানে আপনি এটি ব্যাবহার করছেন সেখানে আলাদা করে টাকা কাটতে পারে। সাধারনত ইলেকট্রনিক্স পন্যের ক্ষেত্রে ২.৫% আলাদা র্চাজ করা হয়। তাই যেখান থেকে কেনাকাটা করছেন, সেখানে ভালভাবে জেনে নিন যে তারা আলাদা কোন টাকা কাটছে কিনা।

২) র্কাড চেক ব্যবহার করার মাধ্যমে।

র্কাড চেক , ব্যাংকের চেক বই এর মতই চেক বই তবে র্পাথক্য হলো এর মাধ্যমে টাকা সরাসরি ব্যাংক থেকে ক্যাশ টাকা তোলা যায় না। কারন এটি Account Payee চেক বই। এর মাধম্যে আপনি কাউকে চেক দিতে পারবেন তবে তার অবশ্যই নিজের ব্যাংক একাউন্ট থাকতে হবে এবং টাকা তার নিজের একাউন্টে জমা হবে । আর এই চেক নিজের একাউন্টে জমা দেয়া যায়না। ব্যাংক এখানে মোট টাকার উপর ১% ফি এবং এই ১% এর উপর আরও ১৫% ভ্যাট আদায় করে । অর্থাৎ ১০০০ টাকা চেক দিলে এর উপর ১% ফি (১০ টাকা) এবং ১% এর উপর ১৫% ভ্যাট (১০ টাকার ১৫% = ১.৫ টাকা) মোট ১১.৫ টাকা ফি দিতে হবে।

৩) ব্যাংকের ATM বুথ থেকে ক্যাশ টাকা তোলার মাধ্যমে।

ডেবিট কার্ডের মতোই ক্রেডিট র্কাড দিয়ে বুথ থেকে ক্যাশ টাকা তোলা যায়।
তবে এক্ষেত্রে প্রথমেই মোট টাকার উপর ২% ফি এবং আবার মোট টাকার উপর ২.৫% চক্রবিৃদ্ধি সুদ ওই সময় থেকেই শুরু হয়ে যায়। অর্থাৎ ১০০০ টাকা ক্যাশ তুললে ২% (২০ টাকা) ফি এবং আবার ২.৫% সুদ ( ২৫ টাকা) মোট ৪৫ টাকা মাস শেষে আলাদা জমা দিতে হবে। অনেক ব্যাংক আবার নিদৃষ্ট করে বলে দেয় ১০০ বা ১৫০ টাকা সরবনিম্ন দিতে হবে কারন ২% এ ২০ টাকা হলে তাদের কাছে কম কম লাগে। এবং সুদ চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়তে থাকে।

৪) ইন্টারনেটে কেনাকাটা করার মাধ্যমে।

ইন্টারনেটে কেনাকাটা করার মাধ্যমেও ক্রেডিট কার্ডের টাকা খরচ করা যায়। তবে বাংলাদেশে এই সেবাটি এখোনো সেভাবে চালু হয়নি কারন এখানে নিরাপত্তা একটি অনেক বড় বিষয়।

ক্রেডিট লিমিট ৪৫ দিন।

ইদানিং প্রায় সব ব্যাংক তাদের ক্রেডিট কার্ডের মেয়াদ ৪৫ দিন দিয়ে থাকে। অর্থ্যাৎ কেনাকাটা করার ৪৫ দিনের মধ্যে টাকাটা ফেরত দিতে হবে, তবে বুথ থেকে নগদ টাকা তুললে এই সুবিধা পাওয়া যাবেনা । কিন্তু ব্যাংক একটা ব্যাপার বিস্তারিত জানায়না আর সেটা হলো বিল সাইকেল (Bill cycle) । বিল সাইকেল হলো আপনার বিল তৈরি হবার সময়। মনে করুন আপনি একটি ক্রেডিট র্কাড করেছেন মাসের ১ তারিখে এবং আপনার বিল তৈরি হবে ঔ মাসের ৩০ তারিখে। আপনি এই বিলের টাকা ফেরত দেবার সময় পাবেন পরের মাসের ১৫ তারিখ পর্যন্ত । এই মোট ৪৫ দিন্ই (মাসের ১ তারিখ থেকে ৩০ তারিখ মোট ৩০ দিন এবং টাকা ফেরত দেবার জন্য পরের মাসের ১৫ দিন=৪৫ দিন)হলো আপনার বিল সাইকেল। এখন আপনি যদি মাসের ১ তারিখে কোন কেনাকাটা করেন তবেই আপনি ৪৫ দিন টাকা ফেরত দেবার সময় পাবেন। আর আপনি যদি মাসের ৩০ তারিখে কোন কেনাকাটা করেন তবে আপনি সময় পাবেন মাত্র ১৫ দিন। আপনি যদি এই ৪৫ দিনের মধ্যে টাকাটা ফেরত না দেন তবেই ব্যাংকের লাভ কারন তখনই আপনার খরচ করা টাকার উপর ব্যাংক ২.৫% (বছরে ৩০%) চক্রবিৃদ্ধি হারে সুদ আরোপ করবে। আর এটা শুরু হবে যেদিন আপনি কেনাকাটা করেছিলেন সেদিন থেকেই। অনেকেই মনে করেন সুদটা ৪৫ দিন পর থেকে শুরু হবে, আসলে তা না। আর চক্রবিৃদ্ধির কারনে সুদটা খুব তারাতারি বাড়তে থাকে। ৪৫ দিন মেয়াদ কেবলমা্ত্র POS মেশিন ও চেক বই এর মাধ্যমে পাওয়া যায়। চেক বই এ শুধু আলাদা করে ফি দিতে হয়। ক্যাশ টাকা তোলার ক্ষেত্রে এই সুবিধা পাওয়া যায় না।

কোন বাৎসরিক খরচ নেই ?

সাধারনত এটা বলা হয়ে থাকে কোন বাৎসরিক ফি নেই। কথাটা সত্যি তবে কমপক্ষে বছরে ১৮ বার কেনা কাটা করতে হবে। তবে ১৮ বারই ক্যাশ টাকা তুললে হবে না। আর প্রখম বছর বাৎসরিক ফি দিতেই হয়। সুতরাং বলা উচিৎ দ্বিতীয় বছর থেকে কোন ফি নেই তাও আবার সর্ত সাপেক্ষে।

ইনস্যুরেন্স ফি

প্রায় সবগুলো ব্যাংক যে কথাটি একদম এড়িয়ে যায় সেটি হলো এই ইনস্যুরেন্স ফি। ব্যাংক তাদের দেয়া লোনের টাকার ইনসুরেন্স ফি নেয়। এটা করার কারন হলো কেউ যদি টাকা ফেরত না দিতে পারে তবে ব্যাংক ইনসুরেন্স কম্পানির মাধ্যমে সেই টাকা উঠিয়ে নেয়। আর ইনস্যুরেন্স কম্পানির ফি দিচ্ছেন আপনি। সাধারনত এই ফি মোট টাকার উপর ২.৫% অর্থাৎ আপনার লিমিট ১০,০০০ টাকা হলে আপনাকে আলাদা করে ২.৫% বা ২৫০ টাকা দিতে হবে। এবং এটি গ্রাহককেই দিতে হয়। তবে এটিকে বন্ধ করে দেয়া সম্ভব। এই ব্যাপারটি অনেকেই জানেনা বলে এই ফি ব্যাংক নিয়ে নিচ্ছে। আর গ্রাহক মনে করে এতো টাকা বিল কি করে হলো?

সুতরাং ক্রেডিট র্কাড ব্যাবহার করার সময় নিচের পয়েন্ট গুলো আপনার ব্যাংক থেকে ভাল ভাবে বুঝে নিন

  • ১) বিল সাইকেল
  • ২) চেক প্রসেসিং ফি ও ভ্যাট
  • ৩) ক্যাশ উত্তলোন ফি
  • ৪) ইনস্যুরেন্স পলিসি

তবে হ্যা যারা খুব বেশি ক্রেডিড র্কাড ব্যাবহার করেন তাদের একটি সুবিধা আছে, তা হলো প্রতি ৫০ টাকা খরচে এক পয়েন্ট জমা হয়। আর এই জমাকৃত পয়েন্ট দিয়ে আপনি আপনার ব্যাংক থেকে ক্যাশ টাকা উপহার পেতে পারেন। আবার অনেক বাংক ক্যাশ ব্যাক অফার দিয়ে থাকে। অর্থাৎ আপনি যে পরিমান টাকার কেনাকাটা করেছেন তার উপর কা্শ ব্যাক পাবেন। সাধারনত ঈদের সময় ব্যাংকগুলো এধরনের অফার দিয়ে থাকে।

আমি ক্রেডিট কার্ডের বিপক্ষে নই তবে এর ব্যাবহার যেন কেউকে দেউলিয়া না বানিয়ে দেয় সে জন্যই আমার এই ছোট আয়োজন। কোথাও ভুল হলে ক্ষমা করবেন।

Level 0

আমি আবদুল বাকী। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 15 বছর 7 মাস যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 12 টি টিউন ও 198 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 0 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 0 টিউনারকে ফলো করি।


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস

প্রিয়তে রাখার মত একটি টিউন করেছেন… অনেক ধন্যবাদ।

আপনার প্রতিটি কথাই বাস্তব।অনেক সুন্দর হয়েছে।

Level 0

Khub Shundor Hoyeche 🙂 Thanks

আমরা অনেকে অনেক কিছু যানি না, বিলাশিতা করতে গিয়ে আমরা নিজেরাই নিজেকে যে ঠকাচ্ছি তা টের ই পাচ্ছি না।
আব্দুল বাকী ভাই শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।

Level 0

"৪৫ দিন মেয়াদ কেবলমা্ত্র POS মেশিন ও চেক বই এর মাধ্যমে পাওয়া যায়। চেক বই এ শুধু আলাদা করে ফি দিতে হয়। ক্যাশ টাকা তোলার ক্ষেত্রে এই সুবিধা পাওয়া যায় না।"— এই ব্যাপারটা বুঝলাম না ভাই… আমি যদি কার্ড চেক দিয়ে টাকা তুলি তাহলে ৪৫ দিনের মাঝে টাকা ইন্টারেস্ট ছাড়া দেওয়ার সুবিধা কি পাওয়া যাবে ( ১%+এর উপর ১৫% ভ্যাট ফি কাটবে প্রথমে সেটা বুঝেছি) ?

    POS মেশিন ও চেক বইয়ে ৪৫ দিন ক্রেডিট লিমিট পাওয়া যায় তবে চেক বইয়ে ১% চেক প্রসেসিং ফি দেতে হয়। আর ATM থেকে ক্যাশ টাকা তুললে এই সুবিধা পাওয়া যায় না। আপনি কার্ড চেকের মাধ্যমে টাকা তুললে ৪৫ দিন মেয়াদ পাবেন যদি আপনার বিল সাইকেল অনুযায়ী আপনি সেটা খরচ করেন।

বেশ কাজের টিউন মনে হচ্ছে। যদিও ব্যাংকে এখনও লেনদেন শুরু করিনি। 😛

    যোবায়ের ভাই, আপনার কমেন্ট পেয়ে ভাল লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে। আর একটি কথা , ব্যাংকে লেনদেন যত দেড়িতে শুরু করা যায় ততই ভাল কারণ ব্যাংক টাকা কাটতে দেড়ি করেনা।

Thanks! Brother!
To see your tune, I can understood about ATM CARD and more information about bank account.
Please tuning your tune!
I hope most beautiful tune feature.

U R too Good 🙂

Level 0

অনেক কাজের টিউন ভাই, ভাবছিলাম নিব কিনা? এখন আবার চিন্তা করতে হবে।
ভাল থাকুন।

    আমি সাজেস্ট করবো, না নেয়াই ভাল। লোন করে খরচ করার কি দরকার।

ভাই,ক্রেডিট কার্ড নিয়ে টিউন করলেন জটিলভাবে।কিন্তু আমাদের দেশে ডেবিট কার্ড বা এটিএম কার্ডধারীর সংখ্যাই বেশি।এটিএম কার্ডের সেবা ও চার্জ নিয়ে একটা টিউন করলে উপকৃত হব।

    আপনি ঠিকই বলেছেন, আমাদের দেশে ডিবিট ও এটিএম কার্ডধারির সংখ্যাই বেশি কারণ ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ব্যাংক আপনাকে লোন দিচ্ছে , তাই তারা বুঝেই কারও নামে ক্রেডিট কার্ড দেয়। ডেবিট ও এটিএম কার্ডে তেমন কোন টাকা দিতে হয় না, শুধুমাত্র বাৎসরিক ফি দিতে হয়। এই ফি ব্যাংক ভেদে ২০০ থেকে ১৮০০ পর্যন্ত হতে পারে।

খুব সুন্দর হইচে , প্রিয়তে রাখলাম ।ধন্নবাদ

Level 0

আসলে ভাই বিদেশে থাকি,কয়েকটা কার্ড ইউজ করতে হয়,কিন্তু কোনটা কি কিছুই বুজিনা।প্লিজ ডেবিট ক্রেডিট এই বিষয় গুলু আরেকটূ বিস্তারিত বলুন।অনেক অনেক ধন্যবাদ।

    ভাই আপনি কোন দেশে থাকেন জানিনা। জানলে হয়তো আরও ভাল বলতে পারতাম। যাই হোক, ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে আপনার ব্যাংকের জমা টাকা আপনি খরচ করছেন শুধুমাত্র বাৎসরিক ফি দিয়ে, আমার জানা মতে ডেবিট কার্ডে আর কোন আলাদা চার্জ নেই। আর ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে আপনি ব্যাংকের লোন নেয়া টাকা খরচ করছেন। আর এখানে বাৎসরিক ফি এর সাথে আরও অনেক ফি দিতে হয়।

খুবই গুরুত্বপূর্ণ টিউন, বাকি ভাই কে নগদ ধন্যবাদ টিউন টির জন্য।
ভাই আমি TT তে গতকাল জয়েন করেছি, Profile Picture Option টা পাচ্ছি না, ছবি কিভাবে Upload করব জানালে উপকৃত হতাম।

অনেক কিছুই জানলাম যা আসলেই খুব দরকারী…অনেক ধন্যবাদ

Level 0

চমত্কার, সবার জানার প্রয়োজন, ধন্যবাদ

Level 2

অনেক কিছুই জানলাম।আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

Level New

দারুন হয়েছে ।

ভালো লিখেছেন। আমি নিজে স্টেট ব্যান্ক অফ ইন্ডিয়ার ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করি। তবে আমাদের ভারতে সুদ ফ্রী সময়টা ৪৫ দিন নয় ৫০ দিন মানে ম্যাক্সিমাম ৫০ দিন মিনিমাম ১৯দিন স্টেটমেন্ট জেনারেট করার হিসাবে। আমার অনলাইন এি কার্ড বেশি ব্যবহার হয়( ৯৯% ) । এখানে একটা কথা বলি অনলাইনে নিরাপত্তার জন্য ব্যান্ক ভেরিফায়েড বাই ভিসা বলে একটা সিসটেম করে রেখেছে এতে আপনাকে একটা আপনার গোপন পাসওয়ার্ড দিতে হয় ওনলাইনে ট্রানজাকসান করার জন্য। এটা অনেকটাই নিরাপদ। আর প্রত্যেক ট্রানজাকসান এর সন্গে সন্গে আমার মোবাইল এ এস এম এস চলে আসে। এতে সুবিধা টা হল কোন ফ্রড হলে আপনি মোবাইল এ আসা এস এম এস মাধ্যমে জেনে যাবেন এবং আপনি ব্যান্কে সন্গে সন্গে জানালে ওরা ট্রানজাকসান ডিসপুট করে দেবে আপনার টাকা বেচে যাবে।আমি জানি না আপনাদের দেশের কার্ড এ এগুলো হয় কিনা। শেষে একটা কথাই বলব ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করার সময়ে ওজন বুঝে ভোজন করা উচিত মানে সন্গে সন্গে টাকা দিতে হয় না বলে লিমিট ছাড়া কেনাকাটা ক্রেডিট কার্ড এ করা উচিত নয় তা হলেই ব্যাস. .. সুদ গুনে যেতে হবে

    এস এম এস সার্ভিস এখানেও আছে তবে ফি দিতে হয়। আর আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। নিমন্ত্রন রইলো আমাদের প্রিয় বাংলাদেশে।

Level 0

প্রতি ৫০ টাকা খরচে এক পয়েন্ট জমা হয়"। হাদিস অনুযায়ী 'শ্রমহীন বিনিময় আর বিনিময়হীন শ্রম হারাম' (ব্যবসায়ীক ক্ষেত্রে)। পয়েন্ট দিয়ে টাকা পেলে আপনি শ্রমহীন বিনিময় পেলেন যা ইসলামে হারাম। পোস্ট থেকে অনেক কিছুই জানতে পারলাম। আপনাকে আল্লাহ উত্তজ জাযা দান করুন।

Sundor sundor…………Khub valo hoyeche.

আমার মনে হচ্ছে ডেবিট কার্ডই ভাল। আমার টাকা আমি খরচ করব।
% ডেবিট কার্ডও কি মাস্টার্ড-কার্ড বা ভিসা হয়????????
% মাস্টার্ড কার্ড বা ভিসা কার্ড নিতে চাইলে কি কি দরকার???????

ধন্যবাদ

    আপনি আপনার ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করুন, তারাই আপনাকে জানিয়ে দেবে, কি করতে হবে। ডেবিট কার্ডে আলাদা কোন টাকা কাটে না শুধুমাত্র বাৎসরিক ফি কাটে।

প্রিয়তে রাখার মত একটি টিউন…

Level 0

জেনে ভালো লাগলো

Kichu ajana cilo. Aj seta janlam. A rokom aro post pabo asa kori…:)

বেশ কাজের একটা টিউন। অনেক গুলো ব্যাপার ফুটে উঠেছে এখানে। ধন্যবাদ আপনাকে বাকী ভাই শেয়ার করার জন্য। আশা করি নিয়মিত লিখা চালাইয়া যাবেন। ধন্যবাদ।

দোয়া করবেন, সামনে যেন আরও ভাল কোন আয়োজন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হতে পারি।

Nice tune.

Level 0

ভাই এক কথায় চমৎকার । যদি ও ব্যাংক এর সাথে এখনও কোন লেনদেন শুরু করি নাই। তবে ডেবিট কার্ড নেওয়ার চিন্তা করতাসি। আজ আপনার পোস্ট থেকে ক্রেডিট কার্ড সম্পর্কেও জানলাম। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

    ব্যাংকের সাথে যত দেরিতে লেনদেন শুরু করা যায় ততই ভাল। কারণ বাংক আপনার কাছ থেকে বাৎসরিক ফি নিতে দেরি করবেনা।

Valo likhesen

এই সব ব্যাপারে আমি কিছুই জানতাম না আগে… আপনার কাছ থেকে জানলাম। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ, ভাল থাকবেন।

Information gulo update korie debar jonye Thanks.

আপনার টিউনটা ভাল লেগেছে । অনেক কিছু জানলাম । প্রিয়তে রাখলাম । আপনাকে ধন্যবাদ ।