যে ব্যক্তি বলে সে মৃত্যুভয়ে ভীত নয়, সে হয় মিথ্যাবাদী, নয় এক গোর্খা।

আসসালামুয়ালাইকুম আশা করে সবাই ভাল আছেন,আজকে আমি চেষ্টা করব আপনাদেরকে গোর্খা আর্মি সম্পর্কে কিছু তত্য দেওয়ার।

প্রথমে আসুন জেনে নেই গোর্খা কারা ?

গোর্খাঃ নেপাল ও উত্তর ভারতের একটি জাতিগোষ্ঠী।গোর্খা নামটির উৎপত্তি অষ্টম শতাব্দীর হিন্দু যোদ্ধা-সন্ত গুরু গোরক্ষনাথের নাম থেকে। তাঁর শিষ্য বাপ্পা রাওয়াল রাজপুতানার (রাজস্থান) মেবার রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা। বাপ্পা রাওয়ালের পরবর্তী উত্তরাধিকারগণ আরও পূর্বে চলে এসে গোর্খা বংশের প্রতিষ্ঠা করেন। গোর্খা বংশ পরে নেপাল রাজ্যের প্রতিষ্ঠা করেছিল। আধুনিক নেপালের ৭৫টি জেলার মধ্যে অন্যতম হল গোর্খা জেলা।

সেনাবাহিনীতে গোর্খারাঃ

ভারতীয় সেনাবাহিনীর গোর্খা রেজিমেন্ট ও ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর ব্রিগেড অফ গুর্খায় গোর্খারা তাঁদের সাহসিকতা ও শক্তিমত্তার ইতিহাসের জন্য সুপ্রসিদ্ধ। ব্রিটিশ আধিকারিকেরা গোর্খাদের "মার্শাল রেস" বা যোদ্ধা-জাতির মর্যাদা প্রদান করে। ব্রিটিশ ভারতে যুদ্ধপ্রিয়, আগ্রাসী মনোভাবাপন্ন, সাহসী,শক্তিমান ও কর্মঠ জাতিগুলিকে "মার্শাল রেস"-এর মর্যাদা দেওয়া হত। ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে এই সকল মার্শাল রেস থেকে প্রচুর সংখ্যক সৈনিক নিয়োগ করা হত।

এই গুর্খারা ১৮ ইঞ্চি লম্বা একটা বিশেষ ছুরি ব্যবহার করে যার নাম “ কুকরি” । এই ছুরি নিয়ে প্রবাদ আছে, বিবাদ
বা ঝামেলার সময় এই ছুরি খাপ থেকে বের করা.হলে একে রক্ত পান করাতে হবে। না হলে গুর্খারা নিজের গা কেটে একে রক্ত পান করাতো।

আর তাই তো প্রবাদ আছে “If a man says he is not afraid of dying, he is either lying or is a Gurkha”।আজ আর নয় আগামী কোনো এক পর্বে গোর্খাদের কিছু আধুনিক অস্ত্রের ব্যাবহার দেখানোর চেষ্টা করব।ততক্ষন পর্যন্ত ভাল থাকবেন।

গোর্খাদের নিয়ে চরম একটা ভিডিও দেখতে পারেন Youtube থেকে  😀 ।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

কোনো ধরনের ভুল ত্রুটির জন্য ক্ষমা করবেন।

টেকটিউনসের সাথে থাকুন।

 

Level 0

আমি ইনক্রিয়েডেবল হাল্ক। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 10 বছর 11 মাস যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 9 টি টিউন ও 10 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 0 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 0 টিউনারকে ফলো করি।


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস

Level New

আমিও তো মৃত্যুর ভয়ে ভিতু নই, এই জন্য কি আমি মিথ্যাবাদী? অথবা গোর্খা?

এইজে নয়া tuner, tune করার আগে একটু বুইজ্জা শুন্যা কইরেন।

    এটা একটা প্রবাদ , প্রবাদ অনেকরকম হটে পারে, আর যাদের মাথায় ঘেলূ আছে তারা প্রবাদ কে আক্ষরিক অর্থে বিচার করে না ।
    যদি বলি – ” নিজের বড়াই কুত্তার সমান ” তাহলে আপনি কি “কুত্তা” ?
    “চোর না শুনে ধর্মের কাহিনী ” তাহ্লে আপনি কি ” চোর”?
    ” ঘর পোড়া গরু, সিঁদুরে মেঘ দেখলে ডরায়” তাহলে আপনি কি “গরু” না “মেঘ”?
    “অনভ্যাসের ফোঁটা কপালে চড়চড় করে।” তাহলে আপনি কি ” ফোঁটা” না “কপাল”?
    “গায়ের গন্ধে ভূত পালায়, মাথায় ফুলেল তেল।” তাহলে আপনি কি “গন্ধ” না “ভূত” না “মাথা”
    না “ফুল” না “তেল” ?
    ভেবে চিন্তে উত্তর দিবেন , উত্তরের অপেক্ষাতে থাকলাম। ভালো থাকবেন।

      Level New

      মিয়া, আমনে তো দেকতাছি প্রবাদ কি জিনিস/কাকে বলে এই ডাই জানেন না 🙁

        Level New

        আর একটা প্রশ্ন ভাইজান, আপনার বর্তমান বয়স কত? মানে আমার মনে হয় আপ্নে আমার ছোট হবেন 🙁
        এখন অবশ্য বয়স হয়ছে হালকা হালকা মনে হয় ম্যাট্রিক আ পরছিলাম “প্রবাদ” কি? এখন ভুল্লাই গেছি 🙁 🙁 🙁

          অনেক বড় বড় মানুষ কাগজের সার্টিফিকেট পেয়ে আর বইয়ের পাতা গিলে খেয়ে বসে আছে। এমন অনেকেই আমার কাছে ছোটবেলা থেকেই আসতো এখনও আসে বিভিন্ন কাজের জন্য। আসলে কার কাছে কি শেখার আছে এটা বলে লাভ নাই। ছোটবড় দিয়ে বিচার শুধু আমরাই করি। কথায় হারতে চাই না তাই। যা হোক। টিউনার তো কষ্ট করে টিউন করে, আপনি কি টিউন করেছেন? আমিও টিউন করতে এখানে সাহস পাই না শুধুমাত্র আপনাদের জন্য। বলতে পারেন ভয় পাই। 🙂

Level New

গোর্খাদের সম্পর্কে জেনে ভালো লাগলো।
আরো জানতে চাই, ধন্যবাদ!

জেনে ভালো লাগলো।

টিউনটি পড়ে মজা পাইলাম। আর আসলেই তথ্য ছিলা জানার মত। ধন্যবাদ টিউটারকে। আর কেন যে কিছু মানুষ টিউনারদেরকে বাঁধা দেয় আর নিরুৎসাহিত করে দেয় আমি বুঝি না। এই টিউনটির ভিতরে কোন প্রকারের কোন সমস্যা আমি দেখছিনা যার জন্য প্রতিবাদ করা উচিৎ। যাক। আশা করি এইরকম আরও ভালো ভালো টিউন পাবো। (y)

ভিডিও আউট