ইসলাম বিরোধী ভিডিও প্রদর্শনের কারনে youtube বর্জন করা কতটুকু যুক্তিযুক্ত ! – একটি নিজস্ব মতামত

প্রথমেই সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌ তায়ালার যিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন একমাত্র তার ইবাদত করার জন্য। দরুদ ও সালাম নাযিল হোক মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওপর যিনি পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ট মানব এবং আল্লাহর রসুল (সাঃ)।

সম্প্রতি ইহুদী কাফের কর্তৃক একটি ইসলাম অবমাননাকারী ভিডিও তৈরী ও তা youtube এ প্রদর্শনের কারনে youtube বর্জন করা কতটুকু যুক্তিযুক্ত।

ইসলাম অবমাননাকর ভিডিও আপলোড করার কারনে সবাই youtube থেকে বের হয়ে যাব কথাটা মনে হয় একটু অযৌক্তিক হয়ে গেলা না !

এই কথার ওপর ভিত্তি করে তো এটাও বলা যায় যে, যেহেতু ভিডিওটি সিডিতে না ছেড়ে ইন্টারনেটে ছাড়া হয়েছে তাই আসুন আমরা সবাই ইন্টারনেট ব্যবহার করা ছেড়ে দেই- এই কথাটা যেমন অযৌক্তিক তেমনি ওপোরের কথাটাও অযৌক্তিক। তাহলে তো এটাও বলা যেতে পারে যে, যে দেশে এই ভিডিও তৈরী করা হয়েছে সে দেশ আমাদের সবার পরিত্যাগ করা উচিৎ- এইসব কথাই অযৌক্তিক।

এই youtube এ শেয়ার করা ভিডিও টিউটোরিয়ালের কারনে আজ আমরা অনেক কিছু শিখতে পেরেছি। যদি youtube কোন user এর ভিডিও শেয়ার করতে না দিত তাহলে আপনাকে সারা জীবন পড়ে পড়েই শিখতে হতো, আর পড়ে শেখার সাথে সাথে দেখে শেখা একটু সহজ। আর এই সহজ করে দিয়েছে youtube.

এই youtube এ কয়টি ইসলাম আবমাননাকর ভিডিও আছে আর কয়টি ইসলাম প্রচারের ভিডিও আছে তা আমরা কয়জন জানি ? আমার মনে হয় খুব কম সংখ্যক মানুষই মনে হয় জানে। কারন তারা youtube এ আসে হয় বিধর্মীদের বানানো অস্লীল গানের ভিডিও দেখতে আর নয়ত বিধর্মীদের বানানো কোন অস্লীল মুভি দেখতে ও বিধর্মীদের চালচলন শিখতে।

ইসলাম কি এই ধরনের ভিডিও দেখা আর তাদের চালচলন ফলো করা যায়েজ করে দিয়েছে ? একদম না। এগুলো দেখা আল্লাহ্‌ সুবহানা তায়ালা হারাম করে দিয়েছেন। এই ক্ষেত্রেতো কেও বললেননা যে, যেহেতু youtube এ হারাম জিনিষ প্রদর্শীত হয় তাই youtube কে বর্জন করা উচিৎ ! অথচ তারা তা না করে সেসব ভিডিও মনোযোগ সহকারে দেখে। আর একটা অবমাননাকর ভিডিও প্রাকাশ হওয়ার পর হৈ চৈ শুরু করে। কিছুদিন এই হৈ চৈ চলে তারপর আপনা আপনি বন্ধ হয়ে যায়, যেমনটি বন্ধ হয়ে গিয়েছে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আপত্তিকর ছবি প্রকাশের পর Facebook পরিত্যাগের দাবি। যারা এই দাবি করেছিল তারা কিন্তু বাদ দেইনি, তারা ঠিকই আজও Facebook ব্যবহার করে যাচ্ছে।

আপনারা যখন বলেন যে youtube প্রত্যাখান করা উচিৎ, বাংলাদেশ থেকে youtube বন্ধ করে দেওয়া উচিৎ ঠিক তখন আমার মনে ভয় চলে আসে যে, হায় আল্লাহ্‌! youtube বাংলাদেশ থেকে বন্ধ হয়ে গেলে আমি ইসলামের বিভিন্ন বক্তব্যের অনুষ্টান কিভাবে দেখব! আমি যতটুকু সহীহ ইসলাম শিখেছি তার বেশীর ভাগই শিখেছি ঐ peacetv আর সৌদি আরবে বসবাসরত পৃথিবীর প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর মধ্যে একটি-মদীনা ইউনিভারসিটি থেকে পড়া হাই এডুকেটেড ইসলামী বিশেষজ্ঞদের স্বেচ্ছায় দেওয়া ইসলাম সম্পর্কে সঠিক বক্তব্য ভিডিও আকারে youtube এ প্রকাশ করার কারনে।

কারন বর্তমানে বাংলাদেশে ইসলামের নামে চলতেছে ভন্ডামী। সঠিক দ্বীন সম্পর্কে জানা একেবারে দূরুহ ব্যপার। এটা শুধু বাংলাদেশে নয় বরং আরও অনেক দেশেই এই সমস্যা একেবারে চরম পর্যায় চলে গেছে।

তার মানে এই নয় যে বাংলাদেশে কোন আলেমেরই সঠিক জ্ঞান নেই। আছে- যেমনঃ শাহ ওয়ালিউল্লাহ, শহীদুল্লাহ খান মাদানী, মোহাম্মাদ সাইফুদ্দিন বিলাল মাদানী এরকম আরও অনেকে। কিন্তু এদেরকে আমরা দেশের কয়টি টিভি চ্যানেলে দেখি আর কতক্ষনই বা দেখি। রমজান মাস ছাড়া সপ্তাহে খুব বেশী হলে তিন দিনে ৩ ঘন্টা। বাকি সময়টাতো নাটক-সিনেমা দিয়েই পারি দেয় এই দেশের চ্যানেল গুলো। এদের কাছে সংযমের মাস শেষ মানে সংযমও শেষ।

"মহিলাদের হিজাফ পড়া বাধ্যতামুলক" বলে ছোট্ট বিরতীতে গিয়ে হিজাফ ছাড়া টি-শার্ট পড়া মহিলাদের বিজ্ঞাপন দেখিয়ে আবার ফিরে এসে হিজাফের বুলি শোনায়। এই হল এই দেশের টিভি চ্যানেলগুলোর অবস্থা।

নাকোলা বাসিল তো কাফের। আর কাফেরদের কাজই হলো ইসলামের ক্ষতি সাধন করা কিন্তু মুসলমান সেজে ইসলামি কাজের কথা বলে শিরকী আক্বীদা মুসলমানদের মধ্যে ছড়িয়ে দিয়ে আমাদেরকে পথভ্রষ্ট করে দিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে কেও কোন কথা বলেনা।

"বাইরের শত্রু অপেক্ষা ঘরের শত্রু বেশী ক্ষতিকর"।
অথচ ঘরের শত্রুকে বাদ দিয়ে আগে বাহিরের শত্রুকে তাড়ানো নিয়েই যেন আজ বেশী ব্যস্ত।

আমি বলছিনা যে নাকোলা বাসিলের ইসলাম অবমাননাকর ভিডিও তৈরী করে youtube এ ছাড়ার পর আমরা তাকে সমর্থন করব। আমরা অবশ্যই এর প্রতিবাদ জানাবো। ঠিক সেভাবে যেভাবে প্রতিবাদ জিনিয়েছিলাম Facebook এ ইসলাম অবমাননাকর ছবি প্রকাশের পর।

প্রথমে আমাদের দেশে এই ভিডিও প্রদর্শন বন্ধ করাতে হবে। এক্ষেত্রে আমাদের দেশের সরকার ইতিমধ্যেই এর কঠোর প্রতিবাদ জানিয়েছেন। সাথে সাথে দেশে অরাজকতা সৃষ্টি হওয়ার আশংখার কথা youtube কে জানাতে হবে। যেভাবে India তে এই ভিডিও প্রদর্শনী বন্ধ করা হয়েছে।

একজন নিরীহ মানুষকে হত্যা করা সমগ্র মানব জাতিকে হত্যা করার সমান। সুতরাং অরাজকতা সৃষ্টি করে প্রতিবাদ করা উচিৎ হবে বলে আমার মনে হয়না।

কাফেররা তো প্রতি নিয়ত মুসলমান্দের গালি মন্দ করে যাচ্ছে, সব গুলো প্রাকাশ পায়না তাই আমরা জানিনা। আর এটি প্রকাশ পেয়েছে বিধায় আমরা জেনেছি। আর আমি যদিও রেগুলার youtube ব্রাউজ করি তারপরও আমি জানতামই না যে youtube এ এই ভিডিও আপলোড হয়েছে। কারন আমি কখনো youtube এ অ-ইসলামিক চ্যানেলে যাইনি আর সাবস্ক্রাইবও করিনি। বিধায় আমার youtube ড্যাশবোর্ডে এই ধরনের ভিডিও আসেনা।

সুতরাং একটি অবমাননাকর ভিডিও আপলোড হওয়ায় youtube ছেড়ে দেওয়া আর অবমাননাকর ভিডিওটি সিডিতে না ছেড়ে ইন্টারনেটে ছাড়ার কারনে ইন্টারনেট ব্যবহার ছেড়ে দেওয়া দুইটাই অযৌক্তিক।

আমরা তাদের ধিক্কার জানাই যারা ইসলাম ও আল্লাহ্‌র শত্রু, প্রতি নিয়ত আল্লাহ্‌ তায়ালার কাছে এই কাফেরদের ধ্বংশ কামোনা করি।

এটি আমার একটি নিজস্ব মতামত। কারো মনে আঘাত দেওয়ার জন্য এই লেখা নয়।
জানিনা আমার কথাগুলো কতখানি যুক্তিযুক্ত। যদি কোন অযৌক্তিক কথা থাকে তবে অবশ্যই জানাবেন। প্রয়োজনে লেখা মুছে দিতেও দ্বিধা করবোনা।

আল্লাহ আমাদের সঠিক বোঝার তৌফিক দান করুন। আমিন

Level 0

আমি সজীব। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 13 বছর 4 মাস যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 4 টি টিউন ও 233 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 0 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 0 টিউনারকে ফলো করি।


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস

ইসলামের শত্রু যারা তাদের প্রত্যেক ইসলাম বিরধী কর্ম কান্ডেই প্রতিবাদ জানাতে হবে। যাকে ভাল না বাসলে মুমিন হওয়া যায়না, তাঁকে অবমাননা কর যে কোন কাজ করলে আমরা শক্ত হাতে প্রতিবাদ জানাব ইনশাআল্লাহ।

    @SAJID ISLAM: তাহলে ফেসবুক ব্যাবহার করা ছেড়ে দিন। সেখানেও অনেকে আল্লাহ কে নিয়ে আমাদের রাসুলকে নিয়ে অনেক বাজে বাজে কথা ছড়িয়ে দিচ্ছে। আর এগুলো মানুষ কোন আমেরিকান অধিবাসি না। এরা বাংলাদেশী। এতই যখন ঈমানদার নিজ দেশের মানুষকে আগে স্বাস্তি দেন। আর যদি এটুকু না পারেন তাহলে youtube বন্ধ করে কোন লাভ হবে না। আগে নিজে ঠিক হই তার পর প্রতিবাদ জানাই। ধন্যবাদ

Level 0

youtube na takle ami paisi sheik hasinake………..ekkere shes kori falamu……..buet er mto amrao andolone ute pore lagbo . ask korbo r u pom gana ???? 😀 mata pura karap

Level 0

Ei salara khali jate matal sedin ek pager admin harami oi videor ekta scene or page e upload die lelhse ei dekhen amader nobi ke nie ki joghonno video tara banaise and likhae je banaise take jutar bari dite like marun.

asole protibad korse sobai tor videor scene deoar dorkar ki. o nijeo gunaghar holo sathe sathe jara picture ti dekhlo tarao gunahgar holo.

Level 0

ইসলাম মানবতার ধর্ম। ইসলামের বিকল্প আজ পৃথিবিতে কোন ধর্ম নেই।বিশৃংখলা সৃষ্টি করা হত্যার চেয়েও জগন্য।আর উনি এমন একটি ভিডিও তৈরি করলেন, যার কারণে পৃথিবী জুরে আরাজকতা সৃষ্টি হয়েছে।এটার জন্য কে দায়ী? মুসলমান ? খ্রিস্টান ?
আমরা মনে করি, এটার জন্য দায়ী যে এটা তৈরি করেছে, তাকে যারা সহযোগিতা করেছে, যার মাধ্যমে এটা প্রকাশ করেছে এবং ধর্মিয় অনুভুতিতে আগাত হানার পরেও যে সরকার এর বিরূদ্ধে কোন ব্যবস্তা নেয়নি। সবাই সমান ভাবে দায়ী।
আর আপনি উনাদের সাফাই গাচ্ছেন! খুব সুন্দর চালিয়ে যান।
সুরা আসর দিয়ে শেষ করছি-
১।সময়ের শপত
২। নিশ্চয়ই মানুষ খতিগ্রস্তের মধ্যে রয়েছে
৩।তবে তারা ব্যতীত, যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সৎ কর্ম করে। আর যারা সৎ পথ অবলম্বনের করে এবং ধৈর্য ধারণ করে।

    @Haque: Tahole chinta kore dekhen………….. Amader Iman Koto mojbut!

    @Haque: আপনি উদাহরন দেওয়া এই সুরার ৩ নাম্বার আয়াতের অর্থে আল্লাহ্‌ ধৈর্য ধারন করাকে কি বুঝিয়েছেন তা কি একটু বুঝিয়ে বলবেন ?

    একজন নিরীহ মানুষকে হত্যা করা মানে সমস্ত মানবজাতিকে হত্যা করা, হোক সে মুসলান বা অন্যের ধর্মের। ইসলাম এই হত্যার পারমিশান দেয়নাই।

    আপনি স্বীকার করছেন যে ইসলাম মানবতার ধর্ম। কিন্তু একজন ইহুদী ইসলাম ভিডিও তৈরী করল আর সেই জের ধরে আপনি অন্যান্য দেশে বসবাসরত সেই দেশের মানুষকে হত্যা করবেন এইটা ইসলামের কোন মানবতার মধ্যে পড়ে ?

    আমরা অবশ্যই এর প্রতিবাদ জানাব কিন্তু সেই প্রতিবাদ হবে ইসলামী তরীকায়, কোন মানুষের তরীকায় নয়।

    নবী (সাঃ) মক্কা থেকে মদীনায় হিজরতের প্র মক্কার ইহুদীরা নবী (সাঃ) এর পরিবারের মানুষকেও হত্যা করেছে। কিন্তু মক্কা বিজয়ের পর নবী (সাঃ) কি সে ইহুদীদের হত্যা করেছে ? না, তাদের মাফ করে দিয়েছে বরং তাদের মধ্যে যারা ইমান আনে নাই তাদেরকে তিনি নিরাপদ স্থানে পৌছে দিতে বলেছেন যাতে কোন মুসলমান দ্বারা তারা বিপদে না পরে। -এই হচ্ছে ইস্লামের মানবতা, ধৈর্য।

google কে ভিডিওটি delete করতে বললে,তারা তা নাখোজ করে দেয় |বলে কিনা তা তাদের নিয়মের মধ্যে রয়েছে | শুধু তাই নয় youtube এ আপনি movie টির প্রথম কয়েক অক্ষর লিখলে পরের অক্ষরগুলো automic চলে আসবে |তারা ভিডিওটি মনের মত করে সাজিয়ে রেখেছে | যত দিন আমাদের প্রিয় নবীর অপমানকর ভিডিওটি youtube থাকবে ততদিন আমি youtube পরিত্যাগ করলাম,আপনারাও করেন |

    Level 0

    @rubelcontent: Then U should avoid internet and computer also. Bcause these ( internet and computer ) are must to see the dirty video.

      @newboy: আমি তো এখানে শুধু youtube ছাড়ার কথা বলেছি | আপনি যদি মুসলমান হয়ে থাকেন তাহলে এসব কথা কখনও বলতেন না |

        @rubelcontent: youtube আ গতকাল একটি ভিডিও আপলোড হয়েছে এবং প্রায় প্রতিদিনই হচ্ছে।

        ভিডিওটিতে দেখানো হয়েছে ১৫ জন অসমুসলিম একসাথে ইলাম গ্রহন করছে। -এইটা কি ইস্লামের শত্রুদের জন্য অপমান নয় ?

        youtube থেকে বের হইয়ে আন্দলন করার থেকে youtube এ থেকে এই ধরনের ইহুদীদের অপমানজনক ভিডিও আপলোড করা ভাল নয় কি?

        আমরা তো তার ভিডিওর প্রতিবাদ জানাতে পারছি কিন্তু তারা কি পারবে আমাদের এই ভিডিওর প্রতিবাদ জানাতে ?

        নাহ ! আল্লাহ্‌ সুবহানা তায়ালা তাদেরকে এই ক্ষমতা দেয়নি।

        সুতরাং youtube থেকে বের হইয়ে আসা কতখানি যুক্তিযুক্ত !

        Level 0

        @rubelcontent: জি ঠিক বলেছেন। আপনার মতো আতেল মারকা মুসল্মান হওয়ার কোন দরকার আমার নাই। আর আমি হতেও চাই না।
        আচ্ছা বলেন তো ইউটিউবে যদি মুসলমানদের জন্য কোন ভাল ভিডিও আপলোড করে তাহলে কি আপনি ইউটিউবদেখা ১০ গুণ বাড়িয়ে দিবেন ?

    @rubelcontent:”যত দিন আমাদের প্রিয় নবীর অপমানকর ভিডিওটি youtube থাকবে ততদিন আমি youtube পরিত্যাগ করলাম” ভাই ইউটিউব ছাড়া ভিডিওটা অন্যান্য ওয়েবসাইটে ও পাওয়া যাচ্ছে। তাই ভিডিওটি যতোদিন ইন্টারনেট -এ থাকবে ততোদিন ইন্টারনেট বর্জণ করুন।আর যতোদিন বাংলাদেশ থেকে ভিডিওটি দেখা যাবে ততোদিন বাংলাদেশ বর্জণ করুন। যতোসব আহাম্মকের গোঁড়ামি।অ্যাডাল্ট সাইটে ঢোকার বেলায় হুশ থাকে না??? এই সমস্ত গোঁড়ামি বাদ দিয়ে গঠনমূলকভাবে প্রতিবাদ করুন।কাদা নিয়ে ঘাটাঘাটি করলে শুধু কর্দমাক্ত হতে হয়; তার চেয়ে ভাল কাদা ছড়ানোর আগে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলা। ইউটিউব এর কাছে যাতে সরকার অফিসিয়াল ভাবে (লিখিত) প্রতিবাদ/নির্দেশ জানায় তার জন্য উদ্যোগ নিন।

Level 0

কোন কিছু না করে গণধোলাই দিলে কেমন হয় ?পাশাপাশি আমি সজীব ভাইয়ের সাথে এক্মত।একেবারেই ফেলে দেয়া সম্ভব না,ফুটোTube এ অনেক জানারও আছে।আমার তো মনে হচ্ছে,ফুটোtube কে জিনিসটা টিকিয়ে রাখার জন্য ভালো রকম অর্থ দেয়া হয়েছে।Wish I could cut their throat(especially these jews,cause they r the main enemy of the Muslims)

Level 2

ভাই মদের ভিতরও ভালো আছে যা মদ হারাম হওয়ার আয়াতেই রয়েছে। সুতরাং মদের পক্ষেও অনেক যুক্তি দেওয়া সম্ভব।
কেন …টিউব তো তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট নয় বলে পূর্বে অনেক ভিডিও সড়িয়ে ফেলেছে। এখন করছে না কেন এত চাপ সত্তেও ? বুঝতে হবে এটা ইহুদী লবিং ও চক্রান্ত আর এর সঙ্গে আপনার .. টিউবও যুক্ত নিসন্দেহে। ,
আমার মতে করণীয় হচ্ছে-
ভিডিও নির্মাতা, প্রচারকারী ও যে কোনভাবে সাহায্যকারীদের কতল করা, ওয়েব পেজ/ সাইট হ্যাক করা, েএর বিরুদ্ধে লিখা, বিবৃতি, আন্দোলন অর্থাত যার পক্ষে যেভাবে সম্ভব প্রতিবাদ, প্রতিরোধ করা ও প্রতিশোধ নেওয়া। কমপক্ষে প্রত্যেক মুসলিআম দেশে একে বন্আধ করা।
আর যতদিন …টিউব এ ভিডিও বাতিল না করবে অন্তত ততদিন আমরা … টিিউবকে বয়কট করব।

    Level 0

    @azad2000: ভাই ইউটিউব অলাগো তো মা-বাপ ই নাই। ‍ওগো কথা বাদ ই দেন। আপনি ইউটিউব বাদ দিলেও গণেশরাই পৃথিবীর রাজত্ব করবে আর না করলেও।
    কথা হলো আমরা কি করেছি এর প্রতিবাদে? যদি কোন মুসলমান বিকল্প ইউটিউব যেমন মুসলিমস টিউব তৈরি করে দেখাত । সব মুসলিম ওই টিউব ই ব্যবহার করত । আর সেটাই হবে সবচেয়ে বড় প্রতিবাদ। তৈরির ক্ষমতা অনেকেরই আছে কিন্তু কেউ তৈরি করবে না। আর আপনি ইউটিউব ব্যবহার বন্ধ করলেই আপনার দায়িত্ব শেষ হয়ে গেল না । আপনি রাজপথে নেমেছেন? তো নামুন ই না আপনার এলাকার ছেলে পেলেকে নিয়ে?? আমরা পেপার পড়ে অন্তত বলতে পারি যেন ওমুক ভাইয়ের কারণে ওমুক এলাকায়ও প্রতিবাদ করা হয়েছে

    @azad2000: কতল করা চাড়া বাকি সব অ্যান্দলনের আমি আপনার সাথে একমত।

    কারন দোষীদের শাস্তি দেওয়া আমার নয় দেশ প্রধানের কাজ। ১৪০০ বছরে কি কখনও শুনেছেন যে কেও ইসলামকে অবমাননা করেছে আর সাধারন মুসলমান তাকে হত্যা করেছে ! না। তার শাস্তির ব্যবস্থা করেছে সেসময়ের খোলাফায়ে রাশেদিনরা। তবে কোন সাধারন মানুষকে সেই শাস্তির মধ্যে আনা হয়নি হোক সে মুসলমান বা ইহুদী।

Level 2

সাবধান! যারা তাদের পক্ষে যুক্তি দেখাচ্ছেন, হা শরে এসব যুক্তির উত্তর আল্লাহর সামনে দিতে পারবেন তো? সাবধান!!!

    @azad2000: আপনি পুরা লেখাটা কি পড়েছেন ? আমি তাদের পক্ষে যুক্তি দেখাইনি, আমি যুক্তি দেখাচ্ছি youtube এ শেয়ার করা ইসলামিক ভিডিওর পক্ষে, এডুকেশনাল ভিডিওর পক্ষে, বিভিন্ন ইস্লামিক টিউটোরিয়ালের ভিডিওর পক্ষে যেগুলো এখনো youtube এ আছে এবং প্রায় প্রতিদিনই কিছু না কিছু ইসলামিক টপিকের ওপর ভিডিও আপলোড হচ্ছে, সেইসব ভিডিওর পক্ষে যুক্তি দেখাচ্ছি।

    youtube পরিত্যাগ যদি ইস্লামিক আন্দোলন হতো তাহলে তো ইসলামিক সব ভিডিও সরানো হতো, নতুন করে কোন ভিডিও আর আপ্লোড হতো না। এইসব কিন্তু বন্ধ হয়নি।

    youtube ছেড়ে দেওয়া মানে যুদ্ধ ক্ষেত্র ছেড়ে চলে আসা।

    তারা ইসলাম বিরোধী একটা ভিডিও আপলোড করেছে আর আমরা ইসলাম প্রচারের জন্য সেখানে শত শত ভিডিও করেছি এবং করে যাচ্ছি।

    youtube এ তার একটা ভিডিওর প্রতিবাদ আমরা জানাচ্ছি কিন্তু আমাদের ইসলাম প্রচারের ভিডিও আপলোডের প্রতিবাদ করার ক্ষমতা কি সমগ্র ইহুদী-নাসাইদের আছে? – এইটা কি একটা ইস্লামের বিজয় নয় !

      Level 0

      hmm,সজীব ভাই,আপনি ঠাণ্ডা মাথার মানুষ বটে ! আল্লাহ পাক আপনার মতো আমার বুদ্ধি দিলে ভালো হতো।

Level 0

@akashmati: এভাবে না বলে একটু বুঝিয়ে বললে ভালো হতো না ভাই?/

    Level 0

    কিভাবে ভাই? টিউনার তো ভাল ভাবেই বলেছেন।

    @carifahmad: “akashmati” কমেন্ট ডিলিট করা হয়েছে খারাপ ভাষা ব্যবহার করায়।

আমিও সাজিব ভাই এর সাথে একমত

Level 0

ইউটিউব সরকার থেকে বন্ধ করতে হবে এবং এতে আমাদের সমর্থন দিতে হবে অন্তত দুই-তিন মাস।
এতে বিশ্বমিডিয়ায় এটি প্রকাশিত হবে এবং গুগল লিবিয়া,ভারত বা অন্যান্য দেশের মতো আমাদের দেশ থেকে ভিডিও ক্লিপ্টা সরিয়ে নিতে বাধ্য হবে।
তাই টেকি ভাইরা সরকার যদি বন্ধ করে, আপনাদের একটু ত্যাগ স্বীকার করে একটু প্রতিবাদ করতে হবে।
মনে রাখতে হবে আমরা সবাই মুসলিম, এবং আমরা প্রতিবাদ করতে জানি।
হে আল্লাহ আমাদেরকে ক্ষমা করুন। আমীন।

    @CA: youtube এর বাংলাদেশের সাইট থেকে ভিডিওটি সরে নাওয়ার সকল চেষ্টা ব্যর্থ হলে সর্বশেষ পন্থা হিসেবে দেশের সরকার যদি দেশ থেকে youtube বন্ধ করে দিতে চায় তখন আমাদেরকেও এটাকে সমর্থন করা উচিৎ।

    কিন্তু তার আগে ভিডিওটি যাতে বাংলাদেশ থেকে আর দেখা না যায় তার সব চেষ্টাই করা উচিৎ, যা দেশের সরকার ইতোমধ্যে করেছে, তাদেরকে লিখিত জানানো হয়েছে।

    বাকিটা আল্লাহর ইচ্ছা।

      Level 0

      @সজীব: জানি রে ভাই। এই জন্য সরকারকে ধন্যবাদ, কিন্তু দেখেন জুলিয়ান এসাঞ্জের অবস্থা , তারা একদিকে বলে মিডিয়ার স্বাধীনতার কথা আবার অন্যদিকে তাকে ফাসানোর জন্য কতই না কান্ড কীর্তি করছে।
      ইসামের বিরুদ্ধে কেউ কিছু বললে তাকে তারা বাহবা দেয় আর তাদের বিরুদ্ধে গেলে তাকে জুলিয়ান এসাঞ্জের মত বন্দিথাকতে হয়।

        Level 0

        BE A JULIAN ASSANGE.To All my muslim brothers……

ওদের দাঁত ভাঙ্গা উচিৎ। তাছাড়া ওদের সাহস আরো বেড়ে যাবে। আল্লাহ ঐ নাস্তিকদের বিরুধ্ধে শক্ত হাতে প্রতিবাদ জানানোর তৌফিক দান করুন।

অন্তত একজনকে দেখলাম যিনি একটু আলদা সুরে কথা বলতে জানেন

Level 0

আপনার বাসায় আপনি পিস টিভি দেখেন সেই টিভিতে আপনার ছেলে যদি অস্লীল ছবি দেখে তাহলে কি টিভির দোষ? অব্শ্যই টিভির দোষ নয়। প্রথমে আপনি তাকে সতর্ক করবেন ভাল না হলে টিভি প্যাক করে ফেলবেন এটাই সাভাবিক।
গুগল+ইউটিউব খুব ভাল তবে- যে মিথ্যা অবাস্তব থিম প্রচার করে আইন দেখাচ্ছে। তার আইনে কি নেই মিথ্যা ভিডিও যা অন্য কেউ ক্লেম করে তা বর্জন করা। ধরুন কেউ ওবামার অস্লীল ভিডিও তৈরী করে ইউটিউবে আপলোড করল সেটি কি সে রাখবে…..

    @mahmud.tsc: ধরুন টিটি থেকে Adult টিউন নিষেধ নীতিমালা তুলে দেওয়া হয়েছে এবং এখানে এখন প্রচুর Adult পোস্ট হচ্ছে সাথে সাথে সাধারন যে পোষ্ট হয় তাও হচ্ছে।

    এখন ধরুন আপনি টিটির একটি PHP চেইন টিউন থেকে PHP শিখছেন। চেইন টিউনে তো সাধারনত ২/১ দিন পরপরই পোষ্ট করা হয়। আপনি তাহলে তো বেশীর ভাগ সময়ই চেক করবেন যে নতুন পোষ্ট এসেছে কিনা তাইতো।

    এখন ধরুন আপানার ছোট ভাই সুযোগ পেলেই টেক্টিউন্সের Adult পোষ্টগুলো দেখে…!!!

    এ ক্ষেত্রে আপনার করনীয় কি হবে ????

    আপনার মতই যদি প্রয়োগ করেন তাইলে এটাতো Laptop এর দোষ না…
    গেল।
    আপনার মতে তাকে আপনি প্রথমে সতর্ক করবেন, তারপর কথা না শুনলে Laptop প্যাক করে ফেলবেন…!

    আপনার কমেন্টেতো আপনি এটাকেই সাভাবিক বলেছেন।

    তাহলে আপনার PHP ক্লাসের কি হবে ? আপনি তো পিছিয়ে পরবেন !

    এখন আপনি যদি আপনার ওপরের মন্তব্য পরিবর্তন করে বলেন যে, না তাহলে Laptop প্যাক করবোনা, শুধু মডেমটা আমার পকেটে রাখবো যেনো ও টেক্টিউন্সে ঢুকতে না পারে।
    ভাল কথা।

    তারপর শুনলেন যে আপনার ছোট ভাই এখন তার বন্ধুর বাসায় গিয়ে টেক্টিউন্সে Adult পোষ্ট দেখে।

    তখন আপনি কি করবেন ? ওর বন্ধুর মডেম নিয়ে আসবেন(সে তো আপনাকে দিবেনা) নাকি টেক্টিউন্স বন্ধের আন্দোলন করবেন আর সবাইকে বল্বেন যে তোমরা আর টেক্টিউন্সে যেওনা, ওখান থেকে টিউটোরিয়াল শেখাও বাদ দাও কারন ওরা Adult পোষ্ট করার পারমিশান দেয়।

    কেও বাদ দেক আর না দেক আপনি যদি বাদ দেন তাইলে আপনার PHP ক্লাসের কি হবে ? ক্লাস তো রেগুলার চলতেই থাকবে। কারন যারা PHP ক্লাসএর পোষ্ট করে তারা তো আর Adult নিয়ে পড়ে থাকে না বা Adult দেখেওনা বা টেক্টিউন্স এ Adult Search ও করে না। তাদের মনে তারা ক্লাস চালিয়ে যাচ্ছে।

    এখন আপনার পরিথিতি কোথায় যাবে চিন্তা করেন !

    এ খাত্রে কি, টেক্টিউন্সে ক্লাস করার পাশাপাশি তাদের কাছে সবাই মিলে adult পোষ্ট বন্ধের দাবি জানাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবেনা ?

    কারন এইসব বন্ধ হবেই, আজ হোক আর কাল হোক, আপনাকে টেক্টিউন্সে আস্তেই হবে, আজ হোক আর কাল হোক। তাইলে মাঝখান থেকে কতগুলো ক্লাস আপ্নের মিস হইয়ে যাবে।

    কোনটা আপ্নের কাছে সঠিক মনে হচ্ছে ? এই প্রশ্ন এখন আপ্নের কাছে করলাম ?

আসলে কি আমাদের মুসলমানদের মধ্যেয় এখন মতের অনেক ভিন্নতা। আমরা সবাই বেশি বুঝি। তাই কোনটা সঠিক এটা বিচার করার শক্তিই আমরা হারিয়ে ফেলছি। আমাদের এই দুরবলতার সুযোগ নিয়েই কাফেরেরা এগিয়ে যাচ্ছে। তাই এ বিষয়ে আমাদের কঠোর মজবুত হতে হবে। আমরা সবাই যদি একসাথে Youtube ছারি অথবা Youtube এ থেকেয় এর কঠোর আন্দোলন করি তাহলে অবশ্যয় আমরা এ বিষয়ে জয় লাভ করবোই ইনশাআল্লাহ্‌( তবে আমার মতে পিছিয়ে না গিয়ে এগিয়ে আন্দোলন করাই উত্তম )। আর অবশ্যই এই আন্দোলন করতে গিয়ে যেন উল্টো হাদিসের কোন অবমাননা না হয়। বলতে পারেন মুসলমানদের জন্নে এটাও আল্লাহ্‌ পাকের এক পরীক্ষা জার সমাধান আল্লাহ্‌পাক চাইলেই করতে পারেন। তাই পরিক্ষাই ভাল ফলাফলের জন্নে আমরা যেমন ঠাণ্ডা মাথাই পরীক্ষা দেই কিন্তু কর্ম করি স্রতের বেগে ঠিক তেমনি এর সমাধান আমাদের সবাইকে মিলেই করতে হবে। ((আল্লাহ্‌পাক আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করুন)) ==আমিন==

    @Imran Hossain Shojib: আপনার সাথে আমি পুরাপুরি একমত।
    আজকে আমাদের মুসলমানেরা ৪ ভাগে বিভক্ত-
    ——————-
    হানাফি
    মোহাম্মাদি
    শাফেই
    হাম্বালী
    —————-

    হানাফীরা আবার ৫ ভাগে বিভক্ত-
    ————————-
    কাদিয়ানী
    জামায়াতি ইসলাম
    দেওবান্দী
    তাবলীগ জামায়াত
    বেরুলোভী
    ———————————–
    এখন আবার নতুন আরেকদল তৈরী হচ্ছে- তা হল “কোয়ান্টাম মেথড”

    তার মানে আমরা ভাংগনের কোন পর্যায় চলে গেসি।
    একটা যুক্ত পরিবারকে ধ্বংস করতে হলে আগে সেই পরিবারের সদস্যদের ভাংতে হয়, তাদের ভেতরে ফাটল ধরলে পরিবার যত শক্তই হোক না কেনো আপ্না-আপ্নিই ভেঙ্গে যাবে।
    আমাদের মুসলমানদের মধ্যে এখন এই অবস্থা।

    কাফেররা তো এই সুযোগ গ্রহন করবেই। আমাদের সবাইকে এক হতে হবে।

    বেশী বেশী কোরান আর সহীহ হাদীস পড়তে হবে।

আমার খুব দুঃখ হচ্ছে ইউটিউব বন্ধ করে দেয়াতে । কারণ আমার প্রিয় ইসলামিক বক্তারা সব ইউটিউবে থাকে । বাংলাদেশী তোফাজ্জল মার্কা বক্তাদের দলীল বিহীন কিচ্ছা কাহিনী শুনতে ভাল লাগে না । তাই ইউটিউব বন্ধ না করে আগে নিজেদের ইমান ঠিক করা উচিত । আপনি কেমন মুসলিম যে তারা একটা ছবি আপলোড করলো আপনি ঝাপিয়ে পড়লেন সেটা দেখার জন্য । তারপর রাস্তার বের হয়ে গাড়ি ভাংচুর করলেন । যে গাড়ী হয়তো তাদের দেশেই নির্মিত । গাড়ীওয়া টাকার জোড়ে আবার তাদের দেশে নির্মিত গাড়ী কিনলো । সুতরাং আপনি প্রতিবাদ করতে গিয়ে তাদেরকে অর্থনৈতিক সাহায্য করলেন । তারা আবারও নেমে পড়লো আরেকটি ছবি নির্মাণে । ভেবে দেখুনতো ব্যাপারটা এমন হয় কিনা ?

আমি টিউন পরার আগে কমেন্টস পড়ি। আমার মনে হচ্ছে আমাদের ঈমান ঠিক নাই। ইসলামের শত্রু যেই হোক তাকে বর্জন করা উচিৎ। আমি কোকা কোলা কোম্পানির কোন পন্য সেবন করিনা, কারন এটা ইসরাইলের কোম্পানী যারা ইসলাম কে ধংস করার জন্য সাহায্য করে। ইউটিউবের জন্য মনে হয় আপনি না খেয়ে আছে। আর কিছু লিখলাম না এতে অন্তঃদন্ধর সুত্রপাত হতে পারে আল্লাহ আপনাকে হেদায়েত দান করুক। আর একটা কথা অনেকে দেখলাম কোর-আনের কোন কোন সূরার রেফারেঞ্জ দিয়েছে। একটা হাদিস আছে কেয়ামতের আলামত সর্ম্পকে যে যারা এ বিষয়ে জ্ঞান রাখেনা তারাও সমালোচক হবে……………

u r ri8

Level 0

ভাই কমেন্টস করার ইচ্ছা না থাকলেও করতে হলো। ইউটিউব তো বন্ধ আছে…তাই এই কয়দিন আশাকরি সজীব সাহেব নিজে ইসলাম ও ইসলামের ইতিহাস সর্ম্পকে কিছু বই পড়বেন এবং জেনে কথা বলবেন। আপনি নিজে বিভ্রান্ত পথহারা হতে পারেন কিন্তু অন্যকে বিভ্রান্ত করা কখনই উচিত নয়।এটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আর যদি ইসলামের এত খেদমতগার হন…তবে ইউটিউব থেকে যে ভিডিও টিউট গুলো শিখেছেন, সেগুলো ব্যবহার করে নিজেই একটা টিউব সাইট বানান।দেখা যাক…

    @hanif254: কমেন্ট করার ইচ্ছা না থাকার পরও যে আপনি কেন কমেন্ট করেছেন তা আমি আপনার প্রথম লাইন পড়েই বুঝে গেছি। এটা আমার স্বভাব। যাকগা ওসব কথা। এখন আপনার কথায় আসি…

    আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি যে আপনি আমাকে ইস্লামিক বই পড়তে বলেছেন।

    আমি ইস্লামিক অনুষ্ঠান দেখি তাই তার মানে কি আপনার মনে হয় আমি ইস্লামিক বই পড়িনা !

    শুধুমাত্র আপনাকে জানানোর জন্য বলছি আমি নিয়মিত –

    সহীহ বুখারী
    সহীহ মুসলীম – পড়ি
    —————–

    ফাকে ফাকে সময় পেলে-

    কিতাবুত তাওহীদ
    রিয়াযুস স্ব-লেহীন – পড়ি
    ———————————–

    পড়ার ইচ্ছা আছে (সময়ের কারনে পড়া হয়ে ওঠেনা) –

    তাফসীর ইবনে কাসীর
    ——————————————————-

    প্রায় দৈনন্দিন জীবন চলার ও কথা বলার মতো ওপরের ৪টি সহীহ হাদীসের কিতাব ছাড়া আর কোন কিতাব আছে তা আমার জানা নাই। আপনার জানা থাকলে সি কিতাবের নাম টা অবশ্যই এখানে লিখে জানাবেন।
    ———————————————————-

    আমি যা শিখেছি এইসব কিতাব থেকেই শিখেছি। আর যা বলেছি এইসব সহীহ হাদীসের আলোকেই বলেছি।
    আমি আমার এই পোষ্টে আর আমার কমেন্টের কোথাও যদি কোরান আর হাদীসের কথা বলে থাকি তাহলে এইসব কিতাব থেকেই বলেছি।
    আর আপনি যদি বলেন যে, না, হাদীসের বাইরের কথাও হাদীস নাম দিয়ে বলেছি, তাহলে এই ভুল ধরে দেওয়ার জন্য পোষ্টের শেষে আমি আপনাদের অনুরোধ করেছি।

    আপনার কথা অনুযায়ী, আমি যদি বিভ্রান্ত আর পথহারা হয়ে থাকি তাহলে এইসব সহীহ হাদীসের বই পড়েই হয়েছি।

    তাহলে কোন কিতাব পড়ে আমি সঠিক জানতে পাড়বো, বিভ্রান্ত থেকে বাচব আর পথহারা থেকে পথ খুজে পাব, সেই কিতাবের নাম আপনি অবশ্যই অবশ্যই লিখে দিবেন। কারন আমি অজ্ঞতার কারনে জাহান্নামী হতে চাই না।

    কোন পথহারা মানুষকে সঠিক ইসলামের পথ দেখানো (যা অবশ্যই রাসুল (সাঃ) থেকে প্রমানীত হতে হবে) আল্লাহ্‌ সুবহানা তায়ালা আপনার ওপর ওয়াজীব করে দিয়েছেন।

    আপনি পথভ্রষ্ট মানুষ দেখলেন, তাকে পথভ্রষ্টও বললেন কিন্তু তাকে ইস্লামের স্টহিক পথ দেখালেননা, তার মানে আপনি ওয়াজীব ছেড়ে দিলেন, আপনি গুনাহগার হবেন।

    আর আপনার ৩য় লাইনের উত্তরে বলব-

    আমি ইসলামের খেদমতগার। ইস্লামের দাওয়াত দেই। যেখানে যাই সেখানেই, যাকে কাছে পাই তাকেই। কারন এটি আমার ওপর ওয়াজীব। এই ওয়াজীব ছেড়ে দিলে আমার কোন আমলই কবুল হবেনা।
    সারাজীবন একা একা আমল করে যাব, আর আমার পাশে থাকে তাকে জানাবোনা, ইসলাম এই সূযোগ আমাকে দেয়নি।

    তারপর আপনার সেসের কথার উত্তরে বলি-

    youtube থেকে আমি অনেক কিছু শিখেছি, যেমন-

    সহীহ নামায প্রার নিয়ম পড়েছি কিন্তু youtube এ গিয়ে সহীহ নামায দেখেছি। পড়ে যতখানি না আমার perfect হয়েছে তার থেকে বেশী সুবিধা হয়েছে দেখার পর।

    এধরেন প্রচুর ভিডিও আছে যার প্রতিটি ভিডিও প্রায় ১ ঘন্টার ওপরে। আমি যেগুলো আমার জন্য জরুরী মনে করেছি সেগুলো আমার Hard disk এ ডাওনলোড করে রেখেছি। এই পর্যন্ত প্রায় 15GB হবে।

    এখন আপনার কথা অনুযায়ী, আমি ইসলামের খেদমতগার হোয়ার কারনে আমাকে এইসব ভিডিও নিয়ে নিজেই youtube এর মত সাইট বানিয়ে সব ভিডিও আপলোড করে সবাইকে দেখাতে হয় তাহলে এর উত্তরে আমি বলব-

    এই 15GB-20GB হোষ্ট ভাড়া নাওয়ার আর মিনিমাম 2Mbps Unlimited per month Inaternet Connection নেওয়ার ক্ষমতা আল্লাহ্‌ আমাকে দেয়নি। যদি দিত অবশ্যই সাইট বানাতাম। তাহলে আর ওই ইহুদীর তৈরী করা Free Unlimited Video Space এর Youtube এর কাছে শুধু আমি কেন দুনিয়ার কোন মুসলমানই যাবেনা।
    আমার যেটুকু ক্ষমতা তার মদ্ধেই দীনের কাজ করি।
    কোড়াণে আছে- “নিশ্চয় আল্লাহ্‌ কোন বান্দার ওপর কিছু চাপিয়ে দেননা।”

    এখন আমি আপনাকে দাওয়াত দিচ্ছি যে আপনি যদি youtube এর মত কোন সাইটে খুলতে আর্থিক সাহায্য করেন তাহলে আমি চেষ্টা করব।

    শেষে আরেকটা কথা বলে রাখি, আপনি সহ যে আমরা আজকে ইন্টারনেট ব্যবহার করছি তাকিন্তু ওই ইহুদী-খ্রীষ্টান্দের কাছ থেকে নিয়েই করছি। যেই ইংলিশ ভাষা বলছি তাও কিন্তু ওই ইহুদী-খ্রীষ্টান্দেরই ভাষা।

    তাই বলে আপনি যেন আমাকে একন বলেন না যে, নিজে একটি ইন্টারনেট বানিয়ে ফেলেন আর নিজে একটি ভাষা বানিয়ে ফেলেন- তবে এটা হবে অযৌক্তিক।

    আল্লাহ আমাদেরকে স্টহিক বোঝার ও আমল করার তৌফিক দান করুক।

      @সজীব: আরেকটা জিনিষ বলতে ভুলে গিয়েছিলাম যে, এক YouTube শুধু বাংলাদেশ থেকে বন্ধ হইয়ে যাওয়াতে এতো খুশী আপনি এবং আপনারা কেন হচ্ছেন তা বুঝলামনা।

      এই ইস্লামের চির-শত্রু ইহুদীরা কি এতোই ভাল যে শুধু এক YouTube এ আপ্লোড করেই ক্ষান্ত হইয়ে যাবে ! না…

      এই ভিডিওট আদেখলে যদি আমাদের ঈমান নষ্ট হওয়ার আশংকা না থাকতো তাহ্লে এখনে আমি সাইটের List দিতাম যেখানে এখনো সবগুলি ভিডিও দেখা যাচ্ছে তাও বাংলাদেশ থেকে।

      Level 0

      @সজীব: সজীব ভাই… আমি নিজেই পথহারা, আপনাকে কি পথ দেখাবো। কানা ফকির বা কাকে পথ দেখাতে পারে। আপনার সাথে বিবাদ বা ছোট করার জন্য নয়…শুধুমাত্র জানানোর জন্য বলছি, শয়তান যেকোন খারাপ কাজকে প্রয়োজন বানিয়ে দেখায়…এবং ধোকা দেয়। যেমন বিবি হাওয়াকে প্রয়োজন দেখিয়ে ফল খাও্য়ানো।আমরা হয়তো নেট থেকে মেডিক্যালের কিছু বেসিক বিষয় জানতে পারবো, কিছু আইনের বেসিক তথ্য জানতে পারবো। কিন্তু তা দিয়ে উকিল বা ডাক্তার হয়া যাবেনা। অপারেশন করা যাবে, কাউকে উকালতি পরামর্শ দেয়া যাবে না। এজন্য যথাযথ প্রতিষ্ঠান এবং সেই বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের সাথে সময় অতিবাহিত করতে হবে। তেমনি অনলাইন থেকে জানা এবং পড়ার দ্বারা ইসলাম বিষয়ে নিজের একটা মতামত জনসমক্ষে প্রকাশ করার উচিত নয়। কিন্তু এই বিষয়টিই সবাই করে। প্রিয়জনের অসুখ হলে ডাক্তারের কাছে যায়, কিন্তু ইসলামের ব্যাপারে আলেমের কাছে না গিয়ে নিজের মতামত প্রকাশ করে। এভাবে আমাদের দেশের রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে, রিকশাচালক…সবাই যেন বড় বড় আলেম।যেন ধর্ম বিষয়ে কথা বলা খুবই সহজ। মানুষ এটা ভুলে যায়, তাকে এটার জন্য পাকড়াও করা হবে।
      শুধু ধর্মীয় বিষয়ে নয়, জাগতিক বিষয়েও অনলাইনকে কম মূল্যায়ন করা হয়। কোন পি এইচ ডি গবেষনা রিপোর্টে রেফারেন্সে অনলাইন লিঙ্ক দিলে, রিপোর্মাটের মান কমে যায়। কারন অনলাইনে যে কেউ লিখতে পারে, যে কেউ বলতে পারে। অন্যদিকে বই রেফারেন্স মুল্যায়ন করা হয়, কারন বই অনেকগুলো ধাপ পার হয়ে প্রকাশিত হয়, এবং বইতে বিশেষ কিছু না থাকলে,প্রকাশক বই প্রকাশ করে না। অনলাইন ইউনি থেকে প্রাপ্ত সার্টিফিকেটকেও তেমন মূল্যায়ন করা হয় না। দেশে হাজার হাজার বই, লাখ লাখ আলেম এবং প্রচুর মাদ্রাসা আছে, যেগুলো কলেজ ইউনির এর ছাত্রদের জন্য বিশেষ সময়ে বা দিনে স্পেশাল কোর্স চালনা করে থাকে। আশাকরি এরকম এক কোর্স থেকেই আপনি বিস্তারিত জানতে পারবেন। যেমন…

      হানাফীরা আবার ৫ ভাগে বিভক্ত- ————————-কাদিয়ানী,জামায়াতি ইসলাম…
      এটা কোন অবস্থায় সত্য নয়। যেকোন মুসলমান মাত্র জানেন কাদিয়ানীরা মুসলিম নয়। হতে পারে তারা অন্য কোন ধর্ম কিন্তু মুসলিম নয়। কারন তারা শেষ নবী রাসুল (সাঃ) কে মানেন না। তাদের শেষ নবী হচ্ছে গোলাম মোহাম্মদ নামের এক লোক, যে ব্রিটীশ সরকারে কেরানীর কাজ করতো।

      এবং অনেকে এটা বলে…কাফেররা যদি খারাপ হয়, তবে তাদের বানানো বিমানে কেন চড়? তাদের ইন্টারনেট, ভাষা কেন ব্যবহার কর? এটা মনে রাখা প্রয়োজন, আকাশে বিমান দেখে যদি পশ্চিমের বিজ্ঞান সভ্যতার প্রশংসা করেন, তবে অবশ্যই আকাশে উড়ন্ত পাখি দেখে আল্লাহর প্রসংশা করতে হবে। এবং সে হিসাবে …বিমান নির্মাতা ইহুদী খ্রীষ্টানদের মুসলিম হয়ে যাবার কথা। কারন হাজার বছর আগে থেকে পাখিকে দেখেই বিমান উদ্দয়নের কৌশল শেখা হয়েছিলো। মৌমাছির তারহীন যোগাযোগ দেখেই মানুষ ওয়ারলেস কমিউনিকেশন সর্ম্পকে ধারনা পায়। রাসূল (সাঃ) মিনজানিক নামক কামান নির্মান শেখার জন্য সাহাবাদের এক দলকে সিরিয়াতে প্রেরন করেছিলেন। তখন সিরিয়ানরা কাফের ছিলো। সাহাবারা কামানের প্রকৌশল নিয়ে এসেছিলেন,কিন্তু কাফের আর্দশ নিয়ে আসেনাই। সুতরাং কার কারো প্রযুক্তি ব্যবহার মানে তার আর্দশ মেনে নেয়া নয়।

      যাইহোক…আল্লাহ চায় তো সব ঠিক হয়ে যাবে। শুনেছি পাকিস্তানে মিল্লাত ফেসবুক নামে ইসলামী ফেসবুক নির্মানের কাজ চলছে।দুইজন ছাত্র যেমন গুগল শুরু করেছিলো, তিনজন সাধারন মানুষ ইউটিউব সূচনা করেছিলো, একটা কলেজ থেকে ফেসবুকের জন্ম হয়েছিলো, এক গ্যারেজে স্টিভ জব কম্পিউটর নির্মান করতে শুরু করেছিলেন…ইসলামের জন্য আপনিও একদিন ইনশাআল্লাহ ছোট থেকে শুরু করে বড় কোন পদক্ষেপ নিতে পারবেন।তখন এক ইউটিউব নির্মান বা গুগল নির্মান ……এমনকি “ইউ এস আর্মির ইন্টারনেট” ব্যবহার না করে নিজের দেশের নিজস্ব ইন্টারনেট নির্মান করতে শুধুমাত্র আল্লাহর কাছেই সাহায্য চাইবেন।

        @hanif254: ধন্যবাদ ভাই আপনার এতোগুলো ইনফরমেশনের জন্য।

        আপনি হয়ত জানেননা, আমি জানি তাই বলছি যে কাদিয়ানীরা মুসলিম। এটা ঠিক যে শিরকে লিপ্ত কারন তারা রাসুল (সাঃ) কে মানে না কিন্তু তারা নামাজ পড়ে তাও আবার হানাফি তরিকায়- উচ্চারন করে নিয়্যত পড়া, নাভীর নিচে হাত বাধা, রুকুতে যাওয়ার সময় ও রুকু থেকে ওঠার সময় ও ৩য় রাকাতে উঠে তাহরীমা নাকরা ইত্যাদী পুরোটাই হানাফি তরিকায় করে আর তারা নিজেকে হানাফি মুসলমান বলে দাবিও করে।

        আপনার কথা অনুযায়ী ইন্টারনেট থেকে ব্যসিক তথ্য জেনে ডাক্তার হওয়া যায় না। রোগীকে পরামর্শও দেওয়া যাবেনা। ডাক্তার হওয়ার জন্য ১০ বছর ধরে ডাক্তারী পড়তে হয়। -এই কথার সাথে সারা পৃথিবীর মানুষ একমত। সাথে আমিও। কারন আমি পাগল নই।
        ——————————————————————————
        আপনাকে চারটা প্রশ্ন করি-

        আপনি কত বছর বয়সে নামায পড়া শিখেছেন ?
        আপনি নামাজ পড়া শেখার জন্য কোন স্কুলে ভর্তি হয়েছেন ?
        কত বছর সময় লেগেছে আপনার নামায পড়া শিখতে ?
        নামাযের কোর্স শেষ করার পর কি আপনি নামাযীর সার্টিফিকেট পেয়েছেন ?
        ——————————————————————————————————–

        আপনার উত্তর যদি হয়-

        আপনি নামায পড়া ১২ বছর বয়সে শিখেছেন।
        আপনি নামায পড়া শেখার জন্য কোন স্কুলে ভর্তি হননি।
        আপনার নামায পড়তে সময় লেগেছে আনুমানিক ১০ থেকে ২০ দিন।
        আপনার নামায পড়ার শেখার পড় কোন সারটিফিকেট পাননি (কারন আপনি তো স্কুলেই ভর্তি হননি)
        ——————————————————————————————

        এই যদি আপনার উত্তর হয় তাহলে আমি আপনাকে বলব যে আপনি কোন নামাযী নন, আপনার নামায পড়া উচিৎ নয় এবং কাওকে নামাযের কাথা বলাও আপনার উচিৎ হবেনা।

        কারন আপনি কোন স্কুল থেকে নামাযের ওপর পড়াশুনা করেননি কোন সার্টিফিকেটও পাননি।
        সুতরাং আল্লাহর কোন ইবাদতই (নামায, নামাযের দাওয়াত) আপনি করবেননা যতক্ষন পর্যন্ত কোন মাদ্রাসা থেকে ফুল কোর্স কমপ্লিট না করবেন। আপনি তো আপনার ওপরের কমেন্টে তাই বুঝিয়েছেন।

        আমার এই কথা যেমন অযৌক্তিক তেমনি আপনার যুক্তি (নামাযি ও নামাযের দাওয়াত শেখার সাথে ডাক্তারী কোর্সের সম্পর্ক) একেবারে অযৌক্তিক।

        আপনার মতে চলতে গেলে ৭৫% মুসলমানই নামাযি হবে না আর নামাযের দাওয়াতও দিবেনা।

        আল্লাহ্‌ তায়ালা বলেছেন-
        “যেদিন থেকে তুমি বালেগ হবে সেদিন থেকে তোমার ওপর নামায কায়েম(শুধু পড়া নয় অন্যকেও এই রাস্তায় আস্তে বলা) ফরজ।” এই ফরজ শুধু আপনার জন্য নয়, বরং আপনি জাকে অবহেলিত করলেন সেই রিক্সাওয়ালার জন্যও।

        আপনার মতে চলতে গেলে তো সব মুসলমান এই ফরজ আদায় করতে পারবেনা। কারন সবাই তো আর মাদ্রাসায় ভর্তি হয়না। আর বাঙলা ও ইংলিশ মিডিয়ামে ধর্ম সাব্জেক্টের যে অবস্থা তাতে মনে হয় কিছুদিন পর ধর্ম বই এ সুরার অধ্যায় বাদ দিয়ে যুদ্ধাপরাধী অধ্যায় যোগ করা হবে।

        একজন রিক্সাআলাও একজন ব্যংকিং এর ওপর PHD করা লোককে বলতে পারবে (যদি সে সঠিক জানে) যে সুদ খাওয়া হারাম। কারন আল্লাহ্‌ তায়ালা ওই রিক্সায়ালার ওপর এটি ফরজ করে দিয়েছেন।

        কিন্তু যারা সঠিক জানেনা তারা Phd ডিগ্রিধারী হলেও সামান্য নামযি রিক্সায়ালার সআমনে সে অজ্ঞ।

        আর এইসব অজ্ঞ যখন তার থেকে ছোট মানুষের কাছে সঠিক কথা শুনে তখন তারা এরড়িয়ে যাওয়ার জন্য আপনার মতো উদ্ভট যুক্তি দেখায়।

        এখন আসি আপনার পরের কথায়-
        জেনারেল পড়াশুনার যেমন সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ গুলো লন্ডন-আমেরিকায় তেমনি ইস্লামিকের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ হলো মক্কা-মদীনায়।

        যখন আমাদের দেশে মাদ্রাসা থেকে পাশ করা আলেমরা যেখানে সহীহ-যয়িফ হাদিস বোঝেনা, হাদিসের সঠিক ব্যাখ্যা দিতে পারেনা ( পারবে কিভাবে, তারা তো বছরের ৬ মাস যাকাতের টাকা আদায় করে বেরায়। পড়বে আর কখন), ঠিক তখন কিছু বাঙ্গালী আলেম উচ্চ শিক্ষার জন্য মক্কা-মদীনায় যায় আর দেখে যে আমাদের দেশে অনেক ভুল পড়ানো হয় তখন তারা ওই সঠিক মাসালা গুলো আমাদের কাছে প্রচার করতে চায়। আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে এই সঠিক আমারা জেনে অন্যকেও জানানো।

        আর বর্তামানে প্রচারের সবচেয়ে বড় মাধইয়ম হলো ইন্টারনেট। তাই তারা একটা বক্তব্য আকারে এটি পচার করে। আর Youtub হলো বর্তমানে সবচেয়ে বড় ব্রডকাস্ট মাধ্যম তাই শুধু তারা নয় সবাই Youtube কেই বেছে নেয়।

        এখন আপনের উদাহরনের কথায় আসি-

        “আপনি উদাহরন দিলেন যে নবী (সাঃ) একদল সাহাবীকে সিরিয়ার কাফেরদের কাছে কামান বানানোর কৌশল শেখার জন্য পাঠালো। তারা কৌশল শিখে আসলো কিন্তু কাফেরদের কালচারটা শিখলোনা।”

        ভাই! আমার লেখা এই পুরা পোষ্ট আর সবগুলো কমেন্ট আপনি এই একলাইনের মধ্যে নিয়ে এসে দিলেন।

        এই একটা লাইন বোঝানোর জন্য আমার এতোগুলা লেখা। তারপরও আপ্নারা বুঝতেছেননা।

        আমি কাফেরদের create করা free unlimited video space এর Youtube এ শেয়ার করা মুসলমান্দের সঠিক তথ্যের ভিডিও পক্ষে কথা বলছি। সেখানে কাফেরদের শেয়ার করা অন্যান্য ভিডিওর পক্ষে নয়।

        সাহাবীরা যেমন কাফেরদের শহড়ে গিয়ে কোনো কিছু দেখেনি আমিও তেমনি আপনাদেরকে বলছি যে free unlimited video space এর Youtube এ কাফেরদের করা কোন কিছু দেখেননা।

        সাহাবীরা যেমন কাফেরদের শহড়ে গিয়ে শুধু ইসলামের দরকারী জিনিষ্টা শিখে এসেছে তেমনী আমিও আপনাদেরকে বলছি কাফেরদের create করা free unlimited video space এর Youtube থেকে শুধুমাত্র ইস্লামী দরকারী জিনিষগুলো শিখেন।

        Youtube তো Channel এর ব্যবস্থা করে দিয়েছে। তাতে আপনি যদি কোন খারাপ channel এর subscribe না করেন তাহলে কোন খারাপ VDO clip ই আপনার Youtube Home Page এ আসবেনা, যতক্ষন না আপনি খারাপ ভিডিও সার্চ না করবেন।

        কিন্তু আপ্নারা সেটাই সার্চ করেন আর ইস্লামের গান গান। আমাদের মধ্যে ৯০% ই Youtube এ ঈস্লামিক Channel Visit কোনদিনও করেনি। অথচ ইস্লামের গান গায়।

        আমিও Youtube এর স্মালোচনা করি কারন তাদের বারবার অনুরোধ করার পরেও অবমাননাকর ভিডিও সরায়নি। দেশের সাথে আমিও একমত ছিলাম তাই দেশ থেকে বন্ন্ধ হওয়ার পর অন্য পন্থায়ও আমি ইউটিউব ব্যবহার করছিনা।

        কিন্তু আমি একেবারে Youtube ছাড়িনি যা সবাই বলছিল। এই জন্যই আমার এই টিউন।

        আপনি বলেছেন দেশের আলেমদের লেখা বই পড়ার জন্য–
        আরে বাবা যেখানে সহীহ কোরানের বাঙলা, সহীহ বূখারী, সহীহ মুসলিম আছে সেখানে আমি এই আলেমদের লেখা বই কেন পড়তে যাব ?

        আল্লাহ্‌ কি আমাকে আলেমদের বই পড়তে বলেছেন নাকি কোরান আর সহীহ হাদিস পড়তে বলেছেন ?

        আপনার জন্ম যে ইবাদতের জন্য তা আপনি কতটুকু সঠিক ভাবে পালন করছেন তা যদি আপনার জানার আকাঙ্ক্ষা না থাকে তাইলে আল্লাহ্‌ ছাড়া কারো সাধ্য নাই আপনাকে বোঝানোর।

        আর যদি বোঝার আকাঙ্ক্ষা থাকে তাহলে সহীহ হাদিস পড়বেন। কারন তাতে কোন ভুল নেই আর আলেমদের লেখায় ভুল থাকতে পারে কারন যারা সহীহ হাদিস লিখেছেন তারা ছিলেন নবী রাসুল (সাঃ) এর খুব কাছের সময়ের। তাই তাদের ভুল না হওয়ার সম্ভাবনা ৯৯।৯৯%।

        আর সাথে এটাও বলব যে যদি Youtube খোলে তাইলে আমাকে জানায়েন আমি আপনাকে Youtube এর লিঙ্ক গুলো দিব। আপনি পূরাটা শুনএ দেখেন।

        আল্লাহ্‌ আপনাকে সঠিক বোঝার ক্ষমতা দান করুক। আমিন।

          Level 0

          @সজীব: @সজীব: “আপনি হয়ত জানেননা, আমি জানি তাই বলছি যে কাদিয়ানীরা মুসলিম।…..” …..”যখন আমাদের দেশে মাদ্রাসা থেকে পাশ করা আলেমরা যেখানে সহীহ-যয়িফ হাদিস বোঝেনা, হাদিসের সঠিক ব্যাখ্যা দিতে পারেনা “……….” আরে বাবা যেখানে সহীহ কোরানের বাঙলা, সহীহ বূখারী, সহীহ মুসলিম আছে সেখানে আমি এই আলেমদের লেখা বই কেন পড়তে যাব ?”…………ভাইয়া আশা করবো…আপনি নিজেকে অনেক জ্ঞানী মনে না করে, কয়েকজন আলেমের সাথে আপনি যা মনে করেন সেই বিষয় নিয়ে কথা বলেন। শুধু তর্কের খাতিরে নয়…জানার জন্য কথা বলেন।কারন কিছু বই আর ভিডিও দেখে আপনি যা শিখেছেন…যারা তাদের সারা জীবন এর পিছনে ব্যায় করেছে, তাদের কথা একবার শোনা দরকার।

          আর একটা কথা বলা প্রয়োজন…৭-৮ বছর থেকে নামাজের তাগিদ দেয়া হয়…১০ বছর বয়সে পেটানো হয় নামাজের জন্য…যাতে ২-৪ বছরের মধ্য সে পরিপূর্ন নামাজ শিখতে পারে। যারা এই নিয়ম করেছিলেন…প্রধান ৪ ইমাম…তাদের ধারনা ছিলো…সমাজে শুধু মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা চালু আছে এবং পিতা মাতা উত্তম রুপে নামাজ পড়তে জানেন। তাই সন্তানকে নামাজ শিক্ষার ভার তাদের উপর দেয়া হয়েছে।
          কিন্তু আজকের সমাজে…অনেক মাতা পিতা নামাজ পড়েন না বা যারা পড়েন তারা সহীহ পড়েন না। সেজন্য বিভিন্ন মসজিদে নামাজ শিক্ষার কোর্স চালু আছে। যদি কেউ মনে করে তার নামাজ সহী।।এরপর্ব তাকে সেই কোর্সে অংশ নেয়া দরকার, যাতে সে নিশ্চিত হতে পারে।সুতরাং নামাজ শেখার জন্যও আজকের সমাজে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা প্রয়োজন।তাই বেনামাজী মানুষও নামাজের দাওয়াত দিতে পারে…কিন্তু নামাজ কিভাবে পড়তে হবে সেটার নিয়ম সে বলতে পারেনা। রিক্সা চালক প্যাসেঞ্জারকে বলতে পারে যাকাত দিতে, কিন্তু যাকাতের পরিমান হিসাব করে দেয়া তার দায়িত্ব নয়। ঠিক যেমন…সব সৈনিকেরা যুদ্ধ সর্ম্পকে জানলেও…সেনাপ্রধান যুদ্ধ পরিচালনা করেন। কারন তিনি এটা সর্ম্পকে সবচেয়ে বেশি জানেন।

          আর আমি আমার লেখায় নামাজ শব্দ একবার ও বলিনি। কারন নামাজ…রোজা…সুদ এগুলি বেসিক বিষয় যা পালনে কোন দ্বিমত নেই। কিন্তু আপনি ইউটিউব বা এ ব্যাপারে যা বলেছেন তা আলেমদের কাজ…যাকে বলা হয় ইজমা কিয়াস। যেগুলো কোরান হাদিসে নেই এবং সমস্যা তৈরী হলে আলেম বা নেতারা সিদ্ধান্ত দেন…জাতি মেনে নেয়…কিন্তু কেউ নিজের মতো যার যা খুশি বলে বিভেদ তৈরী করেনা।

          এবং এটা শয়তানের আরো প্রচারনা…আমাদেরকে আলেমদের থেকে দুরে সরিয়ে দেয়া…তাদের সর্ম্পকে খারাপ ধারনা পোষন করিয়ে দেয়া।এ সর্ম্পকে প্রধান যুক্তি… “আল্লাহ্‌ কি আমাকে আলেমদের বই পড়তে বলেছেন নাকি কোরান আর সহীহ হাদিস পড়তে বলেছেন ?” বস্তুত, রাসুল (সাঃ) সময়ে কুরআন হাদীসের ব্যাখ্যা নবী নিজেই করতেন…সাহাবীরা শুনতেন, মনে রাখতেন।পরের যুগে সাহাবীরা ব্যাখা করতেন…তাবেঈরা শুনতেন…এভাবে চলতে থাকলো। এটা বুঝা উচিত, সাধারন অংক শিক্ষার জন্য যদি শিক্ষকের কাছে যেতে হয়…তবে আল্লাহর কালাম শেখার জন্য কি ফেস টু ফেস কোন আলেমের প্রয়োজন নেই? সহীহ হাদিস ছিলো…উটের মাংস খেলে ওযু ভেঙ্গে যাবে। যদি আলেমের কাছে না যাওয়া হয় তবে এটাই সত্য। কারন যিনি হাদীস বলেছেন…তিনি এমনি বলেছেন। কিন্তু এটার বিস্তারিত ব্যাখা হচ্ছে…উটের মাংস শক্ত এবং এটা খেলে যদি দাতের মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ে…তবে ওযু ভেঙ্গে যাবে। এরকম অনেক উদাহরন আছে যা আলেমগন বলতে পারবেন।

          যাই হোক, আমি খুব বেশী কিছুজানি না এবং জানতে চাই। কারন শয়তান নিজেকে সবার চেয়ে বড় পন্ডিত মনে করতো।
          আল্লাহ্‌ আমাকে এবং আপনাকে উভয়ইকেই সঠিক বোঝার ক্ষমতা দান করুক।

shajib vai apnar uddesshe bolsi. shoyong nobijir juge ek munafiq tar nam silo bishor. she nobijir dewa ray mante na pere giesilo hajrat omor faruk radiallahu anhu unar kase. tini jokhon jante parlen ukto bishoyer foysala nobiji nijei diesen kintu munafiq bishor ta na mene abar unar kase eshechen notun foysalar jonno. tokhon hajrat omor faruk radiallahu anhu tini unar shob cheye dharalo torobari die tar matha shorir theke alada kore felen. tai jodi hoy tahole jara nobijir man shomman nie obomanona kore take keno kotol kora jabena?

    @তাজদীদ:

    তাজদীদ সাহেবের উদ্দেশ্যে একটি হাদিস বলছি–

    সহীহ বুখারী, মুসলিম শরিফে আছে-

    “নবীজি (সাঃ) বলেছেন- যে ব্যক্তি আমার নাম ধরল অথবা শুনলো অথচ সালাম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পেশ করলনা,সেই ব্যক্তি নিজের জন্য ধ্বংস ডেকে নিল।”

    আপনি মনে হয় এই হাদিস্টা জানেননা। কারন জেনেশুনে কেও একবার ভুল করে কিন্তু আপনি ৪ লাইনে ৪ বার ভুল করলেন। এর অর্থ হলো অজ্ঞতা।

    আপনি নবী (সাঃ) মান-স্মমানের জন্য মানুষকে কতল করার কথা বলছেন অথচ আপনি অজ্ঞতার কারনে নিজের জন্যই ধ্বংস ডেকে নিয়ে আসছেন। আশা করি এইভুল আর করবেননা।

    আপনি যে হাদিস উল্লেখ করেছেন তা প্রথমত অসম্পুর্ন। এখানে আসল কথাটাই বাদ দিয়ে দিছেন। অসম্পুর্ন বাক্য দিয়ে কখনো প্রকৃত অর্থ পাওয়া যায়না। সম্ভবত আপনি পুরা হাদিস জানেননা, যার কারনে ভুল ব্যাখ্যা বুঝেছেন। আর ভুল বোঝার কারনে মানুষ গুমরাহের পথে চলে যায়।

    দ্বিতীয়ত আপনি কোন সহী কিতাবে এই হাদিস পড়েছেন তাও উল্লেখ করেননি। এই হাদিসটি আমিও শুনেছি কিন্তু কোন সহীহ কিতাবে পড়িনি। যানিনা কোন সহীহ কিতাবে আছে কিনা।

    তাই এই হাদিসটি সহীহ না যয়িফ তা সিউর না হয়ে বিস্তারিত লিখলাম না। আর এই হাদিসের সাথে বর্তমান প্রেক্ষাপট ও আমার এই টিউন এর কোন মিল নাই। যদি বিস্তারিত আলোচনা করতাম তাইলে বুঝাইতে পারতাম।

    আল্লাহ্‌ আপনাকে সঠিক বোঝার তৌফিক দান করুক। আমিন।