ওভার-ক্লকিং কী? স্মার্টফোন কিংবা কম্পিউটারের পারফরমেন্স বাড়াতে ওভার-ক্লকিং কেন প্রয়োজন?

Level 7
সুপ্রিম টিউনার, টেকটিউনস, ঢাকা
————————–— بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ ————————–—

সুপ্রিয় টেকটিউনস কমিউনিটি, সবাইকে আন্তরিক সালাম এবং শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটে ওভার ক্লকিং এর প্রয়োজনীয়তা, সুবিধা কিংবা অসুবিধা নিয়ে আমার আজকের টিউন।

যখন আপনি কোন হার্ডওয়্যার বা ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস কিনবেন তখন থেকেই তার মালিক আপনি, কোম্পানি উক্ত ডিভাইসের সেফটির জন্য কোন কোন সতর্কতা দিয়েছে সেটা কোন ব্যাপার না। আপনার সুবিধা মতো আপনি ডিভাইসকে কাস্টমাইজ করতে পারেন। আমি যখন ছোট ছিলাম তখন আমার কোন ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস বা খেলনা একদিনের বেশি টিকতো না। যা পেতাম তাই খুলে ফেলতাম। শুধু মাত্র টেবিল ঘড়ি ছাড়া বাকি জিনিসগুলো খুলে ফেলার পরেও কয়েকদিন করে ব্যবহার করতে পারতাম। যাহোক, আজকের আলোচনা আমার খেলনা বিষয়ে না বরং স্মার্টফোন বা কম্পিউটার বিষয়ে। টিউনের শিরোনাম দেখেই হয়তো কিছুটা আঁচ করতে পেরেছেন আজ কী বলতে যাচ্ছি। কম্পিউটার কিংবা স্মার্টফোনগুলো হলো একগাদা সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যারের একটা পারফেক্ট কম্বিনেশন। সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যার একটা আরেকটার উপর নির্ভরশীল। সফটওয়্যারগুলো তৈরী করা হয় হার্ডওয়্যারগুলোকে চালানোর জন্য। তবে ম্যাক্সিমাম হার্ডওয়্যার ক্যাপাবিলিটির চাইতে কম পারফরমেন্স দেয়। কারণ হার্ডওয়্যারগুলো চালানোর জন্য যে সফটওয়্যারগুলো সেটাপ করা থাকে সেগুলোর অন্যতম উদ্দেশ্য থাকে ডিভাইসটি যাতে দীর্ঘদিন ভালোভাবে ব্যবহার করা যায়। আপনি যদি একজন দক্ষ ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন তাহলে হার্ডওয়্যারগুলোকে আরেকটু কর্মক্ষম করে ডিভাইসকে দ্রুত গতির করতে পারেন। এটাকেই মূলত সহজভাবে ওভার ক্লকিং বলা হয়। ওভার ক্লকিং এর ফলে ডিভাইসের পারফরমেন্স অস্বাভাবিক ভাবে বৃদ্ধি পায়।

ওভার ক্লকিং কী?

ওভার ক্লকিং বলতে কী বোঝায় এই বিষয়ে সামান্য আলোকপাত করেছি একটু আগেই। এখন এ ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনায় আসবো। ওভার ক্লকিং হলো সিস্টেম সেটিংসকে পরিবর্তন করার এমন পদ্ধতি যাতে পুরো সিস্টেম এবং এর প্রত্যেকটি উপকরণ ম্যানুফেকচারারদের তৈরি করা অবস্থার চাইতে দ্রুতগতিতে রান করে। সাধারণত ডিভাইসের পারফরমেন্স বৃদ্ধি করার জন্য আমরা দুইটা কম্পোনেন্ট এর ওভার ক্লকিং করে থাকি। এদের একটা হলো সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU) এবং অন্যটা হলো র‍্যানডম এক্সেস মেমোরি (RAM / ফিজিক্যাল মেমোরি)। মুচকি হেসে হয়তো ভাবছেন এ দুটোর ওভার ক্লকিং করলে বাকি থাকলো কী? যাহোক, চলুন এ দুটোর ওভার ক্লকিং সম্পর্কে জেনে নেই, সাথে সুবিধা অসুবিধা নিয়ে তুলনামূলক আলোচনা তো থাকবেই।

সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (সিপিইউ) ওভার ক্লকিং

প্রত্যেকটি সিপিইউ কোরগুলোতে এমন কিছু আছে যেটাকে আমরা বলি “Front Side Bus Speed”। এটাই হলো এক্সটার্নাল ফ্রিকোয়েন্সির ভিত্তি যা মাদারবোর্ডের সবগুলো যন্ত্রাংশকে রান করে। প্রত্যেকটি সিপিইউ এর ভেতরে একটি করে মাল্টিপ্লায়ার আছে যা ইন্টারনাল ফ্রিকোয়েন্সিকে বহুগুণে বিবর্ধিত করে দেয় যাতে এটা বাকি সিস্টেমের সাথে নির্ভুলভাবে সময় সমন্বয় করতে পারে। এখন মাল্টিপ্লায়ার ফ্রিকোয়েন্সিকে যতো বেশি বিবর্ধিত করবে Front Side Bus Speed ততো বেশি হবে এবং ডিভাইস পারফোরমেন্স ততো ভালো হবে। সাধারনত আমরা ওভার ক্লকিং করে মাল্টিপ্লায়ার বাড়িয়ে দিয়ে Front Side Bus Speed বেশি করি। এর ফলে সিপিইউ বেশি ফ্রিকোয়েন্সির জন্য ইলেকট্রিসিটি গ্রহণ বাড়িয়ে দেয়। এবং সিপিইউকে স্ট্যাবল ভাবে রান করার জন্য কিছুটা ভোল্টেজও বেড়ে যায়।

ফিজিক্যাল মেমোরি (RAM) ওভার ক্লিকিং

ফিজিক্যাল মেমোরি (র‍্যাম) ওভার ক্লকিং করতে হলে মূলত ভোল্টেজ বাড়িয়ে দিতে হবে যাতে এটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেশি ফ্রিকোয়েন্সি লেভেল অর্জন করতে পারে। তবে র‍্যাম ওভার ক্লকিং করার সময় একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যে যদি বেশি পরিমাণে ওভার ক্লকিং করে ফেলেন তাহলে র‍্যাম আনস্ট্যাবল হয়ে যাবে এবং সিস্টেম কাজ করা বন্ধ করে দিবে। তবে সিপিইউ আর র‍্যাম এর যেকোনো ধরনের কন্ট্রোল বা চেইঞ্জ বায়োস থেকে করা যায়। বর্তমান সময়ে এক্সট্রিম লেভেলের হার্ডওয়্যারগুলোকে সফটওয়্যার কর্তৃক মডিফাই করার সিস্টেম দেওয়া আছে।

ব্যবহারকারীরা র‍্যাম এর পাশাপাশি গ্রাফিক্স কার্ডকেও ওভার ক্লক করতে পারবে। এতে করে তাদের গেইমিং এক্সপেরিয়েন্সে একটা উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে। গ্রাফিক্স কার্ডগুলোতে দুইটা অংশ থাকে। একটা কোর ফ্রিকোয়েন্সি আরেকটা মেমোরি ফ্রিকোয়েন্সি। হাই কোয়ালিটি গ্রাফিক্স কার্ডে সফটওয়্যার ব্যবহার করে ফেয়ারলি ওভার ক্লকিং করা যায়।

ওভার ক্লকিং এর সুবিধা সমূহ

কম্পিউটার কিংবা মোবাইল ফোনে ওভার ক্লকিং করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্বে ওভার ক্লকিং এর সুবিধা এবং অসুবিধা বিষয়ে আপনার সম্যক ধারণা রাখতে হবে। না হলে কেন ওভার ক্লকিং করলেন এই প্রশ্নের উত্তর নিজের মনের কাছেই নিজে দিতে পারবেন না। যাহোক, ওভার ক্লকিং এর প্রধান এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হলো এর পারফরমেন্স এর অস্বাভাবিক বৃদ্ধি। ওভার ক্লকিং এর ফলে আপনার সিস্টেম আগের চাইতে অনেক দ্রুতগতির এবং স্মুথ হবে। এর ফলে যেকোনো হ্যাভি সফটওয়্যার খুব সহজে এবং সুন্দরভাবে রান করতে পারবেন। সর্বোপরি সিস্টেমের ক্ষমতার সবটুকু ব্যবহার করতে চাইলে আপনাকে ওভার ক্লকিং করতেই হবে।

ওভার ক্লকিং করলে যে সমস্যাগুলো হতে পারে

কিছু পেতে হলে কিছু হারাতে হয় এ কথা আমরা সবাই জানি। সেই সাথে সাইড ইফেক্ট বলে যে একটা জিনিস আছে সেটা আমাদের হয়তো নতুন করে বোঝাতে হবে না। ইলিশ আর বেগুন খেতে ভালো লাগলেও খাওয়া শেষে যে এলার্জিক সমস্যা হবে এটা চিরন্তন। যাহোক, এবার ওভার ক্লকিং এর সমস্যাগুলো নিয়ে একটু আলোচনা করা যাক। ওভার ক্লকিং করলে প্রত্যেকটি কম্পোনেন্ট অনেক বেশি হিট তৈরি করবে। সুতরাং ডিভাইসের কুলিং সিস্টেমের উপর একটু এক্সট্রা নজর দিতে হবে। তাছাড়া আপনাকে যেহেতু সেটিংস সমূহ পরিবর্তন করতে হবে সেহেতু সিস্টেম যাতে স্ট্যাবল থাকে সেই দিকে নজর দিতে হবে। তাছাড়া ওভার ক্লকিং হলো ম্যানুফ্যাকচারার যে সেটিংস তাদের যন্ত্রাংশের জন্য বরাদ্দ করেছে সেটাকে অতিক্রম করা। তাই এক্ষেত্রে আপনার পণ্যের ওয়ারেন্টি যে বাতিল হবে এ বিষয়ে নিশ্চিত থাকতে হবে। তাছাড়া ওভার ক্লকিং এর ফলে যন্ত্রাংশ চিরতরে বিকল হয়ে যেতে পারে।

মোবাইল ফোনে যারা ওভার ক্লকিং করতে চান তাদের ক্ষেত্রে মাথায় রাখতে হবে যে, ওভার ক্লকিং এর ফলে ফোন এর চার্জ খুব দ্রুত শেষ হয়ে যাবে। তাছাড়া ফোনে যেহেতু এক্সটারনাল কুলিং সিস্টেম নাই তাই এক্ষেত্রে ডিভাইস অতিরিক্ত গরম হয়ে সারা জীবনের জন্য অকেজো হয়ে যেতে পারে।

ওভার ক্লকিং করবেন কিনা এ ব্যাপারে দ্বিধান্বিত থাকলে

আপনি ওভার ক্লকিং করবেন কিনা এটা আপনার একান্ত ব্যক্তিগত প্রয়োজনের উপর নির্ভরশীল। আপনি আসলে কোন ধরনের কাজ করেন সেটার উপর নির্ভর করবে আপনার ওভার ক্লকিং এর প্রয়োজনীয়তা। না হলে মিছেমিছি ওভার ক্লকিং করার কোন মানে হয় না। কারণ আমরা অধিকাংশ সময় আমাদের জন্য সিস্টেম কর্তৃক বরাদ্দকৃত সুবিধাগুলোই ব্যবহার করতে পারি না। তার উপরে ওভার ক্লকিং করলে বাড়তি সুবিধা দিয়ে করবো কী? আপনি যদি একজন গেইমার হয়ে থাকেন কিংবা গ্রাফিক্স রিলেটেড কাজ করেন এবং অবশ্যই সিস্টেম কর্তৃক প্রদত্ত সুবিধায় সন্তুষ্ট না থাকেন তাহলেই আপনি ওভার ক্লকিং করতে পারেন।

টিউনের প্রায় শেষের দিকে চলে এসেছি। তবে এখনও একটা গুরুত্বপূর্ণ জিনিস শেয়ার করার বাকি। সেটা হলো ওভার ক্লকিং কীভাবে করতে হয়। যদিও যারা ওভার ক্লকিং এর প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করতে পেরেছেন তারা কম্পিউটারে বায়োস সেটিংস থেকে ওভার ক্লকিং করতে পারবেন। আর যারা ফোনে করতে চান তাদেরকে কষ্ট করে আমার নেক্সট টিউন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। কারণ আজকের টিউন এমনিতেই অনেক বড় হয়ে গেছে। আপনারা কে কে ওভার ক্লকিং এর প্রতি আগ্রহী তারা টিউমেন্ট করে নিজেদের আগ্রহের কথা জানাতে ভুলবেন না। কারণ আপনাদের সত্যিকারের আগ্রহের উপর ভিত্তি করেই আমার পরবর্তী টিউন আসবে। তা না হলে উলু বনে মুক্তা ছড়ানোর মতো ভুল হয়তো আমি নাও করতে পারি।

শেষ কথা

টিউনটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে অথবা বুঝতে যদি কোন রকম সমস্যা হয় তাহলে আমাকে টিউমেন্টের মাধ্যমে জানাতে ভুলবেন না। কারন আপনাদের যেকোন মতামত আমাকে সংশোধিত হতে এবং আরো ভালো মানের টিউন করতে উৎসাহিত করবে। আর টিউনটিকে মৌলিক মনে হলে এবং নির্বাচিত টিউন হওয়ার উপযুক্ত মনে হলে নির্বাচিত টিউন মনোনয়ন দিতে ভুলে যাবে না যেন। সর্বশেষ যে কথাটি বলবো, আসুন আমরা কপি পেস্ট করা বর্জন করি এবং অপরকেও কপি পেস্ট টিউন করতে নিরুৎসাহিত করি। সবার সর্বাঙ্গিন মঙ্গল কামনা করে আজ এখানেই শেষ করছি। দেখা হবে আগামী টিউনে।

আপনাদের জন্য » সানিম মাহবীর ফাহাদ

➡ ইমেইলে আমার সকল টিউনের আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুনঃ টেকটিউনস » সানিম মাহবীর ফাহাদ 🙄

FB PageProfileTwitterLinkedInGPlusSubscriptionMail

Level 7

আমি সানিম মাহবীর ফাহাদ। সুপ্রিম টিউনার, টেকটিউনস, ঢাকা। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 9 বছর 11 মাস যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 176 টি টিউন ও 3500 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 153 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 0 টিউনারকে ফলো করি।

আগে যা শিখেছিলাম এখন তা শেখানোর কাজ করছি। পেশায় একজন শিক্ষক, তবে মনে প্রাণে টেকনোলজির ছাত্র। সবার দোয়া প্রত্যাশি।


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস

Onak din pora.onak kajer tune.many many thanks….

Ami porar tune chai plz…………….

Apnar Tune manei vinno kicu….
Waiting to get more.

আমার সুপার স্লো আনস্মার্ট ফোনটা অভারক্লকিং করে যদি একটু স্মার্ট করা যায় তাহলে ত ভালই হয়। পরবর্তি টিউন চাই খুব তারাতারি।

সর্বপরি, এমন দারুন টিউনের জন্য দন্যবাদ।

ভাইয়া অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে এমন গুরুত্বপূর্ন একটা টিউন করার জন্য। আর একটা কারনে বিশেষ ধন্যবাদ তা হল ওভার ক্লকিংএর সাইড ইফেক্ট গুলো বলে দেবার জন্য। কারন আমি এর আগে একটা ইংলিশ ব্লগে ওভার ক্লকিং সমন্ধে জেনেছিলাম ও আমার পিসির ওভারক্লকিং করেছিলাম কিন্তু সাইডইফেক্ট গুলো না জানায় ভোল্টেজ অত্যাধিক বাড়িয়েছিলাম ফলাফল প্রসেসরের ১২টা। নতুটাতেও করা আছে কিন্তু খুব সামান্য পরিমানে। বেশ ভালোই চলছে।

    অনেক ধন্যবাদ দুরন্ত বালক, আপনার টিউমেন্ট পেয়ে সত্যিই অনেক ভালো লাগলো 🙂 টেকটিউনসের পাশেই থাকুন টেকটিউনস পরিবারের একজন হয়ে।

ফাহাদ ভাই, আপনার tune এর বিষয়বস্তু এবং উপস্থাপনা অত্তন্ন্ত সাবলীল ও গবেষণাধর্মী। সুন্দর tune এর জন্য ধন্যবাদ।

আরো বিস্তারিত লিখতে পারতেন। যাই হোক, ভালো 🙂

চমৎকার টিউন

আমার কম্পিউটার উইন্ডোজ ৮ ইন্সটল করা । দীর্ঘ সময় ল্যাপটপে কাজ করতে থাকলে 🙁 এই চিনহ এসে রিস্টার্ট হয়ে যায় । একবার শুরু হলে ২ থেকে ৩ মিনিটে আবার হয় । এই বিষয়ে আপনার কাছ থেকে একটি সমাধান আশা করছি ।

    সম্ভবত আপনার সিস্টেম খুব বেশি হিট প্রোডিউস করছে। এ কারণে সিস্টেম বন্ধ হয়ে যায়। ল্যাপটপ খুলে ভালো ভাবে রিএসেম্বল করুন। দেখবেন সব ঠিক হয়ে যাবে। ধন্যবাদ 🙂

আমার কম্পিউটার উইন্ডোজ ৮ ইন্সটল করা । দীর্ঘ সময় ল্যাপটপে কাজ করতে থাকলে : ( এই চিনহ এসে রিস্টার্ট হয়ে যায় । একবার শুরু হলে ২ থেকে ৩ মিনিটে আবার হয় । এই বিষয়ে আপনার কাছ থেকে একটি সমাধান আশা করছি ।

    আমারও অনেকটা আপনার মতই সমস্যা। ল্যাপটপ পুরনো হয়ে গেছে। আমারটা বেশী কাজ করলে/চাপ পরলেই অনেক গরম হয়ে যায় এবং একই সাথে বন্ধ হয়ে যায় । ৩০ মিনিট এর মত অপেক্ষা করে আবার চালু করা যায়।

      সম্ভবত আপনার সিস্টেম খুব বেশি হিট প্রোডিউস করছে। এ কারণে সিস্টেম বন্ধ হয়ে যায়। ল্যাপটপ খুলে ভালো ভাবে রিএসেম্বল করুন। দেখবেন সব ঠিক হয়ে যাবে। ধন্যবাদ 🙂

        আমাকে বললেন ভাই? আমার ল্যাপটপটা আসলেই খুব বেশী গরম হচ্ছে ইদানিং। কিন্ত রিএসেম্বেল করব কিভাবে?

          আপনার ল্যাপটপের মডেল লিখে তারপর রিএসেম্বল লিখে ইউটিউবে সার্চ করবেন। দেখবেন কীভাবে করবেন তার টিউটরিয়াল চলে আসছে।

ভাই ওভার ক্লকিং কি/করলে কি হয়/এর কাজ/সুবিধা সবই জানলাম ।কিন্তু কিভাবে করব তার পরিপূর্ণ কিছু পেলাম না ।ফিজিক্যাল মেমোরি (RAM) ওভার ক্লকিং কথা বলেছেন কিন্তু পিসি তে গেম এর জন্য গ্রাফিক্স কার্ড কিভাবে ওভার ক্লকিং করব তার একটি পরিপূর্ণ টিউন করলে খুশি হতাম ।
টিউনের জন্য ধন্যবাদ ।

    আমি টিউনে উল্লেখ করেছি যে, কেন আজ টিউনটি পরিপূর্ণ হয়নি। যাহোক, পরবর্তি টিউনের জন্য অপেক্ষা করুন। ধন্যবাদ 🙂

অসাধারণ বস্…….

Level 0

আপনার প্রত্যেকটি টিউন আমার অনেক অনেক অনেক ভালো লাগে, একমাত্র আপনার টিউন গুলোতেই প্রযুক্তির মুগ্ধকর একটা স্বাদ পাওয়া যায় 🙂
আপনি যে লেখা গুলো অনেক যত্ন সহকারে লিখেন সেটা আর্টিকেল এর ধরণ দেখলেই বোঝা যায় বেশ!!!!!!! বিশেষ করে আপনি কম্পিউটার রিলেটেড যে সব টিউন গুলো করেন ওগুলো আমার অনেক কাজে আসে। ধন্যবাদ।

    অনেক ধন্যবাদ মুরাদ ভাই, আপনার কথা শুনে ভালো লাগলো। টেকটিউনসের পাশেই থাকুন।

এতদিন পর তাহলে “নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ” হল….ভাবছিলাম অাপনাকে কিছু ঝাড়ি-টাড়ি দেব খোমাখাতায়, কিন্তু তার অাগেই হাজির হয়ে টিটিপাড়া ধন্য করলেন 🙂

চৌকস ফোনের ওভার ক্লকিংয়ের টিউটোরিয়াল দেখেছিলাম অাগে- পরে ফোনকে অার দৌড়ানি দেয়া হয়নি 😉

পরবর্তী টিউনের অপেক্ষায় থাকলাম…….তবে টিউন অ-নে-ক-টা বড় করবেন কইলাম 😆

    টিটি ছাড়া কি থাকা যায় বলেন? কিন্তু দিন যায় ব্যস্ততা বাড়ে। এই টিউন লেখার মাস দুয়েক পরে মনে হয় সেটা পাবলিশড করলাম। সামনে ধারাবাহিকতা বজায় রেখে দ্বিতীয় পর্ব লিখবো।

    টিউমেন্টে আপনার উপস্থিতি টিউনের পূর্ণতা নিয়ে আসলো। বরাবরের মতো পাশে থাকার জন্য একরাশ কৃতজ্ঞতা 🙂

ওভার-ক্লকিং করলে যদি হাই রিক্স হয় তা হলে
করে লাভ কি
জানেবেন
তার পর অনেক ধন্যবাদ জানা ছিলনা এখণ জানলাম
আবারো ধন্যবাদ সানীম ভাই সুন্দর টিউন উপহার দেওয়ার জন্য
আপনার সব গুলো টিউনই জটিল
যাই হোক মোবাইল ফ্ল্রাস কান্টি লক এর জন্য জটিল একটা টিউন করবেন
অফে—- রইলাম

    ইংরেজিতে একটা কথা আছে, নো রিস্ক নো গেইন। মানে ঝুঁকি বিনা প্রাপ্তি শূন্য।
    সুন্দর টিউমেন্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ রকি ভাই।

আমার ল্যাপটপের সি ড্রাইভে মোট ১৯ জিবি । উইন্ডোজ ১০ ইন্সটল দেবার পরে প্রায় ৮ জিবি বা ৬ জিবি ফাকা ছিল । কিছু সফটওয়্যার এবং ল্যাপ্টপ ড্রাইভার ইন্সটল দিয়েছি । সফটওয়্যার গুলি মোট স্থান দখল করেছে প্রায় ৭০০ মেগাবাইট । এখন আমার সি ড্রাইভে ২ জিবি ফাকা রয়েছে । এর কারন কি ? সি ড্রাইভের জাগা বাড়ানো যায় কি ?

ভাই, রিসেম্বেল করার জন্য তো ল্যাপটপ খোলা লাগবে। যন্ত্রপাতি পাবো কই। মানে কিনতে পাওয়া যাবে কোথায় দয়া করে বলবেন কি?

    রিএসেম্বল করার জন্য একটা চারখাঁদের স্কুডাইভার লাগবে। আর কিছু লাগবে না। আমার তো ৫০টাকা দামের একটা ছোট্ট স্কু ডাইভার আছে। এটা দিয়েই অনায়াসে খুলে ফেলি সব।

      আমি অনেক গুলাই খুলতে পারি, তবে ডিভিডি ড্রাইভ খোলার পরে এর নিচে ছোট ছোট দুটি স্ক্রু খুলতে পারি না।

প্রথমে অসংখ্য ধন্যবাদ এত দিন পর হলেও বরাবরের অত অসাধারন টিউন করার জন্য।
সানিম ভাই মানেই কোয়ালিটি এবং এক্সক্লুসিভ টিউন এইটা টিটি পাড়ার সবাই অবগত আছে (সেটা আপনি নিজেও জানেন) ,যার প্রমান আপনার টিউন গুলার এতো ভিউস আর কমেন্ট ।

আগের মত একটিভ থাকি না কারন আপনারা টিটিতে টিউন কমিয়ে দিয়েছেন । আর স্পাম্মার বেড়ে গেছে।
যাই হোক । আপনার টিউনগুলার ফিড নটিফিকেশন ইমেলে পেলে তবেই টিটিতে আসি।
আজকের টিউনটা একেবারে নুতুন এবং ভিন্ন ধাঁচের হয়েছে। টপিকটা ব্যাপারে আগে কোথায় একটু পড়েছি বলে মনে হচ্ছে। কিন্তু হাতে কলমে পিসি বা অ্যান্ডয়েডে করা হয়নি। অনেক কিছু শেখার আছে ওভার ক্লকিং নিয়ে ।
আশা করি খুব তারাতাড়ি নেক্সট টিউন করে আমাদের ধন্য করবেন।
সে পর্যন্ত অপেক্ষায় রইলাম …।
ধন্যবাদ ।

    অনেক ধন্যবাদ মুন্না ভাই। আপনার টিউমেন্ট মানে নতুন কোন অনুপ্রেরণা। বরাবরের মতোই পাশে থাকার জন্য অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা।

আপনার প্রায় সব টিউনই বেশ ভালো হয়। আজকের টিউনটিও বেশ গোছানো ও তথ্যবহুল।

প্রয়োজন হোক বা না হোক, একবার এসে ঢু মেরে যাই ফাহাদ ভাইয়ের টিউনে।

    এটাই আমার টেকটিউনস টিউনার হিসাবে সবচেয়ে বড় পাওয়া! পাশে থাকুন সারা জীবন।

ব্যস্ততার মাঝেও অসাধারণ টপিক ও অসাধারণ উপহার,,, সত্যিই অসাধারণ ৷ পরবর্তী অপেক্ষার প্রহর যেন দীর্ঘ না হয়৷

অনেক কিছু শিখতে পেলাম। অনেক ধন্যবাদ, টিটিতে এটা আমার প্রথম কমেন্ট

    অনেক ধন্যবাদ রানা ভাই 🙂 আমার মতো অযোগ্য ব্যক্তির টিউনে আপনি টিটির প্রথম টিউমেন্ট করেছেন শুনে অনেক ভালো লাগলো। সব সময় টিটির পাশেই থাকবেন।

সেই টিউন । জিনিয়াস !

সানিম, ভূতের কিল খাচ্ছেন শুনে ভালো লাগলো। একচুয়ালি এখনো টেকটিউনে মাঝে মাঝে ঢু-মারি আপনার মতো কিছু টিউনারের টিউন পাবো এই অশায়। মাঝে মাঝে কিছু টিউন দেখে খুবই বিরক্ত লাগে, বিশেষ করে কিছু হট টিউন দেখে। হউ এভার বরাবরের মতো প্রয়োজনীয় একটা অর্টিকেলের লেখার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

    বরাবরের মতো সুন্দর টিউমেন্টের জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ আকাস ভাই। আশা করি সব সময় পাশেই থাকবেন।

আপনার তথ্যবহুল টিউনসমূহ নিয়ে নিউজ করতে চাইলে কোন বাধ্য-বাধকতা আছে কিনা? থাকলেও সেগুলা কি? দয়া করে জানাবেন…

    আপনি নিউজ করতে চাইলে অনায়াসেই করতে পারবেন। আমার পক্ষ থেকে কোন ধরণের বাধ্যবাধকতা নেই। ধন্যবাদ 🙂