
পরিবারের সদস্যদের পুষ্টির চাহিদা মেটাতে সয়াদুধের চাহিদা ও জনপ্রিয়তা বাড়ছে। এখন অনেক সচেতন বাবা-মা পরিবারের সদস্যদের পুষ্টির চাহিদা মেটাতে নিয়মিত সয়াদুধ খাওয়াচ্ছেন। সয়াদুধের বাজারও দিনদিন প্রসার লাভ করছে।
মাত্র ১০০ গ্রাম সয়াবিন থেকে ১ কেজি সয়াদুধ তৈরি করা যায়। দেশের বিভিন্ন স্থানে এক লিটার সয়াদুধ ৮০-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এটি একটি পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবার ও লাভজনক ব্যবসা। অল্প বিনিয়োগে অধিক লাভবান হওয়া যায়। জানালেন সয়াপণ্যের নতুন উদ্যোক্তা ফিরোজ আহমেদ।
সয়াদুধের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে তিনি জানান, সয়াদুধে গরুর দুধের চেয়ে ১২গুণ, অন্যান্য ডালের তুলনায় দুইগুণ, গমের তুলনায় ৪গুণ, চালের তুলনায় ৬গুণ, ডিমের তুলনায় ৪গুণ বেশি আমিষ রয়েছে।
যশোরের শার্শা উপজেলায় কয়েকটি স্কুলের শিক্ষার্থীদের নিয়ে করা এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, নিয়মিত সয়াদুধ পানের ফলে স্কুলের শিক্ষার্থীদের উচ্চতা বৃদ্ধি ও শারীরিক গঠন আগের চেয়ে অনেক মুজবুত হয়েছে। পড়াশোনায়ও তারা আগের চেয়ে ভালো করছে। অসুস্থতার কারণে স্কুলে আসতে না পারা শিক্ষার্থীদের সংখ্যাও কমে গেছে।
এবার চলুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে তৈরি করবেন সয়াদুধ:
১ লিটার সয়াদুধ তৈরির প্রণালী (৫ জনের জন্য)
উপকরণ : ১০০ গ্রাম কাঁচা সয়াবিন ও দেড় লিটার পানি।
প্রণালি : ১০০ গ্রাম সয়াবিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার পানিতে ভিজিয়ে রাখুন(শীতের সময় উষ্ণ গরম পানিতে)। ৪-৫ ঘণ্টা ভেজানোর পর ভালোভাবে ধুয়ে নিন। ব্লেন্ডারে মিহি করে পিষে নিন। ব্লেন্ডার ছাড়াও কেউ চাইলে শিল পাটায় মিহি করে বেটে নিতে পারেন। ভালোভাবে ব্লেন্ড করার পর ছাঁকুনি দিয়ে ছেঁকে দুধ ও আঁশ আলাদা করে নিন।
এবার সয়াদুধ চুলায় ২০ মিনিট জাল দিন ও নাড়ুন। পানি ফুটে এক লিটার পরিমাণ হয়ে এলে নামিয়ে নিন। এবার গরম গরম পরিবেশন করুন।
অন্যান্য দুধের মতোই এ দুধ পান করা যায়। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের সুস্বাদু খাবার তৈরিতেও সয়াদুধ ব্যবহার করা যায়।
তথ্য সহায়তা: শাহীনা খাতুন, সয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার, জাপান বাংলাদেশ কালচারাল এক্সচেঞ্জ অ্যাসোসিয়েশন (জেবিসিইএ) শার্শা, নাভারণ, যশোর।
আমি মাসুদ রানা। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 12 বছর যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 9 টি টিউন ও 0 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 1 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 0 টিউনারকে ফলো করি।
Laboratory synthetic methods are generally divided into two categories, step-growth polymerization and chain-growth polymerization.[13] The essential difference between the two is that in chain growth polymerization, monomers are added to the chain one at a time only,[14] such as in polyethylene, whereas in step-growth polymerization chains of monomers may combine...