মোস্ট সিক্রেট যায়গা এরিয়া ৫১ কি জানছেন, আজকে আরো জানেন সাথে দেখেন

সালাম ভাইলোগ,

কেমন আছেন? কি করতেছেন, আমাকে এর আগে ফেসবুকে কজন আর গত টিউনে এক ভাই বললেন "এরিয়া ৫১ ' নিয়ে লিখতে, বিদ্যে ঝারার সুযোগ পাইলে ছারে কে?

হুম, আমার নিজের বেশ পছনের একটা টপিক এরিয়া ৫১। অনেক ঘাটাঘাটি করছি, বেশ কয়টা আর্টিকেল ও লিখছি এ নিয়ে, আজ সবগুলো মেইন অংশ নিয়া আপনাদের দেখাবো এরিয়া ৫১ কি, কেন, কোথায়।

শুরুতেই বলে নেই এরিয়া ৫১ কি?

এরিয়া ৫১ হচ্ছে একটা আমেরিকান গোপন বিমান ঘাটি,  এতটাই গোপন যে ১৯৮৮ সালের আগে এর কথা মানুষ জানতো ই না। চিন্তা করেন বিশাল বড় একটা যায়গায় কি হচ্ছে, ওর ভেতরে কি আছে কেউ জানে না বাইরের পৃথিবীর। জানবে কিভাবে, এর বাইরে কড়া নিরাপত্তা ব্যাবস্থা, এতটাই শক্ত যে আপনি কোন ভাবে ভেতরে ঢুকে পড়লে আপনার সাথে কথা পর্যন্ত বলা হবে না, সাথে সাথে ঢুস করে গুলি !  এখন আপনি বলবেন ভাই, আমি ঘুরতে ঘুরতে ঢুকে পড়ছি, আমাকে মারবে কেন ? কারন এর প্রতিটি সীনানায় সাইনবোর্ড এ ওয়ার্নিং দেয়া আছে, দারান দেখাই

area-51-1

এতটা ওয়ার্নিং এর পরেও যদি ঢুকে পড়েন, আপনাকে থামানোর জন্য আছে হোয়াইট হাউসের মত শক্ত টেকনোলজি, আপনি ধরা খাবেন ই।

এখানে কি হয় ?

ধারনা করা হয় বা পরবর্তী সময়ে আমেরিকা যা বলছিলো সে আনুযায়ী এখানে আগামী সময়ের জন্য নতুন প্রযুক্তির বিমান তৈরী বিষয়ে গবেষনা করা হয়।

এটা সরকার বলে, এবার আসেন জানি সত্য কাহিনী।

এটা গোপন যায়গা সন্দেহ নাই, কিন্তু এতটা গোপন করা হলো কেন একটা যায়গা কেন ? এর জন্য আমাদের পেছনে তাকাইতে হবে, ৪০ বছর পেছনে যখন আমেরিকা ও রাশিয়ার মধ্য একটা শীতল যুদ্ধ চলতেছি, এদের শক্তি বা ক্ষমতা ছিলো কাছাকাছি, তো এক বনে যেমন দুই বাঘ থাকে না তো এক দুনিয়ায় এদের মধ্য কে বেশি শক্তি ধরে তা নিয়া কামরাকামরি আরকি।  আর শক্তি থাকলে তা তো দেখাইতে হবেই।  দেখানোর জন্য রাশিয়া করলো কি, ১৯৫৭ সালের ৪ অক্টবর "স্পুটনিক” নামে প্রথম স্যাটেলাইট আকাশে পাঠায়। আমেরিকা তো পাইলো ভয়, মহাকাশে রাশিয়া যদি আধিপত্য বিস্তার করে ফেলে তাইলে তো ইজ্জত শেষ। আমেরিকান মহাকাশ গবেষনার তখন অবস্থা খারাপ, বেশ কয়েক টা রকেট মাটি থেকে উঠতে যেয়েই শেষ হয়ে যায়।

এদিকে আবার কথা উঠছে রাশিয়া নাকি চাদে মিসাইল বেস বানাবে, যখন তখন পৃথিবীর যেকোন যায়গা উড়ায় দেয়া সম্ভব চাদ থেকে, কেননা অত উপর থেকে একটা লোহা ফেললেও সেটার ভরবেগ ( ভরবেগ হচ্ছে কোন উচু যায়গা থেকে কিছু ফেলে দিলে সেটার নিচের দিকে পড়ার স্পিড প্রতি সেকেন্ডে ৯.৮ মিটার করে বাড়ে,  বস্তুটার ভর যত বেশী হবে, বেগ ও তত বেশী হবে , সো এই ভর আর বেগ এর গুনফল  হলো ভরবেগ ) এত বেশী থাকবে যে তারে থামাইতে যত মিসাইল ই ছুরুক, ওতার গতির আশে পাশেও যেতে পারবে না।  আমেরিকার তো মাথায় হাত, যেভাবে হোক রাশিয়া রে থামাতে হবে। এজন্য আমেরিকা করলো কি চাদে " এ্যাপোলো ১১" পাঠাইলো, সেখান কার ছবি আমরা দেখলাম, বাহাবা দিলাম। আসলেই কি গেছিলো ?  নাহ রে ভাই, এ্যাপোলা পাঠানো হইছিলো সত্য, বাট এগুলো কক্ষপথে ঘুরে আবার পৃথিবী তে নেমে আসে।

ভাই তাহলে চাদের যে ছবি দেখলাম ?

এখানেই কেরামতি রে ভাই, এই ভুয়া চাদ অভিজানের ছবি গুলো নেয়া হয় আমাদের এই এরিয়া ৫১ এর ভেতরে।

শিমুল ভাই চাপে মারে নাকি ?

নাহ, দেখেন

এই ছবি টা নাকি চাদের,

পরে স্যাটেলাইট থেকে এরিয়া ৫১ দেখার পর গর্ত টা পাওয়া গেলো এর ভিতরে

যাহোক এরকম হাজার টা প্রমান পাবেন চাদে যাওয়া টা যে ভুয়া আর শুটিং এরিয়া ৫১ এর ভেতরে করা হইছিলো তা নিয়া। এ নিয়ে পরে লিখবো।

পরে এরিয়া  ৫১ ব্যাবহার হয় গোপন গবেষনা কেন্দ্র হিসেবে। ড্রণ নামক রোবট বিমানের নাম তো শুনছেন, এর বেসিক ও নাকি এরিয়া ৫১ থেকে করা।

এরিয়া ৫১ এর খবর সাধারন মানুষ পায় ১৯৮৮ সালে তা তো শুরুতেই বললাম, এই কাজ টা করে রাশিয়া, স্যাটেলাইট দিয়ে এ অংশের ছবি তুলে প্রকাশ করে দেয় এর কথা। এখন তো আমাদের গুগলে ম্যাপ আছে, খানিক টা ধারনা নেয়া সম্ভব। Area 51 লিখে ৩৭১৪’৩৬.৫২” উত্তর অক্ষাংশ এবং ১১৫৪৮’৪১.১৬” পশ্চিম দ্রাঘিমাংশ (37°14’36.52″N, 115°48’41.16″W) এই স্থানাংক ব্যবহার করে গুগল আর্থের মাধ্যমে এলাকাটির ছবি দেখে নিতে পারেন।

এবার আরেক টপিক। কথিত আছে এরিয়া ৫১ তে নাকি ভিন গ্রহ বাসীদের সাথে বসে চা নাস্তা সারে আমেরিকা, 😛 না, আসলে ব্যাপার একটা গুজব, বলা হয় এখানে কোন এক সময় একটা UFO ল্যাণ্ড করে বা করতে বাধ্য হয়, পরে এখন পর্যন্ত নাকি সেটারে নিয়া গবেষনা করা হইতেছে, কোন প্রমান অবশ্য পাওয়া যায় নাই এ কথা। তবে এরিয়া ৫১ তে কাজ করছেন এমন এক লোক বাইরে এসে এ কথা জানানোর পর অবশ্য বেশ হই চই পড়ে যায় ব্যাপার টা নিয়া, তিনি জানান এরিয়া ৫১ তে নাকি একটা এ্যালিয়েন এর ডেড বডি ও আছে। আর এলিয়েন দের স্পেস শীপ টাও নাকি এখানে আছে। দেখেন গুজবের ফল >

মজার ব্যাপার হলো UFO এ পর্যন্ত যত গুলা দেখা গেছে তার বেশির ভাগ ই এই এলাকার আশেপাশে, ধারনা করা যায় সেগুলো আসলে অন্য কিছু না, নতুন কোন প্রযুক্তির পেন হতে পারে, যা এরিয়া ৫১ তে টেস্ট করা হচ্ছিলো।

এক সময় আমেরিকান সরকার মুখ খুলে, তাদের কথা অনুযায়ী এরিয়া ৫১ তে সামরিক বিমানের পরীক্ষা চালানো হয়। তবে এখানে অন্যান্য অস্ত্র এমনকি পারমাণবিক পরীক্ষাও চালানো হয় বলে শোনা যায়। এখানে বিমান ওড়ানোর জন্য রানওয়ে, বিমান রাখার হ্যাঙ্গার (বিশেষ ছাউনি) ছাড়াও গবেষণাগার রয়েছে। তা অবশ্য আমরা এখন দেখতেই পাই , হেতেরা না কইলেও জানতাম।

area-51-2

এরিয়া ৫১ এর ভবনগুলোয় জানালা নাই এবং বিমানের পরীক্ষামূলক উড্ডয়নের সময় কর্মীদের ঘরের ভেতর "আটকে" রাখা হয় যাতে তারা উড্ডয়ন দেখতে না পারে কি হইতেছে বাইরে। এক গ্রুপের বিজ্ঞানী বা কর্মী অন্যদের সম্পর্কে কিছুই জানে না।  সো খবর লিক হইলেও খুব বেশী বাইরে আশার কথাও না। এ হে এটা কই তাই তো বলি না, এটি আমেরিকার লাস ভেগাস থেকে ৯০ কিমি দূরে, এলাকাটার আয়তন ২৬,০০০ বর্গকিলোমিটার।

যতকিছুই হোক, এরিয়া ৫১ নিয়া অনেক গল্প হইছে, অনেকে এ নিয়া অনেক কিছু বানাইছে,এমন কি সিনেমাও হইছে, বাট অবাস্তব কিছু নাই এখানে। এটা একটা সিক্রেট সামরিক ঘাটি, গোপনে রাখা হয়, এতো, আর মানুষ যে তিল রে তাল বানায়া কি করে তা তো সবাই জানেন। সো আতংকে থাকার দরকার নাই, আরো বড় কথা এ ধরনের গোপন সামরিক ঘাটি আমেরিকার কতগুলা আছে তাও কেউ জানে না, এটা প্রকাশ হয়ে গেছে তাই আমি আজকে টিউন করতে পারলাম।

ধন্যবাদ, লেখাটা এর আগে আমার সাইট ফাজলামী ডট কম এ প্রকাশিত। আর ফেসবুকেও আমাকে বন্ধু করতে পারেন।

Level New

আমি শিমুল শাহরিয়ার। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 8 বছর 11 মাস যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 90 টি টিউন ও 497 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 1 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 0 টিউনারকে ফলো করি।

আমার সম্পর্কে আমি নিজেও খুব বেশী একটা জানি না । তাই কিছু বলার/লিখার সাহস পেলাম না , আমার সাইট http://www.fajlami.com


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস

তার মানে আমরা স্কুলে বোর্ড বইয়ে যে পরসিলাম চাদে মানুষ গেসে সেইডা ভুল ?? 😮

খুবি গুরুত্ব পূর্ণ কথা জানলাম……।
তাহলে না জানে এখনও কত ধোকা দিয়ে আসছে মানুষকে ……।।

    @Rihdoy Islam: আজ রাতে সুযোগ পেলে লিখে ফেলবো চাদে যাওয়ার ধোকা বাজি নিয়ে বিস্তারিত। আপনাকে ধন্যবাদ

      @শাহরিয়ার শিমুল:আপনাকে ধন্যবাদ

ভাই , মুভিটার নাম কি ?? বের হইছে ??

ভাই মনে হয় আমার মত ফাটাইয়া ডিস্কাভরি আর হিষ্ট্রি চ্যনেল দেখেন

Level 0

“এদিকে আবার কথা উঠছে রাশিয়া নাকি চাদে মিসাইল বেস বানাবে, যখন তখন পৃথিবীর যেকোন যায়গা উড়ায় দেয়া সম্ভব চাদ থেকে, কেননা অত উপর থেকে একটা লোহা ফেললেও সেটার ভরবেগ ( ভরবেগ হচ্ছে কোন উচু যায়গা থেকে কিছু ফেলে দিলে সেটার নিচের দিকে পড়ার স্পিড প্রতি সেকেন্ডে ৯.৮ মিটার করে বাড়ে, বস্তুটার ভর যত বেশী হবে, বেগ ও তত বেশী হবে , সো এই ভর আর বেগ এর গুনফল হলো ভরবেগ ) এত বেশী থাকবে যে তারে থামাইতে যত মিসাইল ই ছুরুক, ওতার গতির আশে পাশেও যেতে পারবে না। ”
১।চাদ থেকে ফেলে দেওয়া নামে কিছু নাই , যেমন আপনি পৃথিবী থেকে চাঁদের উদ্দেশ্যে কিছু ফেলতে পারবেন না।
২।গ্রাভিটি পৃথিবীর বাইরে নাই।”প্রতি সেকেন্ডে ৯.৮ মিটার” শুধু পৃথিবীর কাছে আসার পর প্রযোজ্য । পৃথিবী পর্যন্ত মিসাইল কে আসতে হবে নিজের শক্তিতে বা ভরবেগে যা নিক্ষেপের সময় প্রয়োগ করতে হবে।

“ভাই তাহলে চাদের যে ছবি দেখলাম ?
এখানেই কেরামতি রে ভাই, এই ভুয়া চাদ অভিজানের ছবি গুলো নেয়া হয় আমাদের এই এরিয়া ৫১ এর ভেতরে।
শিমুল ভাই চাপে মারে নাকি ?”

১।তাদের দেশের যাদুঘর এ চাঁদের শিলা আছে যা পৃথিবীর কোথাও নাই ।
২।অভিযাত্রীরা চাঁদে একটি প্লেট রেখে আসেন যার কারনে চাঁদের একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে infrared নিক্ষেপ করলে তা প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসে।

আমি physics তেমন পারি না । যা লেখলাম তা গল্পের বই হইতে অর্জিত knowledge।সুতরাং ভুল হইতে পারে।
জুলভার্ন এর এক গল্পে পৃথিবী থেকে চাঁদে গোলা নিক্ষেপ করা হয়।

    @tuhinbc: ভাইয়া, আপনার ভেবে চিন্তে করা টিউনমেন্ট এর জন্য ধন্যবাদ।
    “১।চাদ থেকে ফেলে দেওয়া নামে কিছু নাই , যেমন আপনি পৃথিবী থেকে চাঁদের উদ্দেশ্যে কিছু ফেলতে পারবেন না।
    ২।গ্রাভিটি পৃথিবীর বাইরে নাই।”প্রতি সেকেন্ডে ৯.৮ মিটার” শুধু পৃথিবীর কাছে আসার পর প্রযোজ্য । পৃথিবী পর্যন্ত মিসাইল কে আসতে হবে নিজের শক্তিতে বা ভরবেগে যা নিক্ষেপের সময় প্রয়োগ করতে হবে।”
    একটা মিসাইল রে ছুরে ফেলা হবে তা কেনো ভাবতে যাবে বিশ্বের সেরা যুদ্ধ এক্সপার্ট রা , মিসাইল তার নিজের শক্তিতেই বায়ুমন্ডলে ঢুকবে, তাকে অবশ্যি ঘর্ষনজনিত তাপ সহ্য ক্ষমতা সম্পন্ন হতে হবে। একটা রকেট কে চাদে পাঠানো গেলে মিসাইল কে কেনো যাবে না, খরচের দিক টা নিয়ে আমরা না ভাবি, কেমন ?

    “”১।তাদের দেশের যাদুঘর এ চাঁদের শিলা আছে যা পৃথিবীর কোথাও নাই ।
    ২।অভিযাত্রীরা চাঁদে একটি প্লেট রেখে আসেন যার কারনে চাঁদের একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে infrared নিক্ষেপ করলে তা প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসে।””
    আপনার ক্যামিস্ট্রি তে ভালো নলেজ থাকলে এক নম্বর কমেন্ট করতেন না। যাহোক যদি থেকেও থাকে, একটা বর্তমান সময়ের ঘরের কাজ করে এমন রোবট দিয়েও আনা সম্ভব, আপনারে যেতে হবে কেন ? প্লেট টাই বা রেখে কেনো আশা যাবে না তাও ভেবে দেখবেন। আপনাকে মনে রাখতে হবে সেটা ৬০ এর দশকে। আমি এ নিয়ে একটা বিস্তারিত আর্টিকেল লিখবো। একটু লক্ষ্য করবেন কষ্ট করে, ঠিকাছে ?

ভাইয়া, আপনার ভেবে চিন্তে করা টিউনমেন্ট এর জন্য ধন্যবাদ।
“১।চাদ থেকে ফেলে দেওয়া নামে কিছু নাই , যেমন আপনি পৃথিবী থেকে চাঁদের উদ্দেশ্যে কিছু ফেলতে পারবেন না।
২।গ্রাভিটি পৃথিবীর বাইরে নাই।”প্রতি সেকেন্ডে ৯.৮ মিটার” শুধু পৃথিবীর কাছে আসার পর প্রযোজ্য । পৃথিবী পর্যন্ত মিসাইল কে আসতে হবে নিজের শক্তিতে বা ভরবেগে যা নিক্ষেপের সময় প্রয়োগ করতে হবে।”
একটা মিসাইল রে ছুরে ফেলা হবে তা কেনো ভাবতে যাবে বিশ্বের সেরা যুদ্ধ এক্সপার্ট রা , মিসাইল তার নিজের শক্তিতেই বায়ুমন্ডলে ঢুকবে, তাকে অবশ্যি ঘর্ষনজনিত তাপ সহ্য ক্ষমতা সম্পন্ন হতে হবে। একটা রকেট কে চাদে পাঠানো গেলে মিসাইল কে কেনো যাবে না, খরচের দিক টা নিয়ে আমরা না ভাবি, কেমন ?

“”১।তাদের দেশের যাদুঘর এ চাঁদের শিলা আছে যা পৃথিবীর কোথাও নাই ।
২।অভিযাত্রীরা চাঁদে একটি প্লেট রেখে আসেন যার কারনে চাঁদের একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে infrared নিক্ষেপ করলে তা প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসে।””
আপনার ক্যামিস্ট্রি তে ভালো নলেজ থাকলে এক নম্বর কমেন্ট করতেন না। যাহোক যদি থেকেও থাকে, একটা বর্তমান সময়ের ঘরের কাজ করে এমন রোবট দিয়েও আনা সম্ভব, আপনারে যেতে হবে কেন ? প্লেট টাই বা রেখে কেনো আশা যাবে না তাও ভেবে দেখবেন। আপনাকে মনে রাখতে হবে সেটা ৬০ এর দশকে। আমি এ নিয়ে একটা বিস্তারিত আর্টিকেল লিখবো। একটু লক্ষ্য করবেন কষ্ট করে, ঠিকাছে ?

আমি আপনার দুটো লেখাই পড়লাম। বেসিক সায়েন্সে এ আপনার দক্ষতার ঘাটতি আছে। বেশ কিছু কথা বানিয়ে বলেছেন যার আগামাথা নেই। যেমনঃ

১. চাদে মিসাইল বেস বানানো টপিকঃ পুরাই মনগড়া থিউরী আপনার। চাদ তো দূরে থাক পৃথিবীর নিকটতম স্যাটেলাইট বেস স্টেশনে মিসাইল বসালোও তা আপনা আপনি পড়বেনা। ফিজিক্স এর বেসিক গ্রাভিটেশন উপর আপনার আরো পড়া উচিত অন্তত হাতের কাছে ক্লাস নাইন-টেনের বই থাকলে ওটাই পড়ুন।

২. চাদে মানুষ যায়নাইঃ এটা পুরান ক্যাচাল যা “Moon landing conspiracy theories” নামে পরিচিত যেটা মূলত ভুয়া। USA সরকার চাদে যেতে মোট খরচ করে ৩০ বিলিয়ন ডলার যা বাংলাদেশী টাকায় ২৪০০ কোটি টাকা। আর রকেট কলম সাইজের কোন বস্তু নয় যে পকেটে লুকিয়ে রাখবেন। রকেট কোনদিক গেল কই গেল তা সবাই ট্রাক করতে পারে, তাই রকেট চান্দে গেল নাকি মঙ্গলে গেল তা USA লুকায় রাখলেও তাদের প্রতিপক্ষ সোভিয়েত ইউনিয়ন ফায়াটা দিত। এরিয়া ৫১ এ শুট্যিং করলে ২৪০০ কোটি টাকাও লাগতো না আর সোভিয়েত ইউনিয়নও চুপ থাকত না।

এই হোক্সের ব্যাপারে ডিসকভারী চ্যানেল একটি অনুসন্ধান চালায় এবং চাদ থেকে আনা পাথরগুলো ল্যাবে পরীক্ষা করে। সেগুলোতে থাকা টাইটেনিয়ামের মাত্রা পৃথিবীর পাথরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এছাড়া ডিসকভারীর টেক টিম চাদের ভিডিওর মত ফেক ভিডিও তৈরী করতে চেষ্ঠা করে ব্যর্থ হয়। কারণ চাদের ১/৬ গ্রাভিটিতে শরীর যেভাবে ভারহীন হয় পৃথিবীতে তা হয়না। স্পেশাল ইফেক্ট দিয়ে বানালেও তা ধরা পড়ে।

আাাাাাাাাাাামি কিছই বল্লাম না