আজকের গল্পঃ আয়নাঘর রহস্য

আজকের গল্পঃ আয়নাঘর রহস্য।
লেখকঃ মোহাম্মাদ আসাদুজ্জামান শুভ। (ঋতুরাজ)

বাংলাদেশে বর্তমান প্রচলিত বড় সমস্যা হচ্ছে আয়নাঘর। অথবা, বলা যায় এটি বাংলাদেশের একটি রহস্য। আসলে আমরা এটি কে যে ভাবে জানি, আসলেই কি তাই! এর জন্য আমাদের সর্বপ্রথম জানতে হবে যে, চিকিৎসা বিজ্ঞান। আমার পর্যবেক্ষনে, বর্তমান ডাক্তার বলতে বুঝায় নাটক, সিনেমা ও থিয়েটার এর পরিচালক ও তার অভিনেতা এবং অভিনেত্রী। পূর্বে এমনটি কিন্তু ছিল না। পূর্বে ডাক্তার বা চিকিৎসকরা পরিচালিত হতো হেকিম দের দিয়ে। হেকিম বলতে আসলে বুঝায় যে, সেই সব চিকিৎসক যারা কোরান এবং হাদিস থেকে শিক্ষা পেয়ে চিকিৎসা করেন। আধুনিকতার ছোঁয়ায় আমাদের ইসলাম ধর্মের অনুসারীরা পথভ্রষ্ট। বিদেশে মুসলিমদের নিয়ে কি হয়েছে, তা আমরা খবরের মাধ্যমে অনেকটাই জানি কিন্তু আমরা জানবো বাংলাদেশ নিয়ে। চিকিৎসক এবং হেকিমের মধ্যে পার্থক্য কি! এই প্রশ্নটার সমাধান দিচ্ছি। এক কথায় হেকিম বলতে, কোরান এবং হাদিসের বাক্য। আসলে মৃত্যুটা থাকে ঠিক হৃদয় বা মনে। যা আসলে স্পর্শ করা যায় না। ঠিক কম্পিউটার বা স্মার্টফোনের সফটওয়্যারের মতো। সফটওয়্যার কিন্তু শুধুই একটি ভাষা। যে ভাষা দিয়ে দৃশ্য তৈরি থেকে অনেক কিছু করা যায়। তাহলে, আমরা যে জানি যে কম্পিউটার, স্মার্ট ফোন বর্তমান যুগের সেরা সৃষ্টি! তা আসলে সঠিক নয় এবং কম্পিউটার ও স্মার্ট ফোন আধুনিকতার কিছু নয়। কম্পিউটার, ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন অনেকটা আল্লাহর পক্ষ হতে আসা সাক্ষীর ন্যায়। তা এসেছে, হযরত সোলাইমান (আঃ) এর অস্তিত্বের প্রমাণ দিতে। যা আসলে অতিক্ষুদ্র ও নগণ্য। মহানবী (সাঃ) এর ব্যাপারেও জানবো। সেটি ও তার জ্ঞান এর পরিধি সহ। মহানবী (সাঃ) যখন মেরাজে গিয়েছিলেন, তখন তিনি সপ্ত আসমান অতিক্রম করে আল্লাহর কাছে পৌঁছেছিলেন। অনেক বিধর্মি ও নাস্তিকের প্রশ্ন হতে পারে, এটি আমরা জানি ও সাধারণ বিষয়। আবার অনেকে বলেছে, তা মিথ্যে (নাউজুবিল্লাহ)। সোলাইমান আঃ এর অস্তিতের প্রমাণ এখন তারা পেয়েছে কম্পিউটার ও স্মার্ট ফোন ও ইন্টারনেট এর সৃষ্টি দেখে। এবার যদি কম্পিউটার ও ইন্টারনেট এর মতো বা স্মার্টফোনের মতো সাক্ষী হাজির করা হয়, তবে আমার মতে কেয়ামতে নয়, দুনিয়াতেই তারা ইয়া নফসি ইয়া নফসি বলতে বলতে শেষ হয়ে যাবে। কারণ, নবীজীর উম্মতদের জন্য প্রমাণ, কম্পিউটার ও ইন্টারনেট এবং স্মার্ট ফোন। কারণ, বিধর্মি, নাস্তিক, কাফেরেরা অবিশ্বাস করে আল্লাহ ও নবী রসুলদের অবিশ্বাস করেছে এবং তারা প্রতিনিয়ত হেরে যাচ্ছে ও আফসোস করছে এবং ফিরতে চেয়েও ফেরার কোন রাস্তা বা পথ তাদের নেই। অপরদিকে, মহানবী (সাঃ) এর সপ্ত আসমান ভ্রমণ এর কাহিনী কতটা প্রয়োজনীয়, তা আপনাদের জানাচ্ছি। প্রথম আসমান এর থেকে দ্বিতীয় আসমান প্রথম আসমান এর তুলনায় অনেক অনেক বড়। এভাবে একটির পর একটি বড়। এবার আসি, প্রথম আসমানে, প্রথম আসমানের পৃথিবী থেকে খুব কাছের নক্ষত্রেদের কথা বলি। কিছু নক্ষত্র আছে যার আলো আলোর গতিতে ছোটার পরেও এবং ছুটছে তো ছুটছেই পৃথিবীর দিকে কিন্তু তার আলো এখনও পৃথিবীতে এসে পৌঁছেনি। সুবাহানাল্লাহ, আল্লাহর সৃষ্টি কতোই না সুন্দর। তা হলে দ্বিতীয় আসমানে কি আছে! তারপর, তারপর.। তাই নবীজিকে প্রমাণের জন্য কোন কিছুরই আমাদের প্রয়োজন নেই। তাইতো আমরা বিশ্বাসী। অপরদিকে, আল্লাহ ও মহানবীকে অবিশ্বাস করে প্রমাণ খুঁজতে ব্যস্ত কিছু নাস্তিক। রকেট, মহাকাশ গবেষণা ইত্যাদি তাদের কর্ম। সবথেকে মজার ব্যাপার কি জানেন! আপনি মহাকাশ গবেষণায় তাদের সাথে যুক্ত হতে পারবেন না, যতক্ষণ না আপনি একজন অবিশ্বাসী হিসেবে তাদের প্রমাণ দেন। বিনিময়ে, তারা টাকা পাবে, অর্থ পাবে। দুনিয়াতে তারা নানা ধরনের জিনিস পাবে ঠিক নমরুদ বা সাদ্দাদ এর বেহেস্তের ন্যায়। কিন্তু তারা শুধুই বিষাক্ত অনুভূতি নিয়ে ঘুরবে এবং তা হচ্ছে বিশ্বাস এবং অবিশ্বাসের যুদ্ধে। এবার এরি ধারবাহিকতায় আমরা ফিরবো আয়না ঘরে। আয়নাঘর কি আসলেই কুত্তী হাসিনার তৈরি (হাস বা হাসা বললাম না। কারণ হাস বা হাসার মাংস হালাল এবং কুত্তীর মাংস ও ম্যানশো হারাম)! না, কারণ কুত্তী হাসিনা ছিল জাস্ট একজন দলাল। মাগির দালাল যেমন আছে, ঠিক তেমনি ইজরাইলের দালাল। ইজরাইল কিন্তু একটি দেশ নয়। ইজরাইল বলতে আসলে দুনিয়ায় তাদের তৈরি নকল জাহান্নামকে বুঝায়। তারা মূলত, আসমানী কিতাব সমূহ কে নিজের মতো করে সাজিয়ে মানুষের তৈরি করা বাস্তব রূপ দিয়ে নিজেরাই নিজেদের বিপদ এনেছে। তাদের গড, দেবতা, দেব দেবী পৃথিবীর সাধারণ মানুষ। তারা এমই পথভ্রষ্ট যে, তারা তাদের পরবর্তি প্রজন্ম কে সঠিক তথ্য জেনেও তাদের তা দিতে ব্যার্থ। কারণ, তারা যে জ্ঞানের বিপরিতের পথ দিয়ে হেটেছে এবং তার দূরত্ব এতো বেশি যে, সত্যি জেনেও তাদের আর সেখান থেকে ফেরা হয় না। এবার আসি ইজরাইল এর উৎপত্তি। মূলত মালাকুল মউত বা আজরাইল (আঃ) এর কাজ ও নাম অনুসারে তারা তাদের নাম দিয়েছে ইজরাইল। মূলত ইজরাইল এর গোষ্ঠির সাথে যুক্ত হতে পারে যে কেউ, যে কোন ধর্মের লোক এবং তারাই ইজরাইলের সাথে যুক্ত হতে পারে, যারা খুন বা হত্যা করতে সক্ষম। তারা তাদের এভাবেই বোঝায় যে, এটা তোমার মুক্তির পথ। এরপর ইজরাইলের সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের সার্কেল টার্গেট করা তাদের কর্ম এবং তাদের উপকারের নামে তাদের বন্দী করাই হচ্ছে তাদের লক্ষ্য এবং পেশা। যা আসলে হাজার হাজার বছর ধরে হয়ে আসছে। ইজরাইল বলতে ইহুদি। আবার তারা তাদের প্রাণ বাঁচানোর জন্য নিজেদের বনি ইজরাইল (মুসা আঃ) এর সময় কালের দাবি করে প্রয়োজনে। যা আসলে সত্যি নয়। এই বনি ইজ্রাইলের সাথে তুলনা করে ফেঁসে যায় অনেক মুসলিম। তাদের এরকমেই একটি ফাঁদে পা রেখেছিল পথভ্রষ্ঠ কুত্তী হাসিনা। তারপর একের পর এক ধাপে নিজেকে উন্নত করা ঠিক ফ্রীম্যাশন ও ইলুমিনাতি তে কর্মরত ব্যক্তিদের দারা। ফ্রীম্যাশনে কর্মরত ছিল, বিজ্ঞানী নিউটন, বিশ্ববিখ্যাত চিত্রশিল্পী লিওনার্দ দ্যা ভেঞ্চি সহ প্রাচীন কাল থেকে বর্তমান কালের অনেক প্রেসিডেন্ট, রাজনীতিবিদ সহ বহু মানুষ। ফ্রীম্যাশন ও ইলুমিনাতির মতো গুপ্ত সংগঠন এর মূল বাক্য হচ্ছে "এক কথায় পৃথিবী চলবে" বা ওয়ান ওয়ার্ল্ড ওয়ার্ডার। তারা দুনিয়াতে যেমন বেহেস্ত তৈরি করেছিলো, ঠিক তেমনি ভাবে দোজখ তৈরির খেলায় মত্ত ছিল। ঠিক ইব্রাহিম (আঃ) এর সময়েও আমরা তার প্রমাণ পাই। যাইহোক প্রিয় পাঠক বা পাঠিকা, আপনাদের প্রশ্ন আসতে পারে যে, একজন মুসলিম হয়ে আমি এসব জানলাম কি ভাবে! আজ থেকে বহু বছর আগে। সম্ভবত নামাজ পরে আল্লাহর কাছে চেয়েছিলাম এবং মনে মনে বা দোয়ায় বলেছিলাম " হে আল্লাহ, আমি একজন মুসলিম এবং অমুসলিম সমন্ধ্যে জানার ব্যাপারে আমার নিষেধাজ্ঞা আছে। একজন যুবক হয়ে এবং এতো বছর অতিবাহিত হয়ে তোমার সামনে যুক্তি পেশ করছি। বিশ্বস্ত সূত্রে জানি যে, শিক্ষা গ্রহণের উদ্দেশে যে কোথাও যাও। তারমানে, আমার অন্যান্য ধর্ম সমধ্যে জানার অধিকার আছে যদি তা শিক্ষার উদ্দেশে হয়। অতএব, তুমি আমাকে সকল ধর্মে ও নাস্তিকতায় প্রবেশের অনুমতি দাও যাতে সেখানে থাকা ব্যক্তিদের সঠিক পথ প্রদর্শন করতে পারি এবং সব অবাধ্যতার মাঝে যেয়ে জ্ঞান অর্জন শেষে নিজের কোরানে ফিরতে পারি। "আমিন"। যাইহোক, আমার সেই কঠিন যাত্রার বা পথ ভ্রমেনের একমাত্র সাক্ষী ছিলাম আমি ও আমার মন এবং অনুমতি নিয়েছিলাম আমার আল্লাহর কাছ থেকে। যাইহোক, আপনারা কখনো এই দুঃসাহসিকতা দেখাতে যাবেন না। কারণ তা, এতোটাই ভয়ংকর ও বীভৎস যা আসলে লিখে প্রকাশ করার মতো নয়। যাইহোক, এরপর মাঝখানে চলে গেছে কয়েক যুগ। তারপর সেই সব ইহুদি ও নাস্তিক দোজখের একটা বিষয় বানাতে বহু চেষ্টা করেছে যুগ যুগ ধরে। এর সাথেই আয়না ঘরের সম্পর্ক এবং তা হচ্ছে, দাজ্জাল। তারা চাইলেও দাজ্জাল নামক কিছু বানাতে পাচ্ছিলো না। দাজ্জালের অপেক্ষায় তাঁরা ছিল হাজার বছর ধরে। বর্তমানে তার একটি ডেমো চলছে। তারা, দাজ্জালকে বাস্তব রূপ দিতে সর্ব প্রথম বেছে নেয় এক চোখ বা ক্যামেরা। এরপর নজরদারির জন্য তাঁরা বেছে নেয় কম্পিউটার ও মোবাইল ফোন। কম্পিউটার ও মোবাইল ফোনে আপনার সমস্ত কথা ও ভিডিও তাদের কাছে পৌঁছে যায়। এছাড়াও ইলুমিনাতি ও ফ্রীম্যাশন সহ স্তর অনুযায়ী তাদের কাছে পৌঁছে যায়। এসমস্ত কর্ম করার জন্যই তাঁরা মূলত বেতন পায় এবং নিজেদের জীবিকা নির্বাহ করে। বাংলাদেশে মুসলিমদের মধ্যে তাদের সব থেকে বড় ভৃত্য হচ্ছে পি এইচ ডি ও ডক্টরাল ডিগ্রীধারী রা। ফ্রীম্যাশনের সর্বমোট ডিগ্রী ৩৩ টি। যার মধ্যে নগন্য হচ্ছে পি এইচ ডি ও ডক্টরাল ডিগ্রীধারী রা। কারণ তাদের কাজ কোথা থেকে আসে, তাঁরা নিজেরাও জানেনা। এমন সব ভুল কাজ করতে হয়, যা সাধারণ জনগণের সামনে আসলে নিশ্চিত ফাঁসি বা মৃত্যু। কারণ গোপনে অপরাধ করে (জেনে বা না জেনে) তাদের লেভেল সম্পন্ন করতে হয় এবং তার রেকর্ড তাদের কাছে ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষিত থাকে। যখন প্রায় ১৭/ ১৮ বছর ধরে তাদের নিয়ে জানা শেষ করলাম, তখন উম্মুক্ত হয়ে আসলো অনেক মানুষের বাস্তব রূপ ও চরিত্র। তাদের মধ্যে একজন হচ্ছে, কুত্তী হাসিনা ও তার কুলাঙ্গার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। কোরান হাদিসে আছে, নেককার সন্তানের গুরুত্ব। ঠিক একই ভাবে, বেইমান সন্তানের বা সন্তানদের কথা স্পষ্ট ভাবে লেখা আছে। কাফের মোশরেক ও বেইমানদের গোলামি ও চামচামি শুরু করেছিলো সজীব ওয়াজেদ জয়। তাদের ছিল চামচামোর বিরুদ্ধে ক্ষমতার লোভ। তাই, তারা হত্যার উদ্দেশ্যে সেইসব বেইমানের পথ অনুসরণ করে দেশে নিয়ে এসেছিল আয়না ঘর বা দাজ্জালের উপস্থিতি প্রমাণের সকল বিষয় বস্তু। তারা আসলে ভাবতো, এসব ভারতের শক্তি। কিন্তু সত্যিটা এই যে, ভারতের অর্ডার আসতো অজানা ও অচেনা কোথাও থেকে। পুর্বে আসতো টিভি থেকে এবং এখন আসে, ইন্টারনেট থেকে। তারা মুর্তি পূজা করতো। তাই টিভি বা ইন্টারনেটের ভিডিও বা ছবি বা নাটকে থাকা ব্যক্তিদের মুর্তির ব্যাখ্যা অনুযায়ী তাদের হুকুম আনুসরন করতো। আর একটা কথা বলা হয়নি। আপনার স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটার এর ডিসপ্লে তে আপনি কি দেখছেন বা কি করছেন তার উপর নজরদারীও আয়না ঘর এর উপস্থিতির জানান দেয়। এসব যদি ব্যাখ্যা না করতাম, তবে বুঝতেন না যে, কেন একজন মুসলিম যোদ্ধা হিজাব পড়া নারী সরাসরি মাইক্রোসফট এর প্রধানকে বলেছিল লাইভে, যে আপনি খুনি। মাইক্রোসফট খুন করতে সাহায্য করে। ভরা মজলিসে এটা বলে তিনি তার চাকুরী হারিয়ে বরং প্রমাণ দিয়েছেন যে, তিনি একজন প্রকৃত যোদ্ধা নারী। উপরের বিষয় যদি আপনাদের স্পষ্ট করে না বলতাম বা বুঝাতাম, তবে আপনার মাথায় এটা আসতো " কম্পিউটার মোবাইলফোন দিয়ে নাকি মানুষ হত্যা করা যায়"! যত সব বাজে কথা। এধরনের কথা যাদের মাথায় এখনও ঘুরপাক খাচ্ছে, তাদের বলছি " ধরুন আপনি একজন নারী অথবা এপনি একজন পুরুষ। ভিডিও কলে কথা বলছেন স্বামী এবং স্ত্রী। ধরুন, এমন কিছু ভিডিও ধারণ হলো যা আসলে ধারণ হওয়া উচিত নয়। এরপর আপনার কাছে, একটা মেইল বা মেসেজ আসলো। দেখতে পেলেন যে, কেউ একজন আপনার ভিডিওই আপনাকে দিয়েছে। যা আসলে কুরুচিপুর্ন। পরের বারে মেইল বা মেসেজ এলো " আগামীকাল এর মধ্যে ১ কোটি টাকা না দিলে অমুক ওয়েবসাইটে তা প্রকাশ করবো। মুখ দেখাতে পারবেন!" যাইহোক, এরপর দিন বা না দিন। শুরু হবে আপনার জীবনের ব্লু হোয়াইল নামক গেইমস এর মতো খেলা। যার শেষটা হচ্ছে আত্মহত্যা। এমন পরিস্থিতে পরলে, এখন হোয়াট হ্যাট হ্যাকারেই দিতে পারে আপনাকে এর সমাধান। আমার সমাধান, আপনারা প্লিজ এরকম পরিস্থিতে পরলে একটি টাকাও দিবেন না। এমনকি, কাউকেই জানাবেন না। তাদের সাহসীকতার সাথে মেসেজ দিন " আপনার ও যে কোন একজনের ছবি দিন, এই ভিডিওর মতো করেই বানিয়ে দিচ্ছি। " তারপর তার নাম্বারটি ব্লক করে দিন। একদম ঘাবড়াবেন না। ভঁয় পাবেন না এধরনের পরিস্থিতিতে। ঠিক এইধরনের (ব্লাকমেইল) ব্যবসা যাদের ছিল, তারা তৈরি করেছিলো আয়না ঘর। যেখানে অন্যের জীবন নিয়ে খেলাটাই ছিল তাদের নেশা ও পেশা। আয়নাঘরে একশ্রেণীর লোক থাকতো এবং তাদের মধ্যে এক শ্রেণী "সেই সব কাপুরুষ, যারা ব্লাকমেইল এর ভঁয়ে তাদের অত্যাচার মেনে নিতো। " আয়নাঘরে থাকা ব্যক্তিদের আমি কাপুরুষেই বলবো। কারণ, তারা মানুষের তৈরি দাজ্জালের কাছেই নিজেদের সমর্পন করেছিলো। নিজের জন্য বা তারপরিচিত কারো জন্য তারা আজ এই অন্যায়ের শিকার। তাই যেখানেই অন্যায় সেখানেই প্রতিবাদ। তবে, বোকার মতো প্রতিবাদ না হোক। হোক ন্যায় ভাবে প্রতিবাদ। এছাড়াও জুয়ারি যেমন বোঝেনা জুয়া খেলা ছাড়া এবং পাক্কা জুয়াড়ি যেমন খেলা পছন্দ করে, ঠিক তেমনি এক খেলা হচ্ছে আয়না ঘরেরও অংশ। কোথাও ক্যামেরায় লাইভ শো চলছে, আবার তার উপরে হাজার হাজার জুয়াড়ী বাজি ধরছে যে, ঠিক এরপর কি হবে এর উপর ভিত্তি করে। ঠিক গণক বা জ্যোতিষীর ন্যায়। ইসলাম ধর্মে স্পষ্ট করে বলা আছে, জাদুকর, গণক (জ্যোতিষী), ঘুষ খোর, নেশাখোর, পিতামাতা কে কষ্টদানকারীরা কখনও জান্নাত বা বেহেস্তে প্রবেশ করবে না। তারা অবিশ্বাসী জন্যই এসব খেলায় মত্ত ছিল বা আছে। যাদের কারও শেষ পরিণতি ভালো ছিল না। আল্লাহ তাদের কখনও প্রকাশ্যে আবার কখনও অপ্রকাশ্যে শাস্তি দেন। যাইহোক, পুর্বে দেখেছি "আমার লেখা ব্যাপক প্রতিবাদ সৃষ্টি করেছিলো" এবং আমি এও শিখেছি, টাকার বিনিময়ে কখনও প্রতিবাদ থেকে ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হয় না। যখন গুগল থেকে টাকা পেতাম, লাখ লাখ ভিউ হলেও তা ছিল জড় বস্তুর ন্যায়। কিন্তু যখন গুগল কে বাদ দিয়ে বা টাকা উপার্জনের চিন্তা বাদ দিয়ে লেখা শুরু করেছিলাম, তখন তার আউটপুট দেখে মনে মনে বলেছিলাম "হাউ ইটস পসিবল! আলহামদুলিল্লাহ"

ধন্যবাদঃ আমার নিজের বর্তমান ওয়েবসাইট।

Level 4

আমি মোহাম্মাদ আসাদুজ্জামান শুভ। Founder, Startostars.com, Rangpur। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 14 বছর 2 মাস যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 41 টি টিউন ও 39 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 3 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 8 টিউনারকে ফলো করি।


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস