ডিজিটাল মার্কেটিং কি? ডিজিটাল মার্কেটিং এর প্রয়োজনীয়তা এবং ভবিষ্যৎ

ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে যেন ডিজিটাল মার্কেটিং-এর চাহিদাও বেড়ে চলেছে। দিন দিন অনলাইন বিপণন জনপ্রিয় হয়ে ওঠার কারণগুলো হচ্ছে, প্রচলিত মার্কেটিং পদ্ধতির তুলনায় এতে খরচ কম হয়, সম্ভাব্য ও আগ্রহী ক্রেতাকে সরাসরি খুঁজে পাওয়া যায়, ক্রেতার বিশ্বাস অর্জন করা সহজ, ব্র্যান্ড মূল্য ও রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট বেশি, সহজেই গ্রাহকের চাহিদা অনুসরণ করা যায়, তাৎক্ষণিক ফল জানা যায়, সহজেই সুনির্দিষ্ট ক্রেতার কাছে পৌঁছানো যায়।

ডিজিটাল মার্কেটিং-এর নিয়ে আয় ও কাজের ক্ষেত্র বেশ বড়। চাইলে সুনির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে অভিজ্ঞ হয়ে ডিজিটাল মার্কেটিং-এ পেশা গড়া সম্ভব।

এমন তিনটি বিষয় তুলে ধরা হলো :

১। সার্চ ইঞ্জিন বিপণন :

সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং হচ্ছে বিপণন পদ্ধতি ও কৌশলের সমন্বয়, যা ব্যক্তি বা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের অনলাইন বিজ্ঞাপনকে গুগলের শীর্ষে নিয়ে আসে। যে দুটি প্রক্রিয়ায় কাজটি করা হয়, তার একটি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও) এবং অন্যটি পেইড সার্চ অ্যাড বা পিপিসি (পে-পার-ক্লিক)।

২। মিডিয়া বিপণন :

সামাজিক ব্যবসা–সংশ্লিস্ট ব্যক্তিরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে থাকেন। কারণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভিন্ন ভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করেই পণ্য বা সেবার প্রচারণা চালানো হয়। ফ্যান-ফলোয়ার, গ্রুপ, কমিউনিটিকে লক্ষ্য করেই গ্রাহকের কাছে পৌঁছানো যায়। গ্রাহককে নতুন সেবা বা সুবিধার কথা জানানোর পাশাপাশি প্রতিদ্বন্দ্বী পণ্যের বিশ্লেষণ, সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাড, প্রচারণা কৌশল—সবই করা হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে কেন্দ্র করে। এতে ন্যূনতম খরচে সর্বোচ্চ টার্গেটেড মার্কেটিং ও ব্র্যান্ডিং করা সম্ভব। তাই ডিজিটাল বিপণনকারীদের পছন্দের শীর্ষে অবস্থান করছে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমভেদে ভিন্ন ভিন্ন কৌশল অনুসরণ করা হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো হচ্ছে ফেসবুক, ইউটিউব, লিঙ্কডইন ইত্যাদি।

৩। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং :

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে একটি অনলাইন বিক্রয় কৌশল, যার মাধ্যমে পণ্য বা সেবার মালিক তার পণ্যকে নিজের ওয়েবসাইট বা ই-কমার্স সাইটে দেখায়। সেই পণ্য যদি অন্য কোনো সহযোগী তার নির্ধারিত চ্যানেলের মাধ্যমে বিক্রি করে বা প্রচার করে এবং সেই পণ্যটি যদি বিক্রি হয়, তবে যার মাধ্যমে পণ্যটি বিক্রি হলো, সে নির্ধারিত কমিশন পেয়ে থাকে। বিশ্বে অনেক প্রতিষ্ঠানই রয়েছে, যারা অ্যাফিলিয়েট সুবিধা দিয়ে থাকে, যার মধ্যে ক্লিক ব্যাংক ও আমাজন অ্যাফিলিয়েট সবচেয়ে জনপ্রিয়।

কাদের জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং :

যাঁরা ব্যবসায় শিক্ষা, ব্যবসায় প্রশাসন বিষয়ে পড়াশোনা করছেন, তাঁদের জন্য আকর্ষণীয় পেশা হতে পারে ডিজিটাল মার্কেটিং। চাইলেই যে কেউ এ কাজে ঘোরাতে পারেন নিজের ভাগ্যের চাকা। হতে পারেন আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী। শিক্ষাজীবনেই অর্জন করতে পারেন দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা। আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে নিজেকে যুক্ত করতে পারে ফ্রিল্যান্সিং বা মুক্ত পেশায়। করতে পারে আউটসোর্সিং। এ ছাড়া নিজ দক্ষতায় পেতে পারে দেশীয় স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে ভালো বেতনের চাকরি।

Level 0

আমি মিঃ সালভি। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 11 মাস 2 সপ্তাহ যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 3 টি টিউন ও 0 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 1 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 2 টিউনারকে ফলো করি।


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস