ম্যালভার্টাইজিং Malvertising কী? ম্যালভার্টাইজিং Malvertising থেকে বাঁচবেন কীভাবে?

Level 6
১ম বর্ষ, বগুড়া আজিজুল হক কলেজ, গাইবান্ধা

প্রিয় টিউন পাঠক বন্ধুরা, কেমন আছেন সবাই? আশাকরি ভালোই আছেন। বরাবরের মতো আজও নিয়ে এসেছি চমৎকার একটি টিউন। আশাকরি ভালো লাগবে। তো, চলুন কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক।

আপনি কী জানেন, ম্যালভার্টাইজিং কী? আপনি কী জানেন, কীভাবে ম্যালভার্টাইজিং থেকে নিজেকে রক্ষা করতে হয়? ওয়েল, না জেনে থাকলে আজ এই বিস্তৃত টিউনের মাধ্যমে ম্যালভার্টাইজিং সম্পর্কে যা কিছু জানা দরকার তা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেব ইনশাআল্লাহ।

ম্যালভার্টাইজিং কী?

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির এই যুগে আমরা প্রতিনিয়ত ইন্টারনেট ব্রাউজ করে থাকি। ইন্টারনেট ব্রাউজিং এর সময় আমরা একটা ঘটনা প্রায়ই খেয়াল করি যে, হঠাৎ করে একটা ওয়েবপেইজ ওপেন হয় এবং সেখানে লেখা থাকে যে আপনার ফোনটি অনেক গুলো ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে বা আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ড্যামেজ হয়ে গেছে এবং মোবাইল ফোনটি ভাইব্রেটও করতে থাকে এবং সেই সাথে লেখা থাকে ঠিক করার জন্য অ্যাপটি ডাউন-লোড করুন, অথবা রিপেয়ার বাটনে ক্লিক করুন। ক্ষতিকারক এই বিজ্ঞাপণ টিতে গতিশীল একটি সময় ও উঠতে থাকে এবং ফোনের ব্যাক বাটন ও কাজ করে না।

এরকম ভয়াবহ বিজ্ঞাপণ দেখে অনেকেই ভয় পেয়ে ক্লিক করে থাকে। আর এখানে এই ক্লিক করাই সবচেয়ে বড় ভুল। এই ধরনের অ্যাড গুলোই ম্যালভার্টাইজিং। এই অ্যাড গুলোতে ক্লিক করলেই আপনার ফোনে বা কম্পিউটারে ম্যালওয়্যার ইনপুট হয়ে যায়। ম্যালভার্টাইজিং হল এক ধরনের ক্ষতিকারক অনলাইন বিজ্ঞাপণ যা ম্যালিসিয়াস কোড ব্যবহার করে কম্পিউটার বা ফোনকে সংক্রমিত করে থাকে। এই ম্যালিসিয়াস কোডটি এমন একটা প্রোগ্রাম যা ইউজারকে বাধ্য করে লিংকটিতে ক্লিক করার জন্য এবং ম্যালভার্টাইজিং ডাউন-লোড করানোর জন্য বার বার অনন্য কৌশল অবলম্বন করে থাকে।

ম্যালভার্টাইজিং একটি ভয়ানক আক্রমণ যা ব্যবহারকারীর লগইন ডি-টেইলস, ক্রেডিট কার্ড নম্বর ও পরিচয় পত্র চুরি করে নিতে পারে। ম্যালভার্টাইজিং বিজ্ঞাপণ সম্পর্কে আপনার অভিজ্ঞতা থাকলে, ভবিষ্যতে ওয়েবসাইটে বিচরণের সময় আপনি এ ধরনের অ্যাড গুলোতে ক্লিক করা থেকে অবশ্যই বিরত থাকবেন। অর্থাৎ, আপনি অন্ততপক্ষে এই বিষয়টা ভালোভাবে বুঝবেন যে, কোন অ্যাড এ ক্লিক করা উচিত এবং কোন অ্যাড এ ক্লিক করা উচিত নয়। অর্থাৎ, আপনাকে অবশ্যই ওয়েবসাইট ভিজিট এবং বিজ্ঞাপণ এ ক্লিক করার সময় সর্বাধিক সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

কীভাবে ম্যালভার্টাইজিং সনাক্ত করবেন?

আমরা প্রতিনিয়ত ইন্টারনেট ব্রাউজিং এর সময় নানা ধরনের বিজ্ঞাপণ দেখতে পাই। এসবের মধ্যে সব বিজ্ঞাপনই তো আর ম্যালভার্টাইজিং নয়। ওয়েবসাইটে উপকারী বা ক্ষতিকর নয় এমন বিজ্ঞাপনও প্রদর্শিত হয়। উপরে যেরকমটা আমি বললাম, ম্যালভার্টাইজিং হল এক ধরনের অনলাইন বিজ্ঞাপণ যা কম্পিউটারে বা মোবাইলে ম্যালওয়্যার ছড়াতে এবং ডেটা চুরি করার জন্য ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম ডিভাইসে ইনপুট করে।

যদিও, বর্তমান সময়ে সব ধরনের ওয়েবসাইটে ম্যালিসিয়াস বিজ্ঞাপণ গুলো প্রদর্শিত হচ্ছে। তবে, এসব ম্যালিসিয়াস অ্যাডের সাথে অ্যাড কন্টেন্ট গুলোর কোন সম্পর্ক নেই। যখনই, কোন ইউজার এই ম্যালিসিয়াস অ্যাড গুলোতে ক্লিক করে, তখনই তাকে এমন এক ওয়েবসাইটে নিয়ে যাওয়া যে ওয়েবসাইট গুলো মূলত ম্যালওয়্যার হোস্ট করে এবং ব্যক্তিগত তথ্য কৌশলে চুরি করে থাকে।

যেহেতু এই ম্যালিসিয়াস অ্যাড গুলো আমাদের ক্ষতির উদ্দেশ্যেই তৈরি তাই অবশ্যই আমদেরকে এ ধরনের অ্যাড গুলো এড়িয়ে চলতে হবে। এজন্য আমি আপনাদেরকে প্রথমেই বলবো, অ্যাড গুলোতে ক্লিক করা ছেড়ে দিন। যেকোনো ভাবে অ্যাড গুলো ক্লোজ করুন। যে অ্যাড গুলো ভয় দেখানোর জন্য ফোন ভাইব্রেট করায় বা কম্পিউটার বিপ করায় সে অ্যাড গুলোতেও কখনোই ক্লিক করবেন না। অনেক সময় এ ধরনের ম্যালিসিয়াস অ্যাড গুলো বৈধ ওয়েবসাইটেও প্রদর্শিত হয়। তো, যেখানেই প্রদর্শিত হোক না কেন ক্লিক করা একদম নিষেধ।

আর যদি কোন বিজ্ঞাপণ ম্যালিসিয়াস কী না তা আপনি বুঝতে না পারেন অর্থাৎ, অ্যাডটি যদি সন্দেহের সৃষ্টি করে তাহলেও ক্লিক করার দরকার নাই। পরিশেষে, আমি বলবো আপনি আপনার ব্রাউজারে একটি অ্যাড ব্লকার ব্যবহার করুন। এটি আপনার ব্রাউজারকে ভালো মন্দ সব ধরনের অ্যাড প্রদর্শন করা থেকে বিরত রাখবে অর্থাৎ অ্যাড ব্লক করবে।

ম্যালভার্টাইজিং এর প্রকারভেদ

দিন দিন ওয়েবসাইটে ম্যালভার্টাইজিং অ্যাড গুলোর পরিমাণ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এবং সবার ম্যালভার্টাইজিং সম্পর্কে জ্ঞান না থাকার কারণে প্রতিনিয়ত হাজারো মানুষ ম্যালভার্টাইজিং এর শিকার হচ্ছে। ম্যালভার্টাইজিং এর শিকার যেকোনো ব্যবহারকারী হতে পারে। তবে যারা অনলাইন শপিং করে বা অনলাইনে ব্যাংকিং এবং নানা ধরনের আর্থিক সার্ভিস ব্যবহার করে তারাই বেশি ম্যালভার্টাইজিং এর শিকার হয়।

এ থেকে বাঁচতে অবশ্যই আমাদেরকে ম্যালভার্টাইজিং সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান রাখতে হবে। যদিও ম্যালভার্টাইজিং অ্যাডগুলো চিহ্নিত করা অনেকটাই কঠিন এবং এড়ানোও প্রায় অসম্ভব ব্যাপার, তবুও বেশ কিছু উপার আছে যেগুলো অনুসরণ করলে আপনি ম্যালভার্টাইজিং থেকে নিজেকে বাঁচাতে পারবেন। ম্যালভার্টাইজিং এর বেশ কয়েকটি প্রকার রয়েছে। নিচে এগুলো সম্পর্কে এক এক করে আলোচনা করা হলো।

১. ড্রাইভ-বাই ডাউনলোড

ম্যালভার্টাইজিং এর প্রকার গুলোর মধ্যে ড্রাইভ-বাই ডাউন-লোড ম্যালভার্টাইজিং অন্যতম। এটি একটি সাধারণ ম্যালভার্টাইজিং তবে ইহা কোন কিছুতে ক্লিক করা ছাড়াই আপনার কম্পিউটার বা স্মার্টফোনকে সংক্রমিত করতে পারে। ম্যালওয়্যার দ্বারা সংক্রমিত হয়েছে এমন ওয়েবসাইট গুলোতে বিচরণের সময় আপনি এ ধরনের আক্রমণের শিকার হতে পারেন। এক্ষেত্রে ম্যালওয়্যার গুলো প্রথমে ব্রাউজারে দুর্বলতা খুঁজে বের করে এবং এই দুর্বলতা ব্যবহার করে কম্পিউটার বা স্মার্টফোনে প্লাগ-ইন গুলোকে কম্পিউটারে বা মোবাইলে ডাউন-লোড এবং ইন্সটল করে। ফলে আপনার কম্পিউটারটি ভাইরাস বা ট্রোজান বা বিভিন্ন ধরনের ম্যালওয়্যার দ্বারা সংক্রমিত হয়। তাই, ম্যালিসিয়াস ওয়েবসাইট গুলোতে বিচরণ এড়িয়ে চলুন।

২. রিডাইরেক্টস

ম্যালভার্টাইজিং গুলোর মধ্যে রিডাইরেক্টসও এক ধরনের অন্যতম ম্যালভার্টাইজিং। এটিও আপনাকে কোন ধরনের ক্লিক ছাড়াই ম্যালিসিয়াস যুক্ত ওয়েবসাইটে পৌঁছে দেবে। ম্যালওয়্যারটি আপনার ব্রাউজারের দুর্বলতার মাধ্যমে প্লাগ-ইন করে আপনাকে একটা ম্যালিসিয়াস ওয়েবসাইটে রিডাইরেক্ট করবে। রিডাইরেক্ট এর ফলে আপনি কোন ফিশিং বা স্ক্যামিং ওয়েবসাইটেও পৌঁছে যেতে পারেন। এ ধরনের ম্যালভার্টাইজিং এর শিকার হওয়ার পূর্বেই ওয়েবসাইট ওপেনিং ক্লোজ করুন। প্রয়োজন হলে ব্রাউজার ক্লোজ করুন এবং তারপরে পুনরায় ওয়েবসাইটটিতে বিচরণ করুন।

৩. ফেইক অ্যাড

ম্যালভার্টাইজিং এর আওতাভুক্ত আরেক ধরনের ম্যালভার্টাইজিং হল ফেইক অ্যাড। এটি মূলত একধরনের অনলাইন বিজ্ঞাপণ যা দেখে অনেকটাই বৈধ বিজ্ঞাপণ মনে হয়। কিন্তু এটা কখনোই বৈধ বিজ্ঞাপণ নয়। ম্যালভার্টাইজিং কৌশল গুলোর মধ্যে ফেইক অ্যাড একটি ইউনিক কৌশল। সাধারণত ম্যালওয়্যার দ্বারা সংক্রমিত ওয়েবপেইজ গুলোতে এ ধরনের আক্রমণের শিকার হতে পারেন।

এক্ষেত্রেও ম্যালওয়্যারটি ব্রাউজারের সিকিউরিটি সংক্রান্ত দুর্বলতার মাধ্যমে প্লাগ-ইন পদ্ধতিতে আপনার সামনে একটি ভুয়া অ্যাড প্রদর্শন করে। ফেইক অ্যাড গুলোতে ক্লিক করলেই আপনার কম্পিউটার বা স্মার্টফোন ম্যালওয়্যার দ্বারা সংক্রমিত হতে পারে। আপনাকে ম্যালিসিয়াস যুক্ত ওয়েবসাইটে প্রবেশের জন্য বাধ্য করা হতে পারে। এবং অটোমেটিক ম্যালওয়্যার ডাউন-লোড ও তথ্য চুরির মতো সমস্যার শিকার হতে পারেন। তাই যথাসম্ভব ফেইক অ্যাড এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। ফেইক অ্যাড সনাক্ত করতে না পারলে, সব ধরনের বিজ্ঞাপণ এড়িয়ে চলুন।

৪. ক্লিকজ্যাকিং

ম্যালভার্টাইজিং গুলোর মধ্যে অন্যতম আর একটি ম্যালভার্টাইজিং হল ক্লিকজ্যাকিং। এটি আপনাকে কোন নির্দিষ্ট লিংক এ ক্লিক করানোর জন্য নানা ধরনের কৌশল অবলম্বন করবে এবং কখনো কখনো বৈধ অ্যাডের ছদ্মবেশে আপনার সামনে প্রদর্শিত হবে। অর্থাৎ, অ্যাডটিকে আপনার কাছে ইনোসেন্ট বা নিরাপদ মনে হবে। কোন সন্দেহ নেই যে, ক্লিক করা মাত্রই সাইবার প্রতারণার শিকার হবেন।

ম্যালওয়্যারটি ব্রাউজারের সিকিউরিটি সংক্রান্ত দুর্বলতার মাধ্যমে প্লাগ-ইন ব্যবহার করে একটি বা বেশ কয়টি লিংক প্রদর্শন করবে। লিংকটি দেখে মনে হবে আপনি আসলেই যে লিংকটিতে যেতে চান সেটাই। কিন্তু ক্লিক করা মাত্রই আপনি উপস্থিত হবেন একটি ম্যালিসিয়াস যুক্ত ওয়েবসাইটে। ক্লিকজ্যাকিংও আপনার কম্পিউটারে ম্যালওয়্যার ডাউন-লোড ও ইন্সটল এবং সেই সাথে তথ্য চুরির মতো কাজ সহজেই করতে পারে। তাই ক্লিকজ্যাকিং থেকে বাঁচার চেষ্টা চালাতে হবে এবং ক্লিকজ্যাকিং থেকে বাঁচার উপায় জানতে হবে।

কিভাবে আপনার কম্পিউটারকে ম্যালভার্টাইজিং থেকে বাঁচাবেন

এতক্ষণ টিউনটি পাঠ করে আপনারা হয়তো নিশ্চয়ই বুঝেছেন যে, ম্যালভার্টাইজিং কম্পিউটার এবং মোবাইল ইউজারদের জন্য ক্ষতিকর অ্যাড প্রদর্শন করে। কম্পিউটার সিকিউরিটির ক্ষেত্রে, হতে পারে এই ম্যালভার্টাইজিং বড় একটা হুমকি। এগুলো আমাদের কম্পিউটারকে ক্ষতিকর ম্যালওয়্যার, ভাইরাস, স্পাইওয়্যার ও বিভিন্ন ম্যালিসিয়াস সফটওয়্যার দ্বারা সংক্রমিত করে থাকে।

এটা আপনাকে ভুয়া বিজ্ঞাপণে ক্লিক এর মাধ্যমে ম্যালিসিয়াস যুক্ত ওয়েবসাইটে নিয়ে গিয়ে ব্যক্তিগত গুরুত্বপূর্ণ ইনফরমেশন গুলো চুরি করে নিতে পারে। তাই আমদেরকে অবশ্যই ম্যালভার্টাইজিং থেকে দূরে থাকতে হবে। ম্যালভার্টাইজিং থেকে নিজেকে বাঁচাতে আমাদের যা করা উচিত:

১. অপারেটিং সিস্টেম সর্বদা আপডেট রাখা

ডিভাইসের অপারেটিং সিস্টেম সর্বদা আপডেট রাখতে হবে। এবং ব্যবহৃত সফটওয়্যার গুলোও আপডেট রাখতে হবে। ফলে সিকিউরিটি সংক্রান্ত দুর্বলতার হ্রাস ঘটবে।

২. সর্বদা আদর্শ অ্যান্টি-ভাইরাস ইন্সটল রাখা

ডিভাইসে সর্বদা আদর্শ অ্যান্টি-ভাইরাস ইন্সটল রাখতে হবে এবং এটাকেও আপডেট রাখতে হবে। অ্যান্টি-ভাইরাস ব্যবহারের ক্ষেত্রে পেইড অ্যান্টি-ভাইরাস অধিক সুরক্ষা নিশ্চিত করে।

৩. সন্দেহজনক অ্যাড ক্লিক এড়িয়ে চলা

সন্দেহজনক অ্যাড ক্লিক এড়িয়ে চলতে হবে। দরকার না থাকলে কোন অ্যাড এই ক্লিক করার দরকার নেই। সম্ভব হলে অ্যাড ব্লকার ব্যবহার করবেন।

৪. অজানা ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করতে সতর্ক থাকা

অজানা ওয়েবসাইট থেকে সফটওয়্যার, কোন প্রোগ্রাম বিনামূল্যের হলে তা ডাউনলোড করার সময় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

৫. অজানা সোর্সের ইমেইলে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকা

অজানা কোন সোর্স থেকে ইমেইল ম্যাসেজ আসলে তা ক্লিক করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

যদি কখনো আপনার কম্পিউটার ম্যালওয়্যার দ্বারা সংক্রমিত হয়, তাহলে আপনি অ্যান্টি-ভাইরাস স্ক্যান চালিয়ে সমস্যা ফিক্স করতে পারেন। সমস্যা যদি ফিক্স না হয়, তাহলে প্রফেশনাল অভিজ্ঞ কারো কাছে থেকে ঠিক করে নেবেন।

তো বন্ধুরা এই ছিল আজকে টিউন। আশাকরি বুঝতে পেরেছেন। ভালো লাগলে অবশ্যই জোসস দিবেন। কিছু বলার থাকলে টিউমেন্ট করে জানাবেন। আর ফলো করবেন, যদি আমার টিউন গুলো পড়তে ভালো লেগে থাকে। আজকের মতো বিদায় নিচ্ছি। আপনার সময় অনেক অনেক ভালো কাটুক। আমিন।

Level 6

আমি মো. তানজিন প্রধান। ১ম বর্ষ, বগুড়া আজিজুল হক কলেজ, গাইবান্ধা। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 1 বছর 10 মাস যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 87 টি টিউন ও 63 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 23 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 4 টিউনারকে ফলো করি।

কখনো কখনো হারিয়ে যাই চিন্তার আসরে, কখনোবা ভালোবাসি শিখতে, কখনোবা ভালোবাসি শিখাতে, হয়তো চিন্তাগুলো একদিন হারিয়ে যাবে ব্যাস্ততার ভীরে। তারপর ব্যাস্ততার ঘোর নিয়েই একদিন চলে যাব কবরে।


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস