রাত দুইটায় ফোনের স্ক্রিন নিজে থেকে জ্বলে উঠল। সকালে দেখলেন ডেটা শেষ, ব্যাটারি ৪০% গায়েব, আর ফেসবুকে আপনার নামে একটা টিউন, যেটা আপনি করেননি। এই অবস্থায় আমরা সাধারণত দুটোর একটা করি — হয় ভয় পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ফোন ফরম্যাট মেরে দিই, নয়তো কিছুই হয়নি ভেবে চুপ করে থাকি। দুটোই ভুল সিদ্ধান্ত। ফরম্যাট দিলে প্রমাণ আর ব্যাকআপ দুটোই হারায়, আর চুপ থাকলে আক্রমণকারী মাসের পর মাস আপনার অ্যাকাউন্টে বসে থাকে।
আসল কথা হলো, ফোন হ্যাক হওয়া কোনো রহস্যময় ঘটনা নয়। এটা নির্দিষ্ট কয়েকটা দরজা দিয়েই ঢোকে, আর প্রতিটা দরজা আলাদা করে পরীক্ষা করা যায়। এই টিউনে আমরা ঠিক সেটাই করব — প্রথমে লক্ষণ পড়া, তারপর অ্যাকাউন্ট ও ফোনের ধাপে ধাপে অডিট, তারপর ক্লিনআপ, আর সবশেষে ফোনকে এমনভাবে তালাবন্ধ করা যাতে দ্বিতীয়বার একই ঘটনা না ঘটে। সময় লাগবে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট, একটাও পেইড অ্যাপ লাগবে না।
চিকিৎসার আগে রোগ চেনা দরকার। সাধারণ ব্যবহারকারীর ক্ষেত্রে যা ঘটে, তা মূলত এই পাঁচ ভাগে পড়ে।
এখানে আপনার ফোনে কোনো ভাইরাসই ঢোকে না। আপনি একটা নকল লগইন পেজে পাসওয়ার্ড দিয়েছেন, অথবা ফ্রি ডেটা জিতেছেন ধরনের লিংকে ক্লিক করে কোনো থার্ড পার্টি অ্যাপকে গুগল বা ফেসবুক অ্যাকাউন্টের অ্যাক্সেস দিয়ে দিয়েছেন। আক্রমণকারী আপনার অ্যাকাউন্টে বসে আছে, ফোনে নয়। তাই এই ক্ষেত্রে ফোন ফরম্যাট করে কোনো লাভ হয় না।
মডেড গেম, প্রিমিয়াম আনলকড অ্যাপ, ভিডিও ডাউনলোডার, ভুয়া লোন অ্যাপ। এসব ফাইলে ব্যাংকিং ট্রোজান ঢুকিয়ে দেওয়া থাকে। প্লে স্টোরের বাইরের অ্যাপ মানেই খারাপ নয়, কিন্তু র্যান্ডম ওয়েবসাইট বা টেলিগ্রাম চ্যানেল থেকে নামানো APK মানেই ঝুঁকি।
এটাই এখনকার সবচেয়ে ভয়ংকর কৌশল। ম্যালিশিয়াস অ্যাপ আপনাকে বোঝায় যে কাজ করতে অ্যাক্সেসিবিলিটি সার্ভিস অন করতে হবে। অন করার পর সে আপনার স্ক্রিন পড়তে পারে, নিজে থেকে বাটনে ট্যাপ করতে পারে, আর নোটিফিকেশনে আসা OTP আপনার চোখে পড়ার আগেই ব্যবহার করে ফেলতে পারে। কোনো পাসওয়ার্ড না জেনেও এভাবে টাকা সরিয়ে নেওয়া সম্ভব।
প্রতারক কাস্টমার কেয়ার পরিচয়ে ফোন করে আপনাকে একটা কোড ডায়াল করায়। ওই কোড আপনার কল বা SMS তার নম্বরে ফরওয়ার্ড করে দেয়। এরপর সে আপনার নম্বর ব্যবহার করে একের পর এক অ্যাকাউন্ট রিকভার করতে থাকে।
পরিচিত কেউ আপনার পিন জানে এবং ফোনে ট্র্যাকিং অ্যাপ বসিয়ে দিয়েছে, যেটা অ্যাপ ড্রয়ারে আইকন লুকিয়ে রাখে। এই ধরনের অ্যাপ প্লে স্টোরের স্ক্যানে অনেক সময় ধরা পড়ে না, কারণ সেগুলো কাগজে কলমে প্যারেন্টাল কন্ট্রোল হিসেবে বিক্রি হয়।
মনে রাখুন, দরজা আলাদা মানে সমাধানও আলাদা। শুধু একটা অ্যান্টিভাইরাস ইনস্টল করে ক আর ঘ ধরনের আক্রমণ ঠেকানো যাবে না।
যেগুলো আসলে হ্যাকের লক্ষণ নয়: ফোন গরম হওয়া, ব্যাটারি দ্রুত শেষ হওয়া আর ফোন স্লো হওয়া। এই তিনটার প্রায় সব ক্ষেত্রেই কারণ সাধারণ সফটওয়্যার আপডেট, ব্যাকগ্রাউন্ড সিংক আর ব্যাটারির স্বাভাবিক ক্ষয়। কেন, তা আমি আলাদা করে দুটো টিউনে বিস্তারিত লিখেছি — ফোনের ব্যাটারি হেলথ কেন দ্রুত কমে যায় এবং RAM Cleaner ও Battery Saver অ্যাপ আসলে কী করে। আগে এই স্বাভাবিক কারণগুলো বাদ দিন, তারপর সিকিউরিটি নিয়ে সন্দেহ করুন।
সন্দেহ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফোন ফরম্যাট দেবেন না। বদলে নিচের ক্রম মানুন, কারণ ভুল ক্রমে কাজ করলে আক্রমণকারীই সুবিধা পায়।
আগেই বলেছি, বেশিরভাগ ফোন হ্যাক আসলে অ্যাকাউন্ট হ্যাক। তাই সবচেয়ে বেশি সময় এখানেই দিন। ব্রাউজারে myaccount.google.com/security-checkup খুলে চারটা জিনিস মিলিয়ে দেখুন।
সঙ্গে Gmail এর Settings এ গিয়ে Filters and blocked addresses আর Forwarding ট্যাব দেখুন। অনেক সময় আক্রমণকারী একটা ফিল্টার বানিয়ে রাখে, যাতে ব্যাংকের সব মেইল সোজা ট্র্যাশে চলে যায় এবং আপনি টেরই না পান। এটা অত্যন্ত সাধারণ কিন্তু প্রায় কেউ চেক করে না।
এবার ফোনের সেটিংসে ঢুকে এই নয়টা জায়গা এক এক করে পরিষ্কার করুন। মেনুর নাম ব্র্যান্ড অনুযায়ী কিছুটা আলাদা হতে পারে, তবে সেটিংসের সার্চ বারে কীওয়ার্ড লিখলেই পেয়ে যাবেন।
| ক্রম | কোথায় যাবেন | কী দেখবেন |
|---|---|---|
| ১ | Play Store, প্রোফাইল আইকন, Play Protect, Scan | ম্যালওয়্যার স্ক্যান ও harmful app ওয়ার্নিং |
| ২ | Settings, Accessibility, Downloaded apps | অচেনা অ্যাপের অ্যাক্সেসিবিলিটি সার্ভিস অন থাকলে এখনই বন্ধ করুন |
| ৩ | Settings, Apps, Special app access, Device admin apps | অচেনা অ্যাপ অ্যাডমিন হয়ে বসে আছে কি না, এরা আনইনস্টল ব্লক করে |
| ৪ | Special app access, Notification access | কে আপনার নোটিফিকেশন অর্থাৎ OTP পড়তে পারছে |
| ৫ | Special app access, Display over other apps | ওভারলে দিয়ে নকল লগইন স্ক্রিন দেখানোর ক্ষমতা |
| ৬ | Special app access, Install unknown apps | সব ব্রাউজার ও ফাইল ম্যানেজারের জন্য বন্ধ রাখুন |
| ৭ | Settings, Network, VPN ও Private DNS | আপনি সেট করেননি এমন VPN প্রোফাইল বা DNS হোস্টনেম |
| ৮ | Settings, Apps, Default apps | ডিফল্ট SMS বা ব্রাউজার অ্যাপ বদলে গেছে কি না |
| ৯ | Settings, Security and privacy, Device unlock | অচেনা কোনো ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস ডেটা যোগ করা আছে কি না |
দুই আর চার নম্বর পয়েন্ট সবচেয়ে বেশি অবহেলিত এবং সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর। কোনো অ্যাপ আনইনস্টল করতে না পারলে আগে তিন নম্বর থেকে তার ডিভাইস অ্যাডমিন অধিকার বাতিল করুন, তারপর আনইনস্টল করুন। একেবারে জেদি অ্যাপ হলে ফোন Safe Mode এ বুট করুন — পাওয়ার বাটন চেপে ধরে Power off অপশনে লং প্রেস করলে Safe Mode এর সুযোগ আসে — সেখানে থার্ড পার্টি অ্যাপ চলে না, তাই আনইনস্টল সহজ হয়।
Settings, Security and privacy, Privacy, Permission manager এ ঢুকে চারটা পারমিশন ধরে ধরে দেখুন — Location, Camera, Microphone এবং Files বা Photos। নিয়ম খুব সহজ, যে অ্যাপের কাজের সঙ্গে পারমিশনের সম্পর্ক নেই, তাকে Don't allow দিন। ক্যালকুলেটরের লোকেশন লাগে না, টর্চ অ্যাপের কন্ট্যাক্ট লাগে না।
লোকেশনের ক্ষেত্রে Precise location বন্ধ করে Approximate দিলে বেশিরভাগ অ্যাপ ঠিকঠাক চলে। Privacy Dashboard এ গত ২৪ ঘণ্টায় কোন অ্যাপ কতবার ক্যামেরা ও মাইক ব্যবহার করেছে তার টাইমলাইন পাবেন, প্রমাণ সংগ্রহের জন্য এটাই সবচেয়ে ভালো জায়গা। সঙ্গে তিন মাস ধরে না খোলা অ্যাপগুলো মুছে দিন, কারণ অ্যাটাক সারফেস যত ছোট থাকে তত ভালো।
এই ফিচারটার কথা বাংলা ইন্টারনেটে প্রায় কেউ বলে না, অথচ এটা এখন অ্যান্ড্রয়েডের সবচেয়ে শক্তিশালী সুরক্ষা। এটা একটাই সুইচ, যা একসঙ্গে ডজনখানেক সিকিউরিটি সেটিং চালু করে দেয়। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, একবার চালু করার পর কোনো ম্যালওয়্যার বা প্রতারক ফোনে বসেও সেগুলো আলাদা করে বন্ধ করতে পারে না। এটাকেই বলা হয় ডিফেন্স ইন ডেপথ।
| ক্ষেত্র | সুরক্ষা | কাজ |
|---|---|---|
| অ্যাপ | Google Play Protect | সবসময় চালু থাকবে, কেউ বন্ধ করতে পারবে না |
| অ্যাপ | Unknown Apps | বাইরের সোর্স থেকে APK ইনস্টল ও আপডেট ব্লক |
| অ্যাপ | Memory Tagging Extension | সাপোর্টেড অ্যাপে মেমোরি করাপশন হামলা প্রতিরোধ |
| অ্যাপ | Accessibility tools | কেবল ভেরিফায়েড অ্যাক্সেসিবিলিটি টুল চলবে |
| ডিভাইস | Theft Detection Lock | চুরির মতো নড়াচড়া টের পেলে ফোন নিজেই লক হয় |
| ডিভাইস | Offline Device Lock | দীর্ঘ সময় অফলাইন থাকলে আনলক করা ফোন নিজেই লক হয় |
| ডিভাইস | Inactivity Reboot | ৭২ ঘণ্টা লক থাকলে অটো রিবুট, ডেটা অপাঠ্য হয়ে যায় |
| ডিভাইস | USB Protection | স্ক্রিন লক থাকলে USB দিয়ে অননুমোদিত অ্যাক্সেস বন্ধ |
| ডিভাইস | Failed Authentication Lock | বার বার ভুল চেষ্টা হলে ফোন লক |
| ডিভাইস | Watch Unlock | কাছে ঘড়ি থাকলেই অটো আনলক হওয়া বন্ধ |
| মেসেজ | Spam and Scam Protection, Unsafe Links, Scam Detection | প্রতারণামূলক বার্তা ও অজানা লিংকে সতর্কবার্তা |
| নেটওয়ার্ক | 2G Network Protection | দুর্বল 2G নেটওয়ার্কে কানেকশন বন্ধ |
| কল | Caller ID and Spam, Automatic Call Screen | স্প্যাম কল শনাক্ত, সাপোর্টেড অঞ্চলে অটো স্ক্রিনিং |
| ওয়েব | Safe Browsing Live, HTTPS enforce, JavaScript optimizer off, WebGPU off | ফিশিং সাইট ব্লক ও ব্রাউজারের আক্রমণ পৃষ্ঠ ছোট করা |
| তদন্ত | Intrusion Logging | এনক্রিপ্টেড সিকিউরিটি লগ, প্রয়োজনে ফরেনসিক |
বাস্তব ট্রেড অফও জেনে রাখুন। বাইরের সাইট থেকে APK ইনস্টল করা আর সম্ভব হবে না। যেখানে কেবল 2G কাভারেজ আছে, সেখানে কল নাও যেতে পারে। MTE চালু থাকলে কিছু অ্যাপ একটু ধীর মনে হতে পারে। যাঁরা মডেড অ্যাপ ব্যবহার করেন তাঁদের জন্য এটা অস্বস্তিকর, কিন্তু ঠিক সেই কারণেই এটা কাজ করে। আর যাঁদের ফোন Android 16, তাঁরা একই পেজের নিচে Apps that checked for Device protection অংশে দেখতে পারবেন কোন কোন অ্যাপ আপনার সুরক্ষার স্টেটাস যাচাই করেছে।
পাসওয়ার্ড চুরি করা যায়, পাসকি যায় না। কারণ পাসকির প্রাইভেট কি আপনার ডিভাইস ছেড়ে কোথাও যায় না, আর সেটা নির্দিষ্ট ডোমেইনের সঙ্গে বাঁধা থাকে বলে নকল সাইট তাকে বোকা বানাতে পারে না। তাই আগে গুগল অ্যাকাউন্টে একটা পাসকি বানিয়ে নিন, তারপর যেসব সার্ভিস সাপোর্ট করে সেখানেও।
যেখানে পাসকি নেই, সেখানে তিন স্তরের নিয়ম মানুন। এক, প্রতিটা গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টে আলাদা ও লম্বা পাসওয়ার্ড, যা একটা পাসওয়ার্ড ম্যানেজারে রাখবেন। দুই, দুই ধাপের ভেরিফিকেশনে SMS এর বদলে অথেনটিকেটর অ্যাপ বা সিকিউরিটি কি ব্যবহার করুন, কারণ SMS সিম সোয়াপে হারিয়ে যায়। তিন, রিকভারি কোড প্রিন্ট করে বা লিখে অফলাইনে রাখুন। মনে রাখবেন, ফোন হারালে অথেনটিকেটর অ্যাপও হারায়, তখন এই কোডগুলোই আপনার একমাত্র রাস্তা।
যদি ম্যালওয়্যার পাওয়া যায় বা ফোনের আচরণ কোনোভাবেই স্বাভাবিক না হয়, তাহলে ফ্যাক্টরি রিসেটই সবচেয়ে নিশ্চিত সমাধান। কিন্তু ক্রমটা গুরুত্বপূর্ণ, নাহলে রিসেটের পর ম্যালওয়্যার আবার ফিরে আসে।
আগে থেকেই প্রস্তুতি নিন। Settings, Security, Find Hub এ গিয়ে Allow device to be located চালু আছে কি না দেখুন। এটা চালু থাকলে হারানো ফোন রিং করানো, লোকেট করা, লক করা এবং দূর থেকে সব ডেটা মুছে ফেলা যায়। ফোন হারালে অন্য ডিভাইসের ব্রাউজারে Find Hub খুলে নিজের অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করুন, তারপর প্রথমে Secure device দিয়ে লক করুন এবং কেবল আশা ছেড়ে দিলে Erase দিন, কারণ মুছে ফেলার পর আর ট্র্যাক করা যায় না।
সঙ্গে দুটো কাজ করে রাখুন — ফোনের IMEI নম্বর আলাদা করে লিখে রাখুন, আর হারানোর পর দ্রুত থানায় জিডি করুন ও অপারেটরকে জানিয়ে সিম বন্ধ করান। সিম চালু থাকলে আপনার সব OTP চোরের হাতে যাবে, ফোনের দামের চেয়ে সেই ক্ষতি অনেক বড়।
| কখন | কাজ |
|---|---|
| প্রতিদিন | অচেনা লিংকে ক্লিক না করা, OTP কারো সঙ্গে শেয়ার না করা |
| সপ্তাহে একবার | Play Protect স্ক্যান, নতুন ইনস্টল হওয়া অ্যাপের তালিকা দেখা |
| মাসে একবার | গুগল সিকিউরিটি চেকআপ, থার্ড পার্টি অ্যাপ অ্যাক্সেস, অব্যবহৃত অ্যাপ মুছে ফেলা |
| তিন মাসে একবার | গুরুত্বপূর্ণ পাসওয়ার্ড পরিবর্তন, রিকভারি তথ্য যাচাই, ব্যাকআপ পরীক্ষা |
না। Play Protect আর Advanced Protection একসঙ্গে যা করে, বেশিরভাগ পেইড অ্যাপ তার চেয়ে বেশি কিছু দেয় না। উল্টো অনেক ফ্রি ক্লিনার অ্যাপ নিজেই বিজ্ঞাপণ আর ট্র্যাকার বসিয়ে রাখে।
সাধারণ অ্যাপ ম্যালওয়্যার যায়। কিন্তু যদি সমস্যাটা অ্যাকাউন্ট লেভেলে হয়, রিসেট দিয়ে কোনো লাভ নেই, কারণ আক্রমণকারী আপনার অ্যাকাউন্টে বসে আছে। তাই আগে অ্যাকাউন্ট অডিট, পরে রিসেট।
এখন প্রায় সব সাইট HTTPS ব্যবহার করে, তাই ট্রাফিক পড়া কঠিন। তবু পাবলিক নেটওয়ার্কে ব্যাংকিং না করাই ভালো, আর ফোনের অটো কানেক্ট অপশন বন্ধ রাখুন। ঘরের নেটওয়ার্ক আর DNS ঠিকভাবে সাজানোর ব্যাখ্যা DNS আসলে কীভাবে কাজ করে টিউনে পাবেন।
রুট করা বা কাস্টম রম চালানো ফোনে Advanced Protection এর অনেক সুরক্ষা কাজ করবে না, কারণ ওগুলো ভেরিফায়েড বুটের ওপর নির্ভর করে। নিরাপত্তা যদি অগ্রাধিকার হয়, রুট করা থেকে বিরত থাকুন।
সম্ভব। অ্যাক্সেসিবিলিটি বা নোটিফিকেশন অ্যাক্সেস পাওয়া ম্যালওয়্যার নিজেই OTP পড়ে নিতে পারে। এজন্যই পাঁচ নম্বর সেকশনের দুই আর চার নম্বর পয়েন্ট সবচেয়ে জরুরি।
নিরাপত্তা কোনো একবারের কাজ নয়, এটা অভ্যাস। আজ ৩০ মিনিট খরচ করে অ্যাকাউন্ট অডিট, পারমিশন ডায়েট আর Advanced Protection — এই তিনটা কাজ শেষ করে ফেলুন। এরপর মাসে একবার দশ মিনিট দিলেই যথেষ্ট। মনে রাখবেন, আক্রমণকারীর সবচেয়ে বড় অস্ত্র প্রযুক্তি নয়, আমাদের তাড়াহুড়ো।
আপনার পালা। এই চেকলিস্ট ধরে ফোন পরীক্ষা করে কী পেলেন, কোনো অচেনা অ্যাপ বা অ্যাক্সেসিবিলিটি সার্ভিস ধরা পড়ল কি? আর আপনার ফোনে Advanced Protection অপশনটা আছে কি না, ফোনের মডেল সহ টিউমেন্টে জানান। কোনো ধাপে আটকে গেলে লিখুন, আমি ধরে ধরে সমাধান বলে দেব।
আমি নাছিরুল হক। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 2 দিন 23 ঘন্টা যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 19 টি টিউন ও 0 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 0 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 0 টিউনারকে ফলো করি।
আমি নাছিরুল হক। প্রোগ্রামিং আর প্রযুক্তি নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করতে ভালোবাসি। টেকটিউনসে মূলত Java প্রোগ্রামিং নিয়ে ধাপে ধাপে হাতে কলমে টিউটোরিয়াল লিখি — JDK ইনস্টল ও এনভায়রনমেন্ট সেটআপ থেকে শুরু করে IntelliJ IDEA, Exception Handling, OOP, Java Swing ও ফাইল হ্যান্ডলিং পর্যন্ত। এছাড়া স্মার্টফোন, ব্যাটারি ও নেটওয়ার্ক নিয়ে সহজ ভাষায় ব্যাখ্যামূলক...