ক্রিপ্টোট্রেড ওয়ার্ল্ডে ব্যবহৃত সেরা ৫ টি টার্মস – ক্রিপ্টোট্রেডারদের ব্যবহৃত লাভজনক ওয়ার্ড

Level 4
Sonic টিউনার, টেকটিউনস, গাইবান্ধা, রংপুর

আসসালামু আলাইকুম। টেকটিউনস ওয়েবসাইটের নতুন আরো একটি টিউনে আপনাকে স্বাগতম। আমি স্বপন আছি আপনাদের সাথে, আশাকরি সকলেই অনেক অনেক ভালো আছেন। স্বাগতম সবাইকে সেরা ৫টি লাভজনক ক্রিপ্টোট্রেড ওয়ার্ডে! ক্রিপ্টোট্রেড ওয়ার্ড আপনার কাছে শুধুমাত্র ২ টি শব্দ মনে হলেও একজন ক্রিপ্টোট্রেডারের কাছে তা স্বপ্ন। ক্রিপ্টোট্রেড ওয়ার্ড মোটেও একটি সহজ বিষয় নয়। ক্রিপ্টোট্রেড ওয়ার্ড একটি জটিল মাধ্যম। ক্রিপ্টোট্রেডারদের কাছে ক্রিপ্টোট্রেড ওয়ার্ড অনেক গ্রুরুত্বপূর্ন বিষয়। কেনো ক্রিপ্টোট্রেড ওয়ার্ড ক্রিপ্টোট্রেডারদের কাছে অনেক বেশি গ্রুরুত্বপূর্ন তা জানবো, আর সেই সাথে জানবো ক্রিপ্টোওয়ার্ল্ডে ব্যবহৃত সেরা ৫ টি ওয়ার্ড টার্মস। যেগুলো ক্রিপ্টোট্রেডারদের কাছে অনেক বেশি জনপ্রিয়।

বর্তমানে অনালাইনে অনেক বড়ো অ্যামাউন্ট অথবা অনেক গোপনীয় লেনদেন করার জন্য ক্রিপ্টো কারেন্সি ব্যবহার করা হয়। এই ক্রিপ্টো কারেন্সি লেনদেনের হিসাব হাতে হয় না। ক্রিপ্টো কারেন্সি একটি অনলাইন ডিজিটাল মুদ্রা যা কেবল মাত্র একটি সংখ্যা। বর্তমানে প্রায় সকল কাজের ক্ষেত্রেই আপনি এই ডিজিটাল মুদ্রা অথ্যাত ক্রিপ্টো কারেন্সি ব্যবহার করে আপনার লেনদেন সম্পূর্ণ করতে পারবেন। ক্রিপ্টো কারেন্সি টাকার পরিমাণ সাধারণ হাতে ধরা, ছোঁয়া টাকার মানের থেকেও অনেক বেশি হয়। তাই দিন দিন ক্রিপ্টো কারেন্সির জনপ্রিয়তা প্রায় আকাশ ছোঁয়া ভাবেই বেড়ে যাচ্ছে। তো চলুন এবার জেনে নেই কেনো ক্রিপ্টোট্রেডারদের কাছে কেনো ক্রিপ্টোট্রেড ওয়ার্ড অনেক বেশি গ্রুরুত্বপূর্ন।

ক্রিপ্টোট্রেড ওয়ার্ড কেনো বেশি গুরুত্বপূর্ণ?

অনলাইনে ক্রিপ্টো কারেন্সি ইনকামের জনপ্রিয় একটি মাধ্যম হলো ক্রিপ্টোট্রেড। সেই সাথে যে ব্যক্তি ক্রিপ্টোট্রেড করে তাকে অনলাইনের ভাষায় বলা হয় ক্রিপ্টোট্রেডার। একজন ক্রিপ্টোট্রেডার যখন তার ক্রিপ্টো কারেন্সি বৃদ্ধির আশায় ক্রিপ্টোট্রেড করে তখন তাকে প্রচুর মেধা খাটাতে হয়। টিউনের শুরুতেই বলছিলাম, ক্রিপ্টোট্রেড একটি জটিল বিষয়। না জেনে না বুজে ক্রিপ্টো কারেন্সি ট্রেড করলে আপনি অনেক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। ক্রিপ্টোতে ইনভেস্ট করার আগে একজন ক্রিপ্টো ট্রেডারের অনেক বেশি ভাবনা চিন্তা করেই ট্রেড করতে হয়। কারণ জনপ্রিয় এই অনলাইন ক্রিপ্টো কারেন্সি দাম প্রতি সেকেন্ডে সেকেন্ডে পরিবর্তন হয়।

ক্রিপ্টোট্রেডারদের ক্রিপ্টোট্রেড ওয়ার্ড অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিষয়গুলো আস্তে আস্তে আরো ভালো করে ক্লিয়ার করবো। একসাথে সব বলে গন্ডগোল পাকাবো না। তাই আপনাদের এমন ভাবে বোঝাচ্ছি যাতে আপনাদের মাথায় সুন্দর করে বিষয়গুলো আটকে যেতে পারে। যাতে যারা ট্রেড এর বিষয়ে নতুন, ট্রেড করবেন ভাবছেন তারাও বিষয়গুলো সুন্দর করে বুঝতে পারে। ক্রিপ্টোতে ট্রেড করতে চাওয়ার কমন একটি সমস্যা হলো ক্রিপ্টোট্রেড ওয়ার্ড। ক্রিপ্টোতে ট্রেডিং করার সময় যে ওয়ার্ডগুলো অনেক বেশি ব্যবহার হয় সেগুলো বেশ জটিল ধাঁধার মতো ওয়ার্ড। অনেকেই আছে যারা এই ক্রিপ্ট ওয়ার্ডগুলো মোটামুটি বুঝতে পারেন কিন্তু মেইন বিষয়টি রিয়েলাইজ করতে পারেন না।

ক্রিপ্টোওয়ার্ল্ডে অনেক বড়ো বড়ো ক্রিপ্টোট্রেডার জনপ্রিয় এই ক্রিপ্টোট্রেড ওয়ার্ডগুলো ফলো করে চলেন। ক্রিপ্টোট্রেড করে সফল হতে চাইলে ক্রিপ্টোট্রেড ওয়ার্ড ভালো করে অ্যানালাইসিস না করে এগোনো সব থেকে বড়ো বোকামি। তাই আমি পারসোনালি আপনাদের সাজেস্ট করবো আপনারা যারা ক্রিপ্টোতে ট্রেড করতে চাচ্ছেন তারা অবশ্যই আজকের এই জনপ্রিয় ৫ টি ক্রিপ্টোট্রেড ওয়ার্ড গুলো ফলো করবেন। এতে আপনার ক্রিপ্টোতে ট্রেড লাভের অংশ অনেক বেশি থাকবে। তো চলুন আর কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক আমাদের আজকের টিউন - ক্রিপ্টোট্রেড ওয়ার্ল্ডে ব্যবহৃত সেরা ৫ টি টার্মেস।

1. Moonbag

আপনি যদি নিয়মিত ক্রিপ্টোট্রেডারদের টেকনিকগুলো অনুসরণ করেন, তাহলে আপনি হয়ত Moonbag নামের শব্দটি শুনে থাকবেন। যদিও না শুনে থাকেন সমস্যা নাই। এখানে আমরা Moonbag শব্দটি সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা নেওয়ার চেষ্টা করবো। অনলাইনে আপনি হয়ত অনেক অ্যাডস এর ক্ষেত্রেই দেখবেন "এই কয়েনটি তাড়াতাড়ি সংগ্রহ করে রাখন এই কয়েনটি Moonbag কয়েন হতে পারে" এসব মূলত লোভনীয় অ্যাড হিসাবেই পরিচিত। আপনি হয়ত Moonbag সম্পর্কে কিছুই জানেন না, তাই এইরকম অ্যাড দেখেও আপনি রেসপন্স করেন নাই। তবে আপনি হয়ত জানলে অবাক হবেন যে, Moonbag সম্পর্কে একই কথা একজন প্রফেশনাল ট্রেডার জানতে পারলে সে অবশ্যই বিষয়টি নিয়ে নাড়াচাড়া করে দেখতো। কেনো দেখতো তা আপনারা একটু পরেই বুঝতে পারবেন।

Moonbag কোনো স্পেশাল জিনিস নয়৷ এটি সহজ ভাষায় আপনার কপাল বলতে পারেন। মনে করুন, আজকে আপনি ১ টি বিটকয়েন ৫ টাকায় কিনলেন (শুধুমাত্র উদাহরণ এর জন্য ব্যবহার হচ্ছে)। বিটকয়েন কেনার আগে ভাবলেন আজকে আমি এই ১ টি বিটয়েন ৫ টাকায় কিনে আমার কাছে রেখে দিলে ১ বছর পর সেই বিটকয়েন আপনি ৭ টাকায় অথবা ১০ টাকায় বিক্রি করতে পারবেন। তাহলে এখানে মূল কথা হলোঃ আপনি ৫ টাকায় কিনে ১ বছর পর ১০ টাকায় বিক্রি করলে আপনার ৫ টাকা লাভ হয়। মূলত এই লাভের আশায় ক্রিপ্টো কারেন্সি কিনে নিজের কাছে স্টোক করে রাখাকেই Moonbag বলা হয়।

লাভের আশায় ক্রিপ্টো কারেন্সি কিনে নিজের কাছে হোল্ড করে অথবা জমা করে রাখা অনেক রিস্কের কাজ। কেনো রিস্কের সেটা বুঝুন, আপনি বর্তমানে ৫ টাকায় ক্রিপ্টো কারেন্সি কিনলেন। ১ বছর পর মার্কেটে তার ভেলু কমে হলো ৩ টাকা। এখন আপনার লস হলো ২ টাকা। এখানে শুধুমাত্র উদাহরণ দেওয়ার জন্য এই সামান্য টাকার হিসাবে বোঝানো হলো। Moonbag আপনাকে মুহূর্তের মধ্য ধনী বানিয়ে দিতে পারে। আবার মুহূর্তের মধ্য দেউলিয়া বানাতে পারবে। আপনার ভাগ্যে ধনী অথবা দেউলিয়া যাই থাকুক সব আপনার কপালে থাকবে। মূলত এই রিস্ক নেওয়াই হলো Moonbag হয়ত ধনী নয়তো দেউলিয়া।

2. Bridging

আপনি যদি একাধিক ক্রিপ্টো কারেন্সি নিয়ে কাজ করেন তাহলে আপনি এই Bridging শব্দটির সাথে পরিচিত। যদি আপনি নতুন হয়ে থাকেই তাহলেও এই Bridging কি জিনিস জানতে পারবেন। একটু অপেক্ষা করুন।  Bridging হলো দুটি আলাদা যেমনঃ Bitcoin Blockcain Or Litecoin Blockcain এসব আলাদা আলাদা ব্লকচেইন নেটওয়ার্ক এক করা। এই বিষয়টি হয়ত আপনি বুঝতে পারলেন না। তো চলুন বিষয়টি আরো সহজভাবে বলি, বিকাশ আর নগদ দুটি আলাদা আলাদা মানি ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম। তবে আপনি হয়ত জানেন বিকাশ অথবা নগদে টাকা লেনদেন সিস্টেম E-Money সিস্টেমে হয়ে থাকে অথ্যাত ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সার মাধ্যমে হয়ে থাকে। এখানে মুখ্য বিষয়টি হলো বিকাশ অথবা নগদ তাদের মানি ট্রান্সফার সিস্টেম E-Money সিস্টেম। তবে তাদের অবস্থান অথবা ব্যবহার করা নেটওয়ার্ক ও সার্ভার আলাদা। Bridging মূলত এই বিষয়টিকেই বুঝানো হয়।

আপনি বাংলাদেশ থেকে E-Money হিসাবে টাকার বদলে ডলার এক্সচেঞ্জ করে নিতে পারবেন। আবার আপনি চাইলে ডলার এক্সচেঞ্জ করেও আপনার চাহিদা অনুযায়ী ব্যালেন্সে কনভার্ট করতে পারবেন। এই সকল সিস্টেম মূলত Bridging পদ্ধতি অনুসরণ করেই হয়। ঠিক এই পদ্ধতিগুলোর মতো অনলাইনে E-Money হিসাবে অবস্থান করা বিভিন্ন ক্রিপ্টো কারেন্সি সহজেই এক্সচেঞ্জ করে চাহিদামতো ফিজিক্যাল ব্যালেন্সে পরিণত করা যায়। Bridging সিস্টেমে ক্রিপ্টো কারেন্সি কনভার্ট করা হয়ে থাকে।

3. Marketcap

Marketcap ক্রিপ্টো কারেন্সি ট্রেডারদের কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আপনি নতুন হিসাবে ক্রিপ্টো কারেন্সি ট্রেডারদের কাছে পরামর্শ চাইতে গেলে তারা আপনাকে প্রথমেই বলবে Marketcap অ্যানালাইসিস করুন। Marketcap অ্যানালাইসিস না করলে আপনি সেই ক্রিপ্টো কারেন্সির ভলিউম সম্পর্কে জানবেন না। যার ফলে ট্রেড করলে Marketcap অনেক বেশি লস হয়ে যাবে। Marketcap হলো মোট ক্রিপ্টো কারেন্সি সাপ্লাইয়ের বাজার মূল্যের গুণফল। তো চলুন উদাহরণ দিয়ে এই জটিল বিষয়টি আরো একটু সহজ করে দেই।

মনে করুন, অনলাইনে ৫ টি বিটকয়েন আছে প্রতিটি বিটকয়েন মূল্য ২ টাকা। এখন অনালাইনে থাকা সেই মোট ৫ টি বিটকয়েনের মূল্য হবে ৫×২=১০ টাকা। আশাকরি এই Marketcap বিষয়টি আপনি বুঝতে পারলেন আর খুব ভালো করেই আন্দাজ করতে পারছেন যে Marketcap অ্যানালাইসিস করে ট্রেড করা অনেক বেশিই গুরুত্বপূর্ণ। আপনার মাঝে Marketcap অ্যানালাইসিস করার ঘাটতি থাকলে আপনি ক্রিপ্টো কারেন্সি ট্রেড খুব কম সফলতা পাবেন। ক্রিপ্টো কারেন্সি ট্রেড করাতে নিজেকে সফলভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই Marketcap অ্যানালাইসিস এক্সপার্ট হতে হবে।

4. Minting

বিষয়টি পড়ার আগে উপরের দিকে ভালো করে লক্ষ করুন। Minting আর Mining এই দুটি বিষয় সম্পূর্ণ আলাদা। তাই Minting কে Mining ভেবে গন্ডগোল পাকাবেন না। আপনি যদি ক্রিপ্টো কারেন্সি নিয়ে অনেক বেশি ঘাঁটাঘাঁটি করে থাকেন তাহলে Minting শব্দটির সাথে আপনি বেশ ভালোভাবেই পরিচিত। Minting শব্দটি মূলত নিজ থেকে প্রতিটি কয়েনকে আলাদাভাবে পরিচিত করে৷ ক্রিপ্টো কারেন্সি মার্কেটপ্লেসে বর্তমানে অনেকগুলো কয়েন রয়েছে যেমনঃ NFT, Tether, USDT, Solana ইত্যাদি। এইসব টোকেনগুলো প্রতিটি নিজ থেকে আলাদা আলাদা পরিচয়ে তৈরি করার প্রসেস হলো Minting.

তবে বর্তমানে বেশিরভাগ সময়ে NFT তৈরিতেই এই জনপ্রিয় Minting প্রসেস ব্যবহার করা হয়। কারণ কয়েন বানানোর শুরু থেকে খোঁজ নিলে আপনি জানতে পারবেন Minting প্রথম সারির ক্রিপ্টো কারেন্সি প্রসেস৷ তবে ভালো করে মনে রাখবেন, সাধারণ কোন প্রসেসে ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় এই NFT কয়েন বানানো হলে তাকে বলা হবে Minting প্রক্রিয়া। আবার কম্পিউটার ব্যবহার করে জটিল প্রসেসে মার্কেটপ্লেসে নতুন ক্রিপ্টো কারেন্সি বাজারজাত করা হয় তাহলে তাকে বলা হয় Mining প্রক্রিয়া। এটিই মূলত Minting এবং Mining এর মধ্যে পার্থক্য।

5. Crypto Lequidity

আপনার যদি নিয়মিত ক্রিপ্টো কারেন্সি বাজারজাত করণের সাথে সম্পর্ক থেকে থাকে তাহলে আপনি এই Crypto Lequidity শব্দটি শুনে থাকবেন। Crypto আসলে কী তা আমরা উপরের বিস্তারিত আলোচনা থেকে জেনেছি। Lequidity অর্থ হলো তরল। এখানে তরল মানেই স্বাভাবিক তরল বুজাচ্ছে না। Crypto Lequidity বলতে বোজাছে ক্রিপ্টো কারেন্সি বাজারজাত করার পরিবর্তে যেটি সমান। বিষয়টি হয়ত আপনাদের কাছে অনেক বেশি জটিল মনে হচ্ছে৷ তো চলুন একটু উদাহরণ দিয়ে সুন্দর করে বোঝানো যাক।

মনে করুন আপনার কাছে ১ টি পুরোনো মোবাইল ফোন আছে। আপনি আলাদা নতুন ভালো আরো একটি মোবাইল ফোন কিনতে চাচ্ছেন। তাহলে আপনার কাছে থাকা এই পুরোনো মোবাইল ফোনের জন্য আপনি এক্সচেঞ্জ করে পুরোনো ফোন নিবেন না। আপনি এই ফোনের জন্য এমন কিছু নিবেন যাতে আপনি সেটা ইচ্ছামতো কাজে লাগাতে পারেন বা সেই মোবাইল ফোনের সমান হয়। সহজ সমাধান টাকা। তেমনি আপনি আপনার কাছের ক্রিপ্টো কারেন্সি কেনা অথবা বিক্রি করার জন্য সমতুল্য হিসাবে ডলার অথবা অন্যকোনো আন্তর্জাতিক মূল্য সমতুল্য করার নামই হলো Crypto Lequidity. আশাকরি বিষয়টি আপনাদের ভালোভাবে বোঝাতে পেরেছি। ক্রিপ্টো কারেন্সি বাজারজাতকরণে একেকটি ক্রিপ্টো কারেন্সি Crypto Lequidity একেক রকম হয়।

তো বন্ধুরা, ক্রিপ্টোওয়ার্ল্ডে ব্যবহৃত সেরা ৫ টি টার্মস সম্পর্কে জানলাম। আপনি যদি ক্রিপ্টোতে ট্রেড করে সফলতা পেতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই ক্রিপ্টোট্রেড ওয়ার্ড সম্পর্কে আরো বেশি বিস্তারিত জানতে হবে। তবে আপনি যদি একদম নতুন হয়ে থাকেন আর সবে মাত্র এই টিউন দেখেই ট্রেডিং করতে চান তাহলে এই ধরনের কাজ থেকে একদম বিরত থাকুন। ক্রিপ্টোতে ট্রেড মোটেও সহজ কোনো বিষয় নয়।

এক মুহূর্তে আপনার লক্ষ টাকার লোকসান হয়ে যেতে পারে। আর আপনি যদি আগে থেকেই এই বিষয়ে জ্ঞান থেকে থাকে শুধুমাত্র জানার জন্য পোস্টটি পড়ছেন। তাহলে ঠিক আছে। তো আপনি যেহেতু কষ্ট করে, মূল্যবান সময় নষ্ট করে অনেক কিছুই জানলেন তো আরেকটু সময় নষ্ট করে গুরুত্বপূর্ণ আরো একটি বিষয় জেনে নিন। আপনি যদি একজন সফল ক্রিপ্টোট্রেডার হতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই নিচের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি জানতে হবে।

Spot Trading ও Future Trading কী? (২ ধরনের ট্রেড)

Spot trading ও future trading মূলত ২ ধরনের ক্রিপ্টো কারেন্সি ট্রেডিং মাধ্যম। আপনি যদি ক্রিপ্টো কারেন্সি ট্রেড করতে চান তাহলে আপনাকে Spot trading ও future trading সম্পর্কে হালকা হলেও জ্ঞান রাখতে হবে। কারণ ক্রিপ্টো কারেন্সি ট্রেড করতে ইচ্ছুক হলে আপনাকে প্রথম থেকেই অল্প অল্প ঝুঁকি নিয়ে সাহসী হতে হবে। আর কোনো সময় ঝুঁকি নিয়েও সফলতা পাওয়া যায় তা আপনি এই বিষয় থেকেই জানতে পারবেন।

  1. Spot Trading: বর্তমানে ট্রেডারদের কাছে Spot trading বেশ জনপ্রিয় একটি ট্রেডিং মাধ্যম। Spot trading অনেক সহজ হওয়ায় নতুনদের কাছেও শেখার জন্য বেশ জনপ্রিয়। এই ট্রেডিং মূলত ক্রিপ্টো কারেন্সি লাইভ বাজারজাত মূল্যায়ন করে ট্রেড করা হয়। Spot trading ক্রিপ্টো কারেন্সি কোনো রিস্ক নেই। আপনি যতদিন ইচ্ছা ততদিন ক্রিপ্টো কারেন্সি হোল্ড করে রাখতে পারবেন। সবচেয়ে ভালো দিক হলো এখানে ক্রিপ্টো কারেন্সি GAS ফি একদম কম।
  2. Future Trading: আপনারা এই ট্রেডের বানান দেখেই বুজে গেছেন এই ট্রেড বর্তমান বা সাথে সাথে লাভের আশায় কেউ করে না। Future Trading আপনাকে ভবিষ্যতে লাভের আশা নিয়েই ট্রেডিং করতে হয়। এই ট্রেডিং মানব মস্তিষ্কে নিজ থেকেই একপ্রকার হিউম্যান ফিজিক্যালি পেসার অথবা চাপ সৃষ্টি করবে যে, আপনি এই নিদিষ্ট সময়ের মধ্য (অনেকটা চুক্তির মতো) আপনি আপনার চাহিদা মোতাবেক নিদিষ্ট কয়েন কিনবেন। তবে এখানে সবচেয়ে ভালো একটি দিক হলো আপনি আপনার কেনা ক্রিপ্টো কারেন্সি প্রাইস লক করে রাখতে পারবেন। অথ্যাত আপনি আপনার কেনা ক্রিপ্টো কারেন্সিগুলোর মার্কেট প্রাইস কমে গেলেও প্রফিট করতে পারবেন আবার বেড়ে গেলেও প্রফিট করতে পারবেন। তবে এখানে GAS ফি তুলনামূলক অনেক বেশি।

শেষ কথা

আজকের ক্রিপ্টো কারেন্সি ট্রেড ওয়ার্ড নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা টিউনে আমি যতোটা সম্ভব হয়েছে আপনাদের বিস্তারিত বোঝানোর চেষ্টা করেছি। আপনি যদি ক্রিপ্টোতে ট্রেড করে সফলতা পেতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই ক্রিপ্টোট্রেড ওয়ার্ড সম্পর্কে আরো বেশি বিস্তারিত জানতে হবে। আজকের এই টিউনে আমি খুব কম সংখ্যক ক্রিপ্টো কারেন্সি ওয়ার্ড নিয়ে আলোচনা করে। ক্রিপ্টো কারেন্সি ট্রেডিং এমন অনেক ওয়ার্ড আছে যা আমি আপনি জানি না। এক টিউনেই এসব বিস্তারিত আলোচনা করা মোটেও সম্ভব নয়। আপনি এই বিষয় অনলাইনে বিস্তারিত ঘাঁটাঘাঁটি করলে আরো অনেক কিছুই জানতে পারবেন। আজকের বিষয়গুলো নিয়ে কারো কোনো প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই টিউমেন্ট করে জানাবেন। আমি যতোটা পারবো আপনাদের সাহায্য করবো।

তো বন্ধুরা, এই ছিল আমাদের আজকের টিউন, ক্রিপ্টোট্রেড ওয়ার্ল্ডে ব্যবহৃত সেরা ৫ টি টার্মেস | ক্রিপ্টোট্রেড ওয়ার্ল্ডে ব্যবহৃত সেরা ৫ টি লাভজনক ওয়ার্ড! আশাকরি টিউন টি আপনাদের একটু হলেও হেল্পফুল হবে। আজকের মতো এখানেই বিদায় নিচ্ছি, দেখা হবে পরবর্তী টিউনে নতুন কোন বিষয় নিয়ে। ততক্ষণ অবধি সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এবং টেকটিউনস এর সাথেই থাকবেন।

Level 4

আমি স্বপন মিয়া। Sonic টিউনার, টেকটিউনস, গাইবান্ধা, রংপুর। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 1 বছর 3 মাস যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 67 টি টিউন ও 28 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 3 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 0 টিউনারকে ফলো করি।

টেকনোলজি বিষয়ে জানতে শিখতে ও যেটুকু পারি তা অন্যর মাঝে তুলে ধরতে অনেক ভালো লাগে। এই ভালো লাগা থেকেই আমি নিয়মিত রাইটিং করি। আশা করি নতুন অনেক কিছুই জানতে ও শিখতে পারবেন।


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস