ফেসবুক হ্যাকিং এর সেরা ৫ উপায় ! নিজে জানুন এবং জানার জন্য শিখে রাখুন।

দেখুন ভিডিও টিউটেরিয়াল। 

সবাইকে ইদ-উল-ফিতর এর শুভেচ্ছা।

সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভাল আছেন! আর ভাল থাকার কথা সবাই সবার প্রিয়জনদের সাথে নিয়ে ইদ উদযাপন করতেছেন। প্রাথনা করি আপনার আমার   ইদ এর মত যেন সারা বছর কাটে।  😛

কারন, ইদ মানে হাসি, ইদ মানে, খুশি, ইদ মানে আনন্দ, ইদ মানে নতুন জামা, ইদ মানে সালামী 😀 😀

ওহ সবাইকে আসসালামু আলাইকুম (বড়  ভাইয়েরা ইদ এর সালামীটা বিকাশ, পেপাল, অথবা ড্যাচ বাংলাতে পাটিয়ে দিবেন?)  :roll:আর ছোট ভাইয়েরা লম্বা করে সালাম দিয়েন দেখি  ২-৪ টা কা দেওয়া যায় কিনা 😛  

অনেক দিন পর কোন হ্যাকিং রিলেটেড পুস্ট লিখতেছি। আমি অন্য কোন বিষয়ে পুস্ট লিখার চেয়ে  হ্যাকিং রিলেটেড পুস্ট লিখতে বেশি মজা পাই 😀

যাই হক আজকের টিউনের আলচ্য বিষয় হ্যাকিং! ফেসবুক হ্যাকিং এর সেরা ০৫ উপায়। সাথে রয়েছে কি ভাবে এই ৫ উপায়ে আপুনি হ্যাকিং করবেন এবং কিভাবে এই ০৫ হ্যাকিং ইপায় থেকে নিজেকে রক্ষা করবেন। :p]

কিছু কথা -

ফেসবুক হ্যাকিং এখন এত সুজা নয় বা কোন হ্যাকার নেই ফেসবুক ডাইরেক্টলি হ্যাক করবে। কারণ ফেসবুকের কোন দুর্বলতা দেখিয়ে দিতে পারলে ১০ লক্ষ টাকা পুরুস্কার ঘোষণা করেছেন ফেসবুকের সি ই ও Mark Zuckerberg  সো যদি কেও যদি ডাইরকেটলি ফেসবুক হ্যাক করতে পারে তাইলে সেই প্রথম ১০ লক্ষ টাকার মালিক হবে আপনাকে আমাকে বলবে না। তাই এইস সব প্রশ্ন থেকে বিরত থাকবেন  । "ভাই আমি ফেসবুক হ্যাকিং শিখব, আমায় একটা আইডি হ্যাক করে দেন আমি আপনায় প্রয়জনে টাকা দিব কত দিবেন বর জুরে ১০ হাজার? আর হ্যাক করতে পারলে ১০ লক্ষ :p 😛 এখন বুজলেন। তাই এই সব প্রশ্ন থেকে বিরত থাকবেন, আর কাওকে টাকা দিবেন ও না। নাইলে আম সহ আম গাছ যাবে।

 

তবে কি ফেসবুক আইডি হ্যাক করা যায় না? যায় তবে তা ইউজার কে বুকা বানানো বা ইউজার এর ভুল এর সুযোগ নেওয়া। আর আমি আপনাদের সাথে আজ আলোচনা করব ফেসবুক হ্যাকিং এর সেরা ৫ উপায়।

  প্রথমঃ-

 

ফিশিং (pishings)-   

ফিশিং

ফেসবুক হ্যাকিং এর অন্যতম আর সব চেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে ফিশিং।  ফিশিঙে  একজন হ্যাকার  ফেসবুকের লগ ইন পেজ এর মত দেখতে একটি পেজ তৈরি করে, যা একটি নখল  লগইন পেজ। এই ফেইক  লগ ইন পেজ কে ভিক্টিম আসল ফেসবুক পেজ মনে করে লগ ইন করে এবং লগ ইন এর সাথে সাথে ভিক্টিম এর ইমেইল পাসওয়ার্ড চলে যায়  হ্যাকার এর কাছে। 😀

ফিশিং পেইজ দেখতে এই রকম হয়  ➡

ফিশিং পেইজ

ফিশিং সম্পর্কে আর জানতে এখানে ক্লিক করুন।

দ্বিতীয়ঃ-

কিলগিং (keylogging)-

   

ফেসবুক হ্যাকিং এর আরেকটি জনপ্রিয় এবং অন্যতম পদ্ধতি কি লগিং :D।  কি লগিং (keylogging) হচ্ছে খুবই বিপজ্জনক পদ্ধতি, অনেক সময় দেখা যায় কম্পিউটার সম্পর্কে দক্ষ মানুষ ও কি লাগার দ্বারা আক্রান্ত হন। 😀  

 কি লগার যে ভাবে কাজ করেঃ 

এ ক্ষেত্রে  হ্যাকার যে কোন ফাইল বা কোন একটি ছবি  বাইন্ডিং করে  ভিক্টিম এর  কম্পিউটারে সেন্ড করে দেয়,  keylogging  ভিক্টিম এর কম্পিউটারে সকল ধরনের অ্যাক্টিভিটি রেকর্ড করে। যেমন, {ফেসবুক ইমেইল, ইমেইল পাসওয়ার্ড সহ কম্পিউটার এর যাবতীয় কিছু} তারপর  FTP- র দ্বারা বা সরাসরি হ্যাকারের ইমেইল ঠিকানায়  যাবতীয় রেকর্ড  সেন্ড করে।

কি লগার

এর থেকে রক্ষা পাওায়ার উপায়ঃ

কি লগিং থেকে রক্ষা পেতে হলে আপনার কম্পিউটারে সবসময় একটি ভাল এন্টিভাইরাস ব্যবহার করতে হবে। এবং Untrusted ফাইল ব্যবহার পরিহার করার চেষ্টা করুন।

আর জানতে এখানে

৩য়ঃ-

 মোবাইল ফোন হ্যাকিং (mobile phone hacking)-  

বিশ্বের প্রায় ৮৯ শতাংশ মানুষ মোবাইল দিয়ে ফেসবুক ব্যবহার করে। আর মোবাইল দিয়ে  ফেসবুক ব্যবহার কারির মোবাইল যদি হ্যকার ভিক্টিমের মোবাইল  হ্যাক করতে পারে তাহলে হ্যাকার খুব সহজেই সে ভিক্টিম এর ফেসবুক access নিতে পারবে। যদি ভিক্টিম এবং হ্যাকার  একই Network এ থাকে তাহলে হ্যাকার সহজেই DNS Spoofing

DNS Spoofing

  ব্যবহার করে Facebook.com অরজিনাল পেজ কে চেঞ্জ করে ফিশিং  পেজে  রুপান্তর করতে পারবে।

চিত্রঃ- DNS Spoofing

DNS Spoofing ডাউনলোড করতে এখানে কিল্ক করুন  DNS Spoofing নিয়ে ভিডিও দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

৪নাম্বার

 (ইউ এস বি হ্যাকিং) USB Hacking- 

এটা প্রায়  কিলগিং এর মত। এ ক্ষেতে হ্যাকার  তার পেনড্রাইভে এমন একটি প্রোগ্রাম করে রাখে যা ভিক্টিম তার কম্পিউটারে লাগানো মাত্রই আটোমেটিক ইন্সটল হয়ে যায় এবং keyloggingএর মত কাজ করে। তার ফলে ই এস বি এর জন্য হ্যাকার ভিক্টিম এর সকল রেকর্ড পেয়ে যায়।

এটা থেকে রক্কা পাওায়ার উপায়ঃ

ভাল এন্টিভাইরাস ব্যবহার করুন। এবং ইউ এস বি ডুকালে নিয়মিত স্কেন করুন 

৫ম

Stealers  ➡  

Stealers

প্রায় 59% শতাংশ মানুষ,  তাদের ব্রাউজারে পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ করে  রাখেন। কিন্ব্যতু অনেক সময় এই  Stealers  বিপজ্জনক হয়ে উটে :D। Stealers সফটওয়্যার  বিশেষভাবে ভিক্টিমের ব্রাউজারেসংরক্ষিত পাসওয়ার্ডগুলি ক্যাপচার করার জন্য নির্মাণ করা হয়েছে  করা হয়েছে।

 

তাছাড়া, আরো অনেক পদ্ধতি আছে হ্যাকিং এর যেমন, সেশন ছিনতাই,  Sidejacking With Firesheep, . Man In the Middle Attacks, Botnets ইত্যাদি। 

আর কিছু জানতে চাইলে আমায় পাবেন  

আশা করি বুজতে পেরেছেন? 

আগামি টিউনে চেস্টা করব লিখার এই সব পদ্ধিতিতে কি ভাবে আপুনি হ্যাক করবেন?  😮   আমার একটা সমস্যা আমি বুজিয়ে লিখতে পারি না। কিন্তু যত দূর সম্ভব তত দূর চেষ্টা করেছে বুজানোর। বাকিটা আপানদের উপর। কোন সমস্যা হলে আমায় পাবেন ফেসবুকে

 

বিশেষ আকর্ষণঃ-

 

আপনি যদি গল্প পড়তে বা লিখতে ভালবাসেন তাইলে এখানে দেখতে পারেন  

 কম্পিউটার, ব্লগিং, এডসেন্স, এসিও এসব বিষয়ের আরও ইনফরমেশন পাবেন Blogging Tips ওয়েবসাইট এ।

Level 1

আমি কাশিম উদ্দিন মাছুম। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 6 বছর 9 মাস যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 74 টি টিউন ও 225 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 5 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 0 টিউনারকে ফলো করি।


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস

valoi chilo

nice post

ভাই,টিউনটি করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ

vaia Usb diye je fb pasword heck kora jai ki vabe. Mane ki softwar diye. Plz.bolen

দুঃখিত। techtunes কে আবেদন করেছি যাতে আমার পোস্ট টি রিমুভ করে দেয়।